banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

 

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্মারকগুলো চিহ্নিত হবে কবে?

রাত পোহালেই ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর সে সময়কার রেসকোর্স ময়দানে (এখনকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল হানাদার পাকিস্তানি সেনারা।
কিন্তু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ঠিক কোন জায়গায় আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছিল তা অনেকেরই অজানা। উদ্যানে গিয়েও জায়গাটি খুঁজে পাওয়ার কোনো উপায় নেই। কারণ সেই নির্দিষ্ট স্থানটির কোনো চিহ্ন বা স্মারক নেই।
অথচ ওই জায়গাটি চিহ্নিত করতে চার বছর আগে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত। পাশাপাশি ওই অংশটিকে ‘স্বাধীনতা উদ্যান বা লিবার্টি স্কয়ার’ করার জন্য সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছিল।
সোহরাওয়াদী উদ্যানের এই স্থান থেকেই  মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ডাক দেওয়া হয়েছিল। আজ ওই স্মারকটি দাঁড়িয়ে আছে এই অবস্থায়। ছবি: মনিরুল আলমরাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের স্থান এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান সংরক্ষণের নির্দেশনা চেয়ে ২০০৯ সালের ২৫ জুন হাইকোর্টে রিট করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার কে এম সফিউল্লাহ ও অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন। ওই বছরের ৮ জুলাই আদালত রায় দেন এবং ২০১০ সালের জুলাই মাসে লিখিত রায় প্রকাশিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী ১৯৯৫ সালে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় স্তম্ভ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিন। সেটি পড়ে আছে এই অবস্থায় ছবি: মনিরুল আলমএ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কে এম সফিউল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সবকিছু করব করব করে ফেলা রাখা ঠিক না। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার জন্য আমরা এ কাজটি করতে চেয়েছিলাম। তা এখনো নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছায়নি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক অবশ্য প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, আত্মসমর্পণের জায়গাটিসহ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাতটি ঐতিহাসিক স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এখনো কোনো ফলক বা স্তম্ভ বসানো হয়নি। শিগগির এ কাজ শুরু হবে।
এই স্মারক স্তম্ভটিতে কী লেখা হয়েছিল তা এখন আর উদ্ধার করা সম্ভব না। শিশু পার্কের দেয়াল ঘেসে এভাবে অনাদরে, অবহেলায় পড়ে আছে। ছবি: মনিরুল আলমহাইকোর্টের ওই রায়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যে জায়গায় বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন সেই জায়গা এবং ১৬ ডিসেম্বর যে জায়গায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল সে জায়গাসহ ঐতিহাসিক সাতটি স্থান চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন।
সরেজমিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে দেখা যায়, এখনো আদালতের ওই রায়ের বাস্তবায়ন হয়নি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সাতটি স্থান চিহ্নিত করার কথা বললেও উদ্যানে তার কোনো চিহ্ন নেই। বঙ্গবন্ধু ঠিক কোন জায়গায় ভাষণ দিয়েছিলেন, কোন জায়গায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল তা বোঝার উপায় নেই।
তবে শিখা চিরন্তনের উত্তর পাশে শিশুপার্কের সীমানার কাছাকাছি একটি স্তম্ভ দেখা যায়। তাতে লেখা আছে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ডাক, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। ওই স্তম্ভটিও আছে অবহেলায়। শেওলা পড়ে গেছে, লেখাও অনেকটা মুছে গেছে। এর পশ্চিমে আরেকটি ছোট স্তম্ভ আছে। কিন্তু তাতে কী লেখা আছে, তা এখন উদ্ধার করা দুরূহ।
এ ছাড়া শিখা চিরন্তনের কিছু আগে আরেকটি স্তম্ভ আছে। তা হলো ‘বিজয় স্তম্ভ’। ১৯৯৫ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এখনো শুধু ভিত্তিপ্রস্তরটিই আছে।

 

কম খরচে হালের ফ্যাশন ‘কুর্তা ‘

24618-exclusive-black-short-sleeve-designer-kurtis-at-low-cost

বিপাশা রায়ঃ সপ্তাহে পাঁচ দিন অন্তত বাইরে বেরোতে হয় যাঁদের, তাঁদের পক্ষে কী রোজ রোজ নতুন পোশাক পরা সম্ভব? নতুন পোশাক না হোক, নতুন একটা ভাব আনা তো খুবই সম্ভব। এমনই মনে করেন ফ্যাশন ডিজাইনাররা। এ জন্য চাই কয়েক রকম কুর্তা আর তার সঙ্গে পরার জন্য পালাজ্জো বা লেগিংস। খুব বেশি খরচও পড়বে না, নিজেই বানিয়ে নিতে পারেন নিজের বাজেটের মধ্যে কুর্তা। সে উপায় বাতলে দিয়েছেন ডিজাইনাররাই।

কয়েক বছর ধরে শুধু কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেই ছিল কুর্তার জনপ্রিয়তা। তবে এখন অফিসে পরার পোশাক হিসেবেও মেয়েরা বেছে নিচ্ছেন কুর্তা। এর নকশাতেও এখন আসছে নানা পরিবর্তন। গলায় যোগ করা হচ্ছে লেস, কাটছাঁটে আছে ভিন্নতা।
নকশাটা যেমনই হোক না কেন সব সময় ব্যবহারের জন্য কুর্তার কাপড়টা সুতি হওয়াই ভালো বলে জানালেন অনলাইন পোশাকের দোকান ওয়ালীজের ডিজাইনার ওয়ালী উদ্দীন আহমেদ। এ ক্ষেত্রে আকািশ, সাদা, হালকা-সবুজ রংগুলো বেছে নেওয়া যেতে পারে। কাপড়ের রংটা সাদা হলে গলা আর হাতায় লাগাতে পারেন কালো রঙের পাইপিং। পাইপিংয়ের জন্য ব্যবহার করতে পারেন কালো রঙের বাটিক প্রিন্টের কাপড়, না হলে কালোর ওপর সোনালি রঙের সুতার কাজের লেস। কাপড়টা যদি প্রিন্টের হয় সে ক্ষেত্রে গলাটা হাইনেক রেখে সামনের দিকের বেশ কিছু অংশ কাটা রাখতে পারেন। কুর্তা বানানোর সময় আরও কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন হাতার পাইপিংয়ের দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি হলে এবং কুর্তার িনচের দিকে আড়াই থেকে তিন ইঞ্চি পাইপিং লাগালে তা দেখতে ভালো দেখাবে। কুর্তার দুপাশের কাটা অংশ ১৮ ইঞ্চির কম এবং ঘেরটা হবে ৩৬ ইঞ্চি। এ ছাড়াও কুর্তার দৈর্ঘ্য ৩৪ ইঞ্চির বেশি না করার পরামর্শ দিলেন তিনি। থ্রি-কোয়ার্টার হাতায় কুর্তাটা সবাইকে বেশ মানিয়ে যায় বলেও জানালেন তিনি। অফিসে পরতে পারেন থ্রি-কোয়ার্টার হাতার কুর্তা।
তিনটি কুর্তা থাকলে সপ্তাহে কোনোদিন তা একরঙা লেগিংসের সঙ্গে পরতে পারেন, আবার কোনোদিন না হয় পরুন প্রিন্ট নকশার পালাজ্জোর সঙ্গে। ভিন্ন ভিন্ন স্কার্ফ বেঁধেও একই কুর্তাটি নানাভাবে পরতে পারেন।

68e2708b4ea31c976c39a9769fac90eb-17

 

এদিকে প্রতিদিনের কাজে যাঁদের বাইরে বের হতে হয়, তাঁদের জন্য বিবিয়ানার ডিজাইনার লিপি খন্দকারের পরামর্শ হলো, প্রতিটি কুর্তার জন্য আলাদা রং নয়, বরং একটি রঙের লেগিংস বা সালোয়ারের সঙ্গে পরতে পারবেন যেকোনো ধরনের কুর্তা। এ ক্ষেত্রে লেগিংস, জিনস বা পালাজ্জোর জন্য কালো বা হালকা সাদা রং বেছে নিন। মোটামুটি সব রঙের কুর্তার সঙ্গেই তাহলে মানিয়ে যাবে। সব ধরনের কুর্তার সঙ্গেই পরতে পারেন প্রিন্টের নকশার সিল্কের স্কার্ফ। এ ক্ষেত্রে শুধু মনের মতো নকশায় কুর্তাটি বানিয়ে নিলেই কম বাজেটের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে আপনার প্রতিদিনকার পোশাক।
কুর্তার সঙ্গে সাজগোজটা হালকা হলেই ভালো দেখাবে এমনটা জানালেন রেড বিউটি স্যালনের রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। যেমন যাঁদের চুল একটু লম্বা তাঁরা লেগিংসের সঙ্গে কুর্তা পরলে একটু উঁচু করে পনিটেল বেঁধে নিতে পারেন। পালাজ্জোর সঙ্গে খোলা রাখতে পারেন চুলগুলোকে।

begin101-womens-cream-kurti-300X420-5X7-2cfc4e5705ba4f2b8dfac1b356612743
কুর্তার বাজেট

ওয়ালী উদ্দীন আহমেদ জানালেন, সাধারণত কুর্তা বানাতে দেড় থেকে আড়াই গজ কাপড় লাগবে। এ ক্ষেত্রে বহর তিন হাত হলে কাপড় লাগবে দেড় গজ আবার বহর যদি আড়াই হাত হয় তাহলে সোয়া দুই গজ কাপড় দিয়েই বানাতে পারেন কুর্তা। ঢাকার চাঁদনী চক ও ইসলামপুরের কাপড়ের দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেল, সুতির ওপর ছাপা নকশার কাপড়ের দাম পড়বে গজপ্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকা। হাতে বোনা তাঁতের কাপড় পাবেন গজপ্রতি ১২০ টাকায়। আর ৭০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে মিলবে এক রঙা কাপড়। পাইপিং লাগাতে কলারের জন্য লেস বা রিবন লাগবে ১৪ থেকে ১৬ ইঞ্চি। হাতার জন্য লাগবে ১০ ইঞ্চি লেস। নকশার ওপর নির্ভর করবে এই লেসের দাম। আর কুর্তা বানানোর মজুরিটা এলাকাভেদে পড়বে ১৭০ থেকে ২০০ টাকা। তবে পাড়ার বা স্থানীয় কোনো দোকানে বানালে ১২০ টাকার মধ্যেই বানিয়ে ফেলতে পারবেন আপনার পছন্দের কুর্তাটি।

 

একাত্তরের নাটক বীরাঙ্গনা: দ্য উইম্যান অব ওয়ার

অপরাজিতা ডেস্কঃ সময় ১৯৭১। মরিয়মরা থাকে ছোট্ট একটা গ্রামে। পাক হানাদারদের ভয়ে সারাক্ষণ তটস্থ থাকতে হয় তাদের। রাতেরবেলা তারা লুকিয়ে থাকে বাড়ির পেছনের পুকুরে। একদিন সত্যি হয় মরিয়মের আশঙ্কা। পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে যায় মরিয়ম। তারপর কী ঘটল মরিয়মের জীবনে?

একাত্তরের সেই বীরাঙ্গনার গল্প নিয়ে নাটক বীরাঙ্গনা: দ্য উইম্যান অব ওয়ার। নাটকটি ঢাকায় মঞ্চস্থ করবে লন্ডনভিত্তিক সাংস্কৃতিক দল কমলা কালেক্টিভ। সব ঠিক থাকলে, ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হবে এর প্রথম মঞ্চায়ন। ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত নাটকটি চট্টগ্রাম, খুলনা ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন স্থানেও প্রদর্শিত হওয়ার কথা।
‘ক্ষ’ ব্যান্ডের কণ্ঠশিল্পী সোহিনী আলম, অভিনেত্রী লীসা গাজী, ফিলিজ ওজজান ও ক্যাটলিন অ্যাবোট—চার বন্ধু মিলে ২০১২ সালে ইংল্যান্ডে শুরু করেন সাংস্কৃতিক দল কমলা কালেক্টিভ।

বীরাঙ্গনা: দ্য উইম্যান অব ওয়ার মঞ্চায়নের জন্য দলটি এখন অবস্থান করছে ঢাকায়। দলের সদস্য সোহিনী আলম জানান, বাংলা ভাষায় কমলা কালেক্টিভের এটি প্রথম প্রযোজনা। কমলা কালেক্টিভ শুরু করার পর ওই বছরই লীসা গাজী আসেন বাংলাদেশে। সিরাজগঞ্জে গিয়ে কথা বলেন কয়েকজন বীরাঙ্গনার সঙ্গে। বীরাঙ্গনাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের নিয়ে তৈরি করা হয় ছোট ছোট ভিডিওচিত্র, যা যুক্ত করা হয় নাটকটির সঙ্গে। এর আগে ইংরেজি ভাষায় যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্থানে এটি মঞ্চস্থ হয়। সেখানে মঞ্চায়নের পর বেশ প্রশংসিত হয় বীরাঙ্গনা। মনোনীত হয় ইংল্যান্ডের দ্য অফ ওয়েস্ট অ্যান্ড থিয়েটার অ্যাওয়ার্ডের জন্য।
বীরাঙ্গনা নাটকটি রচনা করেছেন সামিনা লুত্ফা ও লীসা গাজী। রচনার পাশাপাশি এতে অভিনয়ও করেছেন লীসা গাজী। সঙ্গে থাকবেন অমিথ রহমান। নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন ফিলিজ ওজজান। নাটকের সংগীতায়োজনে রয়েছেন আহসান রেজা খান। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সোহিনী আলম।

 

মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৪ হলেন সাউথ আফ্রিকার রোলেন স্ট্রাউস

অপরাজিতা ডেস্কঃ এবার বিশ্ব সুন্দরীদের মধ্য থেকে মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৪ এর সেরার মুকুট মাথায় পরলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রোলেনে স্ট্রাউস। লন্ডনের স্থানীয় সময় রবিবার সন্ধ্যায় গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে সেরা পাঁচের চারজনকে টপকে জয়ী হন তিনি। গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড ফিলিপাইনের সুন্দরী মেগান ইয়ং তাকে মুকুট পরিয়ে দেন।
রোলেনে স্ট্রাউস এবার ১২১ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব লাভ করেছেন। প্রতিযোগিতায় রানার আপ হয়েছেন হাঙ্গেরির এডিনা ক‍ল্কজার এবং তৃতীয় হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুন্দরী এলিজাবেথ সাফরিট।
মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৪ এর টপ পাঁচে ছিলেন : হাঙ্গেরির এডিন কুল্কজার, অস্ট্রেলিয়ার কোর্টনি থর্প, দক্ষিণ আফ্রিকা রোলেনে স্ট্রাউস, যুক্তরাষ্ট্রের এলিজাবেথ সাফরিট এবং ইংল্যান্ডের কারিনা টাইরেল। তবে মালয়েশিয়ার তরুণী দেওয়ি লায়ানা সেরিয়েস্থা দর্শক ভোটে সরাসরি সেরা ছয়-এ স্থান করে নিয়েছেন।
এদিকে সেমিফাইনালে শীর্ষে থাকলেও টপ পাঁচ থেকে বাদ পড়েন এবারের মিস ওয়ার্ল্ডে অংশ নেওয়া ভারতের প্রতিযোগী কোয়েল রানা। তবে ‘বিউটি উইথ এ পারপাজ’ এবং ‘ওয়ার্ল্ড ফ্যাশন ডিজাইনার অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছেন এই ভারতীয় সুন্দরী।

অনলাইন টিভি চ্যানেল ‘পপকর্ন লাইভের’ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার শুরু

আজ থেকে পরীক্ষামূলক সম্প্রচার শুরু করছে বিনোদনভিত্তিক অনলাইন টিভি চ্যানেল পপকর্ন লাইভ।www.popcornlive.tv তে গিয়ে কম্পিউটার, আইপ্যাড, ট্যাবসহ যেকোনো স্মার্টফোন থেকে দেখা যাবে এই চ্যানেলের অনুষ্ঠান।
পপকর্ন লাইভের অন্যতম উদ্যেক্তা নির্মাতা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘খুব শিগগির আমরা পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচারে যাব। এটি পুরোপুরি একটি বিনোদনভিত্তিক চ্যানেল হবে। অনলাইন ব্যবহারকারীদের উপযোগী করে আমরা সব অনুষ্ঠান সাজাচ্ছি।’
রনি জানান, অনলাইন স্ট্রিমিংয়ের পাশাপাশি এখানে আর্কাইভের ব্যবস্থাও থাকবে।
www.popcornlive.tv তে প্রচারিত শুভেচ্ছাবার্তায় অভিনেতা সাজু খাদেম বলেন, ‘বিনোদনজগৎকে ঘিরে আমাদের যেই প্রত্যাশা অপূর্ণ ছিল, আশা করছি পপকর্ন লাইভের মাধ্যমে তার কিছুটা হলেও পূরণ হবে।’ অভিনেত্রী জেনি বলেছেন, ‘আমরা যারা বিজ্ঞাপন ছাড়া টিভি দেখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি, তাদের জন্য অনেক ভালো একটি প্ল্যাটফর্ম হতে পারে পপকর্ন লাইভ টিভি।’
পপকর্ন লাইভের অনুষ্ঠানের মধ্যে থাকবে নতুন টিভি ধারাবাহিক, সালমান শো, কমেডি শো মিস্টার মিসফিট, মিউজিক প্রোগ্রাম আন্ডারগ্রাউন্ড লেভেল ৬ ইত্যাদি।