banner

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

ভাল প্যারেন্টিং এর জন্য ৫টি টিপস


প্যারেন্টিং


প্যারেন্টিং হচ্ছে শিশুর শারীরিক, জ্ঞানীয়, বুদ্ধি ও আবেগকের যথাযথ বিকাশের মাধ্যম, যে যে বয়স সেই বয়স অনুযায়ী সঠিকভাবে প্রকাশ করছে কিনা, সঠিক আবেগ নিয়ে বড় হচ্ছে কিনা, তাদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি হচ্ছে কিনা সে বিষয়গুলো প্রতি খেয়াল রাখা এবং পরিচর্যা করা। মুলত কঠিন ধৈর্য ও পরিশ্রমের অপর নাম হল গুড প্যারেন্টিং।

১. মডেলিং (Modeling)
শিশুর আচরণ নির্ভর করে সে যে পরিবেশে বড় হয়, বাস করে, যাদের সাথে থাকে এবং মেলামেশা করে। সুতরাং মডেলিং হল এগুলোর ওপর এবং শিশুর চারপাশের মানুষেরা হল মডেল।

২. অফুরন্ত ভালবাসা (Loving)
শিশুকে অপরিসীম ভালোবাসার মতো এত চমৎকার আর দ্বিতীয় কোন বিষয় আর নেই শিশু শিক্ষায় সব কিছুই ভালবাসা আর যত্নে হলেই শিশু সুন্দরভাবে গড়ে উঠবে।

৩. ইতিবাচক প্যারেন্টিং (Positive parenting)
শিশুর প্রতি সবসময় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি মনোভাব নিয়ে আগলে রাখা দরকার। কারণ শিশুর আত্মসম্মানবোধের জন্ম হয় ইতিবাচক ধারণা থেকেই। ইতিবাচকতা শিশুর মননের পরিচর্যা ভুমিকা রাখে।

৪.যোগাযোগ কার্যকর হওয়া (Communicating)
শিশুর ভাল-মন্দে কোন একটা আলোচনায় যোগ দিতে গেলে আগে শোন দরকার। হুট করে কোন মন্তব্য করা বোকামির কাজ। মূল বিষয়টি নিয়ে কিছুক্ষণ চিন্তা করা। তারপর শিশুর মনোভাব বুঝে কথা বলার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা।

৫. দৃষ্টিভঙ্গীর প্রতি খেয়াল রাখা (Keeping Perspective)
সন্তানের ভাল-মন্দে পাশে থাকা এবং খেয়াল রাখা। বকা-ঝকা নয় বরং শিশুদেরকে আনন্দের মাঝে রাখা দরকার। কোনো কাজে বাধা না দিয়ে বা কোন কাজ খুবই জোর করে শিশুকে করতে বাধ্য না করে ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতি খেয়াল রাখা

ভাল প্যারেন্টিং বলতে আসলে বুঝায়, বাচ্চার প্রতিটি পদক্ষেপ সজাগভাবে পর্যবেক্ষন এবং তার সব রকম উন্নতির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা।
সুত্রঃ Parenting For Brain.

 

রৌমারীতে গৃহবধূকে পুড়িয়ে মারল স্বামী ও সতিন


নারী সংবাদ


রৌমারীতে স্বামী ও সতিনের বিরুদ্ধে সখিতন ওরফে জোসনা নামে এক গৃহবধূর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বামী ও সতিন দু’জনই পলাতক। শনিবার রাতে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী গ্রামে শনিবার রাতে সখিতন ওরফে জোসনার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তার শরীরে আগুন জ্বলতে দেখতে পান। পরে আগুন নিভিয়ে তাকে উদ্ধার করে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় এলাকাবাসী। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার তার মৃত্যু হয়।

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. অনুপ কুমার বিশ্বাস জানান, নিহত জোসনা বেগমের শরীরের ৮৫ ভাগ পুড়ে যাওয়ায় তারা শনিবার রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করেছিলেন; কিন্তু রোগীর আত্মীয়-স্বজন তাকে নিয়ে যাননি।

জোসনার বোন তারাবানু বলেন, সতিনের ঘরে থাকতে না পেরে তার বোন জোসনা ঢাকায় একটি গার্মেন্টে চাকরি করছিলেন। স্বামী সাইফুল ইসলাম মোবাইল ফোনে তাকে ফুসলিয়ে গত বৃহস্পতিবার বাড়িতে নিয়ে আসে। জোসনা বাড়িতে এলে তার কাছে টাকা চায় সাইফুল ও তার ছোট স্ত্রী মুনিকা। তার বোন টাকা দিতে না চাওয়ায় শনিবার রাতে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শনিবার রাত ৯টার দিকে সাইফুল ইসলাম ও সতিন মুনিকা মিলে তার বোনের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ ব্যাপারে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) শহীদ সরোওয়ার্দী জানান, ওই গৃহবধূর গায়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে কি-না তা তদন্ত করে দেখা হবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সুত্র: ইত্তেফাক।