banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

ধারাবাহিক উপন্যাস “নিয়ন্ত্রিত পরিণতি” পর্ব-৭

 

 images

 

 

নাসরিন সিমা:

 

 

দুই সপ্তাহ পর,
নাদিমের বাসায় ঢুকলো রাজিব, নাদিম বিছানায় শুয়ে আছে, মা দুদিন হলো বাড়ি গেছে থাকবে দুমাসের মতো। মামা বাড়ি আর ছেলেদের বাড়ি সহ। রাজিব খেয়াল করলো কারেন্ট নেই, তবুও নির্বিকার ভাবে শুয়ে কিছু একটা ভাবছে। দরোজায় টোকা দেয়,
-নাদিম আসবো?
দ্রুত উঠে পড়ে নাদিম, হাতের কাছে একটা গেন্জি ছিলো পরে নেয়,
-হ্যা হ্যা এসো।
ভেতরে ঢুকতে ঢুকতে,
-এতো গরমের মধ্যে শুয়ে শুয়ে কী ভাবছো?
-না কিছু না, চলো বাইরে যাই তুমি এতো গরম সহ্য করতে পারবেনা।
-না নাদিম ভুল বলছো, তুমি আমার খুব প্রিয় বন্ধু, যা তুমি পারো তা আমার না পারলে চলবে? একটু হাসে রাজিব,
-স্মৃতির কথা ভাবছিলে বুঝি?
দীর্ঘশ্বাস ফেলে নাদিম,
-যার তিনবেলা খাওয়ার নিশ্চয়তা নেই সে কী স্বপ্ন দেখতে পারে রাজিব?
-অবশ্যই পারে কেন পারবেনা, যিশুর কৃপা যার উপর একবার হয় সে কিছুতেই বন্চিত হতে পারেনা। তুমি খ্রিষ্টান হয়ে যাও দেখ………
রাজিবের হাত চেপে ধরে নাদিম,
-খ্রিষ্টান না হলে হয়না রাজিব?
রাজিব ভ্রু কুঁচকে নাদিমের দিকে তাকায়,
-যিশু ঈশ্বরের কাছে খ্রিষ্টানদের জন্যই প্রার্থণা করেন।
-না মানে বলছিলাম কি আমি বেশী কিছু চাইনা, তেমাদের কনফারেন্স গুলোতে আ্যটেন্ড করবো, প্রোগ্রাম গুলোতে, শুধু খ্রিষ্টান হতে বলোনা আমায়…
রাজিবের চোয়াল শক্ত হয়ে যায়, নাদিম ওর মুখের দিকে তাকাতে ভয় পায় যেন, কারণ নাদিম নিজেও জানে টাকা নেয়ার সময় এসব কথা হয়নি, আর পরে বলার কথাও ছিলোনা। -সেটা তোমার ইচ্ছা নাদিম, তবে ভুলে যেওনা খ্রি্ষ্টান না হলে এ যাবৎ ভোগ করা সমস্ত অর্থ ফেরত নেবেন রিলিজিওন প্রিষ্ট।
চমকে রাজিবের দিকে তাকায় নাদিম, প্রায় পাঁচ লাখের মতো টাকা খরচ হয়ে গেছে, বিভিন্ন ভাবে টাকা দিয়েছে ওরা। টেনশনে মাথা ব্যাথা শুরু হয় নাদিমের, কী করবে সে এখন!
এক পর্যায়ে রাজিব উঠে চলে যায়।
চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করে নাদিমের, বাইবেল ষ্টাডি করে যা পেয়েছে তাতে খ্রিষ্টান হওয়ার প্রশ্ণই আসেনা, কারণ সেখানে ষ্পস্ট লেখা আছে, শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)………
ভাবতে পারেনা নাদিম এ সময় নাদিমের এক বন্ধু ইমরাণ আসে, রাজিবকে পেয়ে এই বন্ধুকে ভুলে গিয়েছিলো নাদিম, নাদিমকে চিন্তিত দেখে,
-কী হয়েছে নাদিম?
ইমরানকে দেখেই দ্রুত ওর কাছে এসে জড়িয়ে ধরে,
-কেমন আছো ইমরান? অনেকদিন আসোনা যে!
-ভালো আছি, কিন্তু তোমার কী হয়েছে বলোতো, প্রায় সময় খুব অন্যমনষ্ক দেখি। তেমার বন্ধু এসেছিলো মনে হয়, নাম কী?
-রাজিব রোজারিও, হ্যা এসেছিলো………
-খ্রিষ্টান! ভ্রু কুঁচকে যায় ইমরানের,
-একটু সাবধানে থেকো নাদিম, এখন কিন্তু খ্রিষ্টানরা, ফাঁদে ফেলে মুসলমানদেরকে খ্রিষ্টান বানাচ্ছে।
-ফাঁদ! মানে? আসলে ফাঁদই হয়তোবা, কিন্তু রাজিব আমাকে ফাঁদে ফেলবে আমি ভাবতে পারিনা। কিন্তু ওদের শর্তটা মানাও আমার পক্ষে কোনমতেই সম্ভব নয়।
নাদিমের কাঁধে হাত রাখে ইমরান,
-এসব নির্মূল করতে হবে!
নাদিম অবাক হয়ে,
-কিভাবে?
-ভাবতে হবে, চলো বাইরে যাই খালাম্মা কী বাড়িতে?
-হ্যা। চলবে……

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/২০১৪ই.

বেঁচে যাওয়া ভাত দিয়েই তৈরি করে ফেলুন সুস্বাদু খাবার

 

অপরাজিতা ডেস্ক: প্রত্যেক বাসায়ই খাওয়ার পর ভাত বেঁচে যায়। এই ভাত অনেকেই ফ্রিজে রেখে দেন, আবার অনেকে বাসি ভাত খেতে চান না বলে ফেলেই দিয়ে থাকেন। এখনো খুঁজলে হয়তো দুপুরের খানিকটা বেঁচে যাওয়া ভাত পাওয়া যাবে ঘরে। কিন্তু এই বেঁচে যাওয়া ভাত ফ্রিজে না রেখে কিংবা ফেলে না দিয়ে সেটা দিয়ে বেশ সুস্বাদু কিছু তৈরি করতে পারবেন মাত্র ১০ মিনিটে। ভাবছেন কিভাবে? চলুন তবে দেখে নিন।

vat2
উপকরণঃ
– ৩ কাপ ভাত
– ১ টি ক্যাপসিকাম কুচি
– ২ টি পেঁয়াজ কুচি
– ১ ইঞ্চি পরিমাণে আদা কুচি
– ২ টি কাঁচামরিচ কুচি
– ৪ কোয়া রসুন
– লবণ স্বাদমতো
– ২ টেবিল চামচ পানি
– ৩ টেবিল চামচ তেল
– আধা চা চামচ সরিষা দানা
– ১ চা চামচ পুদিনা বা ধনে পাতা কুচি (ইচ্ছা)
– ২ টেবিল চামচ চীনাবাদাম

 

vat1

 

পদ্ধতিঃ
– প্রথমে আদা, রসুন, কাঁচামরিচ এবং সামান্য পেঁয়াজ একসাথে বেটে বা ব্লেন্ড করে নিন।
– একটি প্যানে তেল গরম করে সরিষা দানা দিয়ে দিন। যখন তা ফুটতে শুরু করবে তখন ধনে বা পুদিনা পাতা দিয়ে নেড়ে নিন। যদি তা না চান তবে বাদাম দিয়ে ভেজে নিন খানিকক্ষণ।
– পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখবেন পেঁয়াজ কুচি যেন শক্ত পোড়া পোড়া না হয়ে যায়। এরপর ব্লেন্ড করা মসলা দিয়ে দিন। নেড়ে নিয়ে কিছু পানি ছিটিয়ে দিন।
– খানিকক্ষণ নেড়ে ক্যাপসিকাম দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। ক্যাপসিকাম খানিকক্ষণ সেদ্ধ হতে দিন। ২ টেবিল চামচ পানি ও লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
– আঁচ কমিয়ে দলা ছাড়ানো ভাত দিয়ে দিন প্যানে।
– ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন পুরোটা। তবে দেখবেন ভাতে যেনো দলা না থাকে।
– এরপর চুলা থেকে মানিয়ে গরম গরম যে কোনো তরকারীর সাথে মজা নিন।

 

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/২০১৪ই.

 

দাম্পত্য জীবনে সুখে থাকার সাত মন্ত্র

অপরাজিতা ডেস্ক: দিন বদলের সঙ্গে পরিবর্তন হচ্ছে মানুষের ধ্যান ধারনার। বদলাচ্ছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ। দাম্পত্য জীবনে সুখে থাকার অনেক মূল মন্ত্র রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো একজন আরেকজনকে বোঝা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। জেনে নিন বিবাহিত যুগলের জন্য সুখী হওয়ার তেমনি ৭ টি মন্ত্র :

 

১. আকর্ষণ বজায় রাখুন : বিবাহিত জীবন যতদিনের হোকনা কেন একে অপরের প্রতি আকর্ষণ বজায় রাখুন। সাধারণ কিছু ভালোবাসা আর আবেগে জড়িয়ে রাখুন নিজেদের। নতুনত্বের প্রয়োজন নেই, রোমান্টিক মুহূর্ত তৈরি করুন আর উপভোগ করুন।

 

২. ঝগড়া নয় কখনও : বিবাহিত যুগলের মধ্যে ঝগড়া হওয়া নতুন কোনো ব্যাপার নয়। ঝগড়া কিন্তু বড় কোনো বিষয় নিয়ে হয় না। কিন্তু মাঝে মাঝে এই সামান্য ব্যাপারে বেঁধে যাওয়া ঝগড়া মারাত্মক আকার ধারণ করে থাকে।

 

আশ্চর্যের বিষয় হলো, একটু বুদ্ধি খাটিয়ে চললেই এই সব সামান্য ব্যাপারের বড় ঝগড়া খুব সহজে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। এইসব ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া করার চাইতে এই বিষয়গুলো এড়িয়ে গিয়ে হাসি ঠাট্টার ছলে সমাধান করে ফেলাই উত্তম।

 

৩. নিজেদের মতো করে সময় কাটান : প্রতিটি মানুষের নিজস্ব একটি দুনিয়া থাকে। একে অপরকে যতই ভালবাসুন না কেন, উভয়েরই একটু বিরতির প্রয়োজন আছে। এটি বিশ্বাসঘাতকতা নয়, শুধু নিজেদেরই কিছু সময় দেওয়া। বেশিরভাগ দম্পতিদের মতে এতে করে তাদের সম্পর্ক আরও ভালো হয়েছে।

 

৪. পারস্পরিক শখ : স্বামী-স্ত্রী দুজনের শখ যে একই হবে তা কিন্তু নয়। আলাদা শখ বা পছন্দগুলো প্রকাশ করুন একে অপরের কাছে। এতে করে একে অপরকে জানার আকর্ষণ আরও বাড়বে।

 

৫. ভবিষ্যতের কথা : দাম্পত্য জীবনে সব চাইতে বড় বিষয় হচ্ছে ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবা। ভবিষ্যতের কোনো পরিকল্পনা দুজনে একসঙ্গে তৈরি করা। এতে করে সম্পর্কে গভীরতা বাড়ে এবং দাম্পত্য জীবনে একজন অপরজনের গুরুত্ব বুঝতে পারেন। এতে সুখি হন দম্পতিরা।

 

৬. একসঙ্গে ঘুমানো : স্বামী-স্ত্রীকে একই বিছানায় ঘুমাতেই হবে এমন কোন কথা নেই। সবার আরাম একই রকমে হয় না তাই প্রয়োজনে আলাদা ঘুমানোকে বড় ব্যাপার করে না দেখে সুবিধার কথা ভাবুন।

 

৭. সত্য এড়ানো : সত্য এড়ানো মানে মিথ্যা বলা নয়। সততা বজায় রাখুন, তার মানে এই নয় স্বামী/স্ত্রী কে দেখতে খারাপ লাগলে মুখের উপর তা বলা। সত্য বলুন কিন্তু তা যেন অপরের খারাপ না লাগে।

বিষয় গুলো খুব সাধারন হলেও, যেসকল দম্পতির মধ্যে এরূপ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয়ে থাকে।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/২০১৪ই.

যে ১০টি জিনিস ফ্রিজে রাখবেন না

 

1L20141011164142

 

অপরাজিতা ডেস্ক: গরমে নষ্ট হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে অনেক কিছুই ফ্রিজে রাখা হয়। তবে এমন বেশ কিছু জিনিস রয়েছে, যেগুলো আমরা অনেকেই ফ্রিজে রাখলেও, আসলে সেগুলো ফ্রিজে রাখা মোটেও উচিত নয়। চলুন দেখে নিই এমন কিছু দ্রব্যের তালিকা।

 

শীতের স্কোয়াশ : অ্যাক্রন, বাটারনাট, ডেলিকাটা, স্প্যাগেটির মত শীতকালীন স্কোয়াশ মোটেও ফ্রিজে রাখা উচিত নয়।

download

নেল পলিশ : নেল পলিশ দীর্ঘদিন ভালো রাখতে অনেকেই একে ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু ফ্রিজের ঠান্ডায় নেল পলিশ জমে যায়। সূর্যের আলো থেকে দূরে, ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নেল পলিশ রাখুন, অনেকদিন ভালো থাকবে।

কফি : ফ্রিজের ঠান্ডা কফি ফ্লেভার নষ্ট করে দেয়। তাই একে ফ্রিজে না রাখাই ভালো।

টমেটো : টমেটো ফ্রিজে রাখলে তা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। সবচেয়ে ভালো হয় কাগজে মুড়ে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় টমেটো রাখলে।

download (1)

রসুন : ফ্রিজের পরিবর্তে রান্নাঘরে স্বাভাবিক খোলা হাওয়া চলাচল করে, এমন জায়গায় রসুন রাখুন। দু-মাস পর্যন্ত ভালো থাকবে।

পেঁয়াজ : পেঁয়াজ ফ্রিজে রাখবেন না। রান্নাঘরে বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় রাখুন। তবে আলুর সঙ্গে পেয়াজ রাখলে, সহজে পেয়াজ নষ্ট হয়ে যায়।

download (2)

ব্যাটারি : ব্যাটারি ফ্রিজে রাখলে তার কাজ করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।

পাঁউরুটি : ফ্রিজে রাখলে পাঁউরুটি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। তাই বাইরেই রাখুন।

আলু : ফ্রিজের ঠান্ডা আলু নষ্ট হয়ে যায়। তাই বাইরেই রাখুন।

হট সস : ফ্রিজ নয়, বাইরে রাখুন। অন্তত তিন বছর পর্যন্ত ভালো থাকবে।

তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/২০১৪ই.