banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

বিয়ের ১৫দিনের মাথায় যৌতুকের জন্য লাশ হতে হলো নববধূ কে!

856080307135211741

যৌতুকের টাকার জন্য বিয়ের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেলেন এক নববধূ। আজ রোববার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহত ওই নববধূ সুবর্ণা আক্তার (১৮)। তিনি নরসিংদী সরকারি কলেজের ২০১৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিলেন। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাহেরচর গ্রামে তাঁদের বাড়ি। সুবর্ণার স্বামীর নাম মো. ইলিয়াস (২১)। তিনি বেকার ছিলেন। ইলিয়াসের বাড়ি নরসিংদী পৌরসভা এলাকায়।

গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে সুবর্ণাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা, চাচা ও অন্য স্বজনদের উপস্থিতিতে সুবর্ণা বলেন, গতকাল টেস্ট পরীক্ষা দিতে কলেজে যাওয়ার পথে ইলিয়াস তাঁকে ফোন করেন। ফোনে ইলিয়াস যৌতুক বাবদ দুই লাখ টাকা দাবি করেন। সুবর্ণা বলেন, তাঁর বাবা কৃষক। বাবার পক্ষে দ্রুত এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকেলে বাসায় আসছি বলে ইলিয়াস মোবাইল কেটে দেন।

সুবর্ণার ভাষ্য, বাবার বাড়িতে একটি পৃথক ঘরে তিনি থাকতেন। বিকেল পাঁচটার দিকে পরীক্ষা দিয়ে কলেজ থেকে তিনি বাড়ি আসেন। ঘরে ঢোকা মাত্রই হাজির হন ইলিয়াস। ইলিয়াস তৎক্ষণাৎ টাকার কথা জানতে চান। জবাবে তিনি জানান, টাকা জোগাড় করা সম্ভব হয়নি আর বাবাকে তিনি টাকার কথা বলতে পারবেন না। ইলিয়াস তখন বলেন, টাকা না দিলে কিন্তু শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেব। সুবর্ণা বলেন, ‘ভালোবেসে বিয়ে করেছ, আবার পুড়িয়ে মারবে? তুমি চাইলে দাও।’ সঙ্গে সঙ্গেই ইলিয়াস একটি বোতলে করে নিয়ে আসা কেরোসিন সুবর্ণার গায়ে ঢেলে দেশলাই দিয়ে আগুন জ্বেলে দেন। এরপরই পালিয়ে যান।

সুবর্ণার বাবা আনোয়ার হোসেনের ভাষ্য, সুবর্ণার চিৎকার শুনে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকেরা তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসতে বললে রাত ১০টার দিকে সুবর্ণাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। তিনি আরও বলেন, কলেজে যাওয়ার পথে ইলিয়াস সুবর্ণাকে উত্ত্যক্ত করত। এতে অনেকটা অতিষ্ঠ হয়েই দুই পরিবারের সমঝোতায় ৮ নভেম্বর সুবর্ণার সঙ্গে ইলিয়াসের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কথা ছিল, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর সুবর্ণাকে তুলে দেওয়া হবে। বিয়ের সময় যৌতুকের ব্যাপারে কোনো কথা ছিল না।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট সূত্রে জানা যায়, আগুনে সুবর্ণার শরীরের ৯০ শতাংশই পুড়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তিনি মারা যান। তাঁর মরদেহ বার্ন ইউনিটের লাশঘরে রাখা হয়েছে।

বাবা আমজাদ হোসেনের দাবি, এ ব্যাপারটি তিনি রায়পুরা থানায় অবহিত করেছেন এবং থানা থেকে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় তিনি একটি মামলা করবেন।

ওয়ার্ল্ড মুসলিমাহ হলেন,তিউনিসিয়ার ফাতেমা।

untitled-8_100270_100282_0

ইন্দোনেশিয়ায় মুসলিম নারীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড মুসলিমাহ অ্যাওয়ার্ড’ প্রতিযোগিতায় তিউনিসিয়ার তরুণী ফাতমা বেন গুয়েফ্রাচ সেরা মুসলিমার (মুসলিম সুন্দরী) মুকুট জিতেছেন। পশ্চিমা বিশ্বে প্রচলিত সুন্দরী প্রতিযোগিতার পাল্টা শুধু মুসলমান নারীদের নিয়ে এ প্রতিযোগিতায় ১৮ জন ফাইনালিস্টের মধ্যে সবাইকে ছাড়িয়ে যান ২৫ বছর বয়সী এই কম্পিউটার বিজ্ঞানী।        

পুরস্কার হিসেবে তাকে দেওয়া হয় একটি সোনার ঘড়ি, সোনার ডিনার সেট ও কাবাঘরের একটি ক্ষুদ্র প্রতিকৃতি। ওয়ার্ল্ড মুসলিমাহ খেতাব জিতে উচ্ছ্বসিত তিউনিসিয়ান তরুণী ফাতমা বলেন, ‘আল্লাহর সহায়তায় আমি এতদূর এসেছি। আমার চাওয়া হলো একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র এবং সিরিয়ার মানুষের মুক্তি।’ ১৮ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগীর মধ্যে কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং ডাক্তারের মতো পেশাজীবী তরুণীরাও ছিলেন। বাংলাদেশি তরুণী তারান্নুমও ছিলেন ১৮ জনের একজন। তারান্নুম পেশায় একজন চিকিৎসক। ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী নারীদের জন্যই এ প্রতিযোগিতা উন্মুক্ত ছিল।

প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিযোগীদের সবার মাথায় ছিল স্কার্ফ। বিচারকরা শুধু চেহারা বা সৌষ্ঠব দেখেই শ্রেষ্ঠ সুন্দরী নির্বাচন করেননি। তারা কতটা নির্ভুলভাবে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করতে পারেন সে পরীক্ষাও দিতে হয়। এ ছাড়া ইসলাম এবং আধুনিক বিশ্ব সম্পর্কে তাদের জানাশোনার পরিধিও ছিল বিচার্য বিষয়।

আয়োজকদের একজন জামেয়াহ শেরিফ বলেন, ‘আমরা দেখতে চেয়েছিলাম তারা ইসলামি জীবনাচার সম্পর্কে কতটা ওয়াকিবহাল। জানতে চেয়েছি তারা কী খায়, কী পরে এবং কীভাবে জীবন কাটায়।”ওয়ার্ল্ড মুসলিমা অ্যাওয়ার্ড’ ২০১৩ সালে প্রচার মাধ্যমে স্থান পায়। প্রচলিত বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ হিসেবে তা ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত হয়।

মূলত পশ্চিমাদের মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় নারীদের বিকিনি পরিয়ে উপস্থাপন করার প্রতিবাদ হিসেবে এ প্রতিযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ব্রিটিশ প্রতিযোগী দিনা তরকিয়া বলেন, ‘আশা করি, এই প্রতিযোগিতায় পশ্চিমা বিশ্বে সুন্দরী প্রতিযোগিতার চিরাচরিত ধারণা যেমন পাল্টাবে, তেমনি ইসলাম সম্পর্কেও তাদের কুসংস্কার দূর হবে।’প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিযোগীদের অনলাইন অডিশনের মাধ্যমে শুক্রবার ফাইনালে অংশগ্রহণকারীদের চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

মেয়েদের জন্য পেশা হিসেবে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং

 1525404_1448245098730288_1597213802_n
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং! শোনা মাত্রই গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিগুলোর ভারী ভারী যন্ত্রের কথা মাথায় চলে আসতে পারে অনেকেরই। আর অ্যাডমিশন টেস্টের সময়টাতে এই ইউনিভার্সিটি-সেই ইউনিভার্সিটি-এই সাবজেক্ট-সেই সাবজেক্টের হাতছানিতে দ্বিধায় পড়ে যায় ছেলেমেয়েরা। মেয়েদের মধ্যে যারা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং-কে ক্যারিয়ার সূচনার মূলমন্ত্র হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী তাদের চোখেমুখে যেন কনফিউশনের ছাপটা একটু বেশিই লেগে থাকে! সত্যি কথা বলতে কি, সব ইঞ্জিনিয়ারিং-ই মেয়েদের জন্য একটু টাফতো বটেই। তাই বলে কি মেয়েরা ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়বে না? নাকি পড়ছেনা?? মেয়ে বলে পিছিয়ে পড়লে চলবে কেন?

অন্য ইঞ্জিনিয়ারিং যদি পড়তে পারো তবে নির্দ্বিধায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংও পড়তে পারবে। তোমার মেধা আর মনোবলটাই আসল, আর কিছুনা। তাছাড়া আগের তুলনায় এখন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মেয়েদের সংখ্যা চোখে পড়ার মত। টেক্সটাইলে পড়তে আসবে কিন্তু মেয়ে বলে ভয় পাচ্ছো? জেনে নাও টেক্সটাইল সেক্টরে সফল মেয়েদের কিছু কথা।
 
আজিজা রহমান। বাংলাদেশের প্রথম মেয়ে টেক্সটাইল প্রযুক্তিবিদ। তিনি ছিলেন বগুড়ার মেয়ে। ১৯৮১-৮২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কলেজ অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি হতে টেক্সটাইল প্রযুক্তিতে ৪ বছর মেয়াদী ডিগ্রী কোর্সে শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের উপমহাব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছেন।
 
ড. হোসনে আরা বেগম। বুটেক্সের একজন সহকারী অধ্যাপিকা এবং ইয়ার্ন ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের প্রধান। কলেজ অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি থেকে পড়াশুনা করেছেন।  ITETএর একজন নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট তিনি।
 
তারান্নুম আফরীন। বুটেক্সের গর্ব। শৈশবের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন ঢাকার মগবাজারে। পেশা হিসেবে তার প্রিয় কাজটি হচ্ছে গবেষণা। গান এবং বিতর্ক করতে পছন্দ করেন। ১৬তম জাতীয় টেলিভিশন বিতর্কে প্রথম হয়েছিলেন টেক্সটাইল কলেজে পড়ার সময়। বর্তমানে পি.এইচ.ডি. করছেন অস্ট্রেলিয়ার Deakin বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার গবেষণার বিষয় ”বাঁশের আঁশের প্রস্তুতির পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি উদ্ভাবন ও এর বহুমুখী ব্যবহার”। টেক্সটাইল বিশ্বে তার এই গবেষণা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং প্রকাশ পেয়েছে বেশ কয়েকটি প্রচার মাধ্যমে।
 
আরো উদাহরণের কি দরকার আছে? মনে হয় না। টেক্সটাইল থেকে পড়াশুনা করে যে মিল-ফ্যাক্টরিতেই কাজ করতে হবে এমন কোন কথা নেই। ইউনিভার্সিটি লেকচারার হতে পারো, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট সেক্টরে কাজ করতে পারো, কর্পোরেট জব করতে পারো, এমনকি নিজেই হয়ে যেতে পারো একজন উদ্যোক্তা! আর একটা কথা মাথায় রেখো, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়লে কর্মক্ষেত্র হিসেবে শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র বিশ্ব রয়েছে তোমার সামনে।
 
 
টেক্সটাইল সেক্টরকে বলা হয় বাংলাদেশের ”সোনার ডিম পাড়া হাঁস”। বিগত সময়ের রাজনৈতিক ডামাডোল আর একটার পর একটা দূর্ঘটনার কারণে আমাদের টেক্সটাইল সেক্টর কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ঠিকই তবে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখা মোটেই অসম্ভব কিছুনা। আর টেক্সটাইল শিল্প এমন একটি শিল্প যার ধ্বংস নেই। এখানে ধ্বংস হলে তা অন্য জায়গায় গড়ে উঠবে, উঠবেই। ইতোমধ্যে মায়ানমার, ভিয়েতনাম, জাপান, কোরিয়া সহ আরো অনেক দেশ টেক্সটাইল শিল্প নিয়ে জোরেসোরেই কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে।
 
সুতরাং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়বে কি না তা নিয়ে দ্বিধায় থাকলে এখনি তা ঝেড়ে ফেলো আর হয়ে যাও টেক্সটাইল বিশ্বের একজন গর্বিত সদস্য। আমাদের জগতে স্বাগতম, অনেক শুভকামনা রইলো ।
 
লিখেছেন- তনিমা রহমান,৩৯তম ব্যাচ,বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়।

রাজধানীর দৃক গ্যালারীতে শুরু হতে যাচ্ছে 'বিবাহ উৎসবঃসেশন-২'

10486239_580197762112986_9025239225348547020_o

বিয়ে শব্দটা খুব ছোট হলেও বিশাল এক পরিসরে বাঁধা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ের নাম। দু’জন মানুষের চলার নতুন পথের সাথে সূচনা হয়,অনেক গুলো মানুষের আবেগ-অনুভূতির বন্ধন। আর তাই,বিয়ের অনুষ্ঠান মানেই হচ্ছে,নতুন জীবনের স্বপ্নিল সূচনা,এবং আনন্দ-উৎসবে মুখরিত অনেক গুলো মনের আনাগোনা। দিন বদলের সাথে সাথে বদলেছে বিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা,আয়োজন,যুক্ত হয়েছে অনেক অনেক নতুন কিছু মাধ্যম। যা বিয়ের অনুষ্ঠান কে করে তুলে আরো বেশি উৎসব মুখর ও আনন্দময়।

আর সেই উৎসব এবং আনন্দ কে আরেকটু নতুন আঙ্গিকে,স্বপ্নের সহজ বাস্তবায়োনের পথ টা কে আরো বর্ণিল করতে রাজধানীতে শুরু হতে যাচ্ছে, ‘বিবাহ উৎসবঃসেশন-২’।

ধানমন্ডির দৃক গ্যালারীতে আগামী ২৮-৩০ নভেম্বর শুরু হতে যাওয়া এই উৎসবের আয়োজন করেছে,জনপ্রিয় ফটোগ্রাফি এন্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা, ‘ড্রিম ওয়েভার’ এবং ‘শাহজাহান ওয়েডিং প্ল্যানার এন্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’। উৎসবে থাকছে,বিয়ের অনুষ্ঠানের ফটোগ্রাফি,স্টেজ ডেকোরেশন,গ্রুম-ব্রাইডাল এক্সক্লুসিভ ডিজাইনার ড্রেস কালেকশন,ব্রাইডাল মেকওভার,মেহেদি ডিজাইন,এন্টারটেইনমেন্ট সহ বিয়ের আয়োজনের উল্লেখযোগ্য সব দিকের আয়োজনের খুঁটিনাটি।

উৎসব চলবে প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। উৎসবটির স্পন্সর হিসেবে রয়েছে, আরটিভি,জাহিদ খান মেকওভার,শো স্টোপার,আযাদ প্রোডাক্টস সহ অনেক গুলো সংস্থা।