banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

প্রথম নারী সামরিক পাইলট হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন অফিসার তামান্না ও নাইমা

 

অপরাজিতা ডেস্কঃ বাংলাদেশের প্রথম নারী সামরিক পাইলট হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ফ্লাইং অফিসার তামান্না-ই-লুৎফী ও ফ্লাইট লে. নাইমা হক। বুধবার দুপুর সোয়া একটায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানে সর্বশেষ স্লো টেস্টে সফলতা দেখিয়ে তারা এই স্বীকৃতি পান। পরে তারা দুজনেই একা একা ফ্লাইং করেও সফল হন। বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে এটি একটি মাইল ফলক। দেশে বেশ কয়েকজন বেসামরিক নারী পাইলট থাকলেও সামরিক ক্ষেত্রে এর আগে কোন নারী এই স্বীকৃতি আর্জন করতে পারেননি।

স্বীকৃতি আর্জনের পর তামান্না ও নাইমা তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই আর্জনে আমরা খুবই আনন্দিত। দেশের প্রথম সামরিক নারী বৈমানিক হতে পেরে অনেক ভাল লাগছে। ঝুকিপূর্ণ হলেও দেশে জন্য আনন্দচিত্তে আমরা এই কাজ করব। দেশের যেকোন দুর্যোগে আমরা এগিয়ে যাব।
তারা আরো বলেন, আমাদের এই অর্জন শুধু সামরিক বাহিনীর নয়, পুরো দেশের, নারী সমাজের। আমরা আশা করবো আমাদের এই অর্জনে অন্য নারীরাও অনুপ্রানিত হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এয়ার কমোডর সাঈদ, এয়ার কমোডর হাসান, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গ্রুপ ক্যাপ্টেন হাবিবুর রহমান, তামান্নার প্রশিক্ষক উইং কমান্ডার আসিফ ও নাইমার প্রশিক্ষক স্কোয়াড্রন লিডার আবুল বাসার।

সূত্র- ইত্তেফাক

 

সফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বগুড়ার তামান্না

 

অপরাজিতা ডেস্কঃ দিনাজপুর থেকে বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজে ইংরেজিতে অনার্স পড়তেন তাজরীন তামান্না ইসলাম। সেখানেই তাঁর বিয়ে হয়। স্বামী ব্যবসায়িক কাজে সারা দিন বাইরে থাকতেন। সে সময় অনলাইনে চোখে পড়ে অনলাইনভিত্তিক বুটিক হাউস, ডিজাইন ও হ্যান্ডিক্রাফটসের সাইটে। এখান থেকে ডিজাইন শিখতে থাকেন। বাজার থেকে কাপড় কিনে নিজের মতো ডিজাইন ও হাতের কাজ শুরু করেন। এতে প্রতিবেশীদের প্রশংসা পেলেন। উৎসাহ বাড়ল।
তাজরীন তামান্না বলেন, ‘২০০৭ সালে ৫০ হাজার টাকা আর আটজন কর্মী নিয়ে বুটিকের কাজ শুরু করি। শুরুতে শুধু ডিজাইন করতাম। কর্মীরা আমার করা ডিজাইনের ওপর হাতের কাজ করতেন। ডিজাইন করা পোশাক বাসা থেকেই বিক্রি হতো।’
তামান্না প্রথম দিকে থ্রি-পিস, বিছানার চাদর, শাড়ি, কুশন কভার, জানালার পর্দা ডিজাইন করে বিক্রি করতেন। ধীরে ধীরে ব্যবসার পরিধি বেড়ে যাওয়ায় বাসার নিচতলায় একটা বুটিক শপ খোলেন। নাম দেন ‘ট্রেন্ডি বগুড়া’। ২০১১ সালে ফেসবুকে ‘ট্রেন্ডি বগুড়া’ নামে একটি ফেসবুক পেজ (www.facebook.com/pages/Trendybogra/353733991387700?ref=br_rs) খোলেন।

10409137_763735990387496_103552542471618500_n10395191_765684353525993_4544214494424266631_n

 

তিনি বলেন, ‘ওই পেজে আমার ডিজাইন করা পণ্যের ছবি দামসহ আপলোড করতাম। অনলাইনে দেশ-বিদেশ থেকে প্রচুর অর্ডার আসতে থাকল। এখন দেশে-বিদেশে প্রচুর ক্রেতা আমার।’ অনলাইনে নিয়মিত তিনি অর্ডার পাচ্ছেন বিদেশ থেকে। অর্ডার অনুযায়ী ইএমএসের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে পণ্য পাঠান তিনি।
তামান্না জানান, বর্তমানে তাঁর বুটিক হাউসে প্রায় ৫০ জন নারী কর্মী কাজ করেন। আগামী দিনে বড় পরিসরে অনলাইন কেনাকাটার একটি প্রতিষ্ঠান গড়ার স্বপ্ন তাঁর।

ভারতে পাচার হওয়া ৪৮ জন নারী দেশে ফিরেছেন।

অপরাজিতা ডেস্কঃ ভারতে বিভিন্ন সময় পাচার হওয়া ৪৮ জন নারী দেশে ফিরেছেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় ভারতের অভিবাসন ব্যুরোর কর্মকর্তারা বেনাপোল অভিবাসন পুলিশের কাছে তাঁদের হস্থান্তর করেন।
আরও অন্তত ১৮০ জন নারী ভারতের তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁদেরও দ্রুত দেশে ফেরত আনার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। স্বজনেরা এলেই তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মানবাধিকার সংগঠন রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয়কৃষ্ণ মল্লিক জানান, ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাচারকারী চক্র ওই নারীদের দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ভারতে নিয়ে যায়। তাঁদের বেশির ভাগই আগে তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। সেখানে যাওয়ার পর পাচারকারীরা তাঁদের অসম্মানজনক পেশায় জড়িত হতে বাধ্য করে। একসময় তাঁরা ভারতের পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। পরে বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা রেসকিউ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা তাঁদের নিজেদের আশ্রয়ে নেন।

বেনাপোল অভিবাসন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আখতারুজ্জামান বলেন, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি চালাচালি করে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।