banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

শিশুরা কি শিখবে?মূল্য নাকি মূল্যায়ন!

বেশ কয়েকদিন আগে স্কুল থেকে ফেরার পথে নাকীবের এক ক্লাস ফ্রেন্ড ড্রাভিদও হাঁটছিল আমাদের সাথে! হাঁটতে হাঁটতে নানান বিষয়ে কথা বলছিলাম দুজনের সাথে! একসময় নাকীব ওর মামা ওকে নতুন খেলনা কিনে দিয়েছে সেকথা জানালো। খেলনাটির মূল্য কত জানতে চাইলো ড্রাভিদ। নাকিব মূল্য বলার পর ড্রাভিদ বলল, আমার কাছে ২৯ ইউরো আছে। আর ১৬ ইউরো জমালেই আমিও তোমার খেলনাটি কিনতে পারবো। কিন্তু আমি কিনবো না। ১৮ তারিখে আমার মাম্মার বার্থডে। আমি মাম্মাকে উপহার কিনে দেবার জন্য ইউরো জমাচ্ছি দুই মাস ধরে। মাকে উপহার কিনে দেবার জন্য টাকা জমাচ্ছে শুনেই কেমন যেন মুগ্ধতার ভরে গেলো মনটা। মনে পড়ে গিয়েছিল নিজের টাকা দিয়ে যেদিন প্রথম মামণিকে আর বাবাকে উপহার কিনে দিয়েছিলাম সেই দিনের কথা! স্মৃতিটা নাকীবের সাথে শেয়ার করার জন্য ওর দিকে তাকাতেই নাকীব হড়বড় করে বলতে শুরু করলো, আম্মুতা আমিও কিন্তু তোমাকে সবসময় ভালোবাসা উপহার দিই। ভালোবাসা সবচেয়ে সুন্দর উপহার। ভালোবাসা অমূল্য তাই এটা অর্থের বিনিময়ে কেনাও যায় না। চাইনি কিন্তু চেপে রাখতে না পেরে হেসে ফেলেছিলাম আমি! নাকীব মুখ একটু কালো করে বলল, তুমিই তো বলেছিলে কাউকে দেবার ভালোবাসার চেয়ে সুন্দর কোন উপহার নেই। তাই যারা আমার অনেক আপন তাদেরকে যেন সবসময় অনেক অনেক ভালোবাসা দেই! আমি নিজেকে সামলে নিয়ে বললাম, অবশ্যই বাবা ভালোবাসার চেয়ে সুন্দর, পবিত্র ও অনন্য কোন উপহার নেই পৃথিবীতে। তোমার ভালোবাসা উপহার স্বরূপ পেয়ে আম্মুতা অনেক অনেক খুশি হই সবসময় আলহামদুলিল্লাহ।

বেশ কয়েক বছর আগে এক ক্লাস ফ্রেন্ড ভালোবাসার কারণে নিজ পরিবার পরিজন সবকিছু তুচ্ছ করে, চলে গিয়েছিল ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে ভালোবাসাময় জীবন গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। সেই ভালোবাসার মানুষটি যখন ভালোবাসা ছাড়া জীবন ধারণের নিত্য প্রয়োজনীয় বিলাশ বাসন দিতে ব্যর্থ হচ্ছিলো। এবং ভালোবাসার দ্বারা সবকিছুই অভাব পূরণ করার চেষ্টা করছিল কয়েকমাস যেতে না যেতেই সেই ক্লাস ফ্রেন্ডটি হাঁপিয়ে উঠেছিলো ভালোবাসার মানুষটির দেয়া ভালোবাসার আতিশায্যে। সংসারে শুরু হয়ে গিয়েছিল ছোট ছোট চাওয়া-পাওয়াকে ঘিরে দ্বন্দ্ব-কলহ। যেই ভালোবাসার জন্য পরিবার ছেড়েছিল সেই ভালোবাসাতেই অতিষ্ট হয়ে সংসার ভেঙে সে ফিরে এসেছিল। এই ঘটনাটি দেখে গভীর চিন্তায় নিমজ্জিত হয়েছিলাম আমি। বার বার মনে প্রশ্ন জাগছিল যে, ভালোবাসার জন্য পরিবারকে ছেড়ে দেবার মত ত্যাগ স্বীকার করতে পারলে, নিজের ছোট ছোট চাহিদাকে কেন ত্যাগ করতে পারলো না?! সমস্যাটা কোথায়? ভাইয়া হেসে বলেছিলেন, সমস্যাটা হচ্ছে শাড়ি-গহনা ইত্যাদিও মেয়েদের কাছে ভালোবাসার উপকরণ। বলেছিলাম, আমি এমনটা মনে করি না। ভাইয়া বলেছিলেন, কারণ তোমাকে এমনটা মনে করার শিক্ষা দেয়া হয়নি। তোমাকে শিক্ষা দেয়া হয়েছে, ‘সবার উপরে ভালোবাসা সত্য, সুখের জন্য শুধু ভালোবাসা প্রয়োজন নিত্য’। হেসেছিলাম তখন খুব। আসলেই এই শিক্ষাটাই দেয়া হয়েছে আমাদের সব ভাইবোনদেরকে। মামণি, বাবা, ভাইয়া, হাসানজ্বি, থেকে নিয়ে শুরু করে পরিবারের সবাই কবে আমাকে কি উপহার দিয়েছে মনে করতে হলে আমাকে ভাবতে হবে। যেহেতু ঐসব উপহার আমার কাছে কখনোই তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না। কিন্তু উনাদের দেয়া সুন্দর সুন্দর ভালোবাসাময় মূহুর্ত আমি ননস্টপ বলে বা লিখে যেতে পারবো। কারণ আপনজনদের ভালোবাসা আমার জীবনের অমূল্য সম্পদ।

জীবনে ভালোবাসার প্রয়োজনীয়তা আমরা কেউই অস্বীকার করতে পারি না। ভালোবাসা মনে এমন এক আশার জন্ম দেয় যা মানুষকে সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখতে শেখায়। আমরা জানি জীবনের ভালোবাসার প্রয়োজনীয়তাকে কিন্তু তবুও কেন জানি ঠিক গুরুত্ব দিতে পারিনা সেভাবে। কাউকে ভালোবাসি ভালোবাসি করে জীবন দিয়ে দেই। অথচ সেই ভালোবাসার মানুষটি যদি শুধু ভালোবাসা নিয়ে কাছে আসে আমাদের মুখ কালো হয়ে যায়। এর কারণ আসলে আমরা শুধু ভালোবাসা পেয়েই সুখী বা তৃপ্ত হতে শিখি না বেড়ে ওঠার পরিবেশ থেকে। আমরা ভালোবাসাকে মূল্যায়ন করতে শিখি অর্থের মূল্যে। যে যত বেশি দামের উপহার দেয় বা দিতে পারে। সে আমাদের কাছে ততবেশি গুরুত্ব ও ভালোবাসার দাবীদার হিসেবে গণ্য হয়। এর প্রভাব গিয়ে পড়ে জীবনের সর্বক্ষেত্রে। জীবনকে ঘিরে ঘূর্ণায়মান প্রতিটি সম্পর্কের উপরেও। ছোটবেলা থেকেই তাই শিশুদেরকে কোনকিছুর মূল্য নয় মূল্যায়ন করা শেখাতে হবে। যাতে জীবনের চলার পথে মানুষকে তার ভালোবাসার দ্বারা বিবেচনা করে। কাউকে দেবার ক্ষেত্রে এবং নিজে পাবার ক্ষেত্রেও।

লিখেছেন – ডা.আফরোজা হাসান,শিশু-মনোবিজ্ঞানী। মাদ্রিদ,স্পেন।

পুত্রবধুর গায়ের রঙ কালো আর তাই লাশ হতে হলো ছেলেকে!

গায়ের রং কালো হওয়ায় পুত্রবধূ রুপালীকে মেনে নিতে পারেননি শ্বশুর আমিনুল ইসলাম (৫০)। তিনি ছেলে রায়হানকে চাপ দেন রুপালীকে তালাক দেওয়ার জন্য। কিন্তু বাবার আদেশ অমান্য করে রায়হান কালো স্ত্রীকে নিয়েই সংসার করার সিদ্ধান্ত নেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে সৃষ্টি হয় দ্বন্দ্ব। একপর্যায়ে স্ত্রীকে নিয়ে ঘর ছাড়েন ছেলে রায়হান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পরিবারের অভিযোগ, কালো স্ত্রী নিয়ে সংসার করার কারণে শেষ পর্যন্ত বাবার হাতে খুন হয়েছেন রায়হান (২৮)।

গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের সোডাপীর নয়াপাড়া গ্রামে ঘটে এ মর্মান্তিক ঘটনা। ছেলে রায়হানকে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় অন্য দুই ছেলে তাঁকে আটক করে পুলিশে দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলহাজতে পাঠায়। নিহত রায়হানের দুই মাস বয়সী একটি পূত্রসন্তান রয়েছে।

ছেলে হত্যায় অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামের সুনির্দিষ্ট কোনো পেশা নেই। মাঝে মধ্যে তিনি কৃষিকাজ করেন বলে জানা গেছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, আমিনুল অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িত। তিনি সড়ক-ডাকাতদের একটি চক্রের সঙ্গে যুক্ত। তিনি নেশা করেন। তবে এ ব্যাপারে আমিনুলের ছেলেরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, একই জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বড়বালা ইউনিয়নের আটুরিয়া গ্রামের রুপালীকে বিয়ে করেন রায়হান। বিয়ের পর রুপালীকে বাড়িতে নিয়ে এসে আমিনুল ইসলাম দেখেন ছেলের বউয়ের গায়ের রং অনেক কালো। বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে রুপালীকে তালাক দেওয়ার জন্য ছেলের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন আমিনুল। কিন্তু রায়হান তাঁর বাবার নির্দেশ শোনেননি। একপর্যায়ে তাঁদের ওপর নেমে আসে নানা অত্যাচার। পারিবারিকভাবে নির্যাতন সইতে না পেরে রায়হান স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি চলে যান। সেখানে কিছুদিন থাকার পর স্ত্রী রুপালীকে নিয়ে ঢাকায় পোশাক শ্রমিকের কাজ নেন রায়হান। দীর্ঘদিন রায়হানের সঙ্গে তাঁর বাবা আমিনুল ইসলামের যোগাযোগ ছিল না।

জানা গেছে, দুই মাস আগে রুপালীর পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। রুপালী সন্তান নিয়ে মিঠাপুকুরের আটুরিয়ায় বাবার বাড়ি আসেন। গত বুধবার তাঁদের ঢাকায় চলে যাওয়ার কথা। কিন্তু রায়হানের মা রেহানা বেগম নাতিকে এক নজর দেখার জন্য রায়হানকে ডেকে আনেন। গত মঙ্গলবার নিজ বাড়ির টানে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে আসেন রায়হান। বুধবার জামায়াতের ডাকা হরতালে তাঁরা আটকা পড়েন। আর ওই রাতই রায়হানের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। ওই দিন রায়হান তাঁর স্ত্রী-সন্তানকে বাবার বাড়িতে নিয়ে এলে বাবা আমিনুল উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। কেন কালো বউকে বাড়িতে আনা হলো এ নিয়ে বাবা-ছেলের কথাকাটাকাটি হয়।

রায়হান বলেন, ‘কালো হলেও আমার স্ত্রী। আমি ওর সঙ্গেই সংসার করব।’ এ নিয়ে উত্তেজিত হয়ে আমিনুল ঘরে রাখা ধারালো ছুরি নিয়ে রায়হানকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। একপর্যায়ে আমিনুল ছেলে রায়হানের বুকে ছুরি বসিয়ে দেন। ঘটনাস্থলেই মারা যান রায়হান। এ সময় অবস্থা বেগতিক দেখে আমিনুল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাঁর অন্য দুই ছেলে লিমন ও রাকিব ঘাতক বাবা আমিনুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে দেন।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, রায়হানের স্ত্রী রুপালী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সুত্র- কালের কন্ঠ।

 

চাকরী প্রার্থীর ৪টি সাধারন দুর্বলতা!

চাকরি খুঁজছেন? কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে স্বপ্নের সোনার হরিণটির কাছাকাছি গিয়েও আপনাকে বারবার ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে? একদমই হতাশ হবেন না। মনে রাখবেন, প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু দুর্বলতা আছে। আবার বিশেষ কিছু গুণও আছে সবার মধ্যে। তাই এসব দুর্বলতাকেই শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। তাহলেই নাগাল পাবেন সোনার হরিণের।
চাকরিপ্রার্থীরা চারটি সাধারণ দুর্বলতার কারণে প্রতিযোগিতার দৌড়ে পিছিয়ে পড়েন। জেনে নিন সেই সীমাবদ্ধতাগুলো কী কী এবং কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন।

অভিজ্ঞতার ঘাটতি
যে পেশায় কাজ করার জন্য আবেদন করছেন, সে বিষয়ে হয়তো আপনার অভিজ্ঞতা খুব কম। তাই অন্যান্য যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আপনাকে বিবেচনা করা হচ্ছে না। এসব ক্ষেত্রে আবেদনপত্র ও সাক্ষাৎকারে (ইন্টারভিউ) নিজের অন্যান্য দক্ষতা বিশেষভাবে উল্লেখ করুন। আর নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করুন, যাতে মনে হয়, নতুন কিছু শেখার ব্যাপারে আপনি যথেষ্ট আন্তরিক এবং ওই সুনির্দিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতার ঘাটতি আপনি দ্রুত পূরণ করে নিতে পারবেন। মনে রাখবেন, অনভিজ্ঞতা আপনার জন্য সুফলও এনে দিতে পারে। দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রশিক্ষণ আপনি সব সময়ই নিতে পারবেন, কিন্তু ব্যক্তিত্বের ব্যাপারটা অন্য রকম।


চাকরির মাঝখানে বিরতি
এই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা সত্যিই একটু কঠিন। চাকরি চলে গেলে বা স্বেচ্ছায় কোনো চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর নতুন আরেকটি পদে যোগ দেওয়ার আগ পর্যন্ত সময়টা বিরতি হিসেবে গণ্য হয়। এই সময় স্বেচ্ছাসেবামূলক কোনো কাজ বা প্রশিক্ষণ নেওয়ার কাজে যুক্ত হতে হবে। এতে বিরতির সময়টা আপনার জীবনবৃত্তান্তে (সিভি) ইতিবাচক বা দক্ষতা অর্জনের পর্যায় হিসেবে বিশেষ মূল্যায়ন পাবে। সিভি পড়ে সাধারণত কেউ জিজ্ঞেস করবে না, ওই বিরতির সময় আপনি বেতন পেয়েছেন কি না। কিন্তু নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আপনার এসব কাজে ব্যস্ত থাকার তাৎপর্য হিসেবে আপনাকে ক্যারিয়ার-সচেতন এবং উদ্যমী হিসেবে বিবেচনা করবে।


দ্রুত ও ক্রমাগত চাকরি বদল
একটা চাকরি হঠাৎ করে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও চাকরিপ্রার্থীর কারও পছন্দ নয়। বারবার ও দ্রুত চাকরি পরিবর্তন করার ফলে একজন কর্মীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব ক্ষেত্রে তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রতি যথেষ্ট অঙ্গীকারবদ্ধ নন বলে মনে করা হতে পারে। ক্যারিয়ার গঠন ও দক্ষতা অর্জনের ব্যাপারে শক্তিশালী মনোভাব রাখার পাশাপাশি কাজেও তার প্রমাণ দিতে হবে। চাকরির বাইরে (ফ্রিল্যান্সার হিসেবে) নিজ উদ্যোগে কিছু ইতিবাচক কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে সেগুলো সিভিতে গুছিয়ে তুলে ধরুন। এতে আপনি বারবার চাকরি বদল করে থাকলেও ব্যাপারটাকে তুলনামূলক কম নেতিবাচক মনে হবে।


প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাব
আপনি কাঙ্ক্ষিত কোনো প্রতিষ্ঠানে স্বপ্নের চাকরিটা করার সুযোগ পেয়ে যাওয়ার পরও আপনার মনটা যদি খুঁত খুঁত করে এই মনে করে যে আপনি কাজটার জন্য যথেষ্ট যোগ্য নন, তাহলে দুর্ভাবনা ও হীনম্মন্যতা ঝেড়ে ফেলুন। নিজের ঘাটতিগুলো ভিন্ন উপায়ে পুষিয়ে নিতে হবে। অতীতে গঠনমূলক বিভিন্ন কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে নিজেকে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য একজন আদর্শ কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করুন। সিভিতেই বর্ণনা করুন, আপনার আগের কাজকর্ম নতুন প্রতিষ্ঠানটির কাঙ্ক্ষিত পদে চাকরির উপযোগী অভিজ্ঞতা হিসেবে কাজে লাগবে।
মনস্টার ডট কম অবলম্বনে

 

চ্যানেল আইতে জমকালো বিয়ে উৎসব

পন্ডস-নকশা বিয়ে উৎসব নিয়ে নির্মিত অনুষ্ঠানটি চ্যানেল আইতে দেখানো হবে আজ বেলা ১১টা ৫ মিনিটে। গত ৯ ডিসেম্বর ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় বিয়ে উৎসব। ইউনিলিভার ও প্রথম আলোর এই আয়োজনে দিনভর ছিল বিয়ের নানা বিষয় নিয়ে মেলা।

সন্ধ্যায় ছিল জমকালো ফ্যাশন শো, নাচ ও গানের অনুষ্ঠান। দেশসেরা মডেলদের পাশাপাশি ফ্যাশন শোতে বিয়ের সাজে হেঁটেছেন ফেরদৌস, অপু বিশ্বাস, হৃদয় খান, সুজানা, আরিফিন শুভ ও মেহজাবীন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন তাহসান ও মিথিলা। অনুষ্ঠানে গান গেয়েছে ব্যান্ড দল চিরকুট আর বিয়ের গানের সঙ্গে ছিল অভিনেত্রী ভাবনার নাচ।