banner

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং, ,

পোস্টটি 334 বার পঠিত

হাতের মেহেদি না শুকোতেই লাশ হলো গৃহবধু ইয়াসমিন!

বিয়ের দুই মাসের মাথায় ইয়াসমিন আক্তার (১৮) নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর কদমতলী থানার দনিয়ার এক বাসা থেকে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ইয়াসমিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর স্বামী তুহিন মোল্লা পলাতক।

দনিয়ার পাটেরবাগে ইয়াসমিনদের বাসা। গত ১২ সেপ্টেম্বর একই এলাকার তুহিন মোল্লার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর ইয়াসমিন স্বামীর সঙ্গে পাটেরবাগের একটি বাড়ির তিনতলায় থাকতেন।
লাশ উদ্ধারকারী কদমতলী থানার এসআই ওমর ফারুক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে স্বামীকে নিয়ে বাবার বাসায় খেয়েছেন ইয়াসমিন। তখন পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। রাত ১১টার দিকে ইয়াসমিন স্বামীর বাসায় চলে যান। গতকাল ভোরে তুহিন ইয়াসমিনের বাবার পরিচিত বাদশা নামের একজনকে ফোন করে জানতে চান, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়েছে কি না। তুহিনের কথায় সন্দেহ হওয়ায় বাদশা বিষয়টি ইয়াসমিনের বাবা দুরুল ইসলামকে জানান। দুরুল মেয়ের বাসায় গিয়ে তা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখেন। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ওই বাসার তালা ভেঙে দেখে, বিছানায় গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ইয়াসমিন পড়ে আছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ওই থানার এসআই রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে তুহিন স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়েছেন। তাঁকে ধরার চেষ্টা চলছে।

Facebook Comments Box