banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Monthly Archives: January 2026

 

ধর্ষনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল মুহাম্মদপুর প্রিপারেটরী স্কুল প্রাঙ্গন

ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বিক্ষোভে উত্তাল রাজধানীর অন্যতম খ্যাতনামা বিদ্যালয় মোহাম্মপুর প্রিপারেটরি স্কুল ও কলেজ।

শনিবার সকাল থেকেই মোহাম্মপুরে বিদ্যালয়ের বালিকা শাখার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অভিভাবকরা। এ সময় বিদ্যালয়ের বালিকা শাখার ইংরেজি বিভাগের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা জিন্নাতুননেছার পদত্যাগ দাবি করে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন তারা। উত্তেজিত অভিভাবকরা এ সময় বিদ্যালয়ের গেটের সামনে ও জানালায় ভাঙচুর করেন।

এদিকে এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনও এসে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্য ও বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. ম তামিম।

তিনি বলেন, ”গত ৫ মে প্রথম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে পাশের একটি নবনির্মিত ভবনের রুমে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শারীরিক লাঞ্ছনার চেষ্টা করা হয় গত ৯ মে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে এ রকম একটি অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীর মা।”

ওই অভিযোগকে আমলে নিয়ে আমরা তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। কমিটিকে বলা হয়েছিলো তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য। ওই অনুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার শেষ তারিখ ছিলো আজ (শনিবার)।  কিন্তু বিশেষ কারণে তা জমা দেয়া হয়নি।’

কেন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়নি সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্তের সময়সীমা আরও তিনদিন বাড়ানো হয়েছে। স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য ইতোমধ্যেই ভবনের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। স্কুলের প্রতিটি টয়লেটের সামনে একজন করে আয়া নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ছাত্রীরা কোনো সমস্যায় পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের জানাতে পারবে। এছাড়া স্কুলের দুই জন কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও সাংবাদিকদের জানান ম. তামিম।

এদিকে বিক্ষোভের সময় রুমের বাইরে ভাঙচুর করেন অভিভাবকরা। এ সময় বিদ্যালয়ের বালিকা বিভাগের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা জিন্নাতুন্নেছার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে অভিভাবকরা বলেন, তার দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এসব হয়েছে। অবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করেন অভিভাবকরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছিলো।

 

রাজধানীতে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

অপরাজিতা ডেস্কঃ  গত ১২ই মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় স্তন ক্যান্সার সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা ও দিক-নির্দেশনা নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনার। ‘মুন্সী আফজাল হোসেন ও সেলিমা খাতুন ফাউন্ডেশন’ এবং ‘এডওয়ার্ড এম কেনেডী সেন্টার’ যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

 

ধানমন্ডিস্থ মাইডাস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে মুখ্য আলোচক ছিলেন শিশু ও মহিলা বিষয়ক সার্জন ও সার্জিক্যাল অনকোলজিস্ট ডাঃ তাসনিম আরা। তিনি বলেন, স্তন ক্যান্সার বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশ্বে নারীদের মৃত্যুর দ্বিতীয় অন্যতম কারণ স্তন ক্যান্সার। শতকরা ১২ জন নারী তাদের জীবদ্দশায় স্তন ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছে। অনেক পরিবার ব্যয়বহুল চিকিত্সার কারণে অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে নিঃশেষিত হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে উন্নত বিশ্বে প্রতি ৮ নারীর মধ্যে ১ জন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত।
11256500_10203391144213899_751904653_n

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপে পরবর্তী দশকে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা ১৪ মিলিয়ন থেকে ২২ মিলিয়নে দাঁড়াবে এবং প্রতি ৩ জনের ১ জন বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বর্তমানে ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই। ক্রমেই বিভিন্ন হাসপাতাল ও সমাজে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। স্তন ক্যান্সার সম্বন্ধে ভয়, লজ্জা ও সামাজিক পরিবেশের কারণে অনেক রোগী শেষ পর্যায়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। তখন চিকিত্সা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে এবং সফল চিকিত্সা দেয়া প্রায় অসম্ভব। অথচ প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় করা গেলে ৯০ শতাংশ রোগী সুস্থ জীবন-যাপন করতে পারে। সেমিনারে স্তন ক্যান্সার বিষয়ক সচেতনতা ও প্রচারের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়।