banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

গর্ভাবস্থায় মায়েদের যে খাবার গুলো এড়িয়ে চলা ভালো

file45878597_dc8668fc

গর্ভাবস্থায় নারীদের অনেক নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। এর মধ্যে খাবারের দিকে নজর দিতে হয় বেশি। কারণ এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো গর্ভবতী মায়েদের একেবারেই খাওয়া উচিত নয়। কারণ এই খাবারগুলোই গর্ভপাতের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। জেনে নিন এমন কিছু খাবার সম্পর্কে।

১. গর্ভবতী মায়েদের তাদের গর্ভধারণের প্রথম তিন মাসে আনারস একেবারেই খাওয়া উচিত নয়। আনারসে ‘ব্রোমেলাইন’ নামের এক ধরণের উপাদান থাকে। এটি মায়ের ডায়েরিয়া, এলার্জি থেকে শুরু করে গর্ভপাতের কারণও হতে পারে। তাই গর্ভকালীন সময়ে এই ফল খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেয়া উচিত।

২. অত্যাধিক ক্যাফেইন মায়ের হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়াও এটি অনিদ্রাও মাথা ব্যথার উদ্রেক করতে পারে। এর ফলে প্রিম্যাচিওর বেবি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেক সময় ক্যাফেইনের কারণে গর্ভপাতও হতে পারে।

৩. চিকিৎসকেরা গর্ভধারণের প্রথম দিকে আনারসের পাশাপাশি কাঁচা পেঁপে খেতেও নিষেধ করেন। কারণ এতে বিভিন্ন রকমের এনজাইম থাকে যা গর্ভপাতের সহায়ক।

৪. গর্ভকালীন সময়ে পনির জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। এতে বিভিন্ন রকমের ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলোও গর্ভপাত ঘটাতে পারে।

সূত্র : ইন্টারনেট

নারীর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

130919_AMIN_IN_HEALTH

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনে সহায়তা করে। শুধু তাই নয়, রোগ থাকলে তা আগেই ধরা পড়ে এবং চিকিৎসা সহজ হয়। ১৮ বছর বয়স থেকেই একজন নারীর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত। বিস্তারিত জানিয়েছেন ডাক্তার রেজাউল করিম কাজল।

রক্তচাপ পরীক্ষা

১৮ থেকে ৩৯ বছর পর্যন্ত প্রতি দুই বছর পর পর একজন নারীর রক্তচাপ মাপা উচিত। যাঁদের পরিবারে উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের ইতিহাস আছে, তাঁরা এ ব্যাপারে আরো সতর্ক থাকা জরুরি। আর যাঁরা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, তাঁদের উচিত চিকিৎসকের পরামর্শমতো রক্তচাপ মাপা। আর ৪০ থেকে ৬৪ বছর বয়স হলে প্রতিবছর একবার রক্তচাপ মাপতে হবে।

রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা পঁয়তাল্লিশোর্ধ নারীর প্রতিবছর একবার করে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা দেখে নেওয়া উচিত।

ডায়াবেটিস পরীক্ষা

যদি রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে, তাহলে ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে প্রতি তিন বছর পর পর এবং চল্লিশের পরে প্রতি দুই বছর পর পর রক্তের সুগার বা ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা উচিত।

দাঁতের চেকআপ

যেকোনো বয়সের নারীর প্রতিবছর দাঁত ও মাড়ির পরীক্ষা করা দরকার। এতে দাঁতের বিভিন্ন রোগ, মুখগহ্বর, জিহ্বার ক্যান্সারের লক্ষণ অনেক আগেই ধরা পড়তে পারে।

দৃষ্টিশক্তির পরীক্ষা

২০ থেকে ৪০ বছরের একজন নারীর প্রতি দুই বছর পর পর চোখের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা দরকার। চল্লিশের পরে সাধারণত প্রতিবছর দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

শৈশবে সরকার প্রদত্ত সব টিকা অবশ্যই নিতে হবে। মেয়েদের জন্য বিশেষভাবে দুটি টিকা অপরিহার্য। একটি রুবেলা অন্যটি সারভাইক্যাল ক্যান্সার। এ দুটি টিকা বয়ঃসন্ধিকালে নিলে ভালো। অন্যদিকে অধিক বয়সে অন্ত্র বা কোলন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি রোগ দেখা দেয়। এসব রোগের জন্য নিয়মিত কোনো পরীক্ষা করতে বলা হয় না। শুধু যাঁদের বংশে এসব রোগের ইতিহাস আছে বা যাঁরা এসব রোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ তাঁদেরই বিশেষ কিছু পরীক্ষা করতে চিকিৎসক পরামর্শ দেন। অন্যদিকে যাঁরা দীর্ঘমেয়াদি অসুখ যেমন- ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, কিডনিজনিত সমস্যা, লিভার রোগে ভুগছেন, তাঁদের চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক করবেন।

দেশের ৪০ শতাংশ শিশু কম ওজন ও অপুষ্টিতে ভুগছে!

Poverty_7678

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এমডিজি) অনেক সূচকেই এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে শিশুর অপুষ্টি ও ওজনহীনতার চিত্র কাক্সিক্ষত নয় বলে মনে করছে সরকার। মা ও শিশুপুষ্টি নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত এক মানচিত্র থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

মানচিত্র অনুসারে, বান্দরবান জেলায় সবচেয়ে বেশি পুষ্টিহীন শিশুর বসবাস। ফলে জেলার ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু বেটে। সিলেটের সুনামগঞ্জে ৪০ দশমিক ৯ শতাংশ শিশু কম ওজনের। যা অন্যান্য জেলার তুলনায় সর্বোচ্চ। শিশুপুষ্টি নিশ্চিত করতে সম্পদের সুষম বণ্টন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রকাশিত ম্যাপ সহায়ক হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ ম্যাপ প্রকাশ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সুরাইয়া বেগম। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল সভাপতিত্ব করেন।
পুষ্টিহীনতার কারণে বেটে শিশুর হার সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বান্দরবান জেলায়। এ হার ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ।

পাশাপাশি কম ওজনের শিশুর ক্ষেত্রে খারাপ অবস্থায় রয়েছে সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলা। এ হার ৪০ দশমিক ৯ শতাংশ। তবে অপুষ্টি ও কম ওজনের ক্ষেত্রে ভালো অবস্থানে রয়েছে ঢাকা জেলা। চাইল্ড অ্যান্ড মাদার নিউট্রিশন সার্ভের (সিএমএনএস) ফলাফলের ভিত্তিতে অপুষ্টিসংক্রান্ত ম্যাপে এ চিত্র উঠে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), ওয়ার্ল্ডফুড প্রোগ্রাম এবং ইফাদ যৌথভাবে পুষ্টিম্যাপ প্রকাশ করেছে।
এমএ মান্নান বলেন, এসব তথ্য কোনো সমস্যার সমাধান নয়। তবে সমাধানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যেসব এলাকায় পুষ্টির অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে সেসব এলাকায় বরাদ্দ বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হবে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে পুষ্টি সমস্যা সমাধান করা যাবে। তিনি জানান, ২ দশক আগে দেশে অপুষ্টির হার ছিল ৭০ শতাংশ। কিন্তু এখন সেটি ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে। তারপরও এটি সন্তোষজনক নয়। তিনি আরও বলেন, এমডিজির অনেক লক্ষ্যই যখন পূরনের পথে তখন অপুষ্টি ও কম ওজনের শিশুর এ চিত্র কাক্সিক্ষত নয়। তারপরও বলব এ চিত্র ঠিক হলে বিষয়টির প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে।

ম্যাপ অনুযায়ী দেখা যায়, বেটে শিশুর ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগের সর্বোচ্চ ভোলা জেলায় ৪২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং সর্বনিু ঝালকাঠি জেলায় ৩৭ শতাংশ। চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবান জেলায় সর্বোচ্চ ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ (জাতীয়ভাবেও সর্বোচ্চ) এবং সর্বনিু চাঁদপুর জেলায় ৪০ দশমিক ১ শতাংশ। ঢাকা বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ কিশোরগঞ্জ জেলায় ৪৪ দশমিক ৩ শতাংশ। খুলনা বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ কুষ্টিয়া জেলায় ৪১ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সর্বনিু ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ।
রাজশাহী বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ সিরাজগঞ্জ জেলায় ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং সর্বনিু ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ। রংপুর বিভাগে সর্বোচ্চ নীলফামারী জেলায় ৪৩ দশমিক ৩ শতাংশ এবং সর্বনিু পঞ্চগড় জেলায় ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ। সিলেট বিভাগে সর্বোচ্চ সুনামগঞ্জ জেলায় ৪৬ দশমিক ১ শতাংশ এবং সর্বনিু মৌলভীবাজারে ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

কম ওজনের শিশুর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে বেশি কম ওজনের শিশু রয়েছে ভোলা জেলায়, এ হার ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ। সবচেয়ে কম রয়েছে ঝালকাঠি জেলা, এ হার ২৮ দশমিক ৮ শতাংশ।
চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে বেশি লক্ষ্মীপুর জেলায় ৩৯ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম রাঙ্গামাটি জেলায় ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি নেত্রকোনা জেলায় ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ।
খুলনা বিভাগে সবচেয়ে বেশি চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৩৪ দশমিক ২ শতাংশ এবং খুলনা জেলায় সবচেয়ে কম ২৯ দশমিক ১ শতাংশ। রাজশাহী বিভাগে সবচেয়ে বেশি সিরাজগঞ্জ জেলায় ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম জয়পুরহাট জেলায় ৩০ দশমিক ১ শতাংশ। রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি কুড়িগ্রাম জেলায় ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম দিনাজপুর জেলায় ৩৩ শতাংশ।
সিলেট বিভাগে সুনামগঞ্জে সবচেয়ে বেশি ৪০ দশমিক ৯ শতাংশ (জাতীয়ভাবে সর্বোচ্চ) আর সবচেয়ে কম মৌলভীবাজার জেলায় ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুরাইয়া বেগম বলেন, আগে রংপুর অঞ্চল পিছিয়ে থাকলেও এখন সিলেট বিভাগ পুষ্টির ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এদিকে সরকারকে নজর দিতে হবে।
এমডিজির লক্ষ্য পূরণে এ ম্যাপ অনুযায়ী সম্পদের সুষম বণ্টন করতে হবে। তিনি বলেন বাস্তবতার ভিত্তিতে এ ম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে গোলাম মোস্তফা কামাল বলেন, ২০২৫-৩০ সালের মধ্যে দেশের দারিদ্র্য হার সর্বনিু পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ হার ৫ থেকে ৬ শতাংশে নিয়ে যেতে চায় সরকার।

সূত্র- যুগান্তর।

 

সবজি রাজ্যের ছালেহা

আবু আক্তার করন, মেহেরপুর : অবহেলিত নারীর জীবন সংগ্রামের দৃষ্টান্ত হতে পারেন জেলার সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের চাঁদবিল গ্রামের ছালেহা বেগম। স্বামীর অবহেলাকে তোয়াক্কা না করে উঠানের পাশে জমিতে গড়ে তুলেছেন রকমারি সবজির বাগান। এলাকাবাসী বাগানটির নাম দিয়েছে ছালেহা বেগমের জীবন্ত সবজি বাজার।

 

Shofolota-01

 

সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের চাঁদবিল গ্রামের ছালেহা বেগমের বিবাহিত জীবনের প্রথমদিকটা খারাপ ছিল না। কিন্তু ১০ বছর আগে স্বামী লিয়াকত আলী অন্যত্র বিয়ে করে বিদেশ চলে যান। এরপর ঠাঁই হয় বাবার বাড়িতে। বাবা ও ভাইদের কাছ থেকে পান একটি ছোট বাড়ি ও বাড়ি সংলগ্ন এক টুকরো জমি। ওই টুকরো জমিতে গড়ে তোলেন বিভিন্ন সবজিসহ ফলের বাগান। সবজি বিক্রি করে মাসে ৫-৬ হাজার টাকা আয় হয়। ফল বিক্রি করে বছরে আরও ২৫-৩০ হাজার টাকা আয় হয়। নিজের খরচ বাদে ওই টাকা দিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নাতনী তামান্নাকে সহায়তা করে আসছেন। এ সফলতা দেখে স্বামী তার সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে জানান।

 

Shofolota-02

 

ছালেহা খাতুন বলেন, স্বামী আমাকে ফেলে বিদেশ চলে যাওয়ার পর থেকে বাবার বাড়িতে এসে পৌনে দুই বিঘা জমির উপরে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করি। এখন এ সবজি চাষ থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে আমি চলি এবং তামান্নাকে সহযোগিতা করি। তিনি আরও বলেন, আমার বাগানের সবজি বিষমুক্ত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাহিদা। যার কারণে আমাকে সবজি বিক্রি করতে বাজারে যাওয়া লাগে না। বাড়ি থেকেই বিক্রি হয়ে যায়।

 

Shofolota-03

 

সবজি কিনতে আসা রেখা খাতুন জানান, আমরা এখান থেকে প্রতিদিন সবজি কিনে নিয়ে যাই। বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকলেও আমাদের সমস্যা হয় না। বাড়িতে কোনো মেহমান আসলে তাৎক্ষণিক নিজ হাতে সবজি তুলে নিয়ে যাই। এ ছাড়া সবজিতে কোনো প্রকার বিষ দেওয়া থাকে না, এ কারণে আমরা বিষমুক্ত সবজি খেতে পারি। আরেক প্রতিবেশী শেফালী খাতুন জানান, সালেহার সবজি বাজারটা হওয়ায় এলাকার অনেকের উপকার হয়েছে। আমাদের যখন মন চায় আমরা ইচ্ছামতো সবজি এখান থেকে কিনে নিতে পারি। আমাদের বাড়ির আঙ্গিনায় যদি এ ধরনের জমি থাকত তাহলে আমিও সবজির আবাদ করতাম। এখন গ্রামের অনেক গৃহবধূ বাড়ির আঙ্গিনায় সবজি চাষ শুরু করেছেন।

 

Shofolota-03

 

ছালেহা খাতুনের নাতনী শাহেনা আক্তার তামান্না মোবাইলে জানান, নানী প্রতি মাসে লেখাপড়ার খরচ বাবদ আড়াই হাজার টাকা দেন। তিনি জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন, এখন অনেক ভালো আছেন।

 

Shofolota-02

 

ছালেহার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে কৃষি বিভাগ। সদর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, আমরা কৃষি বিভাগ সালেহা বেগমের সবজি চাষে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছি। আমঝুপি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নের চাঁদবিল গ্রামের সালেহা বেগম নিজ উদ্যোগে তার বসত বাড়ির আঙ্গিনাসহ আশপাশে সবজি চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এটি নজিরবিহীন। আমার ইউনিয়নসহ সারা জেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে যদি একজন করে সালেহা বেগম থাকেন, তাহলে আমাদের দেশের খাদ্য ঘাটতিসহ পুষ্টিহীনতা দূর হবে।