banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

মাংসের পুষ্টি

 

4

 

পুষ্টিবিদ এ বি সিদ্দিক: গরু-খাসি প্রভৃতি গবাদিপশুর মাংস বা গোশত কতটা স্বাস্থ্যকর এ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এতে যেমন আছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, তেমনি চর্বিও। তবে চর্বিবিহীন মাংস বা লিন মিট খাওয়া সুস্থ মানুষের জন্য ভালো। একটু পরিমিত মাত্রায় খেতে হবে। তবে যাঁরা ইতিমধ্যেই মুটিয়ে গেছেন, হার্টের অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি সমস্যা আছে তাঁদের যথাসম্ভব এটা কম খাওয়াই ভালো।

 

সতর্কতা

* পেট ফাঁপা ও কিডনিতে পাথর থাকলে মাংস একেবারে বাদ দিতে হবে।

* বাত হলে মগজ, গুর্দা, কলিজা ও সংরক্ষণ করা গোশত খাওয়া নিষেধ। তবে তাজা গোশত পরিমিত খেলে ক্ষতি নেই।

* কিডনির অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ ও হার্টের অসুখে গোশত যত কম খাওয়া যায় তত ভালো।

* লিভার, গলব্লাডার ও অগ্ন্যাশয়ের অসুখে প্রাণিজ চর্বি বাদ দেওয়া উচিত।

* যাদের ওজন বেশি তাদের গোশত খাওয়া থেকে বিরত থাকা দরকার।

* প্রতিদিন ৯০-১০০ গ্রামের বেশি প্রাণিজ আমিষ না খাওয়াই ভালো।

 

5

 

মনে রাখা ভালো

* কোরবানির ঈদে যেহেতু গোশত একটু বেশিই খাওয়া পড়ে, তাই এই সময় বিশুদ্ধ পানি পান করার পরিমাণ কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া দরকার। গোশত শরীরে বিপাক প্রক্রিয়ায় শোষণ হওয়ার পর আমিষের অপ্রয়োজনীয় অংশ কিডনির মাধ্যমে ছেঁকে শরীর থেকে মূত্রের আকারে বের হয়ে যায়। পরিমাণমতো পানি এ কাজে সহযোগিতা করে

* গোশতের সঙ্গে কাঁচা সালাদ খান, লেবু, কাঁচা পেঁপে রাখুন।

* প্রতিদিন কিছু সবজি খেতে ভুলবেন না।

* কাঁচা পেঁপে ও আনারস আমিষ জাতীয় খাবার হজমে সহায়তা করে।

* খাবার শেষে মৌরি খাওয়া হজমের জন্য ভা

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/অক্টোবর২০১৪

৬ ধাপে ফ্রিজ পরিষ্কার

 

 

অপরাজিতা প্রতিবেদক: কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজের প্রয়োজন পড়ে। তেমনি সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে খাবারদাবার রাখার দরকারি জিনিস ফ্রিজটি সবচেয়ে বেশি পরিষ্কার রাখা উচিত। অপরিষ্কার অবস্থায় খাবার রাখলে খাবারের গুণ, মান নষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে চলে যায়। ফ্রিজ পরিষ্কার রাখতে হলে সঠিক নিয়ম জানা জরুরি। আসুন জেনে নেই কিভাবে ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন।

 

1410944661

প্রথমে খালি করুন
আপনার ফ্রিজ পরিষ্কার করার প্রথম ধাপ হলো ফ্রিজ খালি করে ফেলা। ফ্রিজের সব খাবার বাইরে বের করে নিন। পরিষ্কার করার আগে এটা নিশ্চিত করুন যে আপনার ফ্রিজটি সম্পূর্ণ খালি হয়েছে কি না।

 

ফ্রিজ থেকে বরফ সরিয়ে ফেলুন
সম্পূর্ণ জিনিস ফ্রিজ থেকে নামিয়ে ফেলার পর বরফ সরাতে ফ্রিজের পাওয়ার লাইনটি খুলে ফেলুন। কমপক্ষে আধা ঘণ্টা ফ্রিজটি বন্ধ অবস্থায় রাখলে ফ্রিজের সব বরফ গলে যাবে। তা ছাড়া খাবার নামিয়ে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজে বরফ জমানোর ট্রেগুলোও সরিয়ে ফেলুন। যে বরফগুলো ফ্রিজের গায়ে খুব বেশি লেগে থাকবে, সেগুলো ফ্রিজের গা থেকে আস্তে আস্তে খুলে ফেলুন।

 

এবার পরিষ্কারের পালা
বরফ সরানোর পর এবার ফ্রিজটি পরিষ্কার করতে হবে। গরম পানিতে ভিনেগার মিশিয়ে একটি স্পঞ্জ দিয়ে আপনার ফ্রিজের ভেতরটা ভালোভাবে পরিষ্কার করে ফেলুন। খেয়াল রাখুন ফ্রিজের ভেতরে যেন কোনো ময়লা না থাকে। পরিষ্কারের সুবিধার জন্য পুরনো ব্রাশও ব্যবহার করতে পারেন। ফ্রিজের ড্রয়ারগুলো আলাদাভাবে খুলে নিয়ে পানিতে ভিজিয়ে পরিষ্কার করুন। ফ্রিজের ভেতরে পরিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে দরজা ও বাইরের অংশও পরিষ্কার করে ফেলুন।

 

গন্ধ দূর করুন
ফ্রিজ পরিষ্কার করার পর যেকোনো ধরনের গন্ধ দূর করতে পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে কাপড়ে লাগিয়ে আরেকবার ফ্রিজটি মুছে নিন। এতে সব ধরনের গন্ধ দূরে হয়ে যাবে।

 

মুছে ফেলুন
পরিষ্কার হয়ে গেলে এবার একটি নরম তোয়ালে দিয়ে ফ্রিজটি মুছে ফেলুন। খুলে ফেলা ড্রয়ারগুলো ভালো করে মুছে প্রতিস্থাপন করুন। খেয়াল করে দেখুন যেন ফ্রিজের কোনো অংশ ভিজে না থাকে।

 

খাবারদাবার ফ্রিজে তুলে রাখুন
সব কাজ শেষে এবার খাবারদাবার জায়গামতো তুলে রাখুন। যেমন : মাংস আলাদা ড্রয়ারে, মাছ আলাদা, সবজি আলাদা ও অন্যান্য জিনিস আলাদা করে রাখুন। এতে এক খাবারে অন্য খাবারের গন্ধ মিশবে না। সব শেষে পাওয়ার লাইন লাগাতে ভুলবেন না। খাবারের মান বজায় রাখতে এবং ফ্রিজটি একটু বেশি স্থায়ী করতে যত্ন নিন। মাসে অন্তত একবার ফ্রিজটি সঠিক নিয়মে পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/অক্টোবর ২০১৪ই.

ঈদের সাজ

 

eid320130806003317

 

অপরাজিতা ডেস্ক: রোজার ঈদের রেশ কাটতেই না কাটতেই কোরবানির ঈদ চলে এসেছে। রোজার ঈদ মানেই কোনাকাটা, সাজগোজ আর ঘুরাঘুরি। তবে কোরবানির ঈদে এর পরিমান কিছুটা কমে যায়।

তবে সারাদিন কোরবানি নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বিকাল বা সন্ধ্যায় কিছুটা হলেও বেড়ানো হয়। আর ঈদে ঘুরতে বের হলে সাজ তো করতেই হয়।

ঈদের ঘোরাঘুরিতে মেইকআপ কীভাবে মানাবে তা নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বিন্দিয়া বিউটি পার্লারের কর্ণধার শারমিন কচি।

তিনি বলেন, “ঈদুল আজহায় সারাদিন কাজের পর বিকালে বা সন্ধ্যায় ঘুরাঘুরি করতে চাইলে হালকা মেইকআপই ভালো। তবে রাতের অনুষ্ঠান হলে ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক বা চোখে উজ্জ্বল রংয়ের শ্যাডো লাগানো যেতে পারে।”

ঈদে মেইকআপের কিছু কৌশল জানালেন শারমিন কচি।

প্রথমেই মুখ ভালো করে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মানানসই ফাউন্ডেশন মুখে লাগিয়ে ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে পুরো মুখে ভালো করে মিশিয়ে নিন। স্পঞ্জ না থাকলে হাতের আঙুলে সামান্য পানি নিয়ে ত্বকের সঙ্গে ফাউন্ডেশন মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

খেয়াল রাখতে হবে ফাউন্ডেশন যেনো নিখুঁতভাবে ত্বকে মিশে যায়। যাদের ত্বক তেলতেলে তারা ত্বকে অ্যাসট্রিনজান্ট (Astringent) লোশন লাগিয়ে তারপর ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে।

এরপর কম্প্যাক্ট পাউডার লাগিয়ে নিতে হবে পুরো মুখে। চিকবোনের ঠিক নীচে অর্থাৎ গাল ও চিবুকের নীচের অংশে এবং নাকের দুপাশে গাঢ় প্যানকেক বা ব্রোঞ্জার লাগিয়ে নিতে হবে অল্প করে। খেয়াল রাখতে হবে যেন তা ত্বকের ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়।

ব্রোঞ্জার ব্যবহারের ফলে মুখের শেইপ আরও স্পষ্ট ও নিখুঁত হবে।

ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মানানসই ফাউন্ডেশন মুখে লাগিয়ে ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে পুরো মুখে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মডেল: জাকিয়া উর্মি। ছবি: ঋতিকা আলী/বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মানানসই ফাউন্ডেশন মুখে লাগিয়ে ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে পুরো মুখে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

 

 

খেয়াল রাখতে হবে ফাউন্ডেশন যেনো নিখুঁতভাবে ত্বকে মিশে যায়।

এরপর পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে চোখে আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। ভ্রু’র নীচে রূপালি বা ওই শেইডের কোনো রং লাগাতে পারেন। চোখের পাতার কাছে কিছুটা গাঢ় রংয়ের শেইড ব্যবহার করতে হবে। চোখের পাতায় যে শেইডগুলো ব্যবহার করা হবে, খেয়াল রাখতে হবে যেন রংগুলো একটা অন্যটার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়। নাহলে দেখতে খারাপ দেখাবে।

এরপর চোখের উপরে আইলাইনার লাগিয়ে নিতে হবে পছন্দ মতো। চাইলে কালো ছাড়াও নীল, বাদামি বা সবুজ লাইনার ব্যবহার করা যাবে। আর চোখের নীচে লাগানো যাবে কাজল। সব শেষে চোখের পাপড়িতে মাসকারা লাগালেই চোখের মেইকআপ হয়ে যাবে।

এরপর চিক বোনোর উপরে পছন্দের রংয়ের ব্লাশ নিয়ে ব্রাশের সাহায্যে লাগিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন গালে বেশি গোলাপি ভাব না হয়। খুব অল্প পরিমাণে ব্লাশ গালে ভালোভাবে মিশিয়ে লাগাতে হবে।

এরপর নাকের ঠিক মাঝে এবং চোখের নীচে অল্প করে হাইলাইটার লাগিয়ে নিন।

চোখে বেশি গাঢ় শ্যাডো ব্যবহার করলে ঠোঁটে হালকা রংয়ের লিপস্টিক লাগালে মেইকআপের সামঞ্জস্য বজায় থাকবে।

তবে চোখে ন্যুড বা হালকা শ্যাডো লাগালে এবং সন্ধ্যার অনুষ্ঠান হলে গাঢ় লিপস্টিকও ভালো লাগবে। মেইকআপ হয়ে গেলে, পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে কানে, গলায় ও হাতে হালকা অলংকার পরে নেওয়া যাবে।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ.