banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

আহ! শামারুখ!!

 

Mahjabin (1)

 

নাজমা ফেরদৌসী, অপরাজিতাবিডি ডটকম : বাংলাদেশের প্রথমসারির এক দৈনিকে ডা. শামারুখকে নিয়ে শেষ পৃষ্ঠায় আজকের (১৯.১১.২০১৪) খবর ছিল “ছয়দিনেও প্রধান আসামিকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।”

 

যশোরের বর্তমান সরকার দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতানের পুত্রবধূ ডা: শামারুখ মাহজাবিন আত্মহত্যা করেছেন মর্মে তাঁর গ্রেফতারকৃত স্বামী হুমায়ুন সুলতান উল্লেখ করেছেন। আত্মহত্যা বলে প্রতিষ্ঠিত করা গেলে এই মৃত্যুর দায় হতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ রেহাই পেয়ে যায়। আর তারই মহড়া হচ্ছে এসব উক্তি। আত্মহত্যাকারী আত্মহননের জন্য নিজেই দায়ী। তখন এটির জন্য একটি অপমৃত্যুর মামলা হবে। তারপর কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে।

 

উল্লিখিত দৈনিকের ভাষ্য মতে, “মৃত্যুর একদিন আগেও চিকিৎসক শামারুখ মাহজাবিন তাঁর শ্বশুরবাড়িতে খুন হওয়ার আশংকা করে নিজের বাবাকে ফোন করেছিলেন। শামারুখের বাবা সুনির্দিষ্টভাবে একথা উল্লেখ করে হত্যা মামলা করলেও সেই বিষয়ে ওই মামলার প্রধান আসামি , শামারুখের শ্বশুর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ খান টিপু সুলতানকে জিজ্ঞাসাবাদই করেনি পুলিশ।”

 

ডা: শামারুখের স্বামী হুমায়ুন সুলতানের দাবী অনুযায়ী চিকিৎসক শামারুখ যদি আত্মহত্যাই করবে, তবে খুন হওয়ার আশংকায় তাঁর পিতাকে কেন ফোন করেছিল? এই একটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেলেই হয়তো মিলে যাবে কতটা মানসিক নির্যাতনে জর্জরিত ছিলেন মৃত্যুর নীল বেদনায় আচ্ছাদিত শামারুখ।

 

এ প্রসঙ্গে র‌্যাবের গুলিতে পা হারানো লিমনের কথা মনে পড়ছে। যাকে সন্ত্রাসী হিসেবে প্রমাণের শত চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে মিডিয়াগুলোর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায়। লিমনের প্রতি মিডিয়ার নিরবচ্ছিন্ন সহানুভূতিতে যেমন সত্য উদ্ঘাটিত হয়েছে, প্রতিষ্ঠিত হয়েছে লিমন সন্ত্রাসী নয়। তেমনি মিডিয়ার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় কি ডা: শামারুখের উপর নির্মম নির্যাতনের সত্য উদ্ঘাটিত হতে পারেনা? বেচে থাকার ন্যূনতম সহানুভূতি বঞ্চিত শামারুখ কি মরেও আমাদের সহানুভূতি পাবে না?

 

আহ! শামারুখ!! কতটা নিষ্ঠুর ছিল তোমার হত্যাকারীরা!!! হত্যাকারীদের বুকের ভেতর লালিত আদর্শ এদেরকে কতটা নিষ্ঠুর হতে শিখিয়েছে!! ইসলামতো এমন কোনো শিক্ষা মানুষকে দেয় না। যদি দুজনার দুটি পথ কখনো বেকে যায়, ফিরানো না যায়; তবে তাকে সরে যেতে কিংবা নিজে সরে গিয়ে সুযোগ করে দিতেই ইসলাম শিক্ষা দিয়েছে। ইসলামের শ্বাশত এই মানবিকতাকে প্রগতিশীলতার মোড়কে অধার্মিক হবার প্রতিযোগিতায় উপনীত হয়ে ইসলামের মানবিক শিক্ষাকে যতটুকু আমরা এড়িয়ে চলছি, নিষ্ঠুরতা আমাদের সমাজকে ততটুকু গ্রাস করে নিচ্ছে।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/নভেম্বর২০১৪.

 

 

  

দেশি কায়দায় চায়নিজ খাবার তৈরী পদ্ধতি।

Fried-Fice

ফ্রাইড রাইস

উপকরণ: বাসমতি বা পোলাওয়ের চাল আধা কেজি। ডিম ২টি। গাজর আধা কাপ। লবণ ২ চা-চামচ। গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ। পেঁয়াজ এক কাপের চারভাগের একভাগ। স্বাদ-লবণ বা টেস্টিং সল্ট চা-চামচের সিকিভাগ। পেঁয়াজকলি এক কাপের চারভাগের একভাগ। সয়া সস ১ চা-চামচ। সয়াবিন তেল ৪ টেবিল-চামচ। চিনি ২ টেবিল-চামচ।

পদ্ধতি: ভাত ঝরঝরে করে রান্না করতে হবে। গাজর এবং পেঁয়াজকলি কুচি করে নিন। ডিমে লবণ এবং গোলমরিচ দিয়ে ফেটে আলাদাভাবে ভেজে ছোট টুকরা করে নিন। বড় হাঁড়ি বা কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ এবং গাজর ভাজুন। তারপর ভাত দিয়ে একে একে বাকি সব উপকরণ দিয়ে দিন। ৮ থেকে ১০ মিনিট রান্না করে নামিয়ে ফেলুন।

P1200768চায়নিজ সবজি

উপকরণ: চালকুমড়া এক কাপের চারভাগের একভাগ। গাজর ও আলু ১টি করে। ১টি পেঁয়াজ। নিজের পছন্দমতো কাঁচামরিচ। ধনেপাতা নিজের পছন্দমতো। আদা চা-চামচের চারভাগের একভাগ। রসুন চা-চামচের চারভাগের একভাগ। লবণ স্বাদমতো। তেল ৪ টেবিল-চামচ। চিনি মিষ্টি বুঝে। গোলমরিচের গুঁড়া চা-চামচের চারভাগের একভাগ। কর্নফ্লাওয়ার ১ চা-চামচ।

পদ্ধতি: প্রথমে প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ হালকা ভাজতে হবে। এরপর চালকুমড়া, গাজর, আলু দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিন। তারপর আদা, রসুন, গোলমরিচের গুঁড়া ও লবণ দিয়ে ভাজতে থাকুন। বেশখানিকটা পানি বের হবে। পানি কিছুটা শুকিয়ে আসলে চিনি, কর্নফ্লাওয়ার, কাঁচামরিচ এবং ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

রেসিপি দিয়েছেন,নদী সিনা।

গত এক বছরে সাড়ে ৫হাজারেরও বেশি নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

 বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ‘আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস’ উদ্যাপন কমিটি ১৯৯৭ সাল থেকে ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ’ পালন করছে। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ১৯৮১ সালে লাতিন আমেরিকায় নারীদের এক সম্মেলনে ২৫ নবেম্বর ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ পালনের ঘোষণা দেয়া হয়। ১৯৯৩ সালে ভিয়েনায় বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলনে এই দিবসটিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়া হয়। জাতিসংঘ দিবসটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, কন্যাশিশু এ্যাডভোকেসি ফোরামসহ বিভিন্ন নারী সংগঠন ও মানবাধিকার সংগঠনের নানা আয়োজনে দেশব্যাপী ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ এবং ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ’ পালিত হচ্ছে। নারী নির্যাতন বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একই সঙ্গে দিবসটি পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ-২০১৪ পালন করা হবে। বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ফর দ্য এলিমিনেশন অব ভায়োলেন্স এ্যাগেইনস্ট উইমেন’ বা আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস ২০১৪ থেকে ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ’ শুরু হলো মঙ্গলবার। ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০১৪’ উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ যৌথ উদ্যোগে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সেই সঙ্গে নারী নির্যাতনবিরোধী পোস্টার, স্টিকার ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, পরিবর্তিত হচ্ছে সমাজ কাঠামো, বিকশিত হচ্ছে সভ্যতা। পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে মানুষের জীবন যাত্রায় বরং নারী শব্দটিই যেন নির্যাতন ও শোষণের প্রতিশব্দে পরিণত হয়েছে। উইকিপিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্যমতে, ২০১৪ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা অনুপাতে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ইরানের নাম আছে ধারাবাহিকভাবে বিশ্বপরিসংখ্যানে প্রথম সারিতে। এর মধ্যে পাকিস্তানের প্রতিটি প্রদেশে ৯৫% পরিবার তাদের কন্যার বিয়েতে যৌতুক দিতে বাধ্য হন। যৌতুক দিলেও নারীরা নানা অজুহাতে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে উইকিপিডিয়াতে। পাকিস্তানের পরেই নারী নির্যাতনের দেশ হিসেবে উইকিপিডিয়াতে উঠে এসেছে বাংলাাদেশের নাম। বাংলাদেশে ২০১৩ সালে ৪ হাজার ৪শ’৭ জন নারী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা গেছে বলে প্রকাশ করেছে উইকিপিডিয়া।

 

untitled-13_100063
২০১৩-২০১৪ এক বছরে বাংলাদেশে সাড়ে ৫ হাজারের বেশি নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ১৪টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তৈরি করা পরিসংখ্যানমতে, নির্যাতিত নারীদের মাত্র ২% আইনের আশ্রয় নেন। এ ছাড়া লোকলজ্জার ভয়ে নির্যাতনের কথা লুকিয়ে রাখার প্রবণতার কারণে গণমাধ্যমে অনেক খবরই প্রকাশ পায় না। প্রকৃত ঘটনার চিত্র এবং পরিসংখ্যান অনেক ভয়াবহ বলে মনে করেন মহিলা পরিষদ নেতৃবৃন্দ। ২০০৮ সালে যৌতুকের কারণে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ২শ’ ৬৯টি। ২০১২ সালে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৭শ’ ৭১টি। অর্থাৎ ২০০৮-২০১২ সালে নারী নির্যাতনের হার বেড়েছে ৪৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ধর্ষণের হার বেড়েছে ১৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘উন্নযয়ন অন্বেষণ’-এর এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে।

‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’-২০১৪ উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ‘যৌন হয়রানি, নিপীড়ন ও সকল প্রকার সহিংসতা মুক্ত শিক্ষাঙ্গন চাই’ আহ্বান জানিয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালির শুরুতে সভাপতির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আয়শা খানম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তানিয়া হক। র‌্যালিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, ঢাকা মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রীসহ মোট ৫০০ জন উপস্থিত ছিলেন। ‘নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সকল প্রকার সহিংসতার বিরুদ্ধে সমাজের বিবেক জাগ্রত হোক’ এই সেøাগানকে সামনে রেখে র‌্যালি শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের বটতলায় যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক পটগান পরিবেশন করে ‘রূপান্তর’-এর শিল্পীবৃন্দ। র‌্যালির পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, নীলক্ষেত মোড়, নিউমার্কেট এলাকা, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, আজিমপুর মোড়, আজিমপুর ভিকারুননিসা নূন স্কুল এ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও গণমানুষের মাঝে নারী নির্যাতনবিরোধী পোস্টার, স্টিকার ও লিফলেট বিলি করা হয়।নারী নির্যাতন প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এ শোভাযাত্রা বের করা হয়। এটি অপরাজেয় বাংলা থেকে শুরু হয়ে টিএসসি ঘুরে পুনরায় অপরাজেয় বাংলায় গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশা ও বয়সের শতাধিক নারী পুরুষ অংশ নেয়। 

এর আগে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ’ উপলক্ষে ১৫ দিনব্যাপী কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এক অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়। এতে উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপার্সন তানিয়া হক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আয়েশা খানম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে-শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, পটগান পরিবেশন, ছাত্র-শিক্ষক মতবিনিময় ইত্যাদি।

বখাটেদের হুমকিতে স্কুল যাওয়া বন্ধ!!

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কোমরভাঙ্গি সরকারপাড়া গ্রামে বখাটে শহীদুল ইসলামের এ্যাসিড ছোড়ার হুমকিতে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী স্কুলে যেতে পারছে না এক সপ্তাহ ধরে। তার দরিদ্র বাবা আবু বক্কর রৌমারী থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও কোন লাভ হয়নি। অজ্ঞাত কারণে তদন্তকারী কর্মকর্তা বখাটের পরিবারের পক্ষ নিয়ে স্কুলছাত্রীর পরিবারকে মীমাংসা করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে। স্কুলছাত্রীর বাবা পুলিশে অভিযোগ করায়, বখাটের পরিবার ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলছাত্রীর পরিবারের ওপর বিধিনিষেধ জারি করেছে। দিনমজুর আবু বক্করকে গ্রামের কেউ যাতে কাজে না নেয়, এমন হুমকিতে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়েছে। রৌমারী উপজেলার কোমরভাঙ্গি সরকারপাড়া গ্রামের দিনমজুর আবু বক্করের কন্যা মমতাজ খাতুন কোররভাঙ্গি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলে যাতায়াতের পথে একই গ্রামের গোলাম হোসেনের পুত্র শহীদুল ইসলাম মেয়েটির পথ আটকে নানাভাবে উত্যক্ত করে, তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ১৭ নবেম্বর ওই বখাটে ওই স্কুলছাত্রীর পথ আটকে এসিডে মুখ ঝলসে দেয়ার হুমকি দেয়। এরপর থেকে মেয়েটি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। 
কোমরভাঙ্গি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি কিন্তু ছাত্রী মমতাজ আমার কাছে আসেনি। তবে আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিব।’
দিনমজুর পিতা আবু বক্কর জানান, মেয়েটি ভয়ে স্কুলে যাচ্ছে না। থানায় অভিযোগ করলাম পুলিশও কিছু করে না। তিনি আরও বলেনÑ পুলিশে অভিযোগ করার কারণে শহীদুল ইসলামের বাবা গোলাম হোসেন, চাচা রফিকুল ইসলাম ও আবু শামা গ্রামে না থাকার হুমকি দিচ্ছে। দুইদিন থেকে গ্রামে কেউ কাজ দিচ্ছে না। বখাটে শহীদুল ইসলামের চাচা রফিকুল ইসলাম বলেন, সব মিথ্যা কথা। পুলিশ বিষয়টি মীমাংসা করতে বলেছে। রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম হাসান সরদার অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেন। ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।