banner

শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

গুম কমিশনের মস্তিষ্ক ড. নাবিলা ইদ্রিস

বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় বলপূর্বক গুম ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের অনুসন্ধানে গঠিত “গুম অনুসন্ধান কমিশন” এখন এক ঐতিহাসিক প্রয়াসের প্রতীক। এই কমিশন শুধু অতীতের অন্ধকার উন্মোচন করছে না, বরং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের নতুন এক আলোচনার দ্বার খুলে দিয়েছে। এই উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ড. নাবিলা ইদ্রিস—যিনি বর্তমানে “গুম কমিশনের মস্তিষ্ক” হিসেবে সর্বত্র পরিচিত।

ড. নাবিলা ইদ্রিস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একজন গবেষক ও নীতিবিশ্লেষক। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের Open University-তে ভিজিটিং ফেলো হিসেবে কাজ করছেন, যেখানে তিনি বৈশ্বিক সামাজিক সুরক্ষা (Global Social Protection Fund) বিষয়ক গবেষণায় যুক্ত। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BIGD)-এর খণ্ডকালীন গবেষক হিসেবেও কাজ করছেন।
তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের US State Department IVLP প্রোগ্রামের ফেলো হিসেবে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। চীন, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে নীতি বিশ্লেষণ, শাসনব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে তার বিস্তৃত কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তার গবেষণার মূল ক্ষেত্র হলো বাংলাদেশের ক্ষমতার কাঠামো, নীতি নির্ধারণের রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা। এই তাত্ত্বিক গভীরতা ও বিশ্লেষণী নেতৃত্বের ফলেই গুম অনুসন্ধান কমিশন আজ একটি প্রমাণনির্ভর, নিরপেক্ষ ও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

কমিশনের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর আনুষ্ঠানিক নেতৃত্বে কাজ চললেও, কমিশনের দিকনির্দেশনা, গবেষণা পরিকল্পনা, তথ্য বিশ্লেষণ ও সুপারিশ প্রণয়নের মূল দায়িত্বে রয়েছেন ড. নাবিলা ইদ্রিস। তার তত্ত্বাবধানে কমিশন ইতোমধ্যে দুটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন ও একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রকাশ করেছে, যেখানে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সংঘটিত শতাধিক বলপূর্বক গুমের সত্যতা ও পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রামাণ্যচিত্রে উঠে এসেছে ভয়াবহ সব তথ্য—গাড়ির ভেতরে ইনজেকশন পুশ করে হত্যা, বিষ প্রয়োগ, কিংবা লাশ রেললাইনে ফেলে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের হাতে হ্যান্ডকাফসহ মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এমন অগণিত প্রমাণ কমিশনের প্রতিবেদনে যুক্ত হয়েছে, যা রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের নির্মম বাস্তবতাকে নগ্নভাবে প্রকাশ করেছে।

ড. নাবিলার নির্দেশনায় কমিশন শুধু ঘটনাগুলোর তদন্তেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং ভবিষ্যতের জন্য নীতিগত সংস্কারেরও প্রস্তাব দিয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে প্রণীত গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো হলো—
গুমের শিকার পরিবারদের জন্য “ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স সার্টিফিকেট” প্রবর্তন, যাতে তারা আইনি স্বীকৃতি ও ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ আইনি সুরক্ষা।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য মানসিক ও আর্থিক সহায়তা তহবিল গঠন।

নাগরিক সমাজের বিশ্লেষকরা বলছেন, ড. নাবিলা ইদ্রিস এই কমিশনকে কেবল তথ্য-সংগ্রহের কাঠামোতে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং তিনি এটিকে এক নৈতিক আন্দোলনে পরিণত করেছেন—যেখানে প্রতিটি সাক্ষ্য, প্রতিটি দলিল, প্রতিটি পরিবারিক কান্না হয়ে উঠছে রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতার দলিল।

একজন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মীর ভাষায়, “নাবিলা ইদ্রিস হচ্ছেন সেই কণ্ঠ, যিনি ভয় নয়, তথ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ান। তার মতো মানুষের হাতেই জনগণের আস্থা ফিরছে ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়ায়।”

আজ “গুম অনুসন্ধান কমিশন” শুধু নিখোঁজদের তথ্যভান্ডার নয়, এটি হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের ইতিহাসে ন্যায়, সাহস ও মানবতার নতুন সংলাপ।
আর এই সংলাপের সূক্ষ্ম নকশাকার—ড. নাবিলা ইদ্রিস, যিনি প্রমাণ করছেন, গবেষণা ও নৈতিকতার সমন্বয়েই সম্ভব সত্যের পুনরুদ্ধার।

রাষ্ট্রের নীরব অন্ধকারের ভিতর থেকে তিনি যেন আলোর রেখা টেনে আনছেন-একজন নারী, এক গবেষক, এক নির্ভীক কণ্ঠস্বর—বাংলাদেশের গুম ইতিহাসে ন্যায়ের নতুন নির্মাতা, ড. নাবিলা ইদ্রিস।

 

মুক্তি পাওয়া দুই নারী বন্দি: সেহাম আবু সালেম ও মিরফাত খলিল

গাজা | ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন দুই বীর ফিলিস্তিনি নারী বন্দি — সেহাম আবু সালেম ও মিরফাত খলিল। তারা দুজনেই গাজা সিটির বাসিন্দা এবং বহু বছর ধরে ইসরায়েলি কারাগারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ছিলেন।

সেহাম আবু সালেম (উম খলিল) — বয়স সত্তরেরও বেশি। গাজা সিটির এই প্রবীণ নারী প্রথমবার গ্রেফতার হন ২০১৫ সালে। এরপর একাধিকবার আটক হন ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে। তাঁর দুই কন্যা, সুযান ও রাবাব, পূর্বে বন্দি বিনিময়ে মুক্তি পেয়েছিলেন, কিন্তু সেহাম আবু সালেম দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলেন।
সর্বশেষ তাঁকে গ্রেফতার করা হয় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, এবং আজ, বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে তিনি মুক্তি পান।

অন্যদিকে, মিরফাত খলিল গাজারই আরেক সাহসী নারী। তাঁকে ২০২০ সালে গ্রেফতার করা হয়, অভিযোগ ছিল তিনি হামাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ইসরায়েলি কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সংগ্রামী অবস্থান এবং প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত হন।

এই দুই নারী বন্দি বছরের পর বছর অন্যায় আটক ও নির্যাতনের মধ্যেও অদম্য সাহসিকতা দেখিয়েছেন। তাঁদের মুক্তি গাজার মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

 

রাসায়নিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশের গর্ব অধ্যাপক ড. সৈয়দা রাজিয়া সুলতানা

অধ্যাপক ড. সৈয়দা রাজিয়া সুলতানা বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল বিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষিকা, যিনি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং রাসায়নিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে প্রফেসর হিসেবে কর্মরত আছেন।
ড. রাজিয়ার শিক্ষাজীবন শুরু হয় বুয়েটে, যেখানে তিনি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। উচ্চতর গবেষণার জন্য তিনি কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টায় পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর আগ্রহ ছিল শিল্প প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি নিয়ে, যা পরবর্তীতে তাঁর গবেষণা ও শিক্ষাজীবনের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

পিএইচডি শেষ করার পর তিনি বুয়েটে শিক্ষকতা শুরু করেন। ধীরে ধীরে তিনি দেশের একজন পরিচিত কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্রের মধ্যে কেমিক্যাল সেফটি ও সিকিউরিটি, প্রক্রিয়া নিরাপত্তা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ডিস্টিলেশন ও সেপারেশন প্রক্রিয়া, এবং শিল্প বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত।
গবেষণা কাজগুলো শুধু একাডেমিক জগতে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং দেশের শিল্পখাতেও নিরাপত্তা সংস্কৃতি গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি নিয়মিত আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণা প্রকাশ করেন এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।

ড. রাজিয়ার আন্তর্জাতিক অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি OPCW (Organization for the Prohibition of Chemical Weapons)-এর Scientific Advisory Board-এর সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। এই পদে থাকাকালীন তিনি বিশ্বব্যাপী রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ এবং কেমিক্যাল সিকিউরিটির নীতি ও শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী হিসেবে এই বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব দেশের জন্য গর্বের।

২০২৩ সালে ড. সৈয়দা রাজিয়া “The Hague Award” লাভ করেন, যা OPCW প্রদত্ত একটি সম্মানজনক পুরস্কার, রাসায়নিক নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ গবেষণায় অসামান্য অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। এই অর্জনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী বিজ্ঞানী হিসেবে আন্তর্জাতিক এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মান লাভ করেছেন। এটি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের বৈজ্ঞানিক ও শিক্ষাগত জগতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

শিক্ষক এবং গবেষক হিসেবে ড. রাজিয়া শুধু শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই জ্ঞান নয়, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও নিরাপত্তাবোধ শেখান।
তিনি নিয়মিত কিছু কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন, যেখানে শিক্ষার্থী, প্রকৌশলী এবং শিল্পকর্মীরা রাসায়নিক ঝুঁকি এবং নিরাপদ প্রক্রিয়া পরিচালনার আধুনিক ধারণা শিখতে পারেন। তাঁর এই উদ্যোগগুলো দেশের শিল্পখাত ও একাডেমিয়ায় নিরাপত্তা সংস্কৃতি গঠনে অমূল্য ভূমিকা রেখেছে।

ড. রাজিয়ার গবেষণা এবং প্রকাশনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের কেমিক্যাল সেফটি, প্রক্রিয়া নিরাপত্তা, এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক মানদণ্ডে দেশকে পরিচিতি দিয়েছে। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নাল ও সিম্পোজিয়ামে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ভাগাভাগি করেন এবং বহু বৈজ্ঞানিক বোর্ডে সম্পাদনা দায়িত্ব পালন করেছেন।

ব্যক্তিগতভাবে, তিনি একজন প্রেরণাদায়ী শিক্ষক। তাঁর শিক্ষার্থীরা বলছেন, “ম্যাডাম শুধু ক্লাসে পড়ান না, জীবনেও শেখান কীভাবে দায়িত্বশীল ও নৈতিক গবেষক হওয়া যায়।” তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে বিজ্ঞান তখনই সত্যিকার অর্থে কল্যাণকর, যখন তা মানুষের জীবনকে নিরাপদ ও সুন্দর করে।

অধ্যাপক ড. সৈয়দা রাজিয়া সুলতানা বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর গবেষণা, নেতৃত্ব এবং নৈতিক দৃঢ়তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণা এবং তরুণ গবেষকদের জন্য এক দৃষ্টান্ত। তার মতে বিজ্ঞান কেবল জ্ঞান নয়, বরং একধরনের মানবিক দায়িত্ব। এই দায়িত্বকে তিনি নীরবে, নিষ্ঠাভরে দেশের ও বিশ্বের কল্যাণে পালন করছেন।

 

নারীদের চারটি আইটি কোর্সে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের সুযোগ

ডিজিটাল দক্ষতায় নারীদের আরও একধাপ এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিডব্লিউসিসিআই) এবং দ্য এভারেস্ট আইটি একত্রে নিয়ে এসেছে অনন্য উদ্যোগ। বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছে নারীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চারটি আইটি প্রশিক্ষণ কোর্সের।

তিন মাস মেয়াদি এই কোর্সগুলোয় নারীরা পাবেন আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ। প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা করে ক্লাসে অংশ নিয়ে গড়ে তোলা হবে নতুন প্রজন্মের দক্ষ নারী আইটি প্রফেশনাল।

চারটি প্রশিক্ষণ কোর্স:
১️. কম্পিউটার অপারেশন (লেভেল–৩)
২️.ফ্রিল্যান্সের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং (লেভেল–৩)
৩️. গ্রাফিকস ডিজাইন (লেভেল–৩)
৪.ফ্রিল্যান্সের জন্য গ্রাফিকস ডিজাইন (লেভেল–৩)

যোগ্যতা:
ন্যূনতম এসএসসি পাস বা সমমান।

সুবিধাসমূহ:
কোর্স শেষে সরকারি অনুমোদিত (NSDA) সনদপত্র প্রদান

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের অগ্রাধিকার

চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ

ভবিষ্যতে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে সহায়তা

ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১️পূর্ণ জীবনবৃত্তান্ত (সিভি)
২️ দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
৩️ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ
৪️ জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের কপি

ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য:
আসনসংখ্যা সীমিত

প্রতি ব্যাচে ২৪ জন প্রশিক্ষণার্থী

আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে ভর্তি

অনলাইনে আবেদন করুন এখানে:
https://tinyurl.com/ymyt7775

নিজেকে বদলে নিন, নিজের হাতে গড়ে তুলুন নতুন ক্যারিয়ার!