banner

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

বিবাহিত নারীর সাথে করমর্দন করা যাবে কিনা?

নিঃসন্দেহে এটা হাতের যিনা। যেমন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “দুচোখ যিনা করে, দুহাত যিনা করে, দুপা যিনা করে এবং লজ্জাস্থানও যিনা করে”। [মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ৩৯১২; সহীহুল জামে, হাদীস নং ৪১২৬]

আজকের সমাজে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা অবারিতভাবে চলছে। ফলে অনেক নারী-পুরুষই নিজেকে আধুনিক হিসাবে যাহির করার জন্য শরী‘আতের সীমালংঘন করে পরস্পরে মুসাফাহা করছে। তাদের ভাষায় এটা হ্যান্ডশেক বা করমর্দন। আল্লাহর নিষেধকে থোড়াই কেয়ার করে বিকৃত রূচি ও নগ্ন সভ্যতার অন্ধ অনুকরণে তারা এ কাজ করছে এবং নিজেদেরকে প্রগতিবাদী বলে যাহির করছে। আপনি তাদেরকে যতই বুঝান না কেন বা দলীল-প্রমাণ যতই দেখান না কেন তারা তা কখনই মানবে না। উল্টো আপনাকে প্রতিক্রিয়াশীল, সন্দেহবাদী, মোহাচ্ছন্ন, আত্মীয়তাছিন্নকারী ইত্যাদি বিশেষণে আখ্যায়িত করবে।

চাচাত বোন, ফুফাত বোন, মামাত বোন, খালাত বোন, ভাবী, চাচী, মামী প্রমুখ আত্মীয়ের সঙ্গে মুসাফাহা করা তো এসব লোকদের নিকট পানি পানের চেয়েও সহজ কাজ। শরী‘আতের দৃষ্টিতে কাজটি কত ভয়াবহ তা যদি তারা দূরদৃষ্টি দিয়ে দেখত তাহলে কখনই তারা এ কাজ করত না। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় তোমাদের কারো মাথায় লোহার পেরেক ঠুকে দেওয়া ঐ মহিলাকে স্পর্শ করা থেকে অনেক শ্রেয়, যে তার জন্য হালাল নয়”। [ত্বাবরাণী; সিলসিলা সহীহাহ, হাদীস নং ২২৬।]

নিঃসন্দেহে এটা হাতের যিনা। যেমন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “দুচোখ যিনা করে, দুহাত যিনা করে, দুপা যিনা করে এবং লজ্জাস্থানও যিনা করে”। [মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ৩৯১২; সহীহুল জামে, হাদীস নং ৪১২৬]

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অধিক পবিত্র মনের মানুষ আর কে আছে? অথচ তিনি বলেছেন, “আমি নারীদের সাথে মুসাফাহা করি না”। [মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ২৭৫৩; সহীহুল হাদীস, হাদীস নং ২৫৯০]

তিনি আরও বলেছেন, “আমি নারীদের হাত স্পর্শ করি না”। [ত্বাবরাণী; কাবীর, ২৪/৩৪২; সহীহুল জামে‘, হাদীস নং ৭০৫৪]

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন, “আল্লাহর শপথ, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাত কখনই কোনো বেগানা নারীর হাত স্পর্শ করে নি। তিনি মৌখিক বাক্যের মাধ্যমে তাদের বায়আত নিতেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮৬৬]

সুতরাং আধুনিক সাজতে গিয়ে যারা নিজেদের বন্ধুদের সাথে মুসাফাহা না করলে স্ত্রীদের তালাক দেওয়ার হুমকি দেয় তারা যেন হুঁশিয়ার হয়। জানা আবশ্যক যে, মুসাফাহা কোনো আবরণের সাহায্যে হোক বা আবরণ ছাড়া হোক উভয় অবস্থাতেই হারাম।

মূল : শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
অনুবাদক : মু. সাইফুল ইসলাম
সম্পাদক : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
গ্রন্থনায় : ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ
সৌজন্যে : ইসলামহাউজ

 

৪টি কৌশলে হয়ে উঠুন পারফেক্ট ম্যানেজার

আমাদের পৃথিবী দিনে দিনে আরও গতিশীল হচ্ছে। ইন্টারনেটের দরুণ আগেই পৃথিবী চলে এসেছিল হাতের মুঠোয়, এখন স্মার্টফোন তাকে নিয়ে এসেছে নখদর্পনে। এই গতিশীলতার সাথে তাল মেলাতে হলে আমাদেরও হতে হবে দ্রুতগামী।
আপনি যখন নতুন একটি ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন প্রতিযোগিতার বাজারে আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে ঝড়ের গতিতে। তৈরি করতে হবে এমন নেটওয়ার্ক যা যে কোন পরিস্থিতিতে আপনার কাজে লাগবে। আপনার টিম হতে হবে এমন যারা নির্দেশ পাওয়ার সাথে সাথে বাস্তবায়ণ করতে নেমে পড়বে আপনার স্বপ্নকে। কীভাবে হবেন এমন ম্যানেজার? জেনে নিন কৌশলগুলো-
১। টিম কমিউনিকেশন খুবই জরুরী
যোগাযোগ নেই মানেই ভুল বোঝাবুঝি। আপনার টিমের সাথে আপনাকে থাকতে হবে সারাক্ষণ সম্পৃক্ত। কখন কোন অর্ডার হল, সেটা কবে ডেলিভারি হবে, স্টকে আছে কিনা প্রতিটি বিষয়ে ওয়াকিভাল থাকতে হবে আপনাকে। আপনি যদি এতটুকু হাল ছেড়ে দেন, দেখবেন আপনার কর্মীরা ঠিকমত কাজ করছে না। কারণ জানতে চাইলে একজন আরেকজনকে দোষারোপ করছে। এই সুযোগ দেবেন না। নিজেই সব খোঁজ নেবেন। ফোন করে সাথে সাথে জেনে নেবেন। কোন তথ্য মনে রাখার চেষ্টা না করে লিখে রাখুন এবং একমাত্র লিখিত তথ্যের উপর বিশ্বাস করুন।
 
২। প্রতিষ্ঠানের অর্থের ব্যাপারে সবাইকে সিদ্ধান্ত নিতে দেবেন না
কথায় আছে ‘অধিক সন্নাসীতে গাজন নষ্ট’। আপনার সকল অর্থনৈতিক চুক্তি হতে হবে দুইটি পক্ষের মধ্যে। কোণ মধ্যস্থতাকারী রাখবেন না। টাকা যেমন সকল সুখের জন্য প্রয়োজন তেমনি এই টাকাই সকল অনর্থের মূল। তাই প্রতিষ্ঠানে আপনার যত আত্মার আত্মীয় থাকুক না কেন, সকল অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজে নিন। হ্যাঁ, পরামর্শ নিতে পারেন। তবে মূল নেতৃত্ব নিজের হাতে রাখুন। একজন হিসাবরক্ষক রাখুন। এতে আপনার স্ট্রেস কমবে, হিসেব রাখতেও সুবিধা হবে।
৩। একটা ট্রাকিং মেথড মেনে চলুন
প্রতিষ্ঠানের শুরুতে হয়ত আপনার সম্পদ কম থাকবে। কিন্তু আপনার টার্গেট থাকবে আরও সম্পদ বাড়ানোর, প্রতিষ্ঠানকে বড় করার। আয় এবং ব্যায় ট্রাক করতে পারা শুরুতে একটি চ্যালেঞ্জের বিষয়। সব রকম হিসেন নিকেশের পরও মনে হবে টাকা যে কোথায় খরচ হয়ে যাচ্ছে! আগে প্রতিষ্ঠানে লোক রাখা হত আলাদা করে এগুলো খাতায় লিখে রাখার জন্য। এখন যুগ বদলেছে। আমরা প্রযুক্তিনির্ভর হয়েছি। অফিসের কাজের সহযোগী এপ্স ব্যবহার করুন। একদম প্রথম থেকে প্রতিটি ট্রাকজেকশন ডাটা লিখে রাখুন। ‘মাত্র তো শুরু’ এই চিন্তা করে শুরুতে হেলাফেলা করলে সেই কোম্পানির হিসেবের লাগাম ধরা অনেক পরেও আর সম্ভব হয়ে ওঠে না।
৪। প্রভাব বিস্তার করুন
সিদ্ধান্ত হবে আপনার আর আপনার সিদ্ধান্তকে সবাই মানবে খুশী মনে। আপনার কর্মীরা সবার আগে গুরুত্ব দেবে আপনাকে, বিশ্বাস করবে আপনাকে। সবার উপর নিজের এই প্রভাব বিস্তার করুন। “It’s all about the delegation” এটি এখনকার প্রতিষ্ঠানের মূল মোটো হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক সময় কর্মীরা কম শিক্ষিত হতেন, তাদের নিয়ন্ত্রণ করা অন্যরকম কঠিন ব্যাপার। এখনকার উচ্চ শিক্ষিত কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করা আরেক্রকম কঠিন। নেতার ইতিবাচক প্রভাব না থাকলে টিমওয়ার্ক করা কঠিন। এক কথার মানুষ হন, হন কৌশলী। কর্মীদের প্রতি সদয় হন।
বলা যতটা সহজ, করা ততটাই কঠিন। একজন ম্যানেজার এই কঠিন কাজটি করে যান প্রতিনিয়ত। আপনার বুদ্ধিমত্তার সাথে সাথে খেয়াল করুন এই পরামর্শগুলো। আরও সহজ হবে ম্যানেজ করা।
লিখেছেন
আফসানা সুমী
ফিচার রাইটার

 

গ্রামীণ ইউনিক্লো এনেছে ঈদ কালেকশন

ঈদের খুশিতে প্রতিটি মানুষই চায় প্রতিমুহূর্তে আনন্দে থাকতে। তাই উৎসবের বিভিন্ন মুহূর্তের সাথে মানিয়ে গ্রামীণ ইউনিক্লো নিয়ে এসেছে ঈদ কালেকশন। হোক সে ঈদের দিনে বেড়ানো বা প্রিয়জনের সাথে আনন্দের মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেওয়ার, দূর দূরান্তে ঘুরে বেড়ানো বা প্রকৃতিকে উপভোগ করার সব মুহূর্তেই চাই আরামদায়ক ও পরিবেশ উপযোগি পোশাক। ঈদে গ্রামীণ ইউনিক্লো নিয়ে এলো এমনই আরামদায়ক ও যে কোন পরিবেশ উপযোগি পোশাকের সমারহ।

ঈদে অন্যান্য পোশাকের সাথে লিনেন শার্ট পাচ্ছেন ১৪৯০ টাকায়, পোলো শার্ট পাচ্ছেন ৯৯০ টাকায়, বিভিন্ন ফাংশনাল জিনস পাচ্ছেন ১৫৯০ টাকায়, চিনো প্যান্ট পাচ্ছেন ১৬৯০ টাকায়, গ্রাফিক টি-শার্ট পাচ্ছেন ৪৯০ টাকায়। এছাড়া মেয়েদের কামিজ পাবেন ১৬৯০ ও ২৪৯০ টাকায়। কামিজের সাথে মানানসই লেগিংস পাবেন ৩৫০ টাকায় ও পালাজ্জো  ৭৯০ টাকায়। এছাড়াও ট্রেন্ডি পেন্সিল প্যান্ট পাচ্ছেন ৯৯০ টাকায়। ঈদ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সফট এন্ড কালেকশনে একের অধিক কিনলেই পাবেন ছাড়।

গ্রামীণ ইউনিক্লো এর বর্তমানে ৯টি আউটলেট আছে। গ্রামীণ ইউনিক্লো আউলেট লোকেশন: বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচারপার্ক, ধানমন্ডি সাইন্সল্যাব মোড়, কাঁটাবন মোড়(এলিফ্যান্ট রোড), খিলগাঁও তালতলা, নয়াপল্টন, মিরপুর-০১, মোহাম্মদপুর রোড এবং গুলশান বাড্ডা লিংক রোডে।

 

বিকেলের নাস্তায় তৈরি করুন মুচমুচে খাস্তা কচুরি

বিকেলের নাস্তায় পুরি, আলুর চপ, বেগুনি খেতে খেতে একঘেয়ামি চলে আসছে? নতুন কিছু তৈরি করতে চান? অনেকেই কচুরি তৈরি করে থাকেন। এইবার একটু ভিন্নধরণের খাস্তা কচুরি তৈরি করে নিন।

উপকরণ:

পুরের জন্য:

১/২ কাপ মুগ ডাল

২ চা চামচ মরিচের গুঁড়ো

১ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়ো

১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়ো

২ চা চামচ আমচূর গুঁড়ো

১ চা চামচ গরম মশলা

১ চা চামচ মৌরি গুঁড়ো

লবণ

১/২ চা চামচ চিনি

১.৫ টেবিল চা চামচ তেল

ডোয়ের জন্য:

১ কাপ ময়দা

১ কাপ আটা

১/২ চা চামচ বেকিং সোডা

৩ টেবিল চামচ ঘি

লবণ

২/৩ কাপ পানি

তেল

প্রণালী:

১। মাঝারি আঁচে মুগ ডাল ভেজে নিন। বাদামী রং হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।

২। এবার ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে গুঁড়ো করে নিন।

৩। মুগ ডালের গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, আমচূর পাউডার, গরম মশলা, মৌরি গুঁড়ো, লবণ এবং চিনি ভাল করে মেশান। এর সাথে কিছুটা পানি ভাল করে মেশান।

৪। এবার আরেকটি পাত্রে ময়দা, আটার সাথে ঘি দিয়ে ভাল করে মেশান। ব্রেড ক্রাবসের মত গুঁড়ো না হওয়া পর্যন্ত মেশাতে থাকুন।

৫। এরপর এতে লবণ, বেকিং সোডা এবং পানি দিয়ে ভাল করে ডো তৈরি করুন।

৬। ডোটি একটি পাতলা কাপড় দিয়ে ঢেকে ১০ মিনিট রেখে দিন।

৭। ডোটি থেকে ১২টি লেচি কেটে নিন।

৮। এরপর লেচি দিয়ে ছোট রুটি তৈরি করে এর ভিতর মুগ ডালের মিশ্রণটি দিয়ে রুটির মুখটি বন্ধ করুন। তারপর হালকা করে বেলে নিন।

৯। গরম তেলে কচুরিগুলো দিয়ে দিন। অল্প আঁচে কচুরিগুলো ভাজুন।

১০। বাদামী রং হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন।

১১। সস দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার খাস্তা কচুরি।

 

ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারবেন যে ৭টি ফল

বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস খুব পরিচিত এবং সাধারণ একটি রোগ। ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে ওষুধ খাওয়ার চেয়ে ডায়েট বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। কী খাবেন আর কী খাবেন না এই নিয়ে অনেক দ্বিধা দ্বন্দ্ব কাজ করে ডায়াবেটিস রোগীদের। এই সময় মিষ্টি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হয়, বিধায় ফল খাওয়া নিয়া তারা দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। অথচ কিছু ফল আছে যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারি। নির্ভাবনায় এই ফলগুলো ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারেন।

১। আপেল

প্রচলিত আছে প্রতিদিন একটি আপেল খান আর ডাক্তার দূরে রাখুন। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। আপেলের ফাইবার, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, এবং ভিটামিন সি ক্যালরি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া টাইপ-২ ডায়াবেটিস কমিয়ে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।

২। কমলা এবং লেবু জাতীয় ফল

কমলা ফাইবারের অন্যতম উৎস। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে লেবু জাতীয় ফল ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। কিন্তু এই জাতীয় ফলের রস আবার ডায়াবেটিস বৃদ্ধি করে থাকে। কমলার গ্লুকোজ ইনডেক্স (GI) ৪০ কিন্তু চিনি ছাড়া কমলার রসের গ্লুকোজ ইনডেক্স (GI) ৫০। তাই এই সকল ফলের রস পান করার চেয়ে ফল খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যকর।

৩। কালো জাম

কালো জাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। কালো জাম রক্তের চিনির পরিমানে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও কালো জামের বীজ গুঁড়ো করে খেলেও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৪। চেরি

চেরি রক্তে ৫০% পর্যন্ত ইনসুলিন তৈরি করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং লো কার্বোহাইড্রেইডের কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি আর্দশ ফল। প্রতিদিন চেরি ফল খাদ্য তালিকায় রাখুন।

৫। পেয়ারা

ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হল পেয়ারা। পেয়ারার মধ্যে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন ‘এ’ আছে, যা সুগার রোগীদের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। বিনা সংকোচে খেতে পারেন এই ফল।

৬। কিউয়ি

একটা সময় ছিল বিদেশি এই ফল বাংলাদেশে তেমন একটা পাওয়া যেত না। কিন্তু আজকাল আমাদের দেশের বাজারে এটি দেখা যায়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি বেশ স্বাস্থ্যকর একটি ফল। এই ফলটি রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে।

৭। কামরাঙ্গা

দেশি এই টক ফলটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। কামরাঙ্গায় আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

এছাড়া আমড়া, আমলকী, টক বরই ইত্যাদি দেশি ফল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

লিখেছেন
নিগার আলম
ফিচার রাইটার