banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

নিজের সৃষ্টি গুলো যেনো একঘেয়ে না হয়।- এ.আর.রহমান

'বিরক্তিকর না হয়ে ওঠাটাই গুরুত্বপূর্ণ'

তার কাজ যেন লোকের কাছে একঘেয়ে না হয়ে ওঠে- সে বিষয়ে সদা সচেতন এ আর রহমান।
অস্কারজয়ী এই ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালককে নিয়ে জল্পনা- কল্পনা কিংবা কৌতুহলের সীমা নেই। অন্য দশজন তারকার চেয়ে প্রচারমাধ্যমকে অনেক বেশি এড়িয়ে চলা বিশ্বখ্যাত এই সঙ্গীত তারকাকে নিয়ে অভাব নেই বিভ্রান্তিরও! তেমন কিছু বিভ্রান্তি ও কৌতুহল দূর হল বহুদিন পর প্রকাশিত এ আর রহমানের এক সাক্ষাৎকারে
বলিউডে কাজ করার খুব বেশি সময় পাচ্ছেন না। প্রস্তাবগুলো কিভাবে ফিরিয়ে দিচ্ছেন?
ক্যারিয়ারের এই সময়ে আমি শুধু সেইসব গান করতে চাই- যা আমাকে প্রেরণা যোগাবে। নইলে শ্রোতারা আমার গান শুনবে না। তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক পরিণত হবে দীর্ঘদিনের একঘেয়ে বিবাহিত জীবনের মতো।
আপনার গান সিনেমায় যেভাবে চিত্রায়িত হয়, তাতে কি আপনি সন্তুষ্ট?
‘রং দে বসন্তি’ কিংবা ‘দিল্লি সিক্স’ সিনেমার কথা বলি। সেখানে গানগুলো ব্যবহার হয়েছে আবহসঙ্গীত হিসেবে। গানে ঠোঁট মেলাননি কেউ। সে কারণে যতখানি প্রতিক্রিয়া আশা করা হয়েছিল, পাওয়া গেছে তার মাত্র ৩০ থেকে ৪০ ভাগ। গানে সিনেমার কোনো তারকা ঠোঁট মেলালে মানসিকভাবে তা দর্শকদের বেশি আকর্ষন করে। তারুণ্যনির্ভর সিনেমার গান নিয়ে আমার অধিক আগ্রহের এটাও অন্যতম কারণ।
'বিরক্তিকর না হয়ে ওঠাটাই গুরুত্বপূর্ণ'

অস্কার জেতার পর বিদেশে আপনার ব্যস্ততা বেড়েছে। দেশে-বিদেশে সময়ের সমন্বয় করছেন কিভাবে?

এটা একটু কঠিন; তবে বিদেশে কাজ থাকলে এক- দেড় মাসের জন্য আমি তাতেই ডুবে যাই। প্রযুক্তি অবশ্য বিষয়টাকে অনেক সাবলীল করে তুলেছে। আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুতেও বিষয়টা এমন ছিল না। এখন দুনিয়ার যে কোনো জায়গা থেকে যে কেউ যোগাযোগ করতে পারেন আমার সঙ্গে।
বিদেশে কি ধরনের কাজ করলেন?
কিছুদিন আগে শেষ করেছি ‘মিলিয়ন ডলার আর্ম’ ও ‘দ্য হান্ড্রেড-ফুট জার্নি’ নামে দুটি হলিউড ছবির কাজ। এই ছবির কাজগুলো একদম আলাদা। এখানে ভারতীয় কোন বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করিনি।
যখন লম্বা সময়ের জন্য বিদেশে কাজ করতে যান। পরিবারের জন্য মন আনচান করে না?
এটা এক ধরনের আত্মত্যাগ। গানের জন্য। আমার অগোচরে আমার সন্তানেরা বড় হয়ে উঠছে। অবশ্য ওদের স্কুল ছুটি থাকলে সঙ্গে নিয়ে যাই। কিন্তু সব জায়গায় ওরা যেতে পারে না আমার সঙ্গে। কারণ তাদেরও নিজস্ব জীবন আছে। নিজের জন্য সেটাতে আমি বিঘ্ন ঘটাতে পারি না।
নিজের মতো করে খানিক বিশ্রাম করার সময়টা তো পান!
বিদেশে গেলে একটা সুবিধা আছে। কেউ পথেঘাটে ঘিরে ধরে না। রাস্তায় আশপাশের লোকরা চিনে ফেলার পরও ত্যাক্ত করতে আসে না। অনায়াসে এবং ঝামেলা ছাড়াই আমি লম্বা পথ হেঁটে পাড়ি দিতে পারি। দেশে থাকলে এটা হয় না।
'বিরক্তিকর না হয়ে ওঠাটাই গুরুত্বপূর্ণ'
৪৭ বছরে পা রাখলেন। তারপরও তারুণ্যনির্ভর সিনেমার গান কিভাবে করছেন?
আসলে আমি যখন তরুণ ছিলাম, তখন তারুণ্য অনুভব করার সুযোগ পাইনি। বাচ্চাকাল থেকেই আমার প্রচুর সময় কেটেছে চল্লিশোর্ধ সঙ্গীতজ্ঞের সঙ্গে। তারা পান চিবুতে চিবুতে ধ্রুপদী গানের গল্প করতেন। ছেলে বেলায় নিজেকে তাদের মতোই মনে হতো। এখন এই বয়সে এসে তরুণকালের চেয়েও বেশি তারুণ্য বোধ করি।
সূত্র: আইএএনএস ও হিন্দুস্তান টাইমস

 

চলো ভ্রমণে শুধু দু’জন… ১

বার বার চেষ্টা করেও বইয়ের দিকে মনোযোগ দিতে পারছে না জাফর। চোখ চলে যাচ্ছে সামনের সীটে বসে থাকা তরুণীর উপর। ট্রেন ছাড়ার পর থেকে গত দেড় ঘন্টায় এক মূহুর্তেও জন্য কথা বলায় বিরতি দেয়নি মেয়েটি। ক্রমাগত একজনের পর আরেকজনের সাথে ফোনে কথা বলেই যাচ্ছে। এই হাসছে, এই কাঁদছে, এই অভিমান করছে, শঙ্কিত হচ্ছে আবার পর মূহুর্তেই নিজেই কাউকে আশ্বস্ত করছে। চোখের সামনে এইসব কর্মকান্ড চলতে দেখলে বইয়ের দিকে মন দেয়াটা কষ্টকরই বটে। হাতের বই বন্ধ করে সীটে একটু হেলান দিয়ে বসে ভালো মত তাকালো জাফর মেয়েটির দিকে। খুবই সাধারণ একটি সুতির থ্রিপিস পড়েছে। দু’হাতে মেহেদির আল্পনা ছাড়া আর কোন গহনা বা প্রসাধনীর চিহ্ন চোখে পড়লো না কোথাও। তবে লাল টুকটুকে ওড়নাটা মাথায় তুলে দেয়ার কারণে নববধূর মত লাগছে মেয়েটিকে। কার সাথে যেন কথা বলতে বলতে হেসে ফেললো মেয়েটি। সাথে সাথে জাফরের মনেহলো এমন হাসি যাকে আল্লাহ দিয়েছেন কোন কৃত্রিম প্রসাধনীর প্রয়োজন তার নেই! চোখাচোখি হলে ঠোঁটের কোণে মিষ্টি হাসির রেখে ফুটে উঠেই আবার মিলিয়ে গেলো মেয়েটির মুখে। জাফরও চোখ ঘুরিয়ে জানালা দিয়ে বাইরের তাকালো। ছুটে চলছে ট্রেন গন্তব্য পানে! দৃষ্টি বাইরে থাকলেও কি এত তার সহযাত্রীনি কথা বলছে সেটা শোনার চেষ্টা করলো জাফর।

শোন নিয়মিত মেডিসিন নিতে যেন ভুল না হয়। মেডিসিন নেয়ার পর আমাকে ম্যাসেজ লিখে জানিয়ে দেবে মেডিসিন নিয়েছো। আর কোন কাজেই যেন অনিয়ম না হয় বলে দিচ্ছি। উল্টো পাল্টা হলে কিন্তু আমি ফিরে এসে তোমাকে কঠিন শাস্তি দেব সেটাও বলে রাখছি। আরেকটা কথা মার দিকেও কিন্তু খেয়াল রাখবে। দুজন মিলে কান্নাকাটি করবে না একদম। যদি আমি টের পাই তোমরা কান্না করেছো! তাহলে কিন্তু আমিও কান্না করবো বলে রাখছি। বলো তুমি চাও আমি কান্না করি? হুম! এমন আমিও চাই না তোমরা দুজন কান্না করো বুঝেছো?! আর তুমি এতক্ষণ ওয়াশরুমে কি করছিলে? যদি আমার সেলফোনের চার্জ শেষ হয়ে যেত তাহলে তোমার সাথে কথা বলতাম কিভাবে? সময়ের মূল্য ওয়াশরুমে গিয়ে ভুলে গেলে চলবে? আবার হাসো কেন তুমি? সেলফোনের চার্জ নিয়ে তোমার চিন্তা করতে হবে না। আমি তিনটা মোবাইল ভর্তি করে চার্জ নিয়ে এসেছি। একটার চার্জ শেষ হলে আরেকটা দিয়ে কথা বললো। জাফরের একবার ইচ্ছে হলো বলে, তিনটা মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে গেলেও চিন্তার কিছু নেই। আমার কাছে যেটা আছে সেটা লোন দিতে কোনই আপত্তি নেই আমার। কিন্তু ইচ্ছেটা গোপন করে আবারো কথা শোনাতে মন দিলো। এখনো বাবাকে ধমকাচ্ছে তার সহযাত্রীনি কেন ওয়াশরুমে এতক্ষণ ছিল। বলে দিচ্ছে সর্বোচ্চ বিশ মিনিট থাকা যাবে ওয়াশরুমে।

কেমন যেন একটা সুখ সুখ আবেশ ছেয়ে গেলো জাফরের মনের মাঝে। সব মেয়েরাই কি এমন অদ্ভুত রকমের আদুরে হয়?! আল্লাহ চাইলে তার নিজের যদি কখনো মেয়ে হয় সে কি এই সহযাত্রীনির মতোই আদুরে হবে? সে ওয়াশরুমে কতক্ষণ থাকবে সেটাও নির্ধারণ করে দেবে?!

চলবে…

লিখেছেন- ডা.আফরোজা হাসান। সাইকোলজিস্ট,মাদ্রিদ,স্পেন।

 

আপনার প্রসাধনীর ৪টি ক্ষতিকর উপাদান!

প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করতে আপনাকে কেউ কি বারণ করেনি? প্রসাধন সামগ্রীতে ব্যবহৃত নানা উপাদান মানুষের দেহের জন্য ক্ষতিকর। এসব প্রসাধনীর কোনোটিতে রয়েছে এমন সব উপাদান, যা থেকে মৃত্যুও হতে পারে।
প্রসাধন সামগ্রীর মাঝে রয়েছে বহু ক্ষতিকর উপাদান, এ উপাদানগুলোর কয়েকটি তথ্য এখানে তুলে ধরা হলো।
১. প্যারাবেন
পাওয়া যায় : ময়েশ্চারাইজার, স্কিন স্ক্রাব ও ডিওডোরেন্টে।
প্যারাবেন উপাদানটি সাধারণত কসমেটিক্স ইন্ডাস্ট্রিতে ‘প্রিজারভেটিভ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ডারমাটোলজিস্ট ও কসমো ফিজিশিয়ান ড. মাধুরি আগরওয়াল বলেন, ‘এ মিশ্রণ হরমোনের কাজ ব্যাহত করে। এর ফলে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ে। এ ছাড়াও রিপ্রোডাক্টিভ টক্সিসিটি, ইমোউনটক্সিসিটি ও নিউরোটক্সিসিটির সম্ভাবনা বাড়ে।
এ পদার্থটি কিভাবে দেহের এমন ক্ষতি করতে পারে? যখন ময়েশ্চারাইজার ত্বকের সংস্পর্শে আসে তখন প্যারাবেন ত্বকের মাধ্যমে দেহের ভেতর প্রবেশ করে এবং রক্তকনিকার সঙ্গে মিশে যায়।
২. হাইড্রোকুইনন
পাওয়া যায় : ফেয়ারনেস ক্রিম ও ত্বক ফর্সা করার প্রসাধনীতে
হাইড্রোকুইনন এক ধরনের অ্যারোমেটিক অর্গানিক কমপাউন্ড।
ডারমাটোলজিস্ট ড. অমিত লুথরা বলেন, ‘হাইড্রোকুইনন থেকে মারাত্মক অ্যালার্জি হতে পারে। বহুদিন ধরে এটির নিয়মিত ব্যবহার ত্বকে নীল-ধূসর বর্ণচ্ছটা দেখা দিতে পারে, যার কোনো চিকিৎসা হয় না।’
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অনেকে এ উপাদানটির কারণে শ্বাসকষ্ট, বুকে যন্ত্রণা এবং মুখ ও জিহ্বা ফুলে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। কিছু ক্ষেত্রে এ উপাদান ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। ত্বকের মেলানিন উৎপাদন ব্যাহত করার কারণে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ও ইউভিবি এ সমস্যা হতে পারে।
৩. সোডিয়াম লউরেট সালফেট
পাওয়া যায় : শ্যাম্পু, বাবল বাথ পণ্য, টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশ।
এ উপাদানটির ভুল ব্যবহার করার কারণে আপনার মৃত্যুও হতে পারে। মূলত উপাদানটি ফেনা তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
এ বিষয়ে ডারমাটোলজিস্ট ও কসমো ফিজিশিয়ান ড. মাধুরি আগরওয়াল বলেন, ‘মানুষ যা জানে না তা হলো, এ উপাদানটি ত্বকের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ব্যাহত করে এবং শ্বাস নিতে সমস্যা তৈরি করে। আমরা এমন রোগীও পাই, যারা শরীরে এর বাজে প্রভাবের কারণে বিষণ্নতায়ও আক্রান্ত হন।’
উদ্বেগের বিষয় হলো, এ উপাদানটি কিছু টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশেও ব্যবহৃত হয়।
৪. প্যারা-ফেনিলেনিডিয়ামিন, পারদ ও সীসা
পাওয়া যায় : হেয়ার ডাই, হেয়ার কালার, লিপস্টিক ও মাসকারা
আপনি নিজেই চুলে রং করুন কিংবা সেলুন থেকে করুন, যাই হোক না কেন প্যারা-ফেনিলেনিডিয়ামিন (Para-Phenylenediamine ) উপাদানটি থেকে সাবধান। এটি অনেক সময় বাজার থেকে কেনা প্রক্রিয়াজাতকৃত মেহেদিতেও পাওয়া যায়।
এ উপাদানটি দেহের নানা ক্ষতি করে। এমনকি মস্তিষ্কের জন্যও এটি ক্ষতিকর। কিছু ক্ষেত্রে এটি ক্যান্সারের জন্যও দায়ী।
ডার্মাটোলজিস্ট ড. স্বাতী শ্রীবাস্তব জানান, লিপস্টিকে এ উপাদানটি রয়েছে কিনা, পরীক্ষা করুন। কিছু লিপস্টিকে সীসা থাকে, যা মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। সামান্য পরিমাণে এ উপাদানটিও দেহের জন্য ক্ষতিকর।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মানবদেহে সীসা বৈকল্য আনতে পারে। এতে শিক্ষা, ভাষা ও আচরণগত সমস্যা তৈরি হয়।
সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস।

 

শুরু হলো ৮ম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব।

images
অপরাজিতা ডেস্কঃ  ‘ফ্রেমে ফ্রেমে আগামীর স্বপ্ন’ স্লোগানকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে ৮ম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উত্সব। শনিবার রাজধানীর পাবলিক লাইব্রেরিতে সপ্তাহব্যাপী এ উত্সবের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এবারের উত্সবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের ১০টি ভেন্যুতে ৪৮টি দেশের দুই শতাধিক শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।
চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত উত্সবটি আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। শিশুদের জন্য উত্সব উন্মুক্ত। প্রতিদিন বিকাল ৩টা , ৫টা ও ৭টায় শো অনুষ্ঠিত হবে। উত্সবে সারাদেশ থেকে ৫০ জন খুদে নির্মাতাকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। এরা চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালা, সেমিনারসহ নানা আয়োজনে অংশ নেবে।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ চলচ্চিত্র উত্সব আমাদের শিশুদের মন ও মানসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ছবি নির্মাণের কাজে শিশুদের অংশগ্রহণের ফলে নতুন ধারণা জন্মাবে, জাগ্রত হবে নতুন চিন্তা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, উত্সবে অংশগ্রহণকারী শিশুরা বিশাল কর্মযজ্ঞে নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখছে। এতে করে শিশুদের একটি ভাল মন তৈরিতে সহায়ক হবে।
উত্সব উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি মুস্তফা মনোয়ার বলেন, যেদিন থেকে ছবি আকা শুরু হয়েছে সেদিনই মানুষ মানুষে পরিণত হয়েছে। চলচ্চিত্র মানেই সকল শিল্পকলার সমন্বিত রূপ। শিল্পকলা জানা মানে মানুষ হওয়া। মানুষ হতে হলে আমাদেরকে শিল্পকলার সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে।
চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, এ উত্সব শুধু বিনোদনের জন্য নয়, এ উত্সবের মাধ্যমে শিশুরা সৃজনশীলতা ও মানসিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মুনিরা মোরশেদ মুননী, উত্সব পরিচালক রায়িদ মোরশেদ প্রমুখ।