banner

শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

যৌন হয়রানি ও নারী নির্যাতনের বিচার দাবিতে দেশজুড়ে ইসলামী ছাত্রীসংস্থার মানববন্ধন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ এবং কর্মক্ষেত্রে নারী যৌন হয়রানির ঘটনায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে বক্তারা সাম্প্রতিক নারী নির্যাতন, যৌন সহিংসতা ও প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

রোববার (২০ অক্টোবর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ও নারী হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন করে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
আয়োজনে বক্তারা বলেন, দেশে প্রতিনিয়ত নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, অনেক সময় ধর্ষণের শিকার নারীদেরই দায়ী করা হয়, যা ভুক্তভোগীর প্রতি চরম অন্যায় ও অপমানজনক।
বক্তারা আরও বলেন, “যে সরকারের প্রতি জনগণ আশা রেখেছিল নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, সেই সরকারই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। প্রশাসন অনেক সময় ধর্ষণের মামলা রুজুতে গড়িমসি করে, এমনকি ভিক্টিমের বয়স বাড়িয়ে ঘটনা আড়াল করারও চেষ্টা চলে।”

একই দিন বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে মানববন্ধন করে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা, রাবি শাখা।
ছাত্রী সংস্থার নবনির্বাচিত সহ-বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক ফাতেমাতুস সানিহা বলেন, “দেশে চলতি বছর ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মামলার সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিচার হয়নি। কালিয়াকৈরের ১৩ বছরের মাদরাসাছাত্রীর ধর্ষণের ঘটনায়ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।”
রাবি শাখার সহ-নেত্রী সাইফুন নাশীদা বলেন, “ধর্ষকের কোনো ধর্ম নেই। অপরাধী যখন ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধ আড়াল করতে চায়, তখন সেটি সমাজের নৈতিক পতনের প্রতিফলন।”

পরদিন মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে মানববন্ধন করে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা, চবি শাখা।
শাখার সেক্রেটারি ও চাকসুর ছাত্রীকল্যাণ সম্পাদক নাহিমা আক্তার দীপা বলেন, “রাষ্ট্রের নীরবতা ও সামাজিক উদাসীনতাই নারী নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির মূল কারণ। আমরা কেবল প্রতিবাদ জানাতে নয়, প্রতিকার ও জবাবদিহিতার দাবি নিয়েই আজকে দাঁড়িয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “নারী নির্যাতন প্রতিরোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে, বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
চবি শাখার প্রচার সম্পাদক উমাইমা শিবলী রিমা বলেন, “২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশে ২৭ হাজারেরও বেশি নারী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসেই ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৪৮১ জন নারী। কিন্তু এসব ঘটনার অধিকাংশই বিচারহীন রয়ে গেছে।”

অন্যদিকে সংগঠনের প্রতিনিধি তাওফিকা রহমান বলেন, “কালিয়াকৈরের ঘটনায় পুলিশের বিবৃতি বিভ্রান্তিকর। ১৩ বছরের একটি শিশুর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক কোনোভাবেই ‘প্রেমের সম্পর্ক’ হতে পারে না। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী এটি স্পষ্ট ধর্ষণ।”

তিনটি শাখার মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল সক্রিয় করা, তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ রাখা এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। তারা সমাজে নৈতিক ও মানসিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসারের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।

নারী_নিরাপত্তা

#যৌনহয়রানি #ধর্ষণবিরোধীপ্রতিবাদ #ইসলামীছাত্রীসংস্থা

ঢাবি #রাবি #চবি

#কালিয়াকৈরধর্ষণ #বিচারচাই
#রাষ্ট্রের_জবাবদিহিতা

 

বিনা মূল্যে ফ্যাশন ডিজাইন ও মার্চেন্ডাইজিংয়ে প্রশিক্ষণ

শান্ত-মারিয়ম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি নিয়ে এসেছে দারুণ সুযোগ!
বাংলাদেশ সরকারের অর্থ বিভাগ, বিজিএমইএ ও এসআইসিআইপি’র সহযোগিতায় সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে তিন মাস মেয়াদি দুটি কোর্সে ভর্তি চলছে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৭ অক্টোবর ২০২৫
কোর্সসমূহ:
১️⃣ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং
২️⃣ থ্রিডি ফ্যাশন ডিজাইনিং

যা পাবেন:
প্রশিক্ষণ শেষে সার্টিফিকেট

ভাতা সুবিধা

চাকরির জন্য সহযোগিতা

দরিদ্র, নারী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

আবেদনের জন্য প্রয়োজন:
পাসপোর্ট সাইজের ১ কপি ছবি

এনআইডি কার্ডের ফটোকপি

অনার্স/ডিগ্রি পাসের সার্টিফিকেট

🌐 বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
🔗 https://smuct.ac.bd/
📢 সুযোগ সীমিত—আজই আবেদন করুন!

 

হিফজুল কুরআন অনলাইন ইনস্টিটিউটের প্রীতিমিলনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর ২০২৫:
হিফজুল কুরআন অনলাইন ইনস্টিটিউট আয়োজিত প্রীতিমিলনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে করেছে প্রাণবন্ত ও অর্থবহ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে দারস পেশ করেন- হাফিজা ফতেমা।
এরপর পবিত্র কুরআনের উপর নির্মিত একটা ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়। যার তথ‍্যের উপর ভিত্তি করে অনলাইনে কুইজ প্রতিযোগিতা নেওয়া হয় যা দশর্কদের কাছে খুব ভালো লেগেছে।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলো উস্তাজা ও হাফিজা সংবর্ধনা পর্ব।
উস্তাজা সংবর্ধনা পর্বে সংবর্ধনা প্রদান করেন মুহতারামা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা ও হাফিজা ফাতেমা সুলতানা।
এই সময় স্টেজে হিফজুল কুরআন অনলাইন ইনিস্টিটিউটের উস্তাজারা উপস্থিত ছিলেন—
হাফিজা শাহীনা আক্তার, হাফিজা মাকসুরা মারদিয়া, হাফিজা আফসানা মাসুম, হাফিজা গাজী শামসুন্নাহার, হাফিজা খাদিজাতুল কোবরা, মোয়াল্লিমা রহীমা আক্তার ও মারিয়াম রুম্মানা।
এরপর আল কুরআনের দাবী আমাদের অবস্থান ও করনীয় এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন
প্রফেসর শামীমা ইয়াসমিন, বিভাগীয় প্রধান, সমাজ কর্ম বিভাগ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ।
“আল কুরআনের মিরাকল” বিষয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রফেসর তাহমিনা ইয়াসমিন, ভাইস প্রিন্সিপাল, মানারাত ঢাকা।

আরেকটি আকর্ষণীয় পর্ব ছিলো হাফিজা সংবর্ধনা।এ পর্বে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রফেসর ড. নাঈমা মোয়াজ্জেম ও ড. জয়নব এম. ডি. সিদ্দিকুর রহমান, এসোসিয়েট প্রফেসর, বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

এই পর্বে স্টেজে আসেন হাফিজাগণ—
হাফিজা আফরা আল গালিবা, হাফিজা মীর মুমতাজা ফেরদৌস, হাফিজা মারিয়া আজিমি, হাফিজা আসিফা বিনতে আরশাদ, হাফিজা যয়নব বিনতে হোসাইন, হাফিজা সিরাজাম মুনিরা ফারিহা, হাফিজা তাকিয়া মেহজাবিন আব্দুল্লাহ, হাফিজা ফাতেমা আলম তাকওয়া, হাফিজা মুতহহারা হাফসা, হাফিজা হাফসা বিনতে আনোয়ার, হাফিজা আয়েশা আরীবা, হাফিজা আকিফা ইসলাম, হাফিজা কামরুন্নাহার মীম এবং হাফিজা খুলাইবা রহমান খুশবু।

হাফিজাদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, সেক্রেটারি, মহিলা বিভাগ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও অধ্যক্ষ দেশিক।

পরবর্তী পর্বে হিফজ ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
পুরস্কার প্রদান করেন প্রফেসর ড. নাঈমা মোয়াজ্জেম, সাবেক বিভাগীয় প্রধান, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে প্রফেসর ড. নাঈমা মোয়াজ্জেম হাফিজা দের মযার্দার কথা তুলে ধরে তাদেরকে অভিনন্দন জানান।


অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হিফাজুল কুরআন অনলাইন ইনিস্টিটিউটের ফাউন্ডার আখি ফেরদৌসী।তিনি হিফজুল কুরআন অনলাইন ইনস্টিটিউটের এই আয়োজন ইসলাম, জ্ঞান ও নৈতিকতার আলোকে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিলো তেলাওয়াত, নাশিদ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। রিদওয়ান
জাইমা নূর, নুসাইবা নিসা, রাহী, নাবিহা নূর সাওদা,এবং নুসরাতের কণ্ঠে পরিবেশিত নাশিদ সমূহ দর্শকদের মন কেড়ে নেয়। জাইমা নূরের দলের পনের মিনিট ব্যাপী মেশাপের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা ছিলো অতুলনীয় ও ব্যতিক্রমী।আগত দর্শনার্থীদের অনুভূতি ছিলো তারা এ ধরনের আয়োজন আরো দেখতে চায়। ইসলামী সাংস্কৃতির প্রসারে এ ধরনের উদ্যোগকে তারা সাধুবাদ জানান।