banner

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

কিভাবে স্মার্ট হবেন?


মেইক ইউরসেলফ


চিরস্থায়ী স্মার্টনেসের জন্য নিয়মিত কিছু কাজ করা দরকার। আপনার শার্ট-প্যান্ট নিয়ে ভাববেন না। কেবল খেয়াল রাখুন এগুলো পরিস্কার কিনা, ইস্ত্রি করা কিনা, ব্যাস। চুল নিয়ে কখনোই বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না যেমন আছে থাকতে দিন।

১. জ্ঞান অর্জন করা
প্রচুর পড়াশোনা করেন, দেখেন, শোনেন। দরকারি বিষয়গুলো পড়ার সাথে সাথেই একটু করে লিখে রাখেন। স্মার্ট হওয়ার প্রথম শর্ত হলো আপনাকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। পোশাক আশাক সুন্দর করেই যে আপনি স্মার্ট হবেন তা হবে না।

২.কথা বলা
গুছিয়ে কথা বলা; উপস্থিত বুদ্ধি; পরিষ্কার পরিছন্ন উপস্থাপনা। বেশি বকবক করবেন না, বেশি করে লোকজনের কথাবার্তা শোনেন। এর মধ্যে থেকে ভালো জিনিসগুলো নেয়ার চেস্টা করেন।

৩. খারাপ আচরণ করবেন না
মাথাটাকে সবসময় ঠান্ডা রাখুন, ফ্রেশ রাখুন। বাসার কাজের লোক হোক অথবা অফিসের বস কখনোই কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না।

৪. কাজের লিস্ট করুন
দিনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলোকে সুন্দর করে লিখে রাখেন।স্টুডেন্ট, চাকরিজীবী, বেকার আপনি যেই হন, আপনার কাজের একটা লিস্ট তৈরি করেন।

৫. বুদ্ধির খেলা খেলুন
বুদ্ধির খেলা খেলেন, পাজল গেম হতে পারে, দাবা, শব্দজট অথবা আপনার পছন্দসই কিছু একটা।

৬. বন্ধু নির্বাচন
স্মার্ট হওয়ার খুবই গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হচ্ছে ভালো বন্ধু নির্বাচন। হাজার হাজার বন্ধু থাকার চেয়ে পাঁচ জন বিবেকবান, বুদ্ধিমান, শিক্ষিত বন্ধু থাকা লক্ষগুণ ভালো, এদেরকে আপনার একদিনেই জোগার করতে হবে তা না, জীবনে চলারপথে এরকম পাঁচজন মানুষ আপনি চিন্তাভাবনা করে বেঁছে নেন।

৭. পর্যাপ্ত ঘুমান
যথেষ্ট পরিমাণে ঘুমান। প্রতিদিন ভালো ঘুম হওয়াটা জরুরি।

যে কোনো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেয়া এবং নিজের আশে পাশের সম্পর্কে ভালো জানা শোনা থাকা স্মার্ট হওয়ার কিছু অন্যতম দিক। এই সব দিক গুলো নিয়মিত চর্চার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব।

 

সিংড়ায় বৃদ্ধা মাকে বাড়িছাড়া করল ছেলে


নারী সংবাদ


‘বৃদ্ধা হওয়াটাই যেন সবচেয়ে বড় অপরাধ! আমার ঘর-সংসার, ছেলে-মেয়ে সব থাকার পরও আজ আমি বড় অসহায়। জায়গা-জমি সব লিখে দিয়েছি। ঘর-বাড়ি সব কিছু নিয়ে মুখে লাথি মেরে ফেলে দিল। পেটের ছেলে এই ভাবে মারবে মেনে নেয়া যায় না। আমার বাপ, মা, ভাই, আত্মীয়-স্বজন কেউই নেই। তাই বিচারের আশায় এই থানার সামনে সকাল থেকে বসে আছি।’ বলছিলেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার কুষাবাড়ী গ্রামের ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধা রহিমা বেওয়া।

নিতান্ত অসহায়ভাবে শুক্রবার সকাল থেকে নাটোরের সিংড়া থানার সামনে বসেছিলেন তিনি। শুক্রবার দুপুর ১২টায় থানার সামনে বসে থাকার সময় এই প্রতিবেদককে কাতর কন্ঠে কথাগুলো বলছিলেন রহিমা বেওয়া।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা কুষাবাড়ী গ্রামের মৃত হুসেন প্রামাণিকের স্ত্রী রহিমা বেওয়া প্রায় ১০ বছর পূর্বে তার স্বামীকে হারিয়ে বিধবা হন। এরপর তিনি তার ৭ ছেলেমেয়ের পরিবারের সাথে জীবনযাপন করতে থাকেন।

সম্প্রতি মেজ ছেলে বেল্লাল হোসেনকে জমি-জমা ও ঘর-বাড়ি লিখে দেন। শুক্রবার সকাল ৭টায় ছেলের কাছে টাকা চাইলে মায়ের মুখে লাথি মেরে ফেলে দেয় ছেলে বেল্লাল হোসেন। গ্রাম্য প্রধানদের সামনেই বৃদ্ধা মাকে করা হয় উপর্যপরি মারপিট।

এদিকে থানার সামনে মাটিতে বসে একজন ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধা মহিলাকে কাঁদতে দেখে এগিয়ে আসেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সিংড়া উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক। পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় বিষয়টি সিংড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলামকে অবগত করা হয়।

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সিংড়া উপজেলার সভাপতি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, বৃদ্ধা মায়ের মুখে লাথি মেরে ফেলে দেয়া দুঃখজনক বিষয়। ওই বৃদ্ধা মহিলাকে সহযোগিতা করার জন্য মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা পাশে রয়েছেন।

সিংড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, কোনো ছেলে তার মায়ের মুখে লাথি মেরে ফেলে দেয়ার ঘটনাটি একটি অমানবিক বিষয়। ছেলে বেল্লাল হোসেনকে আটক করতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সুত্র: নয়াদিগন্ত।