banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

'অ্যাডভেঞ্চারার অফ দ্যা ইয়ার' তালিকাভূক্ত হলেন,বাংলাদেশী নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন

wasfia-nazreen-mount-everest-winning-amazing-history-pic10

অপরাজিতা ডেস্কঃ ১৯৫৩ সালের মে মাসের ২৯ তারিখে হিমালয়ের এই পর্বতশৃঙ্গে প্রথম পদচিহ্ন পড়েছিল নিউজিল্যান্ডের স্যার অ্যাডমন্ড হিলারি এবং নেপালের শেরপা তেনজিংয়ের। প্রথম মানব পদচিহ্ন পড়ার পর দীর্ঘদিন চলে গেছে। অনেকেই হিলারি আর তেনজিংয়ের পথ ধরে সেখানে পৌঁছেছেন।

কিন্তু বাংলাদেশ হিমালয়ের কাছাকাছি দেশ হওয়ার পরও বাঙালির কাছে হিমালয় চূড়ায় পৌঁছানোটা ছিল স্বপ্নের মতো। সেই স্বপ্নই প্রথম পূরণ করেন বাংলাদেশের তরুণ মুসা ইব্রাহীম। তিনি সেখানে গিয়েছিলেন ২০১০ সালের মে মাসে। দ্বিতীয় আরোহণকারী এম এ মুহিত গিয়েছিলেন পরের বছর অর্থাৎ ২০১১ সালের ২৩ মে। ২০১২ সালের ১৯ মে নিশাত মজুমদারের এবং সর্বশেষ ওয়াসফিয়া নাজরীন ২০১৩ সালের ২৬ মার্চ সর্বকনিষ্ঠ বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট চূড়া জয় করেন। 

এভাবেই শুরু হয়েছিলো ওয়াসফিয়ার পর্বত যাত্রার স্বর্নাজ্জ্বল অধ্যায়,যার ই ধারাবাহিকতায় ওয়াসফিয়া একে একে আরোহন করেছেন, ”সেভেন সামিট” এর পাঁচ টি চূড়ায়।  

মাউন্ট এভারেষ্ট,কিলিমানজারো,অ্যাকোনকাগুয়া,ভিনসন ম্যাসিফ,মাউন্ট এলব্রুস এই ৫টি পর্বত আরোহনের পর ওয়াসফিয়া পৌছে গেলেন আন্তর্জাতিক চ্যানেল ন্যাশনাল জিওগ্রাফির ‘অ্যাডভেঞ্চারার অফ দ্যা ইয়ার’ এর তালিকায়। 

ন্যাশনাল জিওগ্রাফী প্রতি বছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১০ জন অভিযাত্রীকে এ সম্মাননা দিয়ে থাকে। সাইটে জানানো হয়, ওয়াসফিয়া তার অভিযানের মধ্য দিয়ে নারীর ক্ষমতায়নের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলেছেন তারই স্বীকৃতি স্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়া হলো।

wasfia nazreen

এ দিকে এ ধরনের কাজের জন্য পিপলস চয়েস অ্যাওয়ার্ডও দিয়ে থাকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি। ভোট দেওয়ার লিংক- http://on.natgeo.com/1E8oMz3। এ পুরস্কার ঘোষণা হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে। এভারেস্টের পর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে বড় পর্বত মাউন্ট দেনালিও জয় করেন ওয়াসফিয়া।

ওয়াসফিয়া নাজরীন হচ্ছেন বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বয়স্ক এভারেস্ট জয়ী মহিলা তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৯। ওয়াসফিয়া প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশী মহিলা যিনি হিমালয়ের বাইরে সর্বোচ্চ পর্বত আফ্রিকার একনকাগুয়া জয় করেন। তিনি একই সঙ্গে এন্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ভিনসনে আরোহণ করেন। ওয়াসফিয়া নাজরীন ১৯৮২ সালের ২৭ অক্টোবর ঢাকাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস ফেনীতে। ওয়াসফিয়া নাজরীনের পিতার নাম নাজসি জামান চৌধুরী এবং মা মালিহা চৌধুরী। তিন সন্তানের মধ্যে একমাত্র মেয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন। ওয়াসফিয়ার মা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। বাবা বাংলাদেশের মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফরএভার লিভিং প্রডাক্টসের কান্ট্রি হেড। ওয়াসফিয়ার শৈশব-কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামে। ছোটবেলা থেকেই কিছুটা ডানপিটে স্বভাবের মেয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন। বাবা-মার আদরে কোনো কিছুতেই বাধা পাননি তিনি।  ঢাকার স্কলাসটিকা স্কুল থেকে ও এবং এ লেভেল সম্পন্ন করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।

২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় এগনেস স্কট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান ওয়াসফিয়া। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ওয়াসফিয়া যান স্কটল্যান্ডে। পড়ার বিষয় সামাজিক মনোবিজ্ঞান আর স্টুডিও আর্ট। পেশায় তিনি একটি এনজিওর উন্নয়ন কর্মী, কিন্তু নেশা তার পর্বতারোহণ। তাই চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি নিজের উদ্যোগে গড়ে তোলেন ‘বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট’ নামে একটি ফাউন্ডেশন। সেই থেকেই চলছে পর্বত অভিযান।

একজন নারী হিসেবে পর্বত আরোহী হওয়াটা ওয়াসফিয়ার জন্য খুব যে সহজ ছিলো তা না,আর্থিক অসুবিধা সহ,নানান রকমের সমস্যার মুখোমুখি তাকে হতে হয়েছে। কিন্তু ওয়াসফিয়া কোন বাঁধার লাছেই হার মানেননি,ওয়াসফিয়া তার অদোম্য উৎসাহ,সাহস এবং আত্নবিশ্বাস এর মাধ্যমে পেরেছেন আজ নিজেকে একজন নারী হিসেবে,এবং একজন বাংলাদেশী হিসেবে সারা বিশ্বের কাছে নিজের পরিচয় প্রতিষ্ঠিত করতে,পেরেছেন পৃথিবীর শত কোটি মানুষের জন্য,এই দেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরনীয়,অনুপ্রেরণা হতে।

ওয়াসফিয়া নাজরীন আজ এমন একটি নাম,যা সাহস,কোন বাঁধার কাছেই হার না মেনে এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক। আর তাই প্রবল আশা,এবং বিশ্বাস এর সাথে আমরা বলতে পারি, ওয়াসফিয়া হবেন এবারের ‘অ্যাডভেঞ্চারার অফ দ্যা ইয়ার’ এবং ‘সেভেন সামিট’ জয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী। 

অনেক অনেক শুভকামনা রইলো,ওয়াসফিয়া নাজরীনের জন্য।   

 

চুল নিয়ে কিছু সমস্যার চট জলদি সমাধান

2012-09-24-17-31-08-506098dc5ac10-27

চুল সামলানো সহজ নয়। পশ্চিমা ফ্যাশনে তো ‘ব্যাড হেয়ার ডে’ নামে রীতিমতো প্রবাদই চালু আছে। যেদিন চুলের স্টাইলটা ঠিকঠাক হয় না, সেদিন যেন কোনো কিছুই মনের মতো হয় না। তবে এমন দিনের হ্যাপা যাতে আপনাকে পোহাতে না হয়, সে জন্য রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি ও তানজিমা শারমীন দিয়েছেন কিছু পরামর্শ।

সকালে অফিস আবার বিকেলে বন্ধুর বাড়ির নিমন্ত্রণ, মাঝখানে হয়তো আর আলাদা করে সময় নেই বিশেষভাবে চুলের যত্ন নেওয়ার। বাইরের ধুলাবালি আর রোদে এরই মধ্যে দেখলেন নেতিয়ে পড়েছে চুলগুলো। এ অবস্থায় অফিস থেকে বের হওয়ার আগে  হালকা পানি দিয়ে চুল ভিজিয়ে মুজ লাগাতে পারেন।

সাজগোজের পর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখলেন চুলের আগা ফাটা মনে হচ্ছে। এবারও চুলগুলোকে একটু ভিজিয়ে নিয়ে রোলার চিরুনি দিয়ে ঘুরিয়ে আঁচড়ান; যাতে আগা ফেটে যাওয়া চুলগুলো ভেতরে ঢুকে যায়। 

পাকা চুল নিয়ে কমবেশি সবাইকে সমস্যায় পড়তে হয়। পাকা চুলগুলোকে ঢাকতে ব্যবহার করতে পারেন স্প্রে কালার। এদিকে শ্যাম্পু করার পরও নেতিয়ে থাকে অনেকের চুল। সে ক্ষেত্রে হালকা করে লিভন বা এ ধরনের কোনো কন্ডিশনার লাগিয়ে আয়রন করে নিতে পারেন চুলগুলো।

তবে আয়রন করা যদি সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে চুলগুলোকে উল্টো করে আঁচড়ে নিয়ে ট্যালকম পাউডার লাগানোর পরামর্শ দিলেন রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমীন। পাউডার লাগানো শেষে তোয়ালে দিয়ে ভালো করে চুলগুলো মুছে নিন। খেয়াল রাখবেন, পাউডার যেন চুলের গোড়ায় লেগে না থাকে। এতে চুলের গোড়ার ঘাম বের হতে না পেরে ফুসকুড়ি উঠতে পারে।

অনেকেরই সামনের চুলগুলো বেশ পাতলা থাকার কারণে মাথার তালু দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে সামনের চুলগুলোকে চিরুনি দিয়ে হালকা পাফ করে নিন। আর যদি সম্ভব হয় তা হলে চুল কাটার সময় ভেতরের দিকে একটু বেশি করে লেয়ার কাট দিয়ে ফুলিয়ে দিতে পারেন। অনেকে কালো আইশ্যাডো বা হালকা কাজলের টান দিয়েও মাথার তালু ঢেকে দেন।

সামনের দিকে চুলগুলো হয়তো ছোট করে ছাঁটলেন, কিন্তু সেই চুলগুলোই চোখে-কপালে পড়ে বিরক্তির কারণ হয়ে উঠছে। গোসল করার পরপরই সামনের চুলগুলোকে গোল করে পেঁচিয়ে ক্লিপ আটকে নিন। বাইরে বের হওয়ার আগে ক্লিপগুলো খুলে নেওয়ার পর দেখুন কী সুন্দর ঢেউ খেলানো হয়ে কপালে এক দিকে পড়ে আছে চুলগুলো।

 বিউটি পারলার থেকে চুল বেঁধে এলে সেটা খোলা বেশ কঠিন হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে হাতে তেল নিয়ে হালকাভাবে আঙুল দিয়ে ছাড়িয়ে নিন চুলগুলোকে।

অনেক সময় বাইরে বের হওয়ার আগে হয়তো চুলগুলো ঠিকমতো শুকানোর সময় হয় না। সে সময় চুলগুলোকে হালকা পাঞ্চ করে বেঁধে নিন। তারপর গন্তব্যস্থলে পৌঁছে মোটা দাঁতের চিরুনি বা আঙুল দিয়ে বারবার আঁচড়ে নিন।

এদিকে যাঁদের কোঁকড়া চুল, তাঁদের জন্যও রূপবিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, এ ধরনের চুলে বের হওয়ার আগে হালকা পানি দিয়ে আঙুল চালিয়ে নিতে হবে। এতে করে যেভাবে রাখতে চাইবেন, ঠিক সেভাবেই থাকবে আপনার চুলগুলো।

সূত্র-নকশা।

৪র্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু কে ধর্ষন

শৈলকুপা থানার ওসি ছগির মিঞা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কাঁচেরকোল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মেয়েটি (পরিচয় প্রকাশ করা হলো না) স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে।

ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় সাইদুল মোল্লা ওরফে টিক্কা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মেয়েটির বড় ভাই থানায় একটি মামলা করেছেন।

ওসি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর হতদরিদ্র পরিবারের দুই বোন রান্না ঘরে শুয়েছিল। রাতে টিক্কা বাড়িতে ঢুকে অস্ত্র ধরে ছোট বোনটিকে পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে।

গভীর রাতে কাঁচেরকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন জোয়ার্দ্দার পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করলেও পালিয়ে যায় টিক্কা।

মামলার আসামি টিক্কাকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত পুলিশ আটক করতে পারেনি বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা ছগির।

২ শিশু কে ধর্ষনের চেষ্টা! মা গুরুত্বর আহত

Dorson

বরগুনার তালতলী উপজেলায় গত শুক্রবার রাতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষার্থী এক রাখাইন শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছে তিন বখাটে যুবক। এতে বাধা দেওয়ায় ওই শিশু ও তার মাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে তারা। ঘটনার পর দুজনকেই আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
একই দিন গোপালগঞ্জে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে হিরু মোল্লা (৩২) নামের এক বাসচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অসুস্থ ওই শিশুকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আদিবাসী শিশুর পরিবার সূত্র জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে তালতলীর একটি গ্রামে মং চুং ম্যান, লা ওয়ে মং ও অ উ চান নামের তিন রাখাইন যুবক মাতাল হয়ে কবিরাজপাড়া গ্রামে এসে শিশুটির ঘরে ঢোকে। একপর্যায়ে শিশুটিকে তারা ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় প্রচণ্ড মারধর করে শিশুটির কাপড়চোপড় ছিঁড়ে ফেলে তারা। শিশুটির চিৎকার শুনে তার মা এগিয়ে এলে বখাটে যুবকেরা তাঁকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায়।
শিশুটির মা জানান, ওই দিন সন্ধ্যায় তিন যুবক হঠাৎ ঘরে ঢুকে তাঁর মেয়ের ওপর হামলে পড়ে। এ সময় তিন যুবক মিলে মারধর করতে থাকলে শিশুটি চিৎকার শুনে তিনি ছুটে আসেন। তিনি মেয়েকে রক্ষার জন্য এগিয়ে এলে তাঁর ওপরও হামলা চালায় যুবকেরা। প্রচণ্ড মারধরের কারণে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়ে। প্রথমে এক গ্রাম্য চিকিৎসকের বাড়িতে দুজনের চিকিৎসা করানো হয়। শিশুটির অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতে দুজনকেই তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানান্তরের পরামর্শ দিলে রাত একটার দিকে পুলিশ প্রহরায় দুজনকেই সেখানে ভর্তি করা হয়।
শিশুটির বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, এখন তাঁর মেয়ের যে অবস্থা, তাতে কোনোক্রমেই মেয়েটি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ইসমত আরা গতকাল শনিবার দুপুরে বলেন, ‘শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আতঙ্ক আর গুরুতর অসুস্থতার কারণে সে কথা বলতে পারছে না। আমরা অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি।’
তালতলী থানার উপপরিদর্শক মো. মাসুদ মিয়া জানান, মা ও মেয়ে দুজনই চিকিৎসাধীন থাকায় এ ঘটনায় গতকাল বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
এদিকে গোপালগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই শিশুর মা বাদী হয়ে হিরু মোল্লাকে আসামি করে শুক্রবার রাতেই গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন। শিশুটির মা বলেন, তারা এবং হিরু মোল্লা একই বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তাঁর স্বামী ঢাকায় থাকেন। শুক্রবার বিকেলে পাশের বাজারে তিনি পেঁয়াজ কিনতে যান। এ সুযোগে তাঁর মেয়েকে হিরু মোল্লা ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে (হিরু) আটক করে পুলিশে দেন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, শিশুটিকে চিকিৎসাসহ ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।