banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

শুরু হলো ফুডমার্টের অনলাইনে ক্যাশ অন ডেলিভারি

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ফুড মার্ট’ সম্প্রতি অনলাইন লেনদেন পদ্ধতি চালু করেছে। ফুড মার্ট থেকে অনলাইনে খাবারের ফরমাশ দিয়ে ক্যাশ অন ডেলিভারির পাশাপাশি গ্রাহকেরা অনলাইনে ভিসা ও মাস্টার কার্ড, ডিবিবিএল নেক্সাস কার্ড, বিকাশ, কিউ-ক্যাশ, আমেরিকান এক্সপ্রেস, জেসিবি, ডিসকভার এবং ম্যাস্ট্রো ব্যবহার করে বিল পরিশোধ করতে পারবেন। খাবার বাসায় পৌঁছে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।
ফুড মার্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছরের নভেম্বর মাসে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ফুড মার্টের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ফুড মার্টের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে রাজধানীর বনানী, গুলশান-১ ও ২, বারিধারা, মহাখালী, বসুন্ধরা, নিকেতন ও বনশ্রী এলাকার ২০০ রেস্টুরেন্ট। ধানমন্ডি, খিলগাঁও ও মিরপুরেও এখন থেকে ফুড মার্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে খাবারের ফরমাশ দেওয়া যাবে এবং অনলাইনে বিল পরিশোধ করা যাবে।
ফুড মার্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোবারক হোসেন জানান, গ্রাহকদের অনলাইনে খাবারের ফরমাশ দিয়ে অর্থ পরিশোধের ঝামেলা মেটাতে অনলাইন লেনদেন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।

 

হার না মানা রুপালীর গল্প!

অভাব আর প্রতিবন্ধিত্ব দমিয়ে রাখতে পারেনি রুপালীকে (২০)। দর্জির কাজ করে নিজ খরচে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিবন্ধী রুপালি। সে উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ ফুলবাড়ী গ্রামের রফিকুল ইসলামের প্রতিবন্ধী মেয়ে।
রুপালী জন্ম থেকেই অঙ্গ প্রতিবন্ধী। বাম হাতের অর্ধেক কাটা নিয়ে তার জন্ম। তিন ভাইবোনের মধ্যে সে সবার বড়। অভাবের সংসারে তার লেখাপড়ার খরচ যোগানো পিতার পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই সে বেছে নিয়েছে দর্জির কাজ। ২০১৪ সালে স্থানীয় মহিলা উন্নয়ন সংস্থায় তিন মাসের দর্জি প্রশিক্ষণ নিয়ে ৩২টি আইটেমের কাজ শিখেছে। প্রশিক্ষণশেষে ওই সংস্থা থেকে তাকে বিনামূল্যে একটি সেলাই মেশিন দেয়া হয়। তখন থেকে লেখাপড়ার পাশাপাশি ওই সেলাই মেশিন দিয়ে বাড়িতে বসে সে দর্জির কাজ করে অর্থ উপার্জন করছে।
রুপালী খাতুন জানায় , প্রতিবন্ধী হলেও পিতা-মাতার অভাবের সংসারে সে বোঝা থাকতে চায় না । লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য নিজ বাড়িতে বসে আয় করার জন্য সে দর্জি প্রশিক্ষণ নিয়েছে। স্নাতক পাস করে মাষ্টার্স করার ইচ্ছা রয়েছে প্রতিবন্ধী রুপালীর।
সূত্র- ইত্তেফাক।

 

গাইনী কনসালটেন্ট না থাকায় প্রসূতি সেবা কার্যক্রম বন্ধ!

অপরাজিতা ডেস্কঃ গাইনী কনসালটেন্ট না থাকায় উখিয়া হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবত্ প্রসূতি সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। হতদরিদ্র পরিবারের গর্ভবতী মহিলারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সন্তান প্রসব করছে। উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২৯ শয্যার যন্ত্রপাতি ও লোকবল দিয়ে চালানো হচ্ছে ৫০ শয্যার হাসপাতাল।  শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসার জন্য ২০০৮ সালে উখিয়া হাসপাতালে মাতৃস্বাস্থ্য ভাউচার স্কীম প্রকল্প চালু হয়। গতবছরের জুলাই থেকে উক্ত প্রসূতি সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে আবারো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে গর্ভবতীদের সেবা কার্যক্রম।
মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, ৪/৫ জন গর্ভবতী মহিলা  রেজিস্ট্রেশন করার জন্য এসে কাউকে না পেয়ে ফেরত যাচ্ছে। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ডিএসএফ প্রকল্পের সাথে জড়িত স্যানিটারী ইন্সপেক্টর নুরুল আলম সেমিনারে থাকার কথা বলে সংযোগ কেটে দেন। একাধিক হাসপাতালের কর্মচারী জানান, ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও বরাদ্দকৃত অর্থ লুটপাটের কারণে ডিএসএফ প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. ফিরোজ খান জানান, তিনি ডিএসএফ প্রকল্পের ব্যাপারে অবগত নন। তবে ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভবতী মহিলাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করার কথা অকপটে স্বীকার করলেন।

 

উচ্চমাত্রায় মিউজিক শোনা কতটা ক্ষতিকর?

অপরাজিতা ডেস্কঃ হেডফোনে মিউজিক শোনাটা এখনকার জেনারেশনদের জন্য ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে,কিন্তু তার মাত্রা টা আসলে কতোটুকু হলে কানের জন্য ক্ষতিকর কর হবে না এ ব্যাপারে অনেকটাই অসচেতন সবাই। আমাদের আজকের আয়োজনে তাই থাকছে এই ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতামত,
K_loud_music1
বিশ্বের ১ শত কোটির বেশি তরুণদের লাউড মিউজিক শোনার কারণে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমন একটি উদ্বেগজনক খবর দিয়েছে খোদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটি বলেছে, যাদের লাউড মিউজিক শোনার কারণে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের অর্ধেকের বয়স ১২ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এবং এরা প্রায় সবাই উচ্চ আয়ের পরিবারের ছেলে-মেয়ে। অবশিষ্ট ৪০ ভাগ তরুণের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কনসার্ট এবং নাইট ক্লাবের লাউড মিউজিক থেকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিয়ারিং ইম্পেয়ারমেন্ট বিশেষজ্ঞ শেলি চাধা তরুণদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এটা মনে রাখা দরকার যে, শ্রবণশক্তি বা শ্রবণযন্ত্র একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে না।
article-1202105-05D6D9C9000005DC-144_468x256
ইউএন হেলথ এজেন্সির মতে শব্দস্বরের মাত্রা ৮৫ ডেসিবেল-এর উপরে গেলে এটা নিরাপদ নয়। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও যে উদ্বেগজনক তথ্যটি দিয়েছে তা হচ্ছে, ট্রাফিক নয়েজ থেকেও শব্দ দূষণ হতে পারে যা লাউড মিউজিকের মতই ক্ষতিকর। এমনকি পারসোনাল অডিও ডিভাইস থেকেও শ্রবণশক্তি নষ্ট হচ্ছে এমন তথ্য দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্প আওয়াজ দিয়ে দিনে সর্বোচ্চ ১ ঘন্টার বেশি পারসোনাল অডিও ডিভাইসও ব্যবহার করা যাবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য পাবলিক প্লেসে বা জনবহুল স্থানে যাতে উচ্চ আওয়াজের মিউজিক বাজানো না হয় তার জন্য যথাযথ নিয়ন্ত্রণ আরোপের ওপর জোর দিয়েছে। আর ইউএন এজেন্সির মতে বিশ্বের অন্তত ৩৬০ মিলিয়নের বেশি লোক কোন না কোনভাবে লাউড নয়েজের কারণে শ্রবণ শক্তি হ্রাসের ঝুঁকিতে রয়েছে।
লেখক :ডা.মোড়ল নজরুল ইসলাম। চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ।