banner

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

ভান্ডারিয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থী অপহরণ

opohronঅপরাজিতাবিডি ডটকম, পিরোজপুর : পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় নারগিস আক্তার(১৬)নামে  এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ করেছে ভান্ডারিয়ার মাছ বাজার এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী ফোরকান (২০)।

অপহৃত নারগিস রামবদক মেদিরাবাদ তারাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ও রাজাপুর উপজেলার হালদার খালী তারাবুনিয়া গ্রামের সৌদী প্রবাসী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে ।

জানা যায় ,প্রতিদিনের মতো আজও পরীক্ষা কেন্দ্রে আসার পথে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ফোরকান তার ৪/৫ জন সহযোগীসহ একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় নারগিসকে।

এদিকে স্থানীয়রা এ খবর প্রশাসনকে জানালে ভান্ডারিয়া থানার এস আই নুরুল ইসলাম ও কনেস্টবল মাসুদ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে নারগিসকে বহনকারী  রিক্সার চালক সোহেল কে আটক করে।

ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানান, রিক্সা চালক সোহেল, অপহরণকারীর মা ও বোনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং  অপহরণকারীদের  গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অপরাজিতাবিডিডটকম/আরএ/২০৫৫ঘন্টা১৪ফেব্রুয়ারি২০১৪

সাভারে দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী আহত সড়ক অবরোধ, গাড়িতে আগুন

অপরাজিতাবিডি ডটকম, সাভার: সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুলছাত্রীর আহত হওয়ার ঘ্টনার জের ধরে সড়ক অবরোধ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাভারের তেঁতুলঝরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও  এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে হেমায়েতপুর-সিংগাইর সড়কের তেঁতুলঝরা স্কুলের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী বিনু আক্তারকে চাপা দেয় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা (গাজীপুর থ-১১-০২৮৩) ।

এ ঘটনায় উত্তেজিত এলাকাবাসী ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা অটোরিকশাটি আটক করে তাতে অগ্নিসংযোগ ও চালককে মারধর করে। এ সময় তারা প্রায় এক ঘণ্টা হেমায়েতপুর-সিংগাইর সড়ক অবরোধ করে রাখলে  দুর্ভোগে পড়ে যাত্রীরা।

খবর পেয়ে সাভার মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনা রোধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ শেস করে এলাকাবাসীরা।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানন, এ ঘটনায় সিএনজি চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

অপরাজিতাবিডিডটকম/আরএ/২০৫৫ঘন্টা১৪ফেব্রুয়ারি২০১৪

পায়ে হেঁটেই বিশ্বরেকর্ড করার পথে রুমা

rumaঅপরাজিতাবিডি ডটকম, বেনাপোল: কলকাতা থেকে পায়ে হেঁটে বেনাপোলে এসে পৌঁছেছেন বাংলাদেশী মেয়ে জান্নাতুল মাওয়া রুমা। গত রাতে বেনাপোলে বিশ্রাম নিয়ে শুক্রবার সকাল থেকে আবার পায়ে হেঁটে যাত্রা শুরু করেছেন ঢাকার উদ্দেশে। রুমা একটি এনজিও সংস্থায় কাজ করেন।

রুমার দাবি, পায়ে হেঁটেই ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড’ রেকর্ডে নিজের নামটি নথিভুক্ত করতে চলেছেন তিনি। ঢাকার তেজগাঁওয়ের পূর্ব রাজাবাজারের মেয়ে  ৩৫ বছর বয়সী রুমার ইচ্ছা কলকাতা প্রেস ক্লাব থেকে ঢাকা প্রেস ক্লাব পর্যন্ত প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দেবেন।

আর সেই লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি  বিকাল চারটা থেকে হাঁটা শুরু করেন কলকাতা প্রেস ক্লাব থেকে।

প্রথম দিন প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ হেঁটে রাতে বিশ্রাম নেন লেকটাউনের একটি রেস্ট হাউসে। বুধবার সকাল হতেই আবার শুরু করেন পায়ে হাঁটা। হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে পথের মধ্যেই একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার যাত্রা শুরু তার।  

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসে পৌঁছান বেনাপোলে। কলকাতার ধর্মতলা-লেনিন সরণি-মৌলালী-দমদম-যশোর রোড হয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে সময় লাগবে নয় দিন।
 
রুমা জানান, তার ইচ্ছা আরো কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো। রুমার এই অভিনব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

রুমার দাবি, কলকাতা থেকে ঢাকা পুরো পথটি হেঁটে সফলভাবে অতিক্রম করতে পারলে তিনি হবেন প্রথম এশিয়ান মহিলা, যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করতে যাচ্ছেন।

যানজট দূরীকরণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরিতে রুমা হাঁটার অভ্যাস করার বার্তা সবার কাছে পৌঁছাতে চান এই পায়ে হাঁটার মধ্য দিয়ে।

অপরাজিতাবিডিডটকম/আরএ/১৪ফেব্রুয়ারি২০৩৩ঘন্টা২০১৪/এ

ব্যস্ত সময়ে রুটি বানান ১ মিনিটে

Ruti 2অপরাজিতাবিডি ডেস্ক: রুটি আমাদের সবার পরিচিত একটি খাবারের নাম। তবে অনেকেই রুটি খেতে যত না পছন্দ করেন বানাতে অনেক বেশী অনিহা প্রকাশ করেন। কিন্তু এমন এক রুটি মেশিনের কথা জানাব যা মিনিটের মাঝেই রুটি বানিয়ে দিতে সক্ষম।

 

মেশিনের নাম Rotimatic যা স্বয়ংক্রিয় ভাবে নিখুদ গোল আকৃতির রুটি তৈরি করে দিতে পারবে আপনাকে মাত্র ১ মিনিট সময়ের মাঝে। একবারে এতে আটা ভরে দিতে টানা ২০টি রুটি তৈরি করে দিতে পারে। এতে আপনি ইচ্ছে মত রুটি চিকন মোটা হওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন সাথে থাকছে যারা তেল কম কিংবা বেশী অথবা একদমই পছন্দ করেন না তাদের জন্যও সু-ব্যবস্থা।

 

Ruti1আমাদের ঘরে নিজের হাতে বানান রুটির সাইজ আকৃতি নিয়ে অনেক হাস্যরসের কারণ হয়ে থাকেন সবার মাঝে তবে Rotimatic দিয়ে আপনি খুব সহজে সকল রুটি তৈরি করে নিতে পারবেন যার সকল সাইজ একই হবে।

 

যেভাবে Rotimatic মেশিনে রুটি তৈরি হবেঃ Rotimatic এর উপরে রয়েছে আলাদা তিনটি চেম্বার এতে আলাদা আলাদা ভাবে আটা, পানি, তৈল দিয়ে দিতে হবে এবং আপনার কাঙ্ক্ষিত রুটির সাইজ এবং আকৃতি ঠিক করে দিতে হবে। এর পর সুইচ টিপে আপনার অপেক্ষার পালা একে একে রুটি বেরিয়ে আসতে থাকবে সব রুটির সাইজ আকৃতি আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী হবে।

                                                

এই যন্ত্র পরিচালনা ও খুবই সহজ এবং এটি যেকোনো যায়গায় রেখে রুটি বানানো যায়। এটি আমাদের দেশ সহ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পাওয়া যাচ্ছে।

 

অপরাজিতাবিডিডটকম/আরএ/১৬৪০ঘন্টা১২ফেব্রুয়ারি২০১৪/এ

হাসিনা আখতারের ‘জিন্নাহ-গান্ধী সম্পর্ক’

Bookনিজস্ব প্রতিবেদক,অপরাজিতাবিডি: ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে জিন্নাহ-গান্ধীর নেতৃত্ব বহুল আলোচিত এবং সমালোচিত। তবে আলোচনার চেয়ে জিন্নাহর সমালোচনাই বেশি। উপমহাদেশীয় জনগণ সাধারণভাবে এটাই বিশ্বাস করে যে, ভারত ভাগের জন্য জিন্নাহ এককভাবে দায়ী। তাদের ধারণা যদি সত্যি হয় তাহলে স্বীকার করতেই হবে নেতা হিসেবে জিন্নাহ দারুণ গণবিমুখ হওয়া সত্ত্বেও ব্রিটিশ এবং কংগ্রেসের ন্যায় দুটি প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে ভারত ভাগ মেনে নিতে বাধ্য করা আশ্চর্যজনক তো বটেই। এখানে জিন্নাহর ক্যারিশমাই মূল শক্তি, নাকি গান্ধী এবং কংগ্রেস নেতারাই পরোক্ষভাবে তাঁকে এ অর্জনে সহায়তা করেছেন।

 

জিন্নাহ-গান্ধী নিয়ে এবারের বই মেলায় এসেছে হাসিনা আখতারের ‘জিন্নাহ-গান্ধী সম্পর্ক’ বইটি।

 

বইটিতে জিন্নাহ-গান্ধী সম্পর্ক বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে অ্যাডর্ন পাবলিকেশন। অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বইটি পাওয়া যাবে  ১১১, ১১২, ১১৩ নম্বর স্টলে। বইটির মূল্য: ৫৭০টাকা

 

অপরাজিতাবিডিডটকম/আরএ/১৬৪০ঘন্টা১২ফেব্রুয়ারি২০১৪/এ

 

বাঙ্গালীর পিঠা উৎসব

pitha (3)রবি আল ইসলাম: মুখরোচক খাদ্য হিসেবে পিঠা খাওয়ার ঐতিহ্য বাঙ্গালীদের বেশ পুরনো। বাংলাদেশে বছর জুড়েই পাওয়া যায় বাহারী রকম পিঠার স্বাদ। ঋতুভেদে থাকে স্বাদের ভিন্নতা।

 

আবহমানকাল থেকেই বাঙ্গালীর ঘরে ঘরে পিঠার উৎসব চোখে পরে। শীতকাল গ্রীষ্মকাল, প্রায় প্রতিটি ঋতুতেই থাকে একেক পিঠার উৎসব। তবে শীতকাল প্রধানত পিঠার উৎসবটা একটু বেশি। খেজুরের গুর, শীতের হাওয়া যেন পিঠার স্বাদকে করে তুলে আরো বেশি মধুর। শীতকালে এটি বাঙ্গালির লোকজ ও সংস্কৃতিরই অংশ। সারা বছর প্রতিটি ঘরে তৈরী করা হয় নানা রকম পিঠা। সকালে ভাপা পিঠা। আর রাতে চিতই পিঠা। ভাপা পিঠা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী পিঠা। যা প্রধানত শীতকালে খাওয়া হয়। শীতের এই সুচনা লগ্নে গ্রামের হাটবাজার থেকে শুরু করে শহরের রাস্তার ধারে ,স্কুল-কলেজ মাঠে এমনকি ফাষ্টফুডের দোকান গুলোতে ভাপা পিঠা বিক্রি করতে দেখা যায়। পানির ভাপের সাহায্যে তৈরি করা হয় বিধায় আদিকাল থেকেই এই পিঠার নামকরণ করা হয় ভাপা পিঠা।

 

pitha (2)এটি প্রধানত চালের গুঁড়ার মাঝে কিছু খেজুরের অথবা আখের গুড় দিয়ে তার উপর আবার চালের গুড়া দিয়ে গরম পানির ভাপে তৈরি করা হয় এ মজাদার পিঠা। সাথে স্বাদ বৃদ্ধির করার জন্য দেয়া হয় নারকেলের শ্বাস।

 

এর পাশাপাশি চিতই পিঠা, পুলি পিঠা, পাটি সাপটা, ম্যাড়া পিঠা, তেলের পিঠা । এ পিঠা গুলি আমাদের দেশের সকলের কাছেই বেশ প্রিয়।

 

শহরে পরিবেশে সারা দিনের কর্মব্যস্ততা কাটিয়ে ফুটপাতে গড়ে তোলা পিঠা পুলির দোকানে এসে ভিড় জমায় নগরীর বিভিন্ন শ্রেণীর ক্রেতারা। ক্রেতাদের জন্য দোকানের দু’পাশে রাখা হয়েছে লম্বা বেঞ্চ। দোকানের বেচাকেনা হয় বেশ ভাল। যা আজকাল পিঠা উৎসবে পরিণত হয়েছে।

 

পিঠা তৈরি করে সংসার চালাচ্ছে নারী ও পুরুষ বিক্রতারা। মালিবাগ  মোড়ের পিঠা বিক্রেতা ফাতেমা বেগম বলেন, পিঠা বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে আমার সংসার চলে । তিনি বলেন, দুই মেয়ে এক ছেলে নিয়ে আমার সংসারে তেমন অভাব নেই।

 

pitha (1)শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরির সামনে পিঠা বিক্রেতা আলাউদ্দিন বলেন ,শীত এলেই তিনি পিঠা বিক্রি করেন, এটি তার এক ধরনের নেশায় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন,  ভাপা পিঠা তৈরীতে খরচ এবং সময় দুইটাই কম লাগে। সব সময় ভীড় থাকে দোকানে। প্রতিদিন পিঠা বিক্রি করেই চার-পাঁচশত টাকা আয় হয় বলে জানান তিনি।

 

শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা যায়, সর্বস্তরের জনতা ফুটপাতের তৈরী করা পিঠা ক্রয় করে ফুটপাতেই বসে খাচ্ছে। বউ, ছেলেমেয়েদের জন্য পার্সেল করে নিয়ে যাচ্ছেন বাসা বাড়ীতে। দেখে মনে হয় হরেক রকম‘ পিঠা উৎসব’ ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীতে। সবাই পিঠা খাওয়ায় মেতে উঠছে প্রতিদিন।

 

অপরাজিতাবিডিডটকম/আরএ/১৪ফেব্রয়ারি১৭৪০ঘন্টা২০১৪/এ

আমার কবিতা গুলোর আত্মপ্রকাশ ঘটবে এটি ছিল স্বপ্নের মত

সাবরিনা শুভ্রা। জন্ম ১৯৮৫ সালে ঢাকায় ।পড়ালেখা শেষ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে। বেশ কিছু দিন কাজ করেছেন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ইউনিসেফ ও ওয়ার্ল্ড ভিশনে। কৈশোর  থেকেই লেখালেখিতে হাতেখড়ি সাবরিনা শুভ্রার। বাবা আর মায়ের সযন্ত উৎসাহ ছিল ঢের। কবিতা,গল্প,নাটক অনেক কিছুতেই হাত দিয়েছেন তিনি। লেখা ছাড়াও আঁকা , সংগীত ফ্যাশন ডিজাইনেও তার সমান দক্ষতা। তবে সবই রেখেছেন শখের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ। পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন শিক্ষকতাকে। অতীশ দীপংকর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র লেকচারার এবং সাউথ এশিয়া ইউনিভার্সিটিতে তিনি গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে কাজ করছেন এখন। গবেষণা ও এবং উপস্থাপনার ক্ষেত্রেও মেধা ও প্রতিভার ছাপ রেখেছেন তিনি।এছাড়া তিনি Society for Social Enhancement- এর নির্বাহী সদস্য। এবারের বই মেলাতে প্রথম বের হয়েছে কবি সাবরিন শুভ্রার দু’টি কাব্যগ্রন্থ-একটি বাংলা, আরেকটি ইংরেজিতে। তাঁর সাথে কথা বলেছেন রবিউল ইসলাম আওলাদ-
 601066_494445993946608_980422584_n

প্রতিবেদক: এবারের বই মেলাতে আপনার লেখা কয়টা বই বের হয়েছে? কোন প্রকাশনী থেকে?

 

সাবরিনা শুভ্রা: এবারের বই মেলাতে আমার দু’টি কাব্যগ্রন্থ বের হয়েছে। একটি বাংলা অন্যটি ইংরেজিতে। বাংলা বইটির নাম শঙ্খচূড়া এটি প্রকাশ করেছে সূচীপত্র ইংরেজি বই টির নাম MARGIN OF THE HEART এটি প্রকাশ করেছে ত্রয়ী প্রকাশন।

 

প্রতিবেদক : কবে থেকে লেখালেখি শুরু আপনার?

 

সাবরিনা শুভ্রা: ছোট বেলা থেকেই আমি লেখালেখি করে আসছি।

 

প্রতিবেদক: প্রকাশিত বই দুটি সম্পর্কে কিছু  বলুন?

 

সাবরিনা শুভ্রা: আসলে লেখালেখি ছিল শখের গণ্ডিতে কখনো  যে বই আকারে তা প্রকাশ পাবে ভাবিনি। আমার প্রিয়জনদের উৎসাহ এবং অনুপ্রেরনায় আজ সেগুলো মলাটে বন্দি হল। এজন্য আমার অনুভূতি আজ ভাষাতীত।

 

প্রতিবেদক: বই মেলায় বই কেনার পরিকল্পনা নিয়ে কিছু বলবেন?

 

সাবরিনা শুভ্রাঃ প্রতিবারই অনেক বই কিনি । বই কেনা ও পড়া আমার শখ গুলোর মধ্যে একটি। এবারের বই মেলায় নিজের বই মানুষ কিনছে আর বেশ সাড়া পাচ্ছি তাই বেশ আনন্দ বোধ করছি।

 

প্রতিবেদক: কার লেখা বই আপনার ভালো লাগে?

 

সাবরিনা শুভ্রা: দেশীয় অনেকের লেখাই ভালো লাগে তার মধ্যে প্রয়াত কবি শামসুর রাহমান, জিবনানন্দ, জসিম উদ্দিন এর লেখা খুবই ভালো লাগে। তা ছাড়া আল মাহমুদ, হেলাল হাফিয,শওকত ওসমান, শওকত আলি,শামসুল হক প্রমুখ লেখকদের লেখা ভালো লাগে।

 

প্রতিবেদক:  আপনার লেখালেখির পেছনে কার অবদান বেশি?

 

সাবরিনা শুভ্রা: আমার লেখালেখির পেছনে প্রথমত আমার বাবার অবদান বেশি। বাবাকে দেখেই আর বাবার উৎসহ থেকেই লেখালেখির হাতেখড়ি । এছাড়া আমার মা আর পরিবারের সবারই অবদানই রয়েছে।

 

প্রতিবেদক: বই মেলার স্থান সম্প্রসারণের বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?

 

সাবরিনা শুভ্রা: সম্প্রসারণের বিষয়টি আসলে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। প্রশস্ত জায়গায় মানুষ সাচ্ছন্দে পদচারনা করতে পারছে। বই বাছাই এবং কিনতে পারছে।

 

প্রতিবেদক: লেখালেখি নিয়ে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী?

 

সাবরিনা শুভ্রা: ভবিষ্যতে আমি সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে লিখতে চাই। সমাজের সুবিধা বঞ্চিত শ্রেণী আমার লেখার বিষয় বস্তু বেছে নিয়েছি।

 

প্রতিবেদক: সারা বছর পাঠকের হাতে যেন বই থাকে এ ব্যাপারে কি করা যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

 

সাবরিনা শুভ্রা: সারা বছর পাঠকের হাতে যাতে বই থাকে তাই সারা বছর ই নতুন নতুন বই প্রকাশ হওয়া উচিত। এজন্য লেখক এবং প্রকাশকদের পাঠক সৃষ্টির ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে।

 

প্রতিবেদক: বাংলাদেশের কবিতা নিয়ে আপনি কতোটা আশাবাদী?

 

সাবরিনা শুভ্রা:আমার আশা সুদূর প্রসারিত। প্রেম, বিরহ, আশা, স্বপ্ন, নৈরাশ্য, আবেগ, দেশাত্মবোধ, দু:খ, একাকিত্ব, বেদনা ও অতীন্দ্রিয়তা আমার কবিতার বিষয় বস্তু যা জীবনের সব গুলো দিক পাঠক উপলব্ধি করতে পারবেন।

 

প্রতিবেদক: এই প্রথম আপনার দুটি বই প্রকাশিত হলো এতে আপনার কেমন অনুভতি?

 

সাবরিনা শুভ্রা: আমার কবিতা গুলোর আত্মপ্রকাশ ঘটবে বই আকারে এটি ছিল স্বপ্নের মত। তাই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হউয়ার আনন্দ সীমাহীন।

 

অপরাজিতাবিডিডটকম/আরএ/১৪ফেব্রয়ারি১৭৪০ঘন্টা২০১৪/এ