দেখতে দেখতে চলে এলো শীত। এই সময় আবহাওয়ায় যুক্ত হয় আর্দ্র আর শুষ্ক বাতাস। সেইসঙ্গে রয়েছে ধুলাবালি। চারদিকের এই ধুলাবালি ঘরের ভেতরের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট করে তেমনই শরীরকেও অসুস্থ করে ফেলে। আর এই অসুস্থতার জন্য প্রথম জন্মস্থান হতে পারে আপনার শোয়ার ঘর কিংবা বেডরুম। শোয়ার ঘরে জমে থাকা ধুলাবালির কারণে দেখা দিতে পারে নানা অসুখ-বিসুখ। তাই শীতের আগে একটু নতুন করে সাজানো প্রয়োজন আপনার প্রিয় শোয়ার ঘরটি।
শোয়ার ঘরটি অন্যান্য ঘরের তুলনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে বাড়ির বড়দের যেমন আনাগোনা থাকে তেমনই ছোটদেরও থাকে অবাধ চলাফেরা। আর এই শীত আসার অগ্রিম মুহূর্ত থেকে শুরু করে শীতের পরও থাকে এই ধুলাবালির অত্যাচার। ঘরের সিলিং থেকে শুরু করে আনাচে-কানাচে সব জায়গাতেই থাকে ঝুল আর ময়লা। বিশেষ করে পর্দার পেছনে জমে সবচেয়ে বেশি ধুলা। তাই জানালার বাইরে পাতলা কাপড়ের পর্দা আর জানালার ভেতরে লাগানো উচিৎ ভারি আর গাঢ় রঙের পর্দা। আর সিলিংয়েও দেখা যায় ধুলা। এই ক্ষেত্রে আপনি ব্যবহার করতে পারেন সিলিং ব্রাশ।
বিছানার চাদর, বালিশের কভার নিয়মিত ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে। বিছানার জাজিম, তোশক, ম্যাট্রেস ইত্যাদি রোদে দিতে পারেন। এ সময় আসবাবপত্রেও জমে দু-তিন স্তরের ধুলা। এই ধুলা পরিষ্কার না করলে আসবাবপত্রের রঙ যেমন নষ্ট হয়ে যায় তেমনি কাঠের আসবাবপত্রের ক্ষেত্রে বার্নিশ নষ্ট হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে আপনি ফার্নিচার ডাস্টার ব্যবহার করতে পারেন। এটি যেমন ব্যবহারে সহজ তেমনি সহজলভ্য।
ফ্লোরের ক্ষেত্রে দেখা যায়, কোনায় কোনায় ময়লা জমে থাকে। যা পরে নানা রোগ সৃষ্টি করে। তার মধ্যে অ্যাজমা রোগ অন্যতম। তাই আপনি ব্যবহার করতে পারেন ফ্লোর মোপ। এটি ফ্লোরের কোনায় পৌঁছে ময়লা পরিষ্কার করে। আর সোফা কিংবা বিছানা কিংবা পর্দার ময়লা পরিষ্কার করতে আপনি ব্যবহার করতে পারেন ভ্যাকুয়াম ক্লিনার।














