বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮ ইং, ,

 

ক্যারিয়ারে পরিবর্তন চাইছেন? এমবিএ খুলে দিচ্ছে সম্ভাবনার দ্বার!

আপনি কি এরই মাঝে ক্যারিয়ার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? ভাবছেন, ক্যারিয়ার জীবনে কী করে একটু ইম্প্রুভমেন্ট করা যায়? তাহলে আপনার জন্যই আমাদের এই প্রতিবেদন।

আপনি যদি পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে এ বিষয়ে অনিশ্চিত হয়ে থাকেন তাহলে এখনই সময় নিজেকে পুনরায় যাচাই করার। বর্তমান চাকরির বাজার অসম্ভব প্রতিযোগিতার একটি ক্ষেত্র। এই ক্ষেত্রে টিকে থাকতে হলে নিজেকে নতুনভাবে গড়তে হবে, পরিবর্তন করতে হবে। আপনাকে হতে হবে বুদ্ধিমান, পারিপার্শ্বিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে শিখতে হবে। পাশাপাশি যেকোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার মনমানসিকতা রাখতে হবে। এ সবকিছুই আপনি শিখতে পারবেন একটি মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(এমবিএ) কোর্সের মাধ্যমে।

এমবিএ (মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)

এটি আন্তার্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মাস্টার ডিগ্রি। এতে-

  • ব্যবসা বিষয়ে তাত্ত্বিক ভিত্তির আলোচনা করা হয়।

  • ইন্টার্নশিপ, গ্রুপ অ্যাসাইনমেন্ট এবং আলাাদা প্রজেক্টের বাস্তবিক কিছু সুযোগ থাকে ছাত্রছাত্রীদের ইম্প্রুভ করার জন্য।

  • ম্যানেজমেন্ট এবং নেতৃত্ব বিষয়ে দক্ষ করে তোলা হয়।

  • কম্যুনিকেশন, মোটিভেশন এবং নেগোসিয়েশন বিষয়ে দক্ষ করে তোলা হয়।

  • ক্যারিয়ারে বৈশ্বিক সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়।

  • স্বাধীন ব্যবসায় যোগ্য করে তোলা হয়।

এমবিএ মূলত একটি প্রফেশনাল কোর্স যা একজন শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ারে উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়তে সহায়তা করে। বর্তমান বাংলাদেশে শুধু যে ব্যবসায় প্রশাসনের শিক্ষার্থীরাই এমবিএ পড়ে থাকেন তা না অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও এই কোর্সটি করতে আগ্রহী হন। কেননা এই কোর্সে একটি ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য যা যা প্রয়োজন এর সবকিছুই শেখানো হয়।

কোর্স ডিটেইল:

মোটামুটি ২ ধরনের প্রোগ্রামে এমবিএ করানো হয়। একটি রেগুলার এমবিএ যেখানে যেকোনো সাবজেক্ট থেকে স্নাতক করা ছাত্রছাত্রী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকে। আরেকটি হলো এক্সিকিউটিভ এমবিএ বা ইএমবিএ। এতে শিক্ষার্থীর কমপক্ষে ৩ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। একটি পরিপূর্ণ কোর্সে মোট ৬৪ ক্রেডিট থাকে যার ৬০ ক্রেডিট ২০ টি সাবজেক্টে, ২ ক্রেডিট থিসিসে এবং ২ ক্রেডিট ভাইভাতে থাকে। ইএমবিএ এর জন্য থাকে ৪৫-৫০ ক্রেডিট। এমবিএ তে পড়ানোর বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ফিন্যান্স, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, বিপণন, ব্যবস্থাপনা, হিসাবরক্ষণ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পর্যটন ও হোটেল ব্যবস্থাপনাসহ মোট ২০ টা সাবজেক্ট এবং ১ টা থিসিস থাকে। এগুলোর যেকোনো একটিকে মেজর হিসেবে নিয়ে কোর্সটি সম্পন্ন করতে হয়। প্রতি সেমিস্টারে সর্বোচ্চ ৫ টা এবং সর্বনিম্ন ২ টা সাবজেক্ট নেয়া যায়। পুরো কোর্সটি সম্পন্ন করতে সময় লাগে ১ বছর ৪ মাস থেকে ২/৩ বছর পর্যন্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ, জাহাঙ্গীরনগর, জগন্নাথ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। কোর্স ফি বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম ভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরও খবর