banner

শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

দেয়ালের আঁকা ছবি থেকে আমেরিকার স্কলারশিপ জয়

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার এক পুরনো বাড়িতে জন্ম নেওয়া মুমতাহিনা করিম মীম ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অন্যরকম। বাইরের খেলাধুলার চেয়ে বেশি ভালো লাগত দেয়ালে ছবি আঁকতে। রাজকন্যা, প্রকৃতি কিংবা নিজের কল্পনার চরিত্র-প্রতিদিনই কিছু না কিছু আঁকতেন ঘরের দেয়ালে।
“আমার ঘরের দেয়াল ছিল আমার প্রথম ক্যানভাস,” বললেন মীম।

শৈশবে তাঁর হাতে রঙতুলির হাতেখড়ি হয় মায়ের মাধ্যমে। মীমের মা ছিলেন একজন হোম-বেইজড ফ্রিল্যান্সার। কাজ করতেন ল্যাপটপে। ছোট্ট মীম সেখানেই প্রথম প্রযুক্তির জগৎকে আবিষ্কার করেন।
একদিন মা যখন Microsoft Paint-এ কিছু দেখাচ্ছিলেন, মীম বলেই ফেললেন, “এইটাও তো আঁকার জায়গা!” সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর প্রযুক্তিভিত্তিক ক্যানভাসের যাত্রা।

মাত্র ক্লাস থ্রিতে থাকা অবস্থায় ইউটিউব দেখে নিজেই শিখে ফেলেন HTML আর CSS।
প্রথমবার কোডে যখন “Hello World” লিখে স্ক্রিনে দেখেন-তাঁর ভাষায় “তখনই বুঝে গিয়েছিলাম,এই ট্যাপাট্যাপি করাটাও এক ধরনের শিল্প।”

নবম শ্রেণিতে গিয়ে মীম প্রতিষ্ঠা করেন নিজের স্কুলে একটি প্রোগ্রামিং ক্লাব। শুরুতেই ক্লাবের সদস্য হয় ৬৫ জন শিক্ষার্থী।
প্রথমদিকে অনেকে বলেছিল,
“‘মেয়ে হয়ে এসব করছো কেন?’—এই কথাটা বহুবার শুনেছি। কিন্তু আমি জানতাম, দক্ষতা আর আগ্রহের কাছে লিঙ্গ কখনোই বাধা হতে পারে না।”

করোনা মহামারির সময়, যখন সবাই ঘরবন্দি, তখন মীম ইউটিউব দেখে দেখে তৈরি করেন রোবটিক্স প্রজেক্ট। নিজের জমানো টাকায় কেনেন Arduino কিট ও নানা সেন্সর।
নিজের ঘরটিই হয়ে ওঠে ক্ষুদ্র ল্যাবরেটরি।
সেখানেই তৈরি করেন ফুড-সার্ভিং রোবট ‘কিবো’। বন্ধুরা বলত,
“‘এসব করে সময় আর টাকার অপচয় করছো।’ কিন্তু আমি এগুলো করতাম ভালোবেসে।”

এইচএসসি পাশের পর চারপাশে সবাই যখন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন মীম নিরবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য।
কারো কোনো গাইডলাইন ছিল না, ছিলো না কোনো বড় ভাইবোন বা সিনিয়র। ইউটিউব, ব্লগ, ওয়েবসাইট ঘেঁটে ঘেঁটে নিজেই শিখে ফেলেন -কীভাবে ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করতে হয়,কীভাবে স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (SOP) লিখতে হয়,কীভাবে স্কলারশিপ পাওয়া যায়।

SAT এবং TOEFL-এর প্রস্তুতির জন্য রাত জেগে পড়াশোনা করতেন। নিজের খরচ চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এক কোম্পানিতে পার্টটাইম অনলাইন চাকরি করতেন।
তবে রাত জাগা নিয়ে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে অনেক কথা শুনতে হয়েছে।
“অনেকেই বলত, বিদেশে পড়া আমাদের পরিবারের জন্য না। কেউ কেউ হাসতও। কিন্তু আমি জানতাম-ভালো স্কলারশিপ ছাড়া আমেরিকা যাওয়া সম্ভব না।”

এই পুরো পথচলায় একমাত্র শক্তি হয়ে পাশে ছিলেন মিজানুর রহমান স্যার—যিনি শুধু স্কুলের শিক্ষকই ছিলেন না, বরং নিঃস্বার্থভাবে মীমকে SAT পরীক্ষার জন্য গাইড করেছিলেন।
“স্যার ছিলেন ছায়ার মতো। তাঁর মতো মানুষ না থাকলে এতদূর আসা সম্ভব হতো না।”

অবশেষে দিনের পর দিন রাত জেগে কষ্ট করার ফল আসে। যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসে অ্যাডমিশন ও স্কলারশিপ অফার। কিন্তু তার মধ্য থেকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অফার আসে Hendrix College থেকে—Hays Memorial Scholarship, যা পুরোপুরি টিউশন, থাকা-খাওয়াসহ সব খরচ কভার করে।

আজ মীম প্রস্তুত তাঁর জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের জন্য। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার এক ছোট্ট বাড়ি থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা এখন তাঁকে নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষার আসনে।

 

ইতিহাস গড়লেন কুমিল্লার প্রথম নারী ওসি নাজনীন সুলতানা

কুমিল্লা জেলার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্ব পেলেন। লাকসাম থানার বর্তমান ওসি নাজনীন সুলতানা গড়েছেন এই অনন্য ইতিহাস।

১৭টি উপজেলা ও ১৮টি থানার কুমিল্লা জেলায় আগে কখনো কোনো নারী ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর নাজনীন সুলতানা লাকসাম থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে বদলে যায় এই দীর্ঘদিনের চিত্র।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাসিন্দা নাজনীন সুলতানা চট্টগ্রাম সিটি কলেজ থেকে বাংলা ভাষায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন। এছাড়া তিনি এলএলবিও সম্পন্ন করেছেন। ২০০৭ সালে উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে পুলিশে যোগ দেন এবং কর্মজীবন শুরু হয় ফেনী জেলা থেকে। ২০১৬ সালে তিনি পরিদর্শক পদে পদোন্নতি পান। ২০১৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে আন্তর্জাতিক পরিসরেও তার দক্ষতার প্রমাণ দেন।

লাকসাম থানার ৪০তম ওসি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত নাজনীন সুলতানা শুধু প্রথম নারী ওসি নন, বরং একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবেও ইতোমধ্যে প্রশংসিত হচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণের কাছ থেকে পেয়েছেন ইতিবাচক সাড়া।

তিনি বলেন, “আমি কোনো দলের প্রতি নয়, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করছি। মানুষ থানায় আসলে আমি মন দিয়ে তাদের কথা শুনি, তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিই। এখানকার মানুষ আমাকে খুব সহযোগিতা করছেন।”

লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ বলেন, “মাঠপর্যায়ে আমি বহু ওসির সঙ্গে কাজ করেছি, কিন্তু নাজনীন সুলতানা সবচেয়ে পেশাদার ও মানবিক ওসি বলেই মনে হয়েছে।”

নারীর ক্ষমতায়নে এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে কুমিল্লার নারীনেত্রী দিলনাশি মোহসেন বলেন, “আরও থানায় নারী ওসি নিয়োগ দিতে হবে। সেইসঙ্গে নারী কর্মকর্তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা দরকার।”

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান জানান, নাজনীন সুলতানা তার দক্ষতার প্রমাণ ইতিমধ্যেই দিয়েছেন। সামনে আরও কয়েকটি থানায় নারী কর্মকর্তাকে ওসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

মহাকাশে নারীর পদচিহ্ন: হর্স হেড নেবুলার আবিষ্কারক উইলিয়ামিনা ফ্লেমিং

উইলিয়ামিনা প্যাটন ফ্লেমিং-একজন নারী যিনি পরিচারিকা থেকে হয়ে উঠেছিলেন মহাকাশবিজ্ঞানী। ১৮৫৭ সালের ১৫ মে, স্কটল্যান্ডে জন্ম নেওয়া এই মহীয়সী নারী কেবল নিজের জীবন বদলাননি, বদলে দিয়েছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানে নারীর অংশগ্রহণের ধারণাকেও।

জীবনের এক পর্যায়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং এক অধ্যাপকের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ নেন। কিন্তু তাঁর সূক্ষ্ম বুদ্ধিমত্তা ও মহাকাশের প্রতি গভীর আগ্রহ দেখে সেই অধ্যাপক উইলিয়ামিনা ফ্লেমিংকে হার্ভার্ড কলেজ অবজারভেটরিতে কাজের সুযোগ করে দেন। সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার অনন্য যাত্রা।

তিনি তারার বর্ণালির শ্রেণিবিন্যাসের একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন, যা সে সময়কার অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় ছিল অনেক উন্নত। পরবর্তী কালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাঁর এই পদ্ধতির ভিত্তিতেই আরও উন্নত গবেষণা চালিয়ে যান।

উইলিয়ামিনা ছিলেন একাধারে আবিষ্কারক ও পথপ্রদর্শক। তাঁর অর্জনের তালিকায় আছে-
১০টি নতুন নোভা (উজ্জ্বল বিস্ফোরণ তারকা),৫২টি নতুন নেবুলা (মহাকাশের ধূলিকণা ও গ্যাসের মেঘ),
৩১০টি নতুন পরিবর্তনশীল তারা।

তবে তাঁর সবচেয়ে স্মরণীয় আবিষ্কার হলো—হর্স হেড নেবুলা। এই বিস্ময়কর নেবুলাটি দেখতে ঠিক ঘোড়ার মাথার মতো, যা তাঁকে বিশ্ববিজ্ঞানে অমর করে রেখেছে।

উইলিয়ামিনার প্রবন্ধ ‘A Field for Women’s Work in Astronomy’-তে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন—নারীদের বিজ্ঞান গবেষণায় আরও সুযোগ দেওয়া উচিত। তাঁর এই বক্তব্য আজও অনুপ্রেরণার উৎস।

১৯০৬ সালে তিনি সম্মানসূচক সদস্য হিসেবে ব্রিটিশ রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটিতে যুক্ত হন—প্রথম আমেরিকান নারী হিসেবে।

৫৪ বছর বয়সে ১৯১১ সালের ২১ মে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন। তবে তাঁর কাজ ও দৃষ্টিভঙ্গি আজও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রতিটি বিজ্ঞানপ্রেমীর মনে আলো জ্বালায়।

 

প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে অগ্রণী নারীরা

প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস। জাতিসংঘ ১৯৭২ সালে এই দিবসের ঘোষণা দেয় এবং ১৯৭৪ সাল থেকে এটি বিশ্বব্যাপী পালন শুরু হয়। পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়াই এর মূল উদ্দেশ্য। প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজন করা হয় এ দিবসটি। ২০২5 সালের প্রতিপাদ্য- #BeatPlasticPollution, অর্থাৎ ‘প্লাস্টিক দূষণ রোধ করুন’।

প্লাস্টিক দূষণ আজ বৈশ্বিক সংকট। প্রতি বছর প্রায় ৪০০ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক উৎপন্ন হয়, যার একটি বিশাল অংশ গিয়ে পড়ে আমাদের নদী, সমুদ্র এবং জমিতে। কিন্তু এই দূষণের বিরুদ্ধে যাঁরা নীরবে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের বড় একটি অংশ হলেন নারী। আজ তুলে ধরছি এমন কিছু সাহসী নারীর কথা, যাঁরা তাঁদের নিজ নিজ অঞ্চলে প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে কার্যকর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

ইসাতু সিসে, গাম্বিয়া: রিসাইক্লিংয়ের রানী
আফ্রিকার গাম্বিয়ায় ১৯৯৭ সালে ইসাতু সিসে চারজন নারীকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন Recycle Centre of N’jau। তাঁরা প্লাস্টিক ব্যাগ সংগ্রহ করে তা ধুয়ে, কেটে সুতো বানান ও সেখান থেকে তৈরি করেন ব্যাগ, পার্স, ম্যাট ইত্যাদি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নারীরা যেমন আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন, তেমনি প্লাস্টিক বর্জ্যও রূপ নিচ্ছে পরিবেশবান্ধব পণ্যে। ইসাতুর এই উদ্ভাবনী নেতৃত্ব তাঁকে এনে দিয়েছে “Queen of Recycling” উপাধি।

ক্রিস্টাল অ্যামব্রোস, বাহামাস: সাগর রক্ষার সংগ্রামী
সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী ক্রিস্টাল অ্যামব্রোস ২০১৩ সালে ‘Plastics Camp’ কর্মসূচি চালু করে সমুদ্র তীর থেকে ৫ হাজার পাউন্ডের বেশি বর্জ্য সংগ্রহ করেন। ২০১৮ সালে তিনি একক-ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধের প্রস্তাব দেন, যার ভিত্তিতে ২০২০ সালে বাহামাস সরকার সেইসব প্লাস্টিক পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

শিলশিলা আচার্য, নেপাল: পাহাড় বাঁচানোর দূত
Avni Center for Sustainability প্রতিষ্ঠা করে নেপালের শিলশিলা আচার্য স্কুল, হোটেল ও দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করছেন। তিনি পরিবেশবান্ধব বিকল্প উপকরণ ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করছেন।

লরনা রুট্টো, কেনিয়া: প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে নির্মাণসামগ্রী
কেনিয়ার উদ্ভাবক লরনা রুট্টো তাঁর প্রতিষ্ঠিত সংস্থা EcoPost এর মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইকেল করে তৈরি করছেন পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী। এতে যেমন বর্জ্য কমছে, তেমনি কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে।

এমিলি পেন, যুক্তরাজ্য: সমুদ্র প্লাস্টিক গবেষণার নায়িকা
Emily Penn ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন Exxpedition, যা নারীদের নেতৃত্বে পরিচালিত সমুদ্র গবেষণা কার্যক্রম। এ অভিযানে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এক শতাধিক নারী অংশ নেন। তিনি একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন, যেখানে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের প্লাস্টিক দূষণ বিশ্লেষণ করে সমাধানের পথে যেতে পারে।

সেল ক্লিভ, যুক্তরাষ্ট্র: সচেতনতার সৈনিক
Sea Hugger নামক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে Sel Cleave সাধারণ মানুষকে সমুদ্র পরিচ্ছন্নতায় সম্পৃক্ত করছেন। তাঁর উদ্যোগে আমেরিকার উপকূলবর্তী বহু এলাকায় প্লাস্টিক ব্যবহার কমেছে এবং পরিবেশবান্ধব আচরণে উৎসাহ বেড়েছে।

এই নারীরা প্রমাণ করেছেন-উদ্যোগ, নেতৃত্ব ও সচেতনতা থাকলে পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব। তাঁরা শুধু নিজেরাই কাজ করছেন না, অন্য নারীদেরও স্বাবলম্বী করছেন, নেতৃত্বে আনছেন। তাঁদের সাফল্য আমাদের শেখায়, ছোট উদ্যোগও বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।