banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

পিকেটারদের ঢিলের আঘাতে শিক্ষিকার মৃত্যু

বিএনপি জোটের হরতালের মধ্যে নোয়াখালীর মাইজদী পৌরবাজারে পিকেটারদের ঢিলের আঘাতে নিহত হয়েছেন ঢাকার এক স্কুল শিক্ষিকা। নিহত শামসুন্নাহার ঝর্ণা (৩৭) ঢাকার আগারগাঁওয়ের তাওহীদ ল্যাবরেটরি স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। হামলায় তার স্বামী আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কর্মকর্তা শাহজাহান সিরাজও আহত হয়েছেন।

সুধারাম থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, পিকেটারদের ঢিলে মাথায় আঘাত পাওয়ার পর নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে গত সোমবার সকাল সোয়া ১০টার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর বিডিনিউজের।

শাহজাহান সিরাজ জানান, তাদের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগতির পোড়াগাছা এলাকায়। সম্প্রতি তাকে ঢাকা থেকে নোয়াখালীতে বদলি করায় কভার্ড ভ্যানে মালপত্র নিয়ে তিনি বাড়ি যাচ্ছিলেন। ওই ভ্যানেই তার স্ত্রী ও ছেলে প্রিন্সও ছিলেন। তিনি জানান, সকালে হরতালের মধ্যে মাইজদী পৌরবাজারের মোড়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উপস্থিত হরতালকারীরা গাড়ির দিকে ঢিল ছুড়তে শুরু করে। এতে শামসুন্নাহারের মাথা থেকে রক্তপাত হতে থাকে এবং তিনি নিজেও আঘাত পান। শামসুন্নাহারকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, তিনি মারা গেছেন।

জেলার পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। দুপুর পর্যন্ত ছাত্রদলের দুই কর্মীকে আটক করেছেন তারা।

 

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সফল বাঙ্গালী নারীমুখ

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিজম বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন। তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন পাবলিক হেলথ পুরস্কার।

 18126

ওয়াসফিয়া নাজরীন

ন্যাশনাল জিওগ্রাফির ‘অ্যাডভেঞ্চারার্স অব দ্য ইয়ার ২০১৪-১৫’-এর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন মাউন্ট এভারেস্ট বিজয়ী বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন। ২০১২ সালের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় ওঠার গৌরব অর্জন করেন। বাংলাদেশী হিসেবে তিনি প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে উঁচু পর্বত মাউন্ট অ্যাকোনকাগুয়া, উত্তর আমেরিকার ডেনালি, ইউরোপের মাউন্ট এলব্রাস ও অ্যান্টার্কটিকার ভিনসন মাসিফে আরোহণ করেন।

 2012-07-09-22-07-12-4ffb561039b63-untitled-1

সারজিনা তৃমা ও আজরিন আফরিন

৬ষ্ঠ বার্ষিক আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে পাঁচটি বিভাগের মধ্যে পোর্ট্রেট ও লাইফ দুটি বিভাগেই সেরা আলোকচিত্রীর পুরস্কার পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্রী সারজিনা তৃমা। ফেস্টিভ্যাল বিভাগে শ্রেষ্ঠ আলোকচিত্রীর পুরস্কার পান ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী আজরিন আফরিন।

 1622795_581170805297775_1381567668_n 10696404_825465440838354_7259026154770832119_n

অর্পা, মাশা ও মাহমুদা

এলডিসি অন্তর্ভুক্ত দেশের ২০১৫ পরবর্তী কাঠামোগত উন্নয়ন অগ্রাধিকার শীর্ষক ব্রিটিশ কাউন্সিলের অ্যাকটিভ সিটিজেনের তিন মেয়ে সদস্য আন্তর্জাতিক শিক্ষা সফর উপলক্ষে যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করেন। বাংলাদেশের তিন শিক্ষার্থী অর্পা রহমান, মাশা আল-আইরিন খান ও মাহমুদা সামানজার চৌধুরী ২৯ থেকে ৩১ জানুয়ারি এলডিসি অন্তর্ভুক্ত দেশের তরুণদের অংশগ্রহণে উইলটন পার্ক কনফারেন্সে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।

 1391506_828169927209976_1492329284_n 10376057_10204064242995694_6080455561046925174_n10868045_10204658032805133_1534719536879057800_n

আজিজা বেগম

নবজাতক শিশু ও মায়ের স্বাস্থ্যসেবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়ার জন্য হবিগঞ্জের স্বাস্থ্যকর্মী আজিজা বেগম পান গ্লোবাল লিগ্যাসি অ্যাওয়ার্ড। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের ইলোমিনেশন গালায় যুক্তরাজ্যের নিউইয়র্কে তিনি এ পুরস্কার গ্রহণ করেন। আজিজা বেগম হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের একজন স্বাস্থ্যসেবী। বিশ বছর ধরে তিনি শিশুস্বাস্থ্যসেবায় কাজ করছেন।

তাসলিমা আখতার

সাভারের রানা প্লাজা ভবন ধসের শিকার দুই শ্রমিকের আঁকড়ে ধরে থাকা আলোচিত আলোকচিত্রের জন্য আলোকচিত্রী তাসলিমা আখতার পান জার্মানির লিড অ্যাওয়ার্ড। তিনি বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সমন্বয়ক। জার্মানির স্টার্ন সাময়িকীতে প্রকাশিত শেষ আলিঙ্গন নামে পরিচিত তার আলোকচিত্রটি ১৯টি ক্যাটাগরির মধ্যে বছরের সেরা আলোকচিত্র নির্বাচিত হয়।

সোনা রানী রায়

দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার পশ্চিম সাহতারা গ্রামের সোনা রানী রায় কেয়ার বাংলাদেশ প্রকল্প ‘নিজেরা কটেজ এন্ড ভিলেজ ইন্ডাস্টিজ’-এর মাধ্যমে আমেরিকার সান্থাফেতে আন্তর্জাতিক লোকশিল্প মেলায় অংশ নেন। তার সেলাইকৃত নকশিকাঁথা এ মেলায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়।

নাবিরা রহমান এবং কাশফিয়া নেহরীন

জাতিসংঘের সদর দফতর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল (ইকোসোক) ইয়ুথ ফোরাম ২০১৪। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাবিরা রহমান ও বুয়েটের কাশফিয়া নেহরীন। এবারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘সেই পৃথিবী আমরা চাই, যে পৃথিবী আমাদের চায়।’ নাবিরা রহমান অংশ নেন শিক্ষাবিষয়ক সেশনে। কাশফিয়া নেহরীন অংশ নেন কর্মসংস্থান ও ব্যবসায় উদ্যোগবিষয়ক সেশনে। এ সেশনে আলোচিত হয় কীভাবে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিও একত্রে কাজ করতে পারে।

 সূত্র- যুগান্তর।

 

কিছু বিষয় জানা উচিত ২বছরের কম বয়সী শিশুর মায়েদের

যারা সন্তানকে স্তনের দুধ খাওয়ান তাদের কয়েকটি বিষয় জানা থাকা উচিত। এ লেখায় থাকছে তেমন কয়েকটি তথ্য।

১. মায়ের দুধ সব সময় সাদা নয়
সাধারণত মায়ের দুধ সাদা বা ক্রিম রঙের হয়ে থাকে। তবে এটা সব সময় নয়। মাঝে মাঝে তা সবুজ, নীল, হলদে বা কমলা রঙেরও হতে পারে। এ দুধের ঘনত্বও পরিবর্তিত হয়।
২. একটি স্তনে বেশি দুধ হয়
আপনার দুই হাত যেমন দুই রকম, তেমন দুটি স্তনও ভিন্ন। এর একটিতে বেশি এবং অন্যটিতে কম দুধ হতে পারে। তাই সন্তানকে দুধ দেয়ার সময় বিষয়টি লক্ষ করলে ভালো হয়।
৩. সন্তানকে দুধ দানের সময় বড় স্তন
স্বাভাবিক অবস্থায় একজন নারীর স্তনের যে আকার থাকে, সন্তান ধারণ করার পর তা পরিবর্তিত হয়। সন্তানকে দুগ্ধদান শুরু করলে এর আকার হয় সবচেয়ে বড়। এর মাত্রা নির্ভর করে আপনার ত্বকের স্থিতিস্থাপকতার ওপর। এর ওপরই নির্ভর করে সন্তানকে দুধ দান বন্ধ করার পর স্তন আগের অবস্থায় যাবে নাকি কিছুটা বড় থাকবে।
৪. শুধু স্তনবৃন্ত দিয়েই দুধ নয়
স্তনবৃন্তের একটি মাত্র ছিদ্র দিয়েই দুধ নির্গত হয় না। বেশ কিছুটা এলাকা জুড়ে থাকে দুধ নির্গত হওয়ার ছিদ্র।
৫. নিজে নিজেই নির্গত হতে পারে দুধ
অনভিজ্ঞ মায়েদের প্রায়ই এমনটা হতে দেখা যায়। বিশেষ করে সন্তান যদি কান্নাকাটি করে কিংবা সন্তানের দিকে তাকিয়ে থাকলে নিজে থেকেই স্তনের দুধ নির্গত হতে পারে। এছাড়া বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় হয়ে গেলেও এমনটা হতে পারে।
৬. যৌনতা কষ্টকর হতে পারে
এস্ট্রোজেন হরমোনটির অভাবে স্তন্যদানকারী মায়েদের যোনীপথে শুষ্কতা তৈরি হতে পারে। এতে অনেক সময় যৌনতা কষ্টকর অনুভূতি দিতে পারে।
৭. অতিরিক্ত দুধ হতে পারে
কোনো কোনো মায়ের অতিরিক্ত দুধ উৎপাদিত হতে দেখা যায়। এ ছাড়াও কারো স্তন থেকে ফিনকি দিয়ে দুধ বের হওয়ার প্রবণতা থাকে। এক্ষেত্রে সন্তানের অসুবিধা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে দুগ্ধ দান শিখে নিতে হয়।
৮. মানসিক উত্থান-পতন হয়
সন্তানকে দুগ্ধ দান করলে মায়ের দেহের হরমোনজনিত কিছু পরিবর্তন হয়। এতে অক্সিটোসিন নামে একটি হরমোনের ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়াও কিছু নারী দুর্বলতা, ঘাম, উদ্বেগ, পিপাশা ইত্যাদি সমস্যায় ভোগেন।
৯. মাত্রাতিরিক্ত ক্যালসিয়াম প্রয়োজন নেই
গরুর দুধ পান করলেও তা মায়ের দুধ সেভাবে বাড়াবে না। শিশুকে স্তনের দুধ পান করালে তাতে মায়ের দেহের হাড় হালকা হয়ে যায়। অবশ্য সন্তান বড় হওয়ার পর এটি বন্ধ করলেই তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
১০. যৌনতায় লিক হতে পারে
যৌনতার ফলে স্তন্যদানকারী মায়ের স্তন থেকে সামান্য দুগ্ধ বের হতে পারে। তবে এতে অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নেই।
১১. বাড়তি খাওয়া
শিশুকে স্তন্য পান করানোর জন্য একজন মায়ের দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ ক্যালরি বাড়তি খাবার খাওয়ার প্রয়োজন হয়। এজন্য বাড়তি কোনো টেনশন না নিয়ে নিজের শরীরের চাহিদামতো কাজ করলেই চলে। অর্থাৎ ক্ষুধা লাগলে খেতে হবে, ক্ষুধা না লাগলে খেতে হবে না।
১২. পিরিয়ড বন্ধ হতে পারে
সন্তানকে স্তন্য দান করা হলে তার ফলে কখনো কখনো মায়ের পিরিয়ড বন্ধও হয়ে যেতে পারে। এতে উদ্বেগের কিছু নেই।

সূত্র- ফক্স নিউজ।