banner

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

M A R R I A G E (বিয়ে)


দাম্পত্য


বিয়ে হল সমাজের ভাষায় একজন নারী ও একজন পুরুষের একত্রে বসবাসের জন্য অর্থনৈতিক ও দৈহিক সুব্যবস্থাযুক্ত অনুমতি। কি কঠিন বলে তাই না, তবে বিয়েকে একটি সু-সংগঠিত স্কুল বলতে পারো। যেখানে দুজন ব্যক্তি নয় দুটি পরিবার প্রতিনিয়ত নতুনকে মেনে নেবার জন্য সব সময় নতুন নতুন কৌশল শেখবে। জীবনসঙ্গীরা নিজেদের সম্পর্ককে নতুন করে উন্নত আর জাগ্রত করার চেষ্টা অবিরত রাখবে। উভয়পক্ষকে মিলে মিশেই এই বন্ধন মুল রহস্য খুঁজে নেওয়ার জন্য মানুষ বিয়ে করে। বিশ্বাস রাখো।

M A R R I A G E অর্থই হল ‘বিবাহ’ বা বলতে পার ‘বিয়ে’। এখন আসো দেখি বিয়েকে কিভাবে বিশ্লেষণ করা যায়।

ভুলকে সন্মান কর
জীবনসাথীর প্রতি সন্মান দেখানো বলতে
আসলে বুঝায়, একজন মানুষের মধ্যে অনেক দূর্বলতা থাকে বা থাকবেই। আবার অক্ষমতা দেখা যাবে বা যায়। মানুষ সব কাজ করতে পারে না, এটায় সত্য। আবার অনেক কাজ করতে গিয়ে ভুল করে ফেলো তুমি নিজেও। সাথীর দূর্বলতা ও অক্ষমতার প্রতি সন্মান দেখাও।

জীবনসাথীকে মেনে নাও
মানুষের মাঝে থাকে একটু রুক্ষতা, গম্ভীরতা, কোমলতা, রাগ, স্নেহশীলতা, আন্তরিকতা এবং সহনশীল মন। জান! ছোট বেলায় থেকে কেউ একটু রাগী। কেউ একটু কোমল। কেউ চালাক বা কেউ তুলনা মুলক বোকা। এই সবকিছু মিলেই একজন মানুষের স্বভাব। তাই মেনে নেওয়ার ক্ষমতা এখনই তৈরি কর। কারণ যার যত সুন্দর এবং দ্রুত এই মেনে নেবার ক্ষমতা থাকবে সে তত সুন্দর করে জীবনকে উপভোগ করবে।

পরস্পরের প্রয়োজন বুঝ
দরদ দিয়ে অপরের চাওয়া বুঝার চেষ্টা কর। ভালবেসে অপরের জন্য একটু হাসি দেওয়া। এবং ছোটখাটো সব ধরনের কাজ আন্তরিকতা ও ভালবেসে কর।

সমাধান চেষ্টা কর
একসাথে কিছুটা সময় বা পথ হাটার জন্য নিজেদের মাঝে অক্ষমতা আর দূর্বলতার জন্য সমস্যার সৃষ্টি হবেই। তাই কথা বলে। শেয়ার করে। সমস্যার সুন্দর সমাধানে দিকে হাটার চেষ্টা তোমাকে করতে হবে। যাতে অন্তত রাতে সব কিছু মিটিয়ে আরামের ঘুম দিতে পার।

ভালবাসার তীব্রতা মেপো না
যদি ভালবাসার তীব্রতা কমে গেছে বলে মনে হয় তোমার। আর তুমি দেখছো যে তুমি সেভাবে তাকে ভালবাসতে পারছো না,তাহলে এটাতেই অভ্যস্ত হয়ে যাও। জীবনে তো অল্প সময়ের জন্য দেখতে দেখতে সময় কেটে যাবে।

ভালবাসো সহজভাবে
ভালবাসাকে এত সহজলভ্য কর। চাইলেই যেন তুমি ভালবাসাময় পরিবেশ বানিয়ে ফেলতে পারো। যেখানে আত্মা, দেহ, মন এবং হৃদয় একত্রে থাকবে নিজেদের।

মতামত বিনিময় কর
মনে রাখতে হবে বিয়ের অন্যতম সুন্দর এবং মূল্যবান বিষয় হল ‘দেওয়া বা বিনিময়’। আপনার পক্ষ থেকে সবটুকু চেষ্টা মাধ্যমে মূল্যবান সময়, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, ভালবাসা অঢেল বিলি করুন।

হাটুন কল্যাণের পথে
সৃষ্টিকর্তা সব আমাদেরকে খুব চমৎকার হৃদয় দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং দুইজন দু জনার সাহায্যকারী, দুই জনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু, যারা দুজনে কল্যাণকর বন্ধন গড়ে তোলার জন্য সবসময় সর্তকভাবে হাটতে ভালবাসে।

বিয়ে হল পরিবার

এই বিষয়টা খুবই সহজ একটা শব্দ ‘পরিবার’! রাষ্ট্রে সবচেয়ে সুন্দর সংগঠন পরিবার। বউ ও জামাই মিলে গড়ে উঠে একটি পরিবার। পরস্পর একত্রে হল একটি রাষ্ট্র।

বিয়ে সম্পর্কিত অজস্র পোস্ট, বিয়ে হচ্ছে পৃথিবীতে নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি বন্ধন। তাই আমাদের সঠিক জ্ঞান নিয়ে হাটা শিখতে হবে।

মুল সুত্রঃ Elika maholy
অনুবাদঃ ফাতেমা শাহরিন।

 

মহেশপুরে সজিব ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মায়ের মৃত্যু

 


নারী সংবাদ


ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা বাজারের সজিব প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ক্লিনিকে ভুল অপারেশনে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যু হয়েছে। রোগীর স্বজনরা জানান, অদক্ষ নার্স ও হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে ভুল অপারেশনের কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

বাঁশবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ভৈরবার সজিব প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ক্লিনিকে এক প্রসূতির মায়ের মৃত্যু হয়েছে। নিহত এই প্রসূতি মায়ের নাম মোসুমী খাতুন। ডেলিভারী করানোর সময় তার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

সজীব প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ক্লিনিকের মালিক সামাউল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সামন্তা গোপালপুর গ্রামের আল-আমিনের স্ত্রী মৌসুমী খাতুনকে সিজার আপারেশন করানোর জন্য আমার ক্লিনিকে নিয়ে আসে। এরপর তাকে ভর্তি করে একজন নার্সের মাধ্যমে নরমাল ডেলিভারী করানোর চেষ্টা করা হয়। তাতে ব্যর্থ হলে রাত ৮টার দিকে ডাঃ সোহেল রানা মৌসুমী খাতুনের সিজার অপারেশন করেন। রাত ৯টার দিকে মৌসুমী খাতুনের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে যশোরে পাঠানো হয়। কিন্তু রাস্তার মধ্যেই মৌসুমী খাতুনের মৃত্যু হয়, তবে প্রসূতির সন্তান জীবিত আছে।

নিহত প্রসূতি মৌসুমী খাতুনের স্বজনরা জানান, ক্লিনিকে ভর্তি হওয়ার পর অবস্থা খারাপ হলে আমরা মৌসুমীকে যশোরে নিয়ে যেতে চাই। কিন্তু ক্লিনিক মালিক তাতে বাধা দিয়ে অদক্ষ এক মহিলা দিয়ে ডেলিভারী করানোর চেষ্টা করে। তারপর সোহেল নামক একজনকে দিয়ে সিজার অপরেশন করানো হয়। এতে প্রসূতির অবস্থা আরো খারাপ হলে ক্লিনিক মালিক তাড়াতাড়ি যশোর নিয়ে যেতে বলে। যশোর নেয়ার পথে রাস্তায় তার মৃত্যু হয়।

এদিকে যে ডাক্তার দিয়ে সিজার করানো হয়েছে সেই ডাক্তারের ফোন নাম্বার চাইলে ক্লিনিক মালিক সামাউল তা দেননি বলে জানান তারা।

মহেশপুর থানার ওসি রাশেদুল আলম জানান, আমি রোগী মৃত্যুর ঘটনাটি লোক মুখে শুনেছি। ডাক্তার সোহেলের কুকীর্তি সম্বন্ধে আমি মোড়েলগঞ্জ থানায় থাকা অবস্থায় অবগত। তার বাড়ি বাগেরহাট। সে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় রোগী অপারেশন করে মর্মে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আসতো। প্রসূতির মৃত্যুতে থানায় এখনো কোনো অভিযোগ হয়নি। সুত্র: নয়াদিগন্ত