banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

নিজের সাময়িক অবর্তমানে কিভাবে সামলাবেন সংসার

2012-10-30-17-22-46-50900ce6320e0-untitled-23

ঢাকায় একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি করেন দুই সন্তানের মা আফসানা রহমান (ছদ্ম নাম)। তাঁর স্বামীও চাকরিজীবী। বড় ছেলে অরিনের বয়স সাত বছর আর ছোট অর্ণবের দুই চলছে। অফিসের কাজে মাঝেমধ্যেই তাঁকে দু-তিন দিন বা এক সপ্তাহের জন্য যেতে হয় ঢাকার বাইরে। ঘর-সন্তান সবকিছুর ব্যবস্থাপনা করে আফসানা বাইরে যান।
আফসানা বললেন, ‘আমার স্বামী সব সময় এ বিষয়ে আমাকে সহযোগিতা করেন। তবে আমার শ্বশুর-শাশুড়ি এটা খুব একটা পছন্দ করেন না।’ আফসানা বলেন, ‘যে কদিন থাকি না, আমার স্বামী প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার আগে বাচ্চাদের গোসল করিয়ে খাইয়ে দেন, স্কুলে নিয়ে যান, আবার ছোট ছেলেকে পরে কী খাওয়াতে হবে, সে বিষয়ে আমার মাকে পরামর্শ দিয়ে যান। ঢাকার বাইরে গেলে আমার মাকে বাসায় এনে রেখে যাই। কারণ ওদের বাবা যতক্ষণ অফিসে থাকবেন, ততক্ষণ আমার ছোট বাচ্চাকে দেখভাল করা, বড় ছেলেকে স্কুল থেকে নিয়ে আসা—এসব মা করে দেন।’
অফিসের কাজে প্রায়ই বাইরে যেতে হয়, এমন নারীদের স্বামীরা সহজভাবে যেমন মেনে নেন, আবার কোনো কোনো পরিবারে এ নিয়ে সমস্যার সৃষ্টিও হয়। ‘বিয়ের আগেই স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে একটা বোঝাপড়া থাকা দরকার। যেহেতু চাকরিজীবী, তাই অফিসের প্রয়োজনে দুজনকেই ট্যুরে যেতে হতে পারে। দুজনেরই উচিত আলাপ করে সে রকম মানসিকতা আগে থেকেই তৈরি করে রাখা। বিয়ের পরে সংসার, বাচ্চা রেখে ট্যুরে যাওয়া যাবে না—এসব বিষয় নিয়ে মন-কষাকষি কিংবা সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করা যাবে না। তাই বিয়ের আগে কিংবা বিয়ের পরই এ বিষয়ে দুজনকে পরিষ্কার থাকতে হবে। অফিসের কাজে বাইরে গেলে স্বামীর সহযোগিতা একজন নারীর জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার।’ বলছিলেন গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের গৃহব্যবস্থাপনা ও গৃহায়ণ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রীনাত ফওজিয়া। অফিসের প্রয়োজনে কর্মস্থলের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে ঘরের প্রতিটি বিষয় গুছিয়ে রেখে যেতে হবে। নিজেকেও গুছিয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে পরিবারের বড় কাউকে কিংবা মুরব্বি কাউকে বাসায় এনে রাখা যেতে পারে, যে কয় দিনের জন্য বাসার বাইরে থাকবেন তিনি—এমনই পরামর্শ রীনাত ফওজিয়ার।

নিজেকে গুছিয়ে নিতে হবে
অল্প কিছুদিনের জন্য কর্মস্থলের বাইরে গেলে বাক্সপেটরা যেন ভারী না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ছোট ট্রলিব্যাগ হলে সেটি বহন করা সুবিধা।
ব্যাগে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কী কী নেবেন, সেসবের একটা তালিকা আগে করে নেওয়া ভালো। টুথব্রাশ, টুথপেস্ট, পাউডার, হালকা কসমেটিকস, লিপস্টিক, আয়না, টিস্যু পেপার, সানস্ক্রিন লোশন ইত্যাদি জিনিস নিয়ে যেতে হবে; আবার ফেরার সময় তালিকা ধরে সবকিছু নিয়ে আসা যাবে।
দু-তিন দিনের জন্য বাইরে গেলে দু-তিন সেট পোশাক, রাতের পোশাক নেওয়া যেতে পারে। আবার সাত দিনের জন্য সাত সেট পোশাক লাগবে তেমন নয়। চার সেট পোশাক নিলেই চলে।
সাধারণত ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে সে কোন পোশাক পরবে না-পরবে; যেমন জিনস, প্যান্ট, কুর্তা, শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ। পোশাক পরার মধ্যে সে যেটা বেশি আরামদায়ক মনে করে, সেটা সঙ্গে করে নেবেন।
যাওয়ার আগে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে কিছু সাধারণ অসুখের ওষুধ সম্পর্কে পরামর্শ নেওয়া জরুরি। যেমন: জ্বর, ব্যথা, ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রিক, পেট ফাঁপা, মাথাব্যথা, টনসিলের ইনফেকশন—এসব অসুখের ওষুধ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী সঙ্গে নিয়ে যাওয়া উচিত। আর যদি কোনো ওষুধ নিয়মিত খেতে হয়, তবে সেটা দিন গুনে হিসাবমতো নিয়ে যেতে হবে।

ঘর গুছিয়ে রেখে যাওয়া
বাইরে যাওয়ার আগে কয়েক দিনের জন্য কিছু খাবার রান্না করে ছোট ছোট বাক্সে রেফ্রিজারেটরে রেখে যাওয়া ভালো। স্বামী বা বড় কাউকে বুঝিয়ে দেওয়া কখন কোন খাবারটা কোন বেলায় পরিবেশন করবে। একেকটা বাক্সে একবেলার পরিমাণ খাবার রান্না করে রেখে দিলে পরে খাবারটা গরম করে নিলেই চলে। বড় পাত্রে একবারের বেশি খাবার রান্না করে ফ্রিজে রাখা যাবে না।
দু-তিন বছরের ছোট বাচ্চাদের ধরে ধরে খাওয়াতে হয়। মায়ের অনুপস্থিতিতে বাবা কিংবা বাড়িতে বড় যিনি থাকবেন, তাঁকে বুঝিয়ে দিতে হবে কোন খাবার কী পরিমাণে কখন বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে। প্রয়োজনে ট্যুরে যাওয়ার আগের দিন একটা নির্দেশনা লিখে দেয়ালে বা ফ্রিজের গায়ে টাঙিয়ে দিলে ভালো হয়।
বাচ্চার বাবাকে তার দিকে অতিরিক্ত মনোযোগী হতে হবে। প্রয়োজনে বাচ্চাকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যেতে হবে।
গৃহকর্মী থাকলে তাকে রুটিন ধরে প্রতিদিনের কাজ করার কথা বলে যেতে হবে। বাড়তি কাজ যেন না করে।
প্রতিদিনের কাপড়-চোপড়, মোজা, রুমাল প্রতিদিন ধুয়ে আলমারিতে যার যার তাকে গুছিয়ে রাখতে হবে, যেন পরের দিন খুঁজলে সহজে পাওয়া যায়। এ বিষয়ে স্বামীকে জানিয়ে রাখা যেতে পারে।
স্কুলপড়ুয়া বাচ্চাদের পড়ালেখার ব্যাপারে মায়ের অবর্তমানে বাবাকে দায়িত্ব নিতে হবে। শিক্ষক থাকলে তাঁকে বলে যাওয়া এবং পড়ালেখার দিকে খেয়াল রাখা। বাচ্চাকেও বলতে হবে বাড়ির কাজ দিনেরটা দিনে শেষ করে ফেলতে হবে।

দরকার সবার সচেতনতা

 
১ অক্টোবর ২০১৪। ৩য় বারের মত পালিত হল বিশ্ব সেরিব্রাল পলসি দিবস। সেরিব্রাল পলসি এক ধরনের শারীরিক প্রতিবন্ধিতা। অনেক সময় লক্ষ্য করা যায় সচেতনতার অভাবে সেরিব্রাল পলসিকে অন্য প্রতিবন্ধিতার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়, আমাদের সকলের ভুল ধারণা না হওয়ার লক্ষ্যে নিচে সেরিব্রাল পলসি কি এবং এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করছি। মস্তিষ্কে বিশষত গুরুমষ্কি (সেরিব্রাল) অঞ্চলে কোন প্রকার পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিস হওয়াকে সেরিব্রাল পলসি (C.P.) বলে। মস্তিষ্কের গুরুমস্তিষ্কের মোটর অঞ্চলে অর্থাত্ যে অঞ্চলটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের নড়াচড়ার জন্য দায়ী, সেখানে কোন পক্ষাঘাত হলে ব্যক্তি সেরিব্রাল পলসি-তে আক্রান্ত হয়। দেখা যায় যে, শরীরিক প্রতিবন্ধীদের মধ্যে প্রায় ৩০-৪০% শিশুই সেরিব্রাল পলসিতে আক্রান্ত। 
রুদ্র (ছদ্মনাম) দশ বছরে পা দিয়েছে। সে সেরিব্রাল পলসিতে আক্রান্ত শিশু। আজকাল অনেক বেশি কান্নাকাটি, জেদ করে। যে ছেলেটি লক্স্মী, শান্ত প্রকৃতির ছিল সে হঠাত্ করেই কেন জানি বদলে যেতে শুরু করেছে। মা-বাবা তার নিজস্ব কর্মস্থলের দয়িত্ব, আরো একটি সন্তানের দেখভাল, সংসারিক কর্মকাণ্ড সবকিছু সামলাতে সামলাতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন। আর তার সাথে যদি পরিবারে একজন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু থাকে তাহলে সেই পরিবারের প্রতিদিনকার চিত্র একটু ভিন্ন রকম হবে, এটাই স্বাভাবিক। রুদ্র প্রায় সময় কাঁদতে কাঁদতে বলে ‘আমার কিছু ভাল লাগে না, আমাকে তোমরা বোঝাও আমি কেন কাঁদছি? আমার কান্না করা ঠিক হচ্ছে না’ ইত্যাদি। রুদ্র নিজ থেকে বোঝে তার কান্না করা ঠিক নয়। অথচ আমাদের মতো তথাকথিত সুস্থ মানুষেরা ওর চাহিদা ও মনকে বুঝতে চেষ্টা করি না। আমরা বড়রা অনেক সময় মনের অজান্তে বলে ফেলি ‘তুমি যদি কান্না করো তাহলে তোমাকে রেখে আমি চলে যাব’ সামান্য এই কথাটায় অনেক সময় ওদের শিশু মনে ভয়ের সৃষ্টি করে ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়। এ ধরনের অনেক ছোট ছোট ঘটনা আছে যা ওকে খুব পীড়া দেয় কিন্তু তা আমরা উপলব্ধি করি না বা বুঝতে চেষ্টা করি না, যার ফলশ্রুতিতে ওর সব কষ্টের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কান্না, জেদের মাধ্যমে।
আমাদের দেশের সমাজ কাঠামো, পরিবেশ প্রতিবন্ধী বান্ধব নয়। প্রতিবন্ধী মানুষদের অধিকার রক্ষায় আইন হয়েছে কিন্তু তার সঠিক প্রয়োগ কখন হবে তা আমাদের সবার অজানা। আমাদের দেশের অধিকাংশ স্কুলগুলো সার্বিকভাবে প্রতিবন্ধী-বান্ধব নয়। কিছু সরকারি স্কুল আছে যেখানে Ramp আছে কিন্তু যে শিশু ৪/৫ ঘন্টা স্কুলে কাটাবে তার জন্যে কোন প্রতিবন্ধী-বান্ধব টয়লেটের সুব্যবস্থা সেখানে নেই। বাসে সংরক্ষিত আসন আছে কিন্তু Wheel Chair উঠানোর মত Accessible বাস নেই। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই সর্বস্তরে প্রবেশগম্যতা নেই, ফলে ৩/ ৪ তলায় ক্লাস করতে  হলে কষ্ট করে অন্যের উপর ভর করে উঁচু ভবনে উঠে ক্লাস করতে হয়। আমাদের দেশের অধিকাংশ ভবন সরকারের ইমারত বিধিমালা মান্য না করে গড়ে উঠা, সেসব ভবনে প্রবেশগম্যতা নেই।
সুতারাং যে সকল স্কুল এসব ভবনে পাঠ্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সে ব্যাপারেও সরকারের কোন যথাযথ তদারকী নেই। যে দেশে আপামর মানুষেরই মৌলিক অধিকারগুলো পেতে গলদঘর্ম হতে হয় সেখানে ওদের মত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু যারা অনেক কাজেই অন্যের উপর নির্ভরশীল, সে সকল শিশুর ভবিষ্যতের কথা মনে হলে কষ্টে বুক ভারী হয়ে যায়। বিষণ্ন্নতায় ভরে উঠে মন। অন্তত একজন মা হিসাবে আমার সন্তান যাতে বাস্তবতার নিষ্ঠুুর রূপ দেখতে না পায় সেই চেষ্টা করে যাব সারা জীবন। আমার সন্তানকে এমনভাবে গড়ে তুলব যাতে সে বাস্তবতাকে নিজেই মোকাবেলা করতে পারে। প্রতিবন্ধিতা কোন দোষ, পাপ বা অভিশাপ নয়। সৃষ্টি কর্তার সৃষ্টিতে কোন ভেদাভেদ নেই। আমরা সবাই সৃষ্টি বৈচিত্র্যের অংশ। যে কেউই যে কোন সময় প্রতিবন্ধিতার শিকার হতে পারে। এক্ষেত্রে সচেতনতা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের কোন বিকল্প নেই। আমাদের সবাইকে এসব বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর কথা মনযোগের সহিত শুনতে হবে, তাদের প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষকসহ সকলকে সহানুভূতিশীল হতে হবে। নেতিবাচক  আচরণ ও মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। প্রতিবন্ধী মানুষের সুপ্ত প্রতিভাকে সঠিত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সুযোগের মাধ্যমে কাজে লাগাতে হবে।
সমাজের একটা বিরাট অংশকে আলাদা রেখে কোন রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন কখনই সম্ভব নয়। এসকল বিশেষ শিশু, কিশোর, ব্যক্তিদের সমাজের বোঝা না ভেবে তাদের উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা রাষ্ট্রসহ সকলের দায়িত্ব। প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতিবন্ধিতা না দেখে তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তাদের প্রতি করুণা নয়, প্রয়োজন আমার-আপনার সকলের সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া। এ ক্ষেত্রে সকল ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সংগঠনসহ বিশিষ্ট জনদের এক সাথে কাজ করতে হবে। আমার বিশ্বাস সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রুদ্র, নাবিলা আর জুয়েলসহ সকল প্রতিবন্ধী মানুষের বসবাস উপযোগী সার্বজনীন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
সূত্র- ইত্তেফাক।

রূপচর্চা-কেলেঙ্কারিতে মন্ত্রীর পদত্যাগ

ইউকো ওবুচি। ফইল ছবিইউকো ওবুচি। ছবি: রয়টার্স

রাজনৈতিক তহবিলের অর্থ রূপচর্চাসহ অরাজনৈতিক কাজে অপব্যবহার করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জাপানের শিল্পমন্ত্রী ইউকো ওবুচি আজ সোমবার পদত্যাগ করেছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ওবুচি। তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ঘটনাকে অ্যাবের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এনএইচকে জানায়, ওবুচিকে জাপানের সম্ভাব্য প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। আজ অ্যাবের সঙ্গে আধঘণ্টার বৈঠকের সময় পদত্যাগপত্র দেন তিনি।
পরে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ওবুচি। একই সঙ্গে তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন।
২০১২ সালের ডিসেম্বরে অ্যাবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য এই প্রথম পদত্যাগ করলেন। গত মাসে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন করেন অ্যাবে। এতে পাঁচজন নারী অন্তর্ভুক্ত হন। পুনর্গঠিত মন্ত্রিসভায় প্রথম কোনো নারী হিসেবে দেশটির অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান ওবুচি। জ্বালানি খাতেরও দেখভাল করতেন তিনি।
৪০ বছর বয়সী ওবুচি ছিলেন তারকা মন্ত্রী। কিন্তু গত সপ্তাহে অভিযোগ ওঠে, তাঁর কর্মীরা রাজনৈতিক তহবিলের এক কোটি ইয়েনেরও অধিক অর্থ রূপচর্চা ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীসহ অরাজনৈতিক কাজে ব্যয় করেছেন। এ ছাড়া তাঁর নির্বাচনী এলাকার অধিবাসীদের টোকিওতে বাসে করে নিয়ে নামমাত্র খরচে নাটক দেখার জন্য আমন্ত্রণ দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। একে ‘ভোট কেনা’ বলে অভিহিত করেছেন বিরোধী আইনপ্রণেতারা।

সূত্র- প্রথম আলো।

প্লাষ্টিকে মুড়ানো নবজাতকের লাশ! অন্যদিকে অপারেশনের পর বাচ্চা নেই!!

প্রসব ব্যথায় হাসপাতালে নেয়া হয় রেবেকা বেগমকে। ভর্তির পর হলো অস্ত্রোপচার। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকরা জানালেন, প্রসূতির পেটে সন্তান নেই। চিকিৎসকের এমন কথা শুনে প্রসূতি রেবেকা হতবাক। বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন তিনি। আর হয়রানির ভয়ে হতাশ স্বজনরাও মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছিলেন না।

ঘটনাটি ঘটেছে ১৩ অক্টোবর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসকের এমন কথায় বিশ্বাস করতে পারছেন না অনেকেই।

এদিকে হাসপাতালের ১নং গেইটের পাশ থেকে গত ১৪ অক্টোবর দুপুরে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়ানো ছিলনবজাতকটি।

এ ঘটনায় পরে কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটির মৃতদেহটি হাসপাতালের হিমাগারে রয়েছে বলে জানায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

১৩ অক্টোবর রাতে অস্ত্রোপচার, পরদিন হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়ানো একটি নবজতকের লাশ উদ্ধার- এ দু’টি ঘটনায় কোনো যোগসূত্র আছে কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারো কারো মুখে শোনা গেছে, ভুল অস্ত্রোপচারের কারণে হয়তো নবজাতকের মৃত্যু হওয়ায় তাকে ফেলে দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণের আসকর আলীর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা রেবেকা বেগমের প্রসব বেদনা উঠলে ১১ অক্টোবর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় ১৫নং ওয়ার্ডে তাকে ভর্তি করা হলেও পরে সেখান থেকে তৃতীয় তলার ১৪নং ওয়ার্ডে (গাইনী বিভাগে) স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসকরা ১৩ অক্টোবর রেবেকা বেগমের শারীরিক অবস্থার পর্যবেক্ষণের পর পরীক্ষা ছাড়াই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। রাত ৮টায় রেবেকাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। অপরারেশন শুরু হয় রাত সাড়ে ১১টায়।

দীর্ঘ সময় ধরে চলে অস্ত্রোপচার। একপর্যায়ে চিকিৎসকসহ অস্ত্রোপচারে সংশ্লিষ্টরা বাইরে এসে রেবেকার স্বজনদের জানান, সিজার করে সন্তান পাওয়া যায়নি!

এতে উপস্থিত লোকজনসহ রেবেকার স্বজনরা হতবাক হয়ে যান। এ ব্যাপারে অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে সুযোগ দেয়া হয়নি। এ নিয়ে উপস্থিত লোকজনের মনে সন্দেহ দেখা দেয়।

এদিকে চিকিৎসকদের কথা বিশ্বাস করতে পারছেন না রেবেকা। সন্তানের নড়াচড়া স্পষ্ট অনুভব করেছেন তিনি।

রেবেকা বেগমের স্বামী আসকর আলী গণমাধ্যমকে জানান, অস্ত্রোপচারের পর সন্তান পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসকরা জানান। চিকিৎসকদের কথা শুনে অবাক হয়ে যাই। খুবই রহস্যজনক ঘটনা।

এ ব্যাপারে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা তার জানা নেই। অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

কিংবদন্তী নারী, ক্যাথেরিন দ্যা গ্রেট

অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম একজন। রাশিয়ান ক্রীতদাসদের পক্ষে করা তার কাজ আজও কিংবদন্তী। তিনি রাশিয়াকে ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসাবে গড়ে তুলেছেন, সাহিত্যকে করেছেন পৃষ্ঠপোষকতা। বলছি ক্যাথেরিন দ্যা গ্রেট নামের এক কিংবদন্তী নারীর কথা। ১৭৬২ থেকে ১৭৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি রাশিয়াতে রাজত্ব করেছেন। রাশিয়ায় সবচেয়ে বেশি সময় রাজত্ব করা এই নারী মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলেন একজন সফল শাসক। তার শাসন আমলে রাশিয়া একদিকে হয়েছে শক্তিশালী, অপরদিকে শিক্ষা আর প্রযুক্তিতে এগিয়ে গেছে অনেকটা পথ।
বর্তমান পোল্যান্ডের ভন আনহাল্ট-জার্বস্ট অঞ্চলে ১৭২৯ সালের আগস্ট মাসে জন্ম এই মহীয়সী নারীর। জন্মের সময় তার নাম ছিল সফি ফ্রেড্রিক। ১৭৪৫ সালে তিনি তার নাম পরিবর্তন করে ক্যাথেরিন রাখেন এবং অর্থডক্স খ্রিষ্টান হন। এসময় তিনি রাশিয়ান সিংহাসনের উত্তরাধিকারী পিটার দ্যা গ্রেটের নাতি গ্র্যান্ড ডিউক পিটারকে বিয়ে করেন। শুরুর দিকে রাশিয়ান আদালত ক্যাথেরিনকে সন্দেহের চোখে দেখতো। কারণ একটাই, সে রাশিয়ার মেয়ে নন। রাশিয়ার সংস্কৃতি আর উদার মনোভাবের অভাব ছিল তার আচরণে। কিন্তু অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিনি নিজেকে তৈরি করে ফেলেন রাশিয়ান হিসাবে। আর রাশিয়ান আদালতের সাথে গড়ে তোলেন সুসম্পর্ক। তার জন্ম পরিচয় পেছনে পড়ে যায়। কূটনৈতিক দক্ষতায় তিনি ছাড়িয়ে যান তার স্বামী সম্রাট তৃতীয় পিটারকে। তার স্বামী ছিলেন দুর্বল, শিশুসুলভ আর অপদার্থ ধরনের মানুষ। তাদের মধ্যে সম্পর্কও ছিল দুর্বল। কথিত আছে ক্যাথেরিন এই সময়ে রাশিয়ান আদালতের অনেক শীর্ষ ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। শুরু হয় ক্যাথেরিন দ্যা গ্রেটের রাজত্ব। তার রাজত্বের সীমানা ছড়িয়ে পড়ে বেলারুশ, লিথুয়ানিয়া এবং পোল্যান্ড পর্যন্ত।
ক্যাথেরিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল গ্রেগরি পটেমকিন। যদিও তাদের মধ্যে একান্ত ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল, তবুও তা রাজনৈতিক দিক দিয়েও ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পটেমকিনের সামরিক দক্ষতা ছিল অসাধারণ। তিনি রাশিয়ার দক্ষিণ অঞ্চলের একজন শক্তিশালী নেতা হয়ে উঠেছিলেন। তার সাহায্যেই ক্যাথেরিন ক্রিমিয়ার জয় করেন। আর এই বিজয় রাশিয়াকে ইউরোপের নতুন পরাশক্তি হয়ে উঠতে সাহায্য করে।
জীবনের প্রথম দিনগুলোতেই ক্যাথেরিন উদার মনোভাব নিয়ে বড় হয়ে ওঠে। মানবাধিকার এবং ন্যায় বিচারের পক্ষে ছিলেন সোচ্চার কণ্ঠস্বর। বেশ কিছু আইন এবং নির্দেশনা তিনি তৈরি করেন, যা ছিল ঐতিহাসিক আইন। কিন্তু ১৭৬৮ সালের অটোমান সাম্রাজ্যের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে তা আর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি তার পক্ষে। ক্যাথেরিনের সাম্রাজ্য বিস্তার নীতির একটি খারাপ দিক আবির্ভূত হয়। সামরিক খাতে বেশি ব্যয় হওয়াতে অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দেয় রাশিয়াতে। ফলে সাধারণ মানুষ রাজ্য বিস্তারের কোন মানে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। ফলে ১৭৭৪-৭৫ সালের দিকে তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিদ্রোহের জন্ম হয়। কিন্তু ক্যাথেরিন তার রাজনৈতিক দক্ষতা আর মহত্ব কাজে লাগিয়ে এসব বিদ্রোহ দমন করতে সক্ষম হন। তিনি দেশের জনগণের ক্ষমতায়ন এবং অতিরিক্ত অধিকারের ব্যবস্থা করেন। ক্যাথেরিনকে রাশিয়ার অন্য শাসকদের চেয়ে আলাদা করা যায় তার শিক্ষা, শিল্প এবং সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা দেখে। তিনি অধ্যয়নের জন্য ব্যয় করেছেন জীবনের অধিকাংশ সময়। তার সবচেয়ে বড় অবদান হল— তিনিই প্রথম নারীদের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তার শাসনামলে রাশিয়া পান ভলতেয়ার ও Diderot-এর মতো অসাধারণ কিছু সাহিত্যিক। ১৭৯৬ সালে মারা যান মানব ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই রাজনৈতিক নেতা।
 
সূত্র- দৈনিক ইত্তেফাক।

দিন শেষে ভালোভাবে পরিস্কার করুন নিজের হাত

আপনজনদের জন্য রান্নাবান্না ছাড়াও কত কী করেন আপনি। সারাটা দিন নানা কাজে ব্যস্ত থাকে আপনার হাত। এত সব কাজের মধ্যে হাতেরও চাই যত্ন। হাতের যত্ন প্রসঙ্গে সোনালীস এইচডি মেকআপ স্টুডিও’র রূপবিশেষজ্ঞ সোনালী ফেরদৌসী মজুমদার বলেন, ‘হাত পরিষ্কার করার জন্য কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে হবে। একেবারে গরম পানি হাতে ব্যবহার করা ঠিক নয়।’
হাতের যত্নে তিনি দিয়েছেন আরও কিছু পরামর্শ—
পরিষ্কার রাখুন হাত
 হাতে লবণ ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। এতে হাতের ত্বক পরিষ্কার থাকবে।
 সব কাজ যখন শেষ হয়ে যাবে, তখন তরল সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার সময় ব্রাশের সাহায্যে হাতের আঙুল ও নখ পরিষ্কার করতে পারেন।
.বিশেষ যত্ন
 কমলালেবুর রস এবং মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে হাতে ম্যাসাজ করুন। তারপর হাত পরিষ্কার করে ফেলুন।
 যাঁদের হাতের ত্বক শুষ্ক অথবা পানি নাড়াচাড়া করার ফলে যাঁদের হাতের ত্বকে শুষ্কভাব চলে আসে, তাঁরা হাতে চিনি এবং অলিভ অয়েলের মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। এ মিশ্রণটি তৈরি করতে চা-চামচের চার ভাগের এক ভাগ চিনির সঙ্গে সমপরিমাণ অলিভ অয়েল মেশাতে হবে। মিশ্রণটি ম্যাসাজ করে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখলে হাতের শুষ্কভাব দূর হবে। এ ছাড়া বাজারে বিশেষ একধরনের লোশন (ইউসেরিন) কিনতে পাওয়া যায়, হাতের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক মনে হলে এটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে এ লোশন নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে, এক-দুই দিন ব্যবহার করলে চলবে না।
 হাতের ত্বক তৈলাক্ত হলে শসা অথবা লেবুর রসের সাহায্যে হাত পরিষ্কার করুন।

কাজের মধ্যে
 হাতের ত্বক যেমনই হোক না কেন, বাসন-কোসন ধোয়ার সময় গ্লাভস ব্যবহার করতে পারেন। এতে হাতের ত্বক ভালো থাকবে। মাংস কাটার সময়ও গ্লাভস ব্যবহার করুন।

হাতের ত্বক নরম রাখতে
 সব কাজ শেষে হাত ধোয়া ও শুকিয়ে নেওয়ার পর হাতে ক্রিম বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে গ্লাভস পরে থাকতে পারেন। এতে হাতের ত্বক কোমল থাকবে।
 অতিরিক্ত ক্ষারসমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করবেন না।
 দিনে অন্তত চারবার হাত পরিষ্কার করে নিয়ে শুকানোর পর ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে।
কালো ছোপ যখন হাতে
 বিভিন্ন কারণে হাতে কালো ছোপ হতে পারে। কালো ছোপ দূর করার জন্য হাতে ফেয়ার পলিশ করাতে পারেন। ফেয়ার পলিশ করালে ধীরে ধীরে কালচে ভাব কমে আসবে। আর যেসব সবজি কাটলে হাতে কালচে ভাব আসতে পারে, সেগুলো কাটার সময় গ্লাভস ব্যবহার করতে পারেন।

সূত্র- প্রথম আলো।

ফাতিমা হত্যাকান্ডঃ খুনীদের ফাঁসির দাবীতে নয়টি স্থানে মানববন্ধন

410086a20af8e17ad96c348adf4cb8aa-MATHBARIA..PIC..3

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বুখাইতলা হাতেমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ফাতিমা আক্তারকে (৯) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল রোববার উপজেলার নয়টি স্থানে একযোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।
সম্মিলিত শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে উপজেলা সদর, তুষখালী, সাফা, মিরুখালী, গুলিসাখালী, সোনাখালী, সাপলেজা, বেতমোর ও বড়মাছুয়ায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।
উপজেলা সদরে মানববন্ধন শেষে কে এম লতিফ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা জামান খানের সভাপতিত্বে খুনিদের ফাঁসির দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহসান হাবিব, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মল্লিক, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ উল হক, নিহত ফাতিমার বাবা ফুল মিয়া প্রমুখ। মানববন্ধনে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাক রুহুল আমিন, মানবাধিকার কমিশন পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন পোদ্দার, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী সংহতি জানায়।
ওসি নাসির উদ্দিন মল্লিক জানান, হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও খুনিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ফাতিমা বুখাইতলা বান্ধবপাড়া গ্রামে নানা বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত। ৫ অক্টোবর সকালে সে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন প্রতিবেশী শাহজাহান জমাদ্দারের বাগান থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ নিহত ফাতিমার মামাতো ভাই মো. স্বপন (২০) ও তাঁর বন্ধু সুমন জমাদ্দারকে (১৮) গ্রেপ্তার করে।

সূত্র- প্রথম আলো।