banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Monthly Archives: January 2026

 

যন্ত্রাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন!

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল গ্রামে মো. শাহিনের (৩৫) বিরুদ্ধে স্ত্রী রূপা বেগমকে (১৯) হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে শাহিন পলাতক।
নিহত গৃহবধূর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে উপজেলার বালুখণ্ড গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে রূপা বেগমের সঙ্গে যন্ত্রাইল গ্রামের মৃত রহমান মেম্বারের ছেলে মো. শাহিনের বিয়ে হয়। গত সোমবার রাতে শাহিন রূপার মা রোখসানা বেগমকে মুঠোফোনে জানায়, রূপার মুঠোফোনে কে বা কারা ফোন দিয়েছিল। এ নিয়ে রূপার সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা হলে সে রূপাকে মারধর করে। এ সময় রোখসানা বেগম রূপার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে ‘কথা বলা যাবে না’ এবং ‘রূপাকে আমি মেরে ফেলব’ বলে মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেয় শাহিন। এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাহিন আবার রূপার মাকে মুঠোফোনে জানায়, সে রূপাকে মেরে ফেলেছে। এর পর থেকে শাহিনের মুঠোফোন বন্ধ থাকে। রূপার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাসার জানান, ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় রোখসানা বেগম বাদী হয়ে শাহিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

শেষ হলো অস্কার ২০১৫

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের ডলবি থিয়েটারে বসেছিল অস্কারের ৮৭ তম আসর। এ বছর সেরা চলচ্চিত্রে খেতাব জিতে নিয়েছে ‘বার্ডম্যান’। একই সঙ্গে চলচ্চিত্রটির পরিচালক আলেহান্দ্রো গনজালেস ইনিয়ারিতু সেরা পরিচালক ও সেরা চিত্রনাট্যের ও সেরা চিত্রগ্রহণের পুরস্কার অর্জন করেছেন।
সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন ব্রিটিশ শিল্পী এডি রেডমেইনে। ‘থিওরি অফ এভরিথিং’ সিনেমায় বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন ‘স্টিল অ্যালিস’ চলচ্চিত্রে আলঝেইমার্স রোগীর চরিত্রে অভিনয় করা জুলিয়ান মুর।
23-1424681247-oscar
‘হুইপল্যাশ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা সহ-অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন জে কে সিমন্স। এছাড়া বেস্ট ফিল্ম এডিটিং ক্যাটাগরিতেও পুরস্কার জিতেছে এই চলচ্চিত্রটি। ১২ বছর ধরে ‘বয়হুড’ একই চরিত্রে অভিনয় করে সহ-অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিয়েছেন প্যাট্রিশিয়া আর্কেট।
এডওয়ার্ড স্নোডেনকে নিয়ে তৈরি ‘সিটিজেন ফোর’ জিতে নিয়েছে সেরা তথ্যচিত্রের অস্কার।
সেরা অ্যানিমশেন চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার জিতেছে ‘বিগ হিরো সিক্স’। বিদেশি ভাষার সেরা চলচ্চিত্র হয়েছে ‘আইডা’।
‘দ্য ইমিটেশন গেইম’-এর জন্য সেরা অ্যাডাপ্টেড স্ক্রিনপ্লের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন গ্রাহাম মুর।
বেস্ট অরিজিনাল স্কোর, বেস্ট কস্টিউম ডিজাইন, বেস্ট মেইক-আপ, বেস্ট প্রোডাকশন ডিজাইন-এই চার ক্যাটাগরিতেই পুরস্কার জিতেছে ‘দ্য গ্র্যান্ড বুডাপেস্ট হোটেল’।
এছাড়া বেস্ট সাউন্ড এডিটিংয়ে ‘আমেরিকান স্নাইপার’, বেস্ট ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসে ‘ইন্টারস্টেলার’, বেস্ট অ্যানিমেটেড শর্টে ‘ফিস্ট’, বেস্ট লাইভ অ্যাকশন শর্টে ‘দ্য ফোন কল’ পুরস্কার জিতেছে।
সূত্র: এনডিটিভি, জি-নিউজ।

 

নারী-শিশুর স্বাস্থ্য উন্নোয়নে কোইকার সাথে চুক্তি করেছে ইউনিসেফ

মাতৃত্ব, নবজাতক এবং শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু হ্রাসের লক্ষ্যে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কোইকা) সঙ্গে ৬২ কোটি টাকার (৮০ লাখ ডলার) একটি অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ।
রোববার ঢাকায় ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এডওয়ার্ড বিগবেডারের সঙ্গে চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন কোইকা বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি কিম বক হী। রোববার ইউনিসেফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ইউনিসেফ বাংলাদেশ এ অর্থের মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু হ্রাস, নবজাতক ও ৫ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যু হার হ্রাস এবং শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশের উন্নতি সাধনে খুলনা ও টাঙ্গাইল জেলায় কাজ করবে। এতে গর্ভবতী নারীদের প্রসবপূর্ব, প্রসবকালীন ও প্রসব পরবর্তী যত্ন, নবজাতকের আবশ্যকীয় যত্ন এবং মায়েদের পুষ্টি উন্নয়নের বিষয় গুরুত্ব পাবে। দুই জেলার ৬৪ লাখ মানুষকে ৪ বছর পর্যন্ত স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হবে।
চুক্তিটি দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করবে মন্তব্য করেন কোইকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি কিম বক হী। তিনি বলেন, ‘এ সাহায্য সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৪ ও ৫ নম্বর লক্ষ্য অর্জনে গতি সঞ্চার করবে।’
এর আগে খুলনা ও টাঙ্গাইলে কোইকা-ইউনিসেফের যৌথ স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচি (টিএমএনসি) সফল হওয়ায় এবারের কর্মসূচিও এ দুই জেলায় পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি।
ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এডওয়ার্ড বিগবেডার বলেন, ‘কোইকার উদার সহযোগিতায় বাংলাদেশে আমাদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কর্মসূচিকে দৃঢ় করবো।’
-বাসস।

 

আপেলের নানান রকমের গুনাগুন ও ব্যবহার

সেই ১৯ শতক থেকে ইংরেজীতে একটি প্রবাদ আছে—“An apple a day, keeps the doctor away”. বুঝতেই পারছেন প্রতিদিন আপেল খাওয়ার গুরুত্ব কতখানি? অন্যান্য ফল কেন নয়? কেন কলা, কমলা, পেয়ারা বা আম নয়? কারণ আপেলে একসাথে সব পুষ্টি উপাদান আছে, যা বিভিন্ন ফলে থাকলেও একসাথে একটি ফলে নেই| তাই এই প্রবাদের প্রচলন ও আপেল খাওয়ার গুরুত্ব অনেক।
আপেল ফল Phyto- পুষ্টি এবং অ্যান্টি অক্সিজান্ট সমৃদ্ধ। যার পুষ্টি উপাদানগুলো শারীরিক বৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়।

* আপেলে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। ১০০ গ্রামের তাজা ফল টুকরা মাত্রা ৫০ ক্যালরি প্রদান করে। আপেলে কোনো সম্পৃক্ত চর্বি বা কলস্টেরল থাকে না। তবুও এ ফল অন্ত্রে খাদ্য তালিকাগত এলডিএল বা খারাপ কলস্টেরল শোষণ প্রতিরোধে সাহায্য কমে। এটি খাদ্য তালিকাগত ফাইবার সমৃদ্ধ।

*আপেল অ্যান্টি-অক্সিজান্ট, ফ্লাভোনডিস এবং পলিফোনোলিসক্স সমৃদ্ধ। এসব উপাদানে শরীরের মৌলে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

* আপেল প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ এবং ‘বিটা-কেরোটিন’ সমৃদ্ধ। ভিটামিন ‘সি’ একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিজান্ট। ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার শরীরের বিভিন্ন সংক্রামকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রো-প্রদাহজনক মৌলে ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

* আপেল থিয়ামিন এবং পাইরিডক্সিন হিসেবে ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স এর ভালো উৎস। একসঙ্গে এ ভিটামিন শীরের ভেতর বিপাক এনজাইম হিসেবে এবং পাশাপাশি বিভিন্ন কৃত্তিম ফাংশনে সাহায্য করে।

* আপেল সামান্য পরিমাণ খনিজ, যেমন- পটাসিয়াম, ফসফরাস এবং ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ। পটাসিয়াম শরীরের কোষ এবং তরল একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা হার্ট রেট এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। একইভাবে সোডিয়ামের খারাপ প্রভাব থেকেও রক্ষা করে।

নির্বাচন এবং সংরক্ষণ : সমৃদ্ধ গন্ধ, তাজা, উজ্জ্বল দৃঢ় গঠনের আপেল নির্বাচন করা ভালো। গায়ে দাগযুক্ত আপেল পরিহার করাই ভালো।

টাটকা আপেল সাধারণ তাপমাত্রায় সপ্তাহখানেক ভালো থাকে। তবে রেফ্রিজারেটরে রাখলে দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকবে।

ব্যবহার : ভালো স্বাস্থ্যগত উপকারিতা পেতে হলে আপেলের উপরের আবরণসহ খেতে হবে।

* আপেল কাটার কিছুক্ষণের মধ্যেই বাদামি বর্ণ ধারণ করে। তাই কাটার পরপরই পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ধুয়ে নিন।

* আপেল ফলের জ্যাম, পিঠা এবং সালাদ তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।

সূত্র- যুগান্তর।

 

মোবাইলে বাংলা লেখার খুঁটিনাঁটি

এখন অনেকের হাতে আধুনিক সুবিধার মুঠোফোন, যেগুলো স্মার্টফোন নামে পরিচিত। মুঠোফোনের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এতে মাতৃভাষা বাংলার ব্যবহারও বেড়েছে। এখন ইন্টারনেটে বাংলা যেমন লেখা যায় সহজেই, তেমনি স্মার্টফোনেও বাংলা লেখা ও পড়া দুটিই চলছে। ইচ্ছে হলে স্মার্টফোন থেকেই সম্পূর্ণ বাংলায় ফেসবুক, টুইটার কিংবা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বার্তা, হালনাগাদ তথ্য দেওয়া যায়। বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে কাজটি এখন সম্ভব।

অ্যান্ড্রয়েড
স্মার্টফোনের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডচালিত প্রায় সব ধরনের যন্ত্রেই বাংলা লেখা যায়। বিশেষ করে নতুন স্মার্টফোনগুলোতে বাংলা ভাষা যন্ত্রের মধ্যে (বিল্ট-ইন) থাকায় লেখার সময় শুধু কি-বোর্ডটি বাংলায় পরিবর্তন করে নিলেই হয়। তবে সব স্মার্টফোনে এ সুবিধাটি নেই। হতাশ হওয়ার কারণও নেই অবশ্য। স্মার্টফোনে বাংলা লেখার জন্য জনপ্রিয় নানা ধরনের কি-বোর্ড অ্যাপ রয়েছে।
গুগল প্লে স্টোর থেকে বিনা মূল্যেই এসব কি-বোর্ড নামিয়ে ব্যবহার করা যায় যেকোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে। এর মধ্যে একটি জনপ্রিয় কি-বোর্ড ‘রিদ্মিক’ (http://goo.gl/OWvLVo)। বিজ্ঞাপনমুক্ত এ কি-বোর্ডে রয়েছে ফোনেটিক, ইউনিজয়, ন্যাশনাল লে-আউটে বাংলা লেখার সুবিধা। বাংলা কিংবা ইংরেজি যেকোনো ভাষাতেই এটি ব্যবহার করা যায়। কি-বোর্ডটি নামিয়ে সেটিংস থেকে ‘রিদ্মিক’ নির্বাচন করে দিলেই এক কি-বোর্ডেই একাধিক লে-আউট ব্যবহার করে বাংলা লেখা যাবে।
আরেকটি কি-বোর্ড হচ্ছে মায়াবী (http://goo.gl/mkfSZh)। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ফোনেটিক লে-আউটে বাংলা লেখা যায়। এ কি-বোর্ড দিয়ে বাংলা কিংবা ইংরেজি দুই ভাষাতেই স্মার্টফোন ব্যবহার করা যায়।
শুধু কম্পিউটারেই নয় এবং স্মার্টফোনেও বাংলা লেখা যাবে বিজয় সফটওয়্যার ব্যবহার করে। আনন্দ কম্পিউটার্সের প্রধান নির্বাহী মোস্তাফা জব্বার বললেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত যে বিজয় লে-আউটে যেভাবে কম্পিউটারে লেখা হয়, সে একই ব্যবস্থায় স্মার্টফোনেও লেখা যাবে। এ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমাদের কিছুটা দেরি হয়েছে, তবে ব্যবহারকারীরা এখন চাইলে (http://bijoyekushe.net) ঠিকানা থেকে বিজয় কি-বোর্ড নামিয়ে স্মার্টফোনে ব্যবহার করতে পারবেন।’
আইওএস
অ্যাপলের অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৮ সংস্করণে বাংলা যুক্ত হয়েছে। এতে চাইলে বাংলা ভাষা নির্বাচন করেই বাংলা লেখা যায়। অর্থাৎ ইংরেজি ছাড়াও এবারই প্রথম বাংলা ব্যবহার এবং বাংলা কি-বোর্ড যুক্ত হয়েছে আইওএসে। ফলে আইফোন ও আইপ্যাডে সহজেই বাংলা পাওয়া যাবে।
অ্যাপল স্টোর থেকে ‘রিদ্মিক’ (http://bit.ly/1DtHwMg) কি-বোর্ড নামিয়ে নিয়েও ব্যবহার করা যাবে।
আইওএস ৮ সংস্করণের আগে অ্যাপল তৃতীয় পক্ষের কোনো ভাষা সমর্থন করত না। ফলে আগের আইওএস সংস্করণগুলোতে বাংলা লিখতে চাইলে অভ্রপ্যাড ব্যবহার করা যায়। আই অভ্র www.omicronlab.com/iavro.html) নামিয়ে বাংলা লিখে আইওএস ৮ সংস্করণের আগের সংস্করণগুলোতেও বাংলা লেখা যাবে।
উইন্ডোজ
চন্দ্রবিন্দু (http://bit.ly/1kZuLCs) বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য বাংলা লেখার অ্যাপ। উইন্ডোজ ফোনে ফোনেটিক লে-আউট অথবা ফিক্সড লে-আউট ব্যবহার করে বাংলা লেখা যায়।
ব্যবহার করার আগে ফোনেটিক লে-আউটের অভিজ্ঞতা না থাকলে এ অ্যাপ থেকেই লেখার পদ্ধতি পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ফিক্সড লে-আউটের টেমপ্লেট দেখা যাবে ফিক্সড লে-আউট প্যাটার্ন তালিকায়।
ফায়ারফক্স
ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমচালিত স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন রয়েছে দুটি বাংলা কি-বোর্ড লে-আউট। অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গেই বাংলা দুটি কি-বোর্ড যুক্ত থাকার ফলে এ ফোনে নির্ধারিত কি-বোর্ড নির্বাচন করে বাংলা লেখা যায়।

সূত্র- প্রথম আলো।

 

ত্বক ও চুলের যত্নে কফি

ত্বক

images(37)

স্ক্রাবার

একটি বাটিতে সমপরিমাণ কফি ও চিনি মিশিয়ে নিন। এর সঙ্গে লেবুর রস মেশান। কফি ও চিনি পুরোপুরি গলবে না। এবার এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে। ম্যাসেজের পর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহারে ত্বকের মরা কোষ দূর হবে এবং ত্বকও সতেজ থাকবে।

ফেসপ্যাক

রাতে মধু ও কফির প্যাক ব্যবহার করলে সারা দিন ত্বক থাকবে সতেজ। ১ টেবিল চামচ মধু ও ১ চা চামচ কফি বাটিতে নিয়ে ভালো করে মেশান। এবার মুখে লাগিয়ে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। অল্প শুকানো থাকতেই ম্যাসাজ করে করে তুলে নিন। পরে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

ফেসপ্যাক

তৈলাক্ত ও স্বাভাবিক ত্বক পরিষ্কার করতে ১ চা চামচ কোকোয়া পাউডার ও ১ চা চামচ কফি মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ত্বক ভেজা ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান।

ফেসপ্যাক

শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের সতেজতা ফিরিয়ে আনতে ১ টেবিল চামচ কফি এবং ১ চা চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার প্যাকটি মুখে লাগিয়ে রাখুন। যখন অল্প শুকিয়ে যাবে তখন আলতো করে ম্যাসাজ করে উঠিয়ে ফেলুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

ফেসিয়াল প্যাক

ত্বকের মরা কোষ ও ব্লাক হেইডস দূর করতে কফি ফেসিয়াল করতে পারেন। এক টেবিল চামচ কফির গুঁড়ো, ১ চা চামচ লবণ, ১ চা চামচ বাদামি চিনি, এক চা চামচ মধু ও একটি ডিম নিয়ে একত্রে নিয়ে ভালো করে মেশান। যতক্ষণ না মিশ্রণটি ঘন হয়, ততক্ষণ ফেটাতে থাকুন। এবার প্যাকটি মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১০ মিনিট রাখুন। ততক্ষণে প্যাকটি অনেকটাই শুকিয়ে যাবে। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধয়ে ফেলুন।

চুল

imagesdf

হেয়ার প্যাক

মাথায় খুশকি হলে স্কাল্পে হালকা গরম তেল ম্যাসাজ করুন। এরপর অল্প গরম পানিতে ডিমের সাদা অংশ ও এক চামচ কফি মিশিয়ে ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট মেহেদির সঙ্গে মিশিয়ে চুলে ও স্ক্যাল্পে ভালো করে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে খুশকি থাকবে না ও চুল সিল্কি হবে।

কন্ডিশনার

ঘরেই লেবুর রস ও কফি মিলিয়ে কন্ডিশনার বানিয়ে নিতে পারেন। এক গ্লাস গরম পানিতে হালকা করে কফির লিকার করে নিন। ঠাণ্ডা হলে এর সঙ্গে দুই টেবিল চামচ লেবুর রস মেশান। শ্যাম্পু করার পর চুলে এই পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আর পানি ব্যবহার না করে চুল শুকিয়ে ফেলুন। এতে চুল নরম ও সিল্কি হবে।

 

খেয়াল রাখুন

* কফির প্যাক যাতে চোখে বা মুখের ভেতর ঢুকে না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখুন।

* কফি দিয়ে ত্বক বা চুলের চর্চা করার সময় কফির গুঁড়া ব্যবহার করুন।

সূত্র- কালের কন্ঠ।

 

২১শে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে ফ্যাশন হাউজ গুলোর নানা আয়োজন

ফেব্রুয়ারী মানেই উৎসব-আয়োজনের মাস। আর তারই ধারাবাহিকতায় পহেলা ফাল্গুন-ভালোবাসা দিবসের পর এবার আসছে ২১শে ফেব্রুয়ারী। প্রতিবছরই ২১শে ফেব্রুয়ারীকে কেন্দ্র করে আয়োজন হয় নানা রকমের অনুষ্ঠান এবং ফ্যাশন হাউস গুলোও সেদিকে লক্ষ্য রেখে তৈরী করে ভাষা দিবসের ভিন্ন ধর্মী সব পোষাক।

অপরাজিতার আজকের আয়োজনে থাকছে ঢাকার উল্লেখযোগ্য কিছু ফ্যাশন হাউসের ২১শে ফেব্রুয়ারীকে ঘিরে এবারের আয়োজন সমূহ…

ফড়িং

মহান একুশকে সামনে রেখে ফ্যাশন হাউস ফড়িং একুশের বিভিন্ন চিত্র নিয়ে বেশকিছু পোশাকে ডিজাইন করেছে। শাড়ি, পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, টি-শার্ট ইত্যাদি পোশাকে রং ব্যবহার করা হয়েছে কালো, সাদা, ধূসর প্রভৃতি। এসব পোশাকে কাজ করা হয়েছে এমব্রয়ডারি, স্প্রে, ব্লক, অ্যাপ্লিক, হাতের কাজ প্রভৃতি। দামও নির্ধারণ করা হয়েছে সবধরনের ক্রেতাদের ক্রয়-ক্ষমতার মধ্যে।

এড্রয়েট
একুশের চেতনাকে ধারণ করে এড্রয়েট তাদের শোরুমগুলো সাজিয়েছে দিবস উপযোগী বিভিন্ন পোশাক দিয়ে। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের  পোশাকেও নিয়ে আসা হয়েছে একুশের বিভিন্ন চিত্র। যাতে করে শিশুরাও এখন থেকেই একুশ সম্পর্কে জানতে পারে। শাড়ি, পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, টি-শার্ট, শার্ট প্রভৃতি পোশাকে বিভিন্ন একুশের মোটিফ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এবারের ডিজাইনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বাংলা সাহিত্যের উদ্ধৃতি, আবার অক্ষর বিন্যাসে তৈরি করা হয়েছে চেক বা স্ট্রাইপ। পাশাপাশি বিভিন্ন মাধ্যমেও ব্যবহার করা হয়েছে একুশ লেখাটিকে। ব্লক, অ্যাপ্লিক, এমব্রয়ডারি বা কয়েকটি মাধ্যমকে একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে। রঙের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে সাদা, কালো, অফ হোয়াইট ও লালকে।
 10438977_780419335338793_4276654417695339836_n
অঞ্জন’স
ভাষার মাসে পোশাকে অক্ষরচিত্র বা ছাপচিত্র দিয়ে বৈচিত্র্যময় ডিজাইন করেছে অঞ্জন’স। পোশাকের ক্যানভাসে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে স্ক্রিনপ্রিন্ট বা ব্লক প্রিন্টের কাজ। লাল-সাদা-কালো কটন ফেব্রিকে সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, শাড়ি, পাঞ্জাবিসহ শিশু-কিশোরদেরও পোশাক থাকছে তাদের আয়োজনে। প্যাটার্ন ভেরিয়েশন থাকছে ট্রেন্ডি এবং ডিজাইনে অনুসরণ করা হয়েছে দেশীয় ঐতিহ্য। দেশীদশসহ অঞ্জন’সের সকল আউটলেটে পাওয়া যাবে একুশের মোটিফে তৈরি পোশাকগুলো। এছাড়াও প্রিয়জনকে অন্যান্য উপহার বা লাইফস্টাইল প্রোডাক্ট দিতে যেতে পারেন অঞ্জন’সের আউটলেটে।
10686689_10152652585131629_5822171988179575882_n
কে ক্র্যাফট
অন্যান্য বছরের মতো কে ক্র্যাফট পূর্ণ মর্যাদায় এবং আন্তরিকতার সাথে শ্রদ্ধাভরে একুশের পসরা সাজিয়েছে। যা এই প্রতিষ্ঠানের সবকটি বিপণনকেন্দ্রে ফেব্রুয়ারির পুরো মাস ধরে উপস্থিত থাকবে। এবারের মোটিফে অনুপ্রেরণার উত্স হিসেবে থাকছে বর্ণমালা। বর্ণ ও শব্দের বিন্যাসে ভাষা-আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য গর্বের বিষয়সমূহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাংলা বর্ণমালা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত আদি বাংলা বর্ণমালাও ব্যবহূত হয়েছে। রঙের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কালো, লাল, ধূসর ও সাদার সমতলকে।
মুসলিম কালেকশন
একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে সাদা-কালো রঙের শার্ট এনেছে মুসলিম কালেকশন। শতভাগ সুতি কাপড়ে তৈরি ও নতুন ডিজাইনের এসব শার্ট এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। শর্ট ও লং এসব চেক ও স্ট্রাইপ শার্টের কাটিংয়ে আনা হয়েছে ভিন্নতা। এ ছাড়াও মুসলিম কালেকশনে পাওয়া যাচ্ছে এক্সক্লুসিভ ডিজাইন শার্ট। ফরমাল ও ক্যাজুয়াল শার্টে প্রাধান্য পেয়েছে সাদা, হালকা সবুজ, খয়েরি, গোলাপি, লাল, নীল, বেগুনি রং। সময়োপযোগী কাপড় ও ফ্যাশনের কথা মাথায় রেখেই মুসলিম কালেকশন এই শার্টগুলো তৈরি করেছে সব বয়সীদের জন্য। বিভিন্ন ডিজাইনের শর্ট শার্টও পাওয়া পাচ্ছে এখানে।
সুইসুতা
একুশকে কেন্দ্র করে সুইসুতা তাদের পোশাকের আয়োজনে বাংলা বর্ণমালা খচিত বিভিন্ন ডিজাইনের পাঞ্জাবি ও টি-শার্ট নিয়ে এসেছে। এ ছাড়া থাকছে শার্ট, টি-শার্ট, ভি-নেক, পলো-শার্ট, পায়জামা, ফতুয়া এবং হ্যান্ড প্রিন্ট, এমব্রয়ডারি, ব্লক প্রিন্ট ও মোটিফের পাঞ্জাবিও রয়েছে। সাথে বাচ্চাদের টি-শার্ট, পাঞ্জাবি, পায়জামা, ফতুয়া, থ্রি-পিস, টু-পিস ইত্যাদি রয়েছে।

 

স্বাস্থ্যকর মটরশুঁটির সালাদ

খাবারে মটরশুঁটি আমরা অনেকভাবেই ব্যবহার করি। বিরিয়ানী,তরকারী সহ বিভিন্ন রেসিপিতে ব্যবহার করা হয় মটরশুঁটি। যা খাদ্যের স্বাদ বাড়ায় এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টিরও যোগান দেয়। আজকে অপরাজিতার রেসিপিতে থাকছে,এই মটরশুঁটি দিয়ে কিভাবে তৈরী করা যায়,মজাদার সালাদ…

উপকরণ : মটরশুঁটি ১ কাপ,
শসা কুচি আধা কাপ,
টমেটো কুচি আধা কাপ,
পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,
কাঁচামরিচ কুচি ২ চা চামচ,
কাজু বাদাম/চীনা বাদাম (আধা ভাঙা) আধা কাপ,
টমেটো সস আধা কাপ,
গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ,
ধনেপাতা কুচি সামান্য,
চিনি আধা চা চামচ,
লবণ স্বাদ মতো।

প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে মটরশুঁটি ফুটন্ত গরম পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে। একটি ডিশে সব উপকরণ সুন্দরভাবে মিশিয়ে মটরশুঁটি ও বাদাম দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার সালাদ।

 

নারী প্রযুক্তি সম্মেলন ২০১৫ অনুষ্ঠিত

1423126028
ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে হয়ে গেল নারী প্রযুক্তি সম্মেলন। এতে নারী নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন দেশের প্রবীণ ও নবীন সফল নারীরা। বক্তারা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এগিয়ে যাওয়ার গল্প করেন। সেসব নিয়েই এই প্রতিবেদন।
আলোচকদের মধ্যে ছিলেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, অনলাইন ভিত্তিক নারী উদ্যোক্তা, আইনজীবী, মোবাইল অপারেটর কোম্পানির কর্মকর্তা ও আইটি ক্ষেত্রে কর্মরত সরকারের আমলাসহ অনেকে। শুরুতে সঞ্চালক সামিরা জুবেরী হিমিকা নবীনদের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে প্রশ্ন করলে দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশক ও ক্লিক ইত্তেফাকের নির্বাহী সম্পাদক তারিন হোসেন মঞ্জু বলেন, ৬২ বছরের একটি পত্রিকাকে যখন আমি ‘ক্লিক ইত্তেফাক’ করে অনলাইনে নিয়ে আসতে চাই, তখন প্রথমেই আমাকে ‘না’ শুনতে হল। বলা হল এত পুরানো ও ঐতিহ্যবাহী একটি পত্রিকাকে তুমি পারবে না ক্লিক করে অনলাইনে নিয়ে আসতে। আমি আমার লক্ষ্যে অবিচল ছিলাম। আমার বিশ্বাস ছিল আমি পারবো। বিশ্বাসটা বাস্তবে প্রতিফলিত হয়েছে বলেই আজ এই ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে টেক উইম্যানে এসে একথা বলতে পারছি। আমি শিখেছি চলার পথে ‘না’ আসবে। লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে ‘না’ কে প্রতিহত করতে হবে।

গ্রামীণফোনের ডিজিটাল সার্ভিসের সিনিয়র স্পেশালিস্ট শায়মা রহমান বলেন, প্রতিবন্ধকতা থাকবে। কিন্তু লেগে থাকতে হবে। তাহলেই একদিন নতুন দিনের নতুন সকাল তোমাকে হাত ছানি দিয়ে ডাকবে।
ফিউচার সলিউশন ফর বিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাদেকা হাসান সেজুতি মনে করেন আমি কিছু করতে চাই। আমার একটা পরিচয় হবে এই স্বপ্নই সব বাধা পেছনে ফেলবে। বাকিরা বলেন, নিজের শিক্ষা আত্মবিশ্বাস আর পরিশ্রম করার ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কাজের ক্ষেত্রে নিজের মন কি বলে তা মেনে চলার ওপরও তারা জোর দেন। কাজের সাথে ভালবাসা জড়িয়ে থাকলেই সে কাজে সফলতা আসে।
বক্তারা বলেন, যখন যা করবো সেটাই আনন্দ নিয়ে করতে হবে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ শত ব্যস্ততার মধ্যে রান্না করতে পছন্দ করেন। তারা বলেন, রাতে গিয়ে যে দিন রান্না করি, সেটাই নতুন এক ভালোলাগা নিয়ে উপভোগ করি। বোরিং নেস জীবন থেকে ঝেরে ফেলতে হবে। করার জন্য কিছু করা জীবনে প্রবেশ করবে না বরং পেশাই পেসন, পেশাই তোমার পরিচয়।
মিস ম্যাচ বা এ কাজ আমার জন্য নয় এমন প্রশ্নের জবাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তারা বলেন, অনেকে পরিবারে আদি পেশা ছেড়ে নিজের নতুন পেশায় এসেছেন। তারা প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছেন বলেই ভুল করেননি। বাবা-মা অনেক সময় নিজেদের পছন্দ মেয়েদের ওপর চালিয়ে দেন। তা থেকে তখনই বেরিয়ে আসা সম্ভব যখন আপনার আত্মবিশ্বাস থাকবে আপনি পারবেন। আর পারার জন্য নিজেকে যোগ্য করতে হবে। এই যুগের নারী কোনভাবেই প্রযুক্তি থেকে আলাদা নয় বরং যোগ্যতার বলেই প্রযুক্তি নির্ভর পেশায় তারা।

বক্তারা জানান, একটি মোবাইল ফোন দিয়ে আজ তারা যোগাযোগ করছে। কেনাকাটা করছে, ব্যাংকিং করছে, ছবি তুলছে, গান শুনছে, ছবি দেখছে, ফেসবুকে বন্ধুদের সাথে ভালোমন্দ শেয়ার করছে। আবার বাড়িতে বসে অফিসের কাজও করছে। তাই তথ্য প্রযুক্তি নারীর জন্য আলাদা কোন বিষয় নয়। তবে সকল নারী এখনও সেভাবে এই বিশাল জগতে বিচরণ করতে পারছে না। যারা যত বেশি তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর হবে তারা তত বেশি আপডেটেট হবে।
মেয়েদের নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে ডিনেটের নির্বাহী পরিচালক অনন্য রহমান বলেন, ভুল থেকে শেখা আর পরিশ্রমই নারীকে তথ্য প্রযুক্তির কাজে সফল করতে পারে। এই ডায়নামিক তরুণরা আগামী দিনের দেশকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে।

সূত্র- ইত্তেফাক।

 

উইমেন লিডারশীপ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন স্পীকার শিরীন শারমিন

‘উইমেন লিডারশিপ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের (সিপিএ) চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। গতকাল শনিবার ভারতের মুম্বাইয়ে শুরু হওয়া ‘সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড উইমেন লিডারশিপ কংগ্রেস অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড (ডব্লিউডব্লিউএলসিএ)-২০১৫’ সম্মেলনে তাকে এই অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয় বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্পিকার ‘কানেক্টিং মাইন্ডস, ক্রিয়েটিং দ্য ফিউচার’ শীর্ষক সেশনে বক্তৃতাকালে বলেন, সমগ্র বিশ্বে নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় যেসব চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান, সেগুলো মোকাবিলা করে আগামীদিনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের এগিয়ে নিতে নারী সমাজসহ সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। আগামী দিনে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিকসহ সকল ক্ষেত্রে নারী-নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা দূর করে উন্নয়নের মূলধারায় নারীকে সম্পৃক্ত করতে হবে। জেন্ডার সমতা তৈরিপূর্বক সমাজের সকল ক্ষেত্রে নারী নেতৃত্বকে এগিয়ে নিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ও কর্পোরেট সংস্থাগুলোকেও কাজ করতে হবে।

ড. শিরীন আরও বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড উইমেন লিডারশিপ কংগ্রেস’ সমাজের প্রতিষ্ঠিত নারীদের জন্য একটি অনন্য ফোরাম। সকল ক্ষেত্রে নারীদের সমান সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এই ফোরাম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

সূত্র- বাসস।

 

দীর্ঘদিন পর আবারো নাটক নির্মাণে ঈশিতা

অভিনেত্রী ও নির্মাতা রুমানা রশীদ ঈশিতা প্রতি বছরই একটি নাটক অথবা টেলিফিল্ম নির্মাণ করেন। এ বছরও তিনি একটি নাটক নির্মাণ করছেন। নাটকের নাম ‘ফিরে এসো প্রেম’। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করছেন ঈশিতা নিজেই।

ঈশিতা জানান, সময়োপযোগী একটি গল্প নিয়ে নাটকটি নির্মিত হচ্ছে। নাটকে যারা কাজ করছেন বিশেষ করে লাক্সতারকা, ইমামি ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম, ভিট তারকারা বেশ ভালো অভিনয় করার চেষ্টা করেছে। তাদের মধ্যে অভিনয় শেখার আগ্রহ আমাকে মুগ্ধ করেছে। তারা যদি ধৈর্য ধরে কাজ করে যায় তাহলে তাদের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল।

এছাড়া আজিজুল হাকিম ভাই এবং মুনিরা ইউসুফ মেমী আপার অভিনয় নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। দুজনই অসাধারণ অভিনয় করছেন। আমি চেষ্টা করছি ভালোভাবে কাজটি শেষ করার। আমার পুরো ইউনিটের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’ ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ‘ফিরে এসো প্রেম’ নাটকটি ভালোবাসা দিবসে সন্ধ্যা ৭.৫০ মিনিটে চ্যানেল আইতে প্রচার হবে। ফিরে এসো প্রেম নাটকে আজিজুল হাকিম ও মুনিরনা ইউসুফ মেমী ছাড়া আরো অভিনয় করেছেন ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম আবুল কালাম আজাদ, লাক্স তারকা নাদিয়া, ভিট তারকা তন্বী ও নাফিজা।

 

গাড়ির চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারীর মৃত্যু

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ইজি বাইকের মোটরে ওড়না পেঁচিয়ে রিয়া রায় মিনু (২৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত পৌঁনে সাতটায় কোটালীপাড়া-রাজৈর সড়কে চিকটীবাড়ী গ্রামের কোটালী এগ্রো হ্যাচারীর কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
রিয়া রায় উপজেলার সোনাইল বাড়ী গ্রামের মৃত মনিমোহন রায়ে মেয়ে।
কোটালীপাড়া থানার এসআই জায়েদ জানান, রিয়া তার বোনের সঙ্গে পশ্চিমপাড় থেকে ইজিবাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন। কোটালীপাড়া-রাজৈর সড়কের ছিকটীবাড়ী কোটালী এগ্রো হ্যাচারীর কাছে এলে হঠাৎ রিয়ার গলায় থাকা ওড়না ইজি বাইকের মোটরে পেঁচিয়ে যায়। এ সময় তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত  ঘোষণা করেন।
সূত্র- বাসস

 

অবরোধ সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৩৮জন নারী-শিশুর মৃত্যু

অপরাজিতা ডেস্কঃ বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানমের সভাপতিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স কক্ষে সম্প্রতি চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অ্যাডভোকেসি লবি ডিরেক্টর গোস্বামী বলেন, চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সাধারণ মানুষ, নারী ও শিশু চরম অনিশ্চয়তার শিকার হচ্ছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি পালন দিনে দিনে সহিংস-সন্ত্রাসী আকার ধারণ করছে। এই অবরোধ ও হরতালে নিরীহ নারী-পুরুষ-শিশু মৃত্যুবরণ করছে। ৪ থেকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ২৩ দিনে পেট্রলবোমা বিস্ফোরণ, আগুন ও সহিংসতায় নারী এবং শিশুসহ ৩৮ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে নারী, শিশুসহ মানুষ হত্যা বন্ধ করতে হবে।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম, সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম, প্রশিক্ষণ গবেষণা ও পাঠাগার সম্পাদক রীনা আহমেদ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক বুলা ওসমান প্রমুখ।

 

দেশের সব ব্যাংক,আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নারী উদ্যোক্তা ইউনিট খোলার নির্দেশ

অপরাজিতা ডেস্কঃ  দেশে কার্যরত সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইউনিট খোলার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক স্বপন কুমার রায় স্বাক্ষরিত সার্কুলারে এ আদেশ দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইউনিট খোলা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমুহের প্রধান কার্যালয়সহ আঞ্চলিক কার্যালয়ে(যদি থাকে)নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ইউনিট শাখা পর্যায়ের এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিং করবে। এ ইউনিটে নারী কর্মকর্তা নিয়োজিত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে। নারী উদ্যোক্তাদের সকল প্রকার সেবাদান, ঋণ বিতরণে উদোগী ভূমিকা পালন, এসএমই ঋণ বিতরণ ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন,নারী উদ্যোক্তাদের ক্লাস্টার খুঁজে বের করে তাদের ঋণ বিতরণ কর্মকাণ্ডে আনতে এ ইউনিট কাজ করবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠিতে ১৫ দিনের মধ্যে ইউনিট গঠন করে তা অবহিত করতে বলা হয়েছে।

 

রক্ষক যখন হয় ভক্ষক!!

সমাজের জন্য শিক্ষক হলেন আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর,কিন্তু সেই মানুষটাই যখন নিজের ভেতরের পশুবৃত্তিকে ভিত্তি করে একটা শিশুর জীবন ধ্বংসের খেলায় নামেন তখন তো বলতেই হয়,রক্ষক হলে ভক্ষক! এমনই একজন ভক্ষকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে রংপুরে!

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার দলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর বাদশাহ (৪৫) একই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ফুসলিয়ে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৬৩ শতাংশ জমি ওই শিশুর নামে লিখে দিয়ে তিনি ওই বিয়ে করেছেন।
বিদ্যালয় ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ওসমানপুর সরকারপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর বাদশাহ সহকারী শিক্ষক হিসেবে ২০০০ সালে ওই বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ে রয়েছে। এক মেয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে ও আরেক মেয়ে শিশু শ্রেণিতে পড়ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ২০১২ সালে চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে বিয়ে করেন তিনি। এ জন্য তিনি মেয়েসহ তার মা-বাবাকে নানা প্রলোভন দেখান। কিন্তু বিয়ের ঘটনাটি এত দিন প্রতিবেশী কিংবা এলাকার কেউ জানতেন না।
মেয়েটির ভ্যানচালক বাবা বলেন, ‘বাবা মুই গিরব মানুষ। ওর অনেক ধন। পোরতোম মুই বেটিক বিয়াও দিবার চাও নাই। কিন্তু অয় বেটির পাচ ছাড়ে না। বেটির নামে ৬৩ শতক জমি লেকি দিয়া কোটোত জায়া চুপ করি বিয়াও করচে। এই কথা কাকো জানবার দেয় নাই।’
এলাকাবাসী জানান, সম্প্রতি মেয়ের বাড়িতে জাহাঙ্গীরের অবাধ যাতায়াত ও মেয়েটিকে নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যাতায়াত করায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। অবশেষে গত মঙ্গলবার মেয়ের বাবা বিয়ের কথা প্রতিবেশীদের কাছে স্বীকার করেন।
জানতে চাইলে শিক্ষক জাহাঙ্গীর বাদশাহ ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘ভাই যা হওয়ার হয়েছে। দয়া করে পত্রিকায় এটা লিখবেন না। আমার চাকরির ক্ষতি হবে।’
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েটির ক্লাসে রোল ছিল এক। তবে বিয়ের পর সে আর পরীক্ষা দিতে পারেনি। বিয়ে সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, ‘সম্প্রতি জানতে পেরেছি মেয়েটিকে বিয়ে করেছেন জাহাঙ্গীর। কিন্তু অভিযোগ না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারিনি।’
ওই বিয়ে নিবন্ধন করেছেন কালুপাড়া ইউনিয়নের নিকাহনিবন্ধক নজরুল ইসলাম। জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি অনেক আগের, এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না, খাতা দেখতে হবে।’
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শাহেদুল হক বলেন, ‘একজনের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়। তিনি একটি কেন, সাতটি বিয়ে করতে পারেন।’
তবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর বয়স ১০ বছর। কোনোভাবেই এ বয়সে ছাত্রীর বিয়ে হতে পারে না। তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পরেই তদন্ত করতে শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছি। প্রতিবেদন হাতে পেলে অভিযুক্ত শিক্ষক ও যাঁরা ওই বিয়ে পড়ানোর সাথে জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সূত্র- প্রথম আলো

 

৬টি অভ্যাস মেনে চলুন যদি ঘরে বসে অফিস করতে চান!

আজকাল অনেক উদ্যোক্তা কাজের অবস্থান থেকে দূরে থাকা সত্ত্বেও সফল ভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন। তাদের বেশিরভাগের ‘অফিস’ হচ্ছে নিজের ঘরেই!বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে কিংবা প্রিয় কফি শপে!

সৌভাগ্যবশত বর্তমান প্রযুক্তি প্রত্যেককেই যার যার অবস্থান থেকে যেকোন জায়গার কাজ সম্পাদন করার সুযোগ দিচ্ছে আর তাই উদ্যোক্তারা পারছেন নিজেদের ঘর থেকেই অফিসের কাজ সম্পন্ন করতে।যে কেউ ই ঘরে বসে অফিস করতে পারছে এটা শুনতে যতোটা সহজ শোনায় করতে কিন্তু ততোটা সহজ নয়!

o-WORKING-WOMEN-facebook

প্রোটোকল স্কুল অফ প্লামবিচের ফাউন্ডার জ্যাকলিন হোয়াটমোর তার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে যেয়ে বলেন,১৯৯৮ সাল থেকে আমি আমার বিজনেস শুরু করেছি,তখন এই এখনকার মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সার্ভিস ছিলো না,আমাকে অন্যান্যদের মতোই রোজ অফিস করতে হতো,ক্লায়েন্ট সার্ভিস দিতে হতো অফিসে বসেই।প্রায় ছয় বছর এভাবে কাজ করার পর আমি আমার অফিস স্থানান্তর করলাম আমার বাসায়। না এটা খুব সহজ সিদ্ধান্ত ছিলো না! তখন এভাবে অফিস করা কেউ শুরু করেনি,কিন্তু আমি একাই শুরু করেছিলাম নিজের প্রতি বিশ্বাস আর প্রযুক্তির উপকারিতা কে সঙ্গে নিয়ে! শুরুতে আমার অভিজ্ঞতা খুব ভালো ছিলো না,একা একা বাসায় অফিস করতে কার ভালো লাগে?! বাসার অফিসে আমি একা কাজ করি,আমার সার্কেলের সবাই অফিসে যেয়ে কাজ করে সুতরাং আমার জন্য এই পরিবেশটার সাথে মানিয়ে নেয়াটা সহজ ছিলো না বটে কিন্তু কিছু সময় পর,আমি অভ্যস্থ হতে লাগলাম আমার নতুন অফিসের সাথে! বেশ ক’বার রুটিন চেঞ্জ করতে হয়েছে আমাকে,কিন্তু ধীরে ধীরে এটা আমাকে বেনিফিট দিতে শুরু করে। আমার বিজনেস নেটওয়ার্ক তৈরী হয়,কাজের প্রসার বাড়তে থাকে এবং সেই সাথে অন্যান্য কাজ গুলো আমার জন্য সহজ হতে থাকে।
যারা বাসায় থেকে নিজের অফিস মেইনটেন করার কথা ভাবছেন বা করছেন সে ক্ষেত্রে কিছু টিপস তাদের সবাই কে মাথায় রাখা উচিত। যেমন,

১. নিয়মতি একটা অফিসে বসার জন্য সময় ঠিক করা এবং তা পালন করাঃ

বাসায় কাজের রকম হাজারো হোক,অফিসের কাজের জন্য প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নিতে হবে। এবং সেই সময়টাতে শুধু মাত্র অফিসে কাজ গুলো করা হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখে যায়,অনেকেই সময় ঠিক করেন কিন্তু পরে তা এলোমেলো করে ফেলেন বাসার কাজের সাথে যেটা খুবই বাজে অভ্যাস!

working-from-home

অনেকের বাসায় ছোট বাচ্চা থাকে,যাদের কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটে আর সে সাথে বাসার অন্যান্য কাজ তো থাকেই কিন্তু নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল দেখতে চাইলে সব কিছুর মাঝেও অফিসের জন্য নির্দিষ্ট সময়টা ব্যবসার কাজেই লাগাতে হবে।

২.প্রতিদিনের কাজের প্ল্যান ও পদ্ধতি গুলো ঠিক করে নিতে হবেঃ

যেকোন কাজের ক্ষেত্রেই পূর্ব পরিকল্পনা সময় বাঁচাতে সাহায্য করে। আর তাই বাসায় থেকে অফিস মেইনটেন করার ক্ষেত্রেও পূর্ব পরিকল্পনা,কাজের দিক ঠিক করে রাখা এবং কাজ গুলো দিন-সময় অনুযায়ী সাজিয়ে রাখাটা অফিস এবং বাসার কাজ দু’টো মেইনটেন করার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।

তাই রান্না ঘরেই থাকুন কি অফিসে,সামনে রাখুন কাজের লিস্ট গুলো! প্রাইয়োরিটি বেসিসে কাজ গুলো শেষ করুন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে।

৩.নিজেকে পরিপাটি রাখুন হোক তা সামান্য কাজের বেলাতেওঃ

একটা প্রবাদ আছে,পোষাক বাড়ায় মনোবল। আর তাই বাসা হোক কি অফিস কাজের বেলায় নিজের পোষাকের দিকেও খেয়াল রাখুন। সব সময়,সব জায়গায় একই রকম পোষাক কাজের মনোভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই ঘরের কাজ আর অফিসের কাজের বেলায় চেষ্টা রাখবেন পোষাক টা যেনো ভিন্ন এবং আরামদায়ক হয়।

workhome-business

অফিসে ক্লায়েন্ট সার্ভিস দেবার সময়,কাস্টমার-বায়ারদের সাথে ডিল করার সময়ও মাথা রাখবেন,অফিসের পোষাক টা যেনো অফিসের মতোই হয়!

৪.কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করুনঃ

চেষ্টা করবেন আপনার অফিস প্লেস টা যেনো আলাদা হয় আপনার বাসার অন্যান্য রুম থেকে। তাই কাজ করার জন্য বাছাই করবেন এমন একটি এরিয়া যেখানে কাজ করার ক্ষেত্রে আপনাকে সব কিছু ব্যালেন্স করতে সমস্যা না হয়।

woman-multitasking

কাজে মনোযোগ বাড়ানোর জন্য অফিসের ছোট থেকে বড় সব কিছুই গুরুত্বপূর্ণ হোক তা ফুলদানীর ফুল গুলোই! ঘরের কাজ করে,সংসার নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যখন আপনি অফিসে আসবেন তখন যেনো,নিজে থেকেই কাজ করার ইচ্ছে জাগে,সব কিছু কে এক পাশে রেখে নিজের বিজনেস কে ভাবতে ইচ্ছে করে!সে ক্ষেত্রে আপনার অফিসের পরিবেশটাই পারবে অনেকটা ভূমিকা রাখতে।

৫.বিরতি নিনঃ

প্রতিদিন বাসা-অফিসের কাজের ফাঁকে কিছু সময় বিরতি নিন। চেষ্টা করুন লাঞ্চটা অফিসের বাইরে পরিবারের সাথে করতে কিংবা বিকেলের চা টা বাগানে বা ছাদে বসে খেতে। এতে করে মানুসিক প্রশান্তি পাবেন,কাজে স্পিড আসবে। আর বাসায় থেকে অফিস করার যেমন অনেক উপকারীতা আছে তেমনি অপকারিতাও আছে!!

officeexercises

সব সময় বাসায় থাকার দরুন আপনার বডি ফিটনেস চেঞ্জ হতে পারে! কিন্তু জীবনের জন্য কাজের জন্য উপযুক্ত বডি ফিটনেস জরুরী। তাই নিয়ম করে ব্যায়াম অবশ্যই করবেন। এতে শরীর-মন দু’টোই সতেজ থাকবে।

৬.যথা সম্ভব মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখুনঃ

বাসায় থেকে অফিস করাটা এক ধরনের কঠিন চ্যালেঞ্জ বটে! ঘরে বাচ্চাদের সামলানো,পারিবারক নানান ঝামেলা কে একপাশে রেখে মনোযোগের সাথে অফিস করাটা সব সময় সহজ নয়। এ ক্ষেত্রে দুই জায়গাতেই আপনার মেজাজ কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এবং ঘরের চিন্তা-অনুভূতি গুলোকে এক পাশে রেখেই অফিস করতে হবে।

masa

অফিসে যতোক্ষণ থাকবেন,সময় যেনো অপচয় না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন। আর তাই অপ্রোয়োজনিয় মেইল আদান-প্রদান,সোশ্যাল মিডিয়াতে অতিরিক্ত সময় দেয়া,ফোনে বেশি সময় কথা বলা ইত্যাদি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

সূত্র- একটি ইংরেজি সাময়িকি অবলম্বনে অনুবাদ করেছেন স্বপ্নকথা।

 

 

আসছে বসন্তে ভালোবাসার রঙে সেজেছে ফ্যাশন হাউস গুলো

শুরু হয়েগিয়েছে ফেব্রুয়ারী ভাষার মাস,সেই সাথে উৎসবের মাসও বটে। বাংলা মাসের ক্যালেন্ডার থেকে শীতের বিদায় ঘন্টা বেজে চলছে,শুরু হচ্ছে প্রকৃতিতে নতুন উৎসবের আমেজ। পহেলা ফাল্গুন এবং সেই সাথে ১৪ই ফেব্রুয়ারী ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে প্রতিবারের ন্যায় এবারো আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউস গুলো তৈরী করছে উৎসবীয় রঙের নানান ডিজাইনের পোষাক। ফাল্গুনের বাসন্তি উৎসব এবং ভালোবাসা দিবসের বর্ণিল আয়োজন কে ঘিরে কোন কোন ফ্যাশন হাউস কি কি ধরনের পোষাক তৈরী করছে তা নিয়ে অপরাজিতাবিডির এবারের আয়োজনে লিখেছেন স্বপ্নকথা…

অঞ্জন’স
বসন্তকেন্দ্রিক উচ্ছ্বাস এদেশের মানুষের এখন স্বভাবজাত।  ১ ফাল্গুন আর ভ্যালেন্টাইন দিবসও যুগপত্ভাবে আনন্দের খোরাক যোগায় তারুণ্যে। তাই বিশেষ মুহূর্তকে বর্ণিল পোশাকে রাঙাতে অঞ্জন’স এনেছে ডিজাইন বৈচিত্র্যের নতুন প্রোডাক্ট লাইন। কটন, লিলেন, খাদি, ভয়েল, তাঁত কটন কাপড়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বাসন্তি, হলুদ, কমলা রঙের।
10423751_779981235382603_5322024239019559600_n 10947342_779981328715927_5005045256348830490_n
উত্সবের রঙে রাঙাতে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া এবং পাঞ্জাবির নয়া সব কালেকশন থাকছে এবার। বাড়ির ছোট্ট সদস্যের জন্যও রং এবং ডিজাইন ভিন্নতায় বসন্তের পোশাক এনেছে অঞ্জন’স। এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন প্রিন্টসহ এসব পোশাকের ক্যানভাসে ফুটে উঠেছে সার্বজনীন উত্সবের আবহ। এ ছাড়াও প্রিয়জনকে অন্যান্য উপহার বা লাইফস্টাইল প্রোডাক্ট দিতে যেতে পারেন অঞ্জন’সের আউটলেটে।
ভালোবাসা দিবসে এড্রয়েট

ভ্যালেন্টাইনস ডে মানেই শুভেচ্ছা ও ভাববিনিময়ের দিন। এই দিনে ভালোবাসার মানুষটির সামনে নিজেকে কিভাবে সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায় এ নিয়ে অনেকেই পড়েন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে। কাপলদের সুন্দর ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপনের জন্য এড্রয়েট তৈরি করেছে নতুন ডিজাইনের পোশাক। এড্রয়েটের সব শোরুম থেকে একই দামে পোশাকগুলো ক্রয় করতে পারবেন।

ফ্যাশন হাউস রঙ 

ঋতুভিত্তিক পোশাক আয়োজনে ফ্যাশন হাউস রঙ রয়েছে এগিয়ে। তাই রঙ এর নতুন আয়োজনে বসন্ত উৎসব এবং ভালোবাসা দিবস কে সামনে রেখে  পোশাকে এসেছে লাল,বাসন্তী ও হলুদ রঙের ছোঁয়া। তবে নতুন পাতার রং সবুজও এসেছে পোশাকের নকশায়। লাল-কমলা রঙও বাদ যায়নি। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, শার্ট, পাঞ্জাবি, ফতুয়া সবকিছুতেই যেন বসন্তের ফুলে ফুলে ভরে ওঠা প্রকৃতি। প্রকৃতির বিভিন্ন মোটিফ ব্যাবহারে প্রতিটি নকশায় বসন্তের প্রকৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। সুতি কাপড়ে কাজের মাধ্যম হিসাবে এসেছে চুনোট, টাই-ডাই, ব্লক-স্প্রে, অ্যাপলিক, কাটওয়ার্ক, স্ক্রিন, হ্যান্ডপেইন্ট, বাটিক, ভেজিটেবল রং, কারচুপি, হাত ও মেশিন এমব্রয়ডারি, এবং চুমকির কাজ।

image_742_106978 shada

রঙ এর এই বসন্ত আয়োজন পাওয়া যাবে আজগর স্কয়ার-সিলেট, দেশীদশ-আফমি প্লাজা-চট্টগ্রাম, বেইলী ফিয়েস্তা (৩য় তলা)-বেইলী রোড, দেশীদশ-বসুন্ধরা সিটি শপিং মল-পান্থপথ-ঢাকা, অরচার্ড পয়েন্ট-ধানমন্ডি, এডাপ্ট আমির কমপ্লেক্স-বারিধারা, রাইফেলস্‌ স্কয়ার-ধানমন্ডি, সানরাইজ প্লাজা-লালমাটিয়া, টুইন টাওয়ারস্‌ কনকর্ড শপিং কমপ্লেক্স-শান্তিনগর, সান্তনা মার্কেট- নারায়নগঞ্জ।

কে ক্র্যাফট  

শীত শেষ না হতেই প্রকৃতিতে বসন্তের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে দেশের শীর্ষ ফ্যাশন হাউজগুলো আয়োজন করেছে বসন্তের নানা সম্ভার। বসন্ত উপলক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারো ফ্যাশন হাউজ কে ক্র্যাফট তাদের শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, পাঞ্জাবীর কালেকশনে নিয়ে এসেছে বৈচিত্র।

10009795_10152628366436629_3042888343327226070_n

বাসন্তী, হলুদ আর সবুজের সংমিশ্রণে তাদের শাড়িগুলো সত্যিই আকর্ষনীয়। কটনের ওপর প্রিন্টের শাড়িগুলো পাওয়া যাবে ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে। আর স্কিন প্রিন্ট ও এমব্রয়ডারির হাফ সিল্ক শাড়িগুলো পাওয়া যাবে ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যে।হলুদের ওপর কারুকাজ করা কটনের সালোয়ার কামিজগুলো পাওয়া যাবে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে। এমব্রয়ডারি ও স্কিন প্রিন্টের কটন সালোয়ার কামিজ পাওয়া যাবে ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে।ছেলেদের কটন লং পাঞ্জাবী ১২০০ থেকে ১৫০০ এবং এন্ডি লং পাঞ্জাবী ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে।

ভালোবাসা দিবসের কাপ ফটোস্যুট আয়োজন

ওয়েডিং ডায়েরি
ওয়েডিং ডায়েরি দিচ্ছে যুগলদের জন্য ২০০০ ও ৫০০০ টাকায় ছবি তোলার সুযোগ। এ ছাড়া বিয়ের ছবি তোলাতেও ছাড় পেতে পারেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব সুযোগ থাকবে।  ফেসবুক: www.weddingdiary.com.bd

1604462_878729232169023_4840056457633706755_n 10940472_809401049117089_2985714350548484258_n

 ওয়েডিং চ্যাপেল
যুগলদের জন্য ছবি তোলানোর সুবিধা দিচ্ছে ওয়েডিং চ্যাপেল। ঢাকার যেকোনো স্থানে ছবি তোলা যাবে। ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে এ সুযোগ থাকবে। ফেসবুক:www.facebook.com/Weddingchapelbd

 

 

যত্নে রাখুন সিল্কের শাড়ী

বাঙ্গালী নারীদের জন্য পছন্দনীয় শাড়ির তালিকায় সিল্কের শাড়ির স্থান প্রথম সারিতে। অনুষ্ঠান,অফিস থেকে শুরু করে সব রকমের প্রোগ্রামেই সিল্কের শাড়ি পড়তে তারা পছন্দ করেন। কিন্তু আমরা অনেকেই এই সিল্কের শাড়ি ঠিক ভাবে যত্ন করে সংরক্ষন করতে জানি না! অপরাজিতায় আজ তাই থাকতে সিল্কের শাড়ির যন্ত সম্পর্কে খুঁটিনাটি। লিখেছেন লুবনা আহমেদ…
1
* সিল্কের শাড়িতে কোনো দাগ লেগে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ড্রাই ক্লিন করে নিন। বাড়িতে দাগ তোলার চেষ্টা না করাই ভালো। কারণ পানি ব্যবহার করলে দাগ স্থায়ী হয়ে যাবে।

* বেশিক্ষণ সিল্কের শাড়ি পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন না। একবার পানিতে ভিজিয়ে সঙ্গে সঙ্গে তুলে ফেলুন।

* খুব জোরে কাপড় কাচবেন না। ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করবেন না। শুকাতে দেয়ার সময় হালকা করে পানি ঝরিয়ে ছায়ায় শুকাতে দিন।

* সিল্কের শাড়ি বাড়িতে ইস্ত্রি করার চেষ্টা করুন। অথবা ভিজে থাকতে হাতের ডান দিক থেকে বাঁ দিকে ইস্ত্রি করুন। খুব গরম করে ইস্ত্রি করবেন না। উল্টো দিক থেকে করতে পারলে ভালো। আঁচল ও পাড়ে ভারী নকশা থাকলে ওপরে নরম কাপড় রেখে উল্টো করে ইস্ত্রি করুন।

* সিল্কের শাড়ি পরে মেকআপ না করাই ভালো।

* প্লাস্টিকের প্যাকেটে সিল্কের শাড়ি রাখবেন না।

* মসলিনের কাপড়ে মুড়ে সিল্কের শাড়ি অন্ধকার জায়গায় রাখুন। কখনও ড্যাম্প জায়গায় শাড়ি স্টোর করবেন না।

* ভারী কাজ কিংবা এমব্রয়ডারি করা শাড়ি হ্যাঙ্গারে না ঝুলিয়ে ভাঁজ করে রাখুন।

* সিল্কের শাড়ির মধ্যে ন্যাপথলিন বল রাখবেন না। এতে শাড়ি নষ্ট হতে পারে। এছাড়া কাপড়ে ন্যাপথলিনের গন্ধ রয়ে যাবে। তবে এর পরিবর্তে দারুচিনি, লবঙ্গ ব্যবহার করতে পারেন।

* কড়া রোদে সিল্কের শাড়ি শুকাতে দেবেন না। কারণ এর ফলে রং হালকা হয়ে যাবে।

* শাড়িতে তেল মশলাযুক্ত দেয়া গ্রেভি বা তেলযুক্ত কোনো দাগ লেগে গেলে ট্যালকম পাউডার ছড়িয়ে দিন। এরপর ব্রাশ দিয়ে অতিরিক্ত পাউডার ঝেড়ে ফেলুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে পারিষ্কার করুন।

 

আদিবাসী নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবী

অপরাজিতা ডেস্কঃ আদিবাসী নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্ক। গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক চৈতালী ত্রিপুরা।
চৈতালী ত্রিপুরা বলেন, ২০১৪ সালে ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যাসহ আদিবাসী নারী ও শিশুদের ওপর মোট ৭৫টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে ৫১টি এবং সমতল অঞ্চলে ২৪টি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মহিলা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাখি দাস পুরকায়স্থ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক সাবিহা ইয়াসমিন, নারী প্রগতি সংঘের সমন্বয়কারী দিলারা রেখা, কাপেং ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক পল্লব চাকমা, আদিবাসী নারী নেটওয়ার্কের সমন্বয় কমিটির সদস্য রাখিম্রং প্রমুখ।

 

দ্বৈত!

নারীরা বসে নেই,এগিয়ে যাচ্ছে নিজ অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গনে। মুসলিম নারীরা সচেতন হয়ে উঠছে তাদের হক বা অধিকার সম্পর্কে যা আল্লাহ স্বয়ং তাদের দিয়েছেন। তারা বুঝতে শিখছে আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসুল (স:) প্রবর্তিত এ হক কেড়ে নেবার অধিকার কারও নেই; নারীরাও আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব আশরাফুল মাখলুকাত, ঠিক যেমনি পুরুষেরা।

আমি ‘শিখেছে’, ‘উঠেছে’- এ ক্রিয়াগুলো ব্যবহার না করে ‘শিখছে’, ‘উঠছে’ ক্রিয়াগুলো ব্যবহার করেছি। কারণ আমার মতে এখনো এ প্রক্রিয়ার মাঝামাঝি কোনো একস্থানে আমরা অবস্থান করছি। পূর্ণতা অর্জন এখনও বেশ দূর। মুসলিম নারী জাগরণের, নারীর অবস্থান পরিবর্তনের এ জোয়ার পুরুষদের গায়েও লেগেছে। নারীদের প্রতি তাদের সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গীর বেশ একটা পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা এ অবস্থাকে বলতে পারি একটা Transition Period।

এ অবস্থানে অধিকাংশ পুরুষের মধ্যেই লক্ষ্য করা যায় একটি দ্বৈত চরিত্র। একদিকে নারী জাগরণের এ সময় তারা তাদের সঙ্গীনীকে কল্পনা করেন বিদুষী, শিক্ষিত, কর্মচঞ্চল, ও সচেতন এক নারী রূপে। অন্যদিকে তাদের মনের কোঠরে বাস করে তাদের শৈশবে দেখে আসা সেসব নারী চরিত্র যারা স্বামী সেবাকেই জীবনের একমাত্র কাজ ও লক্ষ্য মনে করতেন; স্বামী বা স্বামীপক্ষের সব অন্যায়, অত্যাচার, গঞ্জনা মুখবুজে সয়ে যেতেন, মুখে ‘রা’ টি করতেন না। তাদের মনে রয়ে গেছে সেই ‘বুক ফাটেতো মুখ ফোটেনা’ – গোছের নিরীহ বধূটি। অর্থাৎ তারা এর একাংশ আর ওর অপরাংশ মিলিয়ে অদ্ভুত এক কল্পিত নারী চরিত্র তৈরী করেন যা স্বভাবগতভাবেই পরস্পর বিপরীত। যে নারী সচেতন, যে নারী বহির্জগতের অন্যায়ের প্রতিবাদ করার সাহস রাখেন, সে নারী নিজ স্বামীর অবহেলা-অসম্মানকে চিহ্নিত করতে অসমর্থ হবেন, বা বুঝতে পেরেও সমাজের রক্তচক্ষুর ভয়ে গুটিশুটি মেরে যাবেন এমনটা আশা করা যুক্তিহীন।

অনেককে দেখেছি বিয়ে করার সময় বুদ্ধিমতী, চৌকষ, যোগ্য মেয়ে খোঁজেন। কিন্তু বিয়ের পরে সেই বুদ্ধিমতী মেয়েটি যখন তাকে কোনো ব্যাপারে পরামর্শ দেয় তখন অন্যদের সম্মুখে সেই পরামর্শকে মেনে নেয়াকে কাপুরুষতা মনে করেন। ভাবেন –
স্ত্রীর কথা শুনলে অন্যরা কি মনে করবে ?
সবাই বলবে আমি স্ত্রীর কথায় উঠি-বসি।
ওরা বলবে আমি একটা স্ত্রৈণ।

অথচ এটা তো খুব স্বাভাবিক যে, যেকোনো শিক্ষিত বুদ্ধিমতী মেয়েই আশা করবে যে, তার স্বামী তার সঙ্গে পরামর্শ করবে, তার মতামতের গুরুত্ব দেবে। একদিকে বুদ্ধিমতী স্ত্রী চাওয়া অন্যদিকে স্ত্রীর মতামতকে (তা যতটা মানসম্মতই হোকনা কেন) মেনে নিলে মান যাবে এমনটা ভাবা পরস্পর বিরোধী মানসিকতারই লক্ষণ।

আমার ধারণা এই Transition Period এ অনেক পুরুষই আসলে কি চাইছেন এ ব্যাপারে নিজেরাই যথেষ্ট স্বচ্ছ ধারণা রাখেন না বা একধরনের দোটানায় ভোগেন। একদিকে তারা আমাদের দেশের নারীদের অন্যদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাইছেন, তাদেরকে সচেতন নারী রূপে দেখতে চাইছেন, আবার একই সাথে বাস্তব জীবনে নিজের ঘরের নারীটিকে নিজ অধিকার সম্পর্কে নীরব, নিশ্চুপ, বোধহীন দেখতে ভালবাসছেন। এ দ্বৈততার ফল খুব একটা সুখকর হয়না।

নারী স্বভাবতই ধৈর্যশীল। তবে ধৈর্য্য- সহিষ্ণুতা আর উপর্যুপরী অন্যায়-অবহেলা- অসম্মান চুপচাপ মেনা মেনে নেয়া এক কথা নয়। নারীর যেমন স্বামীর সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ্য রাখা জরুরী, তেমনি স্ত্রীর সন্তুষ্টির প্রতিও স্বামীর লক্ষ্য রাখা জরুরী। স্ত্রীর অধিকার সচেতনতাকে ‘বিদ্রোহ’ হিসাবে দেখার সুযোগ নেই। আমাদের মনে রাখতে হবে ‘স্ত্রীর আনুগত্য’ নয়, বরং স্বামী- স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি সম্মান ও সহানুভূতিই আমাদের পারিবারিক জীবনকে সফল করে তুলতে পারে।

লিখেছেন- কানিজ ফাতিমা নিপু। ক্যালগরি,কানাডা।