রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ইং, ,

 

base_1506352963-88

পুরনো কাপড় পুনর্ব্যবহারযোগ্য হবে কাঁথায়

যদি নির্দিষ্ট সময় ধরেই বলতে হয়, তবে বলা যায় ছয় মাস বা এক বছর অন্তর অন্তর প্রায় সব বাড়িতেই জমে যায় কিছু পুরনো কাপড়। পুরনো জিন্স, শার্ট, টি-শার্ট, ওড়না বা টাইগুলো একসঙ্গে জমিয়ে রাখা হয়। বলা ভালো, সাধারণ এসব বাজেয়াপ্ত কাপড় বর্জ্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখে তুলনামূলক কম। বর্জ্য কম উৎপাদন যেমন পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ, তেমনি প্রক্রিয়াজাতকরণের উপযুক্ত উপকরণগুলো পুনর্ব্যবহার করতে পারাও সবুজ জীবনযাপনের অংশবিশেষ। তাই পুরনো এসব কাপড় দিয়ে যদি ব্যবহার উপযোগী কাঁথা তৈরি করা যায়, তাহলে একই সঙ্গে পণ্য পুনর্ব্যবহার, বাজেয়াপ্ত থেকে রক্ষা করা ও কেনাকাটার খরচ কমানো— এ তিন ভূমিকায় আপনি থাকতে পারছেন।

পুরনো টি-শার্টের সামনে বা পেছনে যদি কোনো নকশা বা লেখনী থাকে, তাহলে সেগুলোকে নির্দিষ্ট মাপে কেটে সংরক্ষণ করুন। অর্থাত্ আপনার সংগ্রহে যদি পাঁচটি টি-শার্ট থাকে, তাহলে সবগুলোর নকশাকার অংশকে ৫ ইঞ্চি বাই ৫ ইঞ্চি এ মাপে বা এর থেকে বড় মাপে কেটে নিন। উপর-নিচ বা পাশাপাশি রেখে সেলাই করুন। শার্টের ক্ষেত্রে স্ট্রাইপ বা রঙের মিল করে নিতে পারেন। আপনার কাপড়ের ধরনের সামঞ্জস্যও রাখা যেতে পারে। সবগুলো টুকরো তৈরি হয়ে গেলে সেগুলো একসঙ্গে সেলাই করে বানিয়ে ফেলতে পারেন নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের বা আপনার পছন্দের আকারের কাঁথা। এভাবে পুরনো টাই এমনকি টি-শার্টের ট্যাগও কাজে লাগানো সম্ভব নান্দনিক কাজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

এই রকম আরও খবর