banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

সহজেই গরুর মাংসের বিরিয়ানি

 

 

অপরাজিতা ডেস্ক: বিরিয়ানি হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো, বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার প্রভৃতি দেশে প্রচলিত এক বিশেষ প্রকারের খাবার যা সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মশলা এবং মাংস মিশিয়ে রান্না করা হয়। মুরগী, খাসি, গরু, পাঁঠা… এমনকি হরিণের মাংস দিয়েও রান্না করার হয় এই খাদ্য। সাধারনত বিশেষ অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়নেই পরিবেশিত হয়।। আর কে না জানে যে বিরিয়ানি ব্যাতিত আমাদের দেশের উৎসব অনুষ্ঠান গুলো একেবারেই জমে না !

 

গরুর মাংসের বিরিয়ানি

 

গরুর মাংসের তেহারীর সাথে গরুর বিরিয়ানির মূল পার্থক্য হলো এই যে এতে মাংসের টুকরা বেশ বড় করে কাটা হয়, এবং আলু ব্যবহার করা হয় রান্নায়। আসুন জেনে নেই গরুর মাংসের বিরিয়ানির রাঁধবার একটি চমৎকার রেসিপি।

 

উপকরণ-
গরুর মাংস- ১ কেজি
পোলাওর চাল- ১ কেজি
পিঁয়াজ বেরেস্তা- ১ কাপ
আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ
জিরা বাটা- ১ চা চামচ
শাহি জিরা বাটা- ১/২ চা চামচ
জায়ফল ও জয়ত্রী বাটা- ১ চা চামচ
ধনিয়া গুঁড়া- ১ চা চামচ
মরিচে গুঁড়া- ১ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া- ১ চা চামচ
তেল- ১/৪ কাপ
ঘি- ৩/৪ টেবিল চামচ
চিনি সামান্য
লবণ স্বাদ মত
টক দই- ১/২ কাপ
আস্ত গরম মশলা (এলাচ দারচিনি লবঙ্গও)- ৩/৪ টি করে
আলু বোখারা- ১০ টি
আলু- ৮/১০ টুকরা
কিসমিস- ইচ্ছা মতন
জাফরান- অল্প একটু (২ টেবিল চামচ দুধে গোলানো)
পানি- ৭ কাপ
কেওড়া পানি- ইচ্ছা
কাঁচা মরিচ- ৫/৬ টি
এছাড়াও কালো এলাচ ১ টি, সাদা এলাচ ৫ টি, গোল মরিচ ১০/১২ টা, কাঠ বাদাম ১৫ টি একত্রে বেটে নিতে হবে।

প্রণালী-
মাংস বড় টুকরো করে কেটে নিতে হবে। তারপর টক দই, আদা- রসুন বাটা, ১/২ কাপ বেরেস্তা বেরেশ্তা, জিরা বাটা, শাহী জিরা বাটা, জায়ফল- জয়ত্রী বাটা, মরিচের গুরা, ধনিয়ার গুঁড়া, কালো এলাচ-লবঙ্গ- সবুজ এলাচ-দারচিনি- কালো গোল মরিচ- কাঠ বাদাম বাটা, গরম মশলা গুঁড়া দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে ২/৩ ঘণ্টা। চাইলে আগের দিন রাতেও মাখিয়ে রাখতে পারেন। তারপর তেল গরম করে আস্ত গরম মশলার ফোড়ন দিয়ে মাংস কশিয়ে অল্প পানি দিয়ে রেঁধে নিতে হবে। আলু লাল করে ভেজে সাথে দিয়ে দিতে হবে। মাংসে ঝোল থাকবে না, মাখা মাখা হয়ে তেল ভেসে উঠবে।

 

এবার হাঁড়িতে ঘি গরম করে আবার আস্ত গরম মশলা দিতে হবে। আগে থেকে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখা চাল দিয়ে দিতে হবে। বাকি বেরেস্তা গুলো দিয়ে চাল ভালো করে ভাজতে হবে। কিসমিস, চিনি ও আলু বোখারা দিতে হবে। চাল ভাজা হয়ে গন্ধ ছড়ালে ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে দিতে হবে। এরপর মাংস ঢেলে দিয়ে নারতে হবে ভালো করে। ফলে চাল ও মাংস মিলে যাবে। আঁচ থাকবে মাঝারি। পানি শুকিয়ে আধা সিদ্ধ চাল ভেসে উঠলে জাফরান গোলানো দুধ ছিটিয়ে হাঁড়ির মুখ ঢেকে দিতে হবে। হাঁড়ির নিচে একটি তাওয়া বসিয়ে চুলার আঁচ একদম কম করে বিরিয়ানি দমে দিতে হবে।

 

১৫/২০ মিনিট পর ঢাকনা সরিয়ে উলটে পালটে দিতে হবে বিরিয়ানি। কেওড়া পানি ও কাচা মরিচ ছিটিয়ে আরও ১০ মিনিট দম দিয়ে পরিবেশন করতে হবে গরম গরম। অপরে ছিটিয়ে দিতে পারেন বাদাম কুচি ও বেরেশ্তা। সাজাবার জন্য ব্যবহার করতে পারেন ডিম। এই বিরিয়ানি ফ্রিজেও ভালো থাকে বেশ কিছুদিন। তাই ঢাকনা দেয়া পাত্রে সংরক্ষণ করতে পারেন। খাবার পূর্বে অল্প আঁচে দমে দিয়ে দিবেন হাঁড়ির মুখে ঢাকনা দিয়ে। দেখবেন কেমন সুন্দর গরম হয়েছে। মনেই হবে না যে ফ্রিজে রাখা বিরিয়ানি!

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/২০১৪

খাসির মাংসের তিন পদ

 

Untitled-

 

অপরাজিতা ডেস্ক: আর দুদিন বাদেই কোরবানির ঈদ। আর এই ঈদে অনেকেই খাসি কোরবানি করেন। এবার ঈদে যারা খাসি কোরবানি করছেন তাদের জন্য উপস্থাপন করছে খাসির মাংসের তিন পদ রান্নার রেসিপি। আসুন জেনে নেওয়া যাক, খাসির ঝাল মাংস, রেজালা ও কোরমা রান্নার প্রক্রিয়া।

ঝাল মাংস

খাসির ঝাল মাংস
উপকরণ :

    খাসির মাংস ১ কেজি,
    ছোট আলু ১৫টি,
    টক দই আধা কাপ,
    আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,
    রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ,
    মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,
    এলাচি ৩টি,
    দারুচিনি ৪-৫টি,
    তেজপাতা ৩টি,
    ধনের গুঁড়া ১ চা-চামচ,
    হলুদের গুঁড়া ১ চা-চামচ,
    পেঁয়াজের কুচি আধা কাপ,
    তেল আধা কাপ,
    লবণ পরিমাণমতো,
    জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ,
    কাঁচা মরিচ ৪-৫টি।

 

প্রণালি :
খাসির মাংসগুলো কেটে ধুয়ে টক দই দিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর আদা বাটা, রসুন বাটা ও লবণ মাখিয়ে আরও ১৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। পাত্রে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজের কুচি ভেজে বাদামি করতে হবে। এবার এর মধ্যে আবার আদা বাটা, রসুন বাটা, মরিচের গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, হলুদের গুঁড়া, এলাচি, দারুচিনি, তেজপাতা ও লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে সামান্য পানি দিয়ে ভালোভাবে মসলাগুলো কষিয়ে নিতে হবে। ছোট আলুগুলো আগেই সেদ্ধ করে নিতে হবে। এবার কষানো মসলায় ছোট আলু ও মাংসগুলো ঢেলে দিন। সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে দিন। পানি কমে এলে তাতে জিরার গুঁড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আবার ঢেকে দিন। ভুনা ভুনা হলে নামিয়ে ফেলুন।

 
খাসির রেজালা

খাসির রেজালা

উপকরণ :
    মাটন হাড় ছাড়া ১ কেজি,
    পেঁয়াজ ২০০ গ্রাম,
    আদা বাটা ৩ টেবিল চামচ,
    রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ,
    কাজুবাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ,
    তেল ৫০ গ্রাম,
    টক দই ১০০ গ্রাম,
    মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,
    টমেটো ২ পিস,
    এলাচ ৫ পিস,
    তেজপাতা ৫ পিস,
    দারুচিনি ১০ গ্রাম,
    জয়ত্রী ৫ পিস,
    জায়ফল আধা পিস,
    জিরা গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,
    লবণ পরিমাণমতো,
    ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ,
    গুঁড়াদুধ ১০০ গ্রাম,
    ঘি ২ টেবিল চামচ ও
    হলুদ ১ টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি :

হাড় ছাড়া খাসির মাংসের মধ্যে পেঁয়াজ কুচি, আদা-রসুন বাটা, কাজুবাদাম বাটা, টক দই, তেল, লবণ, জায়ফল, জয়ত্রী বাটা, মরিচ গুঁড়া, হলুদ, জিরা গুঁড়া ও ধনিয়া গুঁড়া দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। আস্তে আস্তে নাড়তে নাড়তে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হলে গরম মসলার গুঁড়া, ঘি এবং ভাজা জিরার গুঁড়া, গুঁড়া দুধ দিয়ে কিছুক্ষণ পর নামিয়ে নিন। একটু বেরেস্তা ছিটিয়ে পরিবেশন করুন খাসির রেজালা।

 
খাসির কোরমা

খাসির কোরমা
উপকরণ :

    খাসির মাংস এক কেজি,
    আদাবাটা এক টেবিল-চামচ,
    দারচিনি বড় চার টুকরা,
    তেজপাতা দুটি,
    লবণ দুই চা-চামচ,
    ঘি আধা কাপ,
    কাঁচা মরিচ আটটি,
    কেওড়া দুই টেবিল-চামচ,
    তরল দুধ দুই টেবিল-চামচ,
    পেঁয়াজবাটা সিকি কাপ,
    রসুনবাটা দুই চা-চামচ,
    এলাচি চারটি,
    টক দই আধা কাপ,
    চিনি চার চা-চামচ,
    দেশি পেঁয়াজকুচি আধ কাপ,
    লেবুর রস এক টেবিল-চামচ,
    জাফরান আধা চা-চামচ, (দুই টেবিল-চামচ তরল দুধে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন)।

 

প্রণালি:

মাংস টুকরো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। সব বাটা মসলা, গরম মসলা, টক দই, সিকি কাপ ঘি ও লবণ দিয়ে মেখে হাত ধোয়া পানি দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় বসিয়ে দিন। মাংস সেদ্ধ না হলে আরও পানি দিন।

পানি অর্ধেক টেনে গেলে কেওড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আবার হালকা নেড়ে ঢেকে দিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পাশের চুলায় বাকি ঘি গরম করে পেঁয়াজকুচি সোনালি রং করে ভেজে মাংসের হাঁড়িতে দিয়ে বাগার দিন। তারপর চিনি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। পাঁচ মিনিট পর ঢাকনা খুলে দুধে ভেজানো জাফরান ওপর থেকে ছিটিয়ে দিয়ে আরও পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখুন। তারপর ঢাকনা খুলে লেবুর রস দিয়ে হালকা নেড়ে আঁচ একেবারে কমিয়ে তাওয়ার ওপর ঢেকে প্রায় ২০ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টার মতো দমে রাখুন। যখন কোরমা মাখা মাখা হয়ে বাদামি রং হবে এবং মসলা থেকে তেল ছাড়া শুরু করবে, তখন নামিয়ে পরিবেশন।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/২০১৪

এবারের ঈদ ফ্যাশনে ‘সিঙ্গেল কামিজ’

 

1

অপরাজিতাবিডি ডটকম, ঢাকা: এবারের ঈদ বাজারে বিভিন্ন ফ্যাশনের সালওয়ার কামিজের সঙ্গে যোগ হয়েছে সিঙ্গেল কামিজ। সাধারণত বাজারে যে টু-পিস বা থ্রি-পিস পাওয়া যায় তা থেকে  সিঙ্গেল কামিজ একটু ভিন্ন হয়ে থাকে।

 

2

 

যেমন দেখতে সিঙ্গেল কামিজ : সাধারণত সিঙ্গেল কামিজের প্যাটার্ন কিছুটা ভিন্ন হয়। গলায় ভারী কাজ, স্ক্রিন প্রিন্টেড বা সুতার ভা কাজ দিয়ে নকশা করা থাকে। কিছু আবার ডাবল পার্টের সিঙ্গেল কামিজের নকশাও পাওয়া যাচ্ছে। কেউ যদি নিজে পছন্দের মতো সিঙ্গেল কামিজ তৈরি করাতে চান তাহলে মার্কেট বা অনলাইনেও পাবেন ওয়ান পিস হিসেবে বিভিন্ন ধরনের কাপড়। আপনার পছন্দের সিঙ্গেল কামিজের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে কিনে নিন লাগিন্স বা পালাজো।

 

যেখানে পাবেন : ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রদর্শনী ও বড় বড় ডিজাইনার বা ফ্যাশন হাউসগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরণের ও নকশার সিঙ্গেল কামিজ। তাই আসছে ঈদে বেছে নিন আপনার পছন্দ মতো সিঙ্গেল কামিজ।

 

3

 

বাজার দর : সিঙ্গেল কামিজের ধরণ ও কোয়ালিটি অনুযায়ি দাম পড়বে আড়াই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/২০১৪

শুরু হোক কোরবানির প্রস্তুতি

 

 Untitled-Untitled-

অপরাজিতাবিডি ডটকম, ঢাকা : দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। অল্প ক’দিন বাকি। ঈদ এলে ঘরে ঘরে উৎসবের আনন্দ বিরাজ করবে এটাই স্বাভাবিক। তবে কোরবানির ঈদে কাজ একটু বেশিই থাকে।  তাই প্রস্তুতিটা আগে ভাগেই নিয়ে রাখা ভালো। তাহলে ঈদের দিনের কাজ এগিয়ে থাকবে। কারণ ঈদের নামাজ শেষে তোরজোর শুরু হয় পবিত্র কোরবানির।

 

কোরবানির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবস্থা আগেই করে ফেলুন। বাসায় থাকা চাকু-ছুরি, বঁটি ও চাপাতিগুলো ভালো আছে কি না তা অবশ্যই দেখে নিন। ছুরি, চাপাতিগুলো মরিচা পড়ে গেলে আপনার আশপাশের কামারশালা থেকে শাণ করিয়ে নিন। এছাড়াও আপনি চাইলে, শাণ করার যন্ত্র কিনে বাসায় নিজেই শাণ দিয়ে নিতে পারেন। ঈদের আগের দিন পশু জবাই করার ছুরি, চামড়া ছাড়ানোর ছুরি, চাপাতি, প্লাস্টিক ম্যাট, গাছের গুঁড়িসহ সবকিছু প্রস্তুত রাখুন। ছুরি-চাপাতি কোনো কিছু না থাকলে আশপাশের কামারশালা বা দোকান থেকে কিনে নিন। সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ঈদের দিন আর বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হবে না।

 

দরদাম  বাজারে বিভিন্ন দামের ছুরি, চাপাতি পাওয়া যায়। ছোট ছুরি (প্রতি পিছ) ১২০-৪০০ টাকা। বড় ছুরি ৪০০-১০০০ টাকা। গরু জবাই করার ৪০০-১২০০ টাকা। দেশি চাপাতি ৬৫০-৯৫০ টাকা। বিদেশি চাপাতি ৬৫০-১৮৫০ টাকা। বঁটি ২০০-৫০০ টাকা। হাড় কাটার ছোট চায়নিজ কুঁড়াল ৫৫০-৭০০ টাকা। গাছের গুঁড়ি পাবেন ৩০০-৮০০ টাকায়। মাংস রাখার পলি ও প্লাস্টিক ম্যাট কিনতে পারবেন ২০০-৩০০ টাকায়।

 

রান্নাঘরের অনুষঙ্গ : কোরবানির ঈদে তুলনামূলক বেশি চাহিদা বাড়ে রান্নাঘরের বিভিন্ন অনুষঙ্গের। চপিং বোর্ড, মিট হ্যামার, কিমা মেশিন ইত্যাদি কিনে নিতে পারেন। কাঠের চপিং বোর্ড প্রতিটির মূল্য ৪৫০-৬০০ টাকা। ফাইবার চপিং বোর্ড প্রতিটি ৭০০-১২০০ টাকা। কাচের চপিং বোর্ড প্রতিটি ১৬০০ টাকা। মিট হ্যামার ২৮০-৪০০ টাকা। কিমা মেশিন ১৬৫০- ৪০০০ টাকা। হ্যান্ড মিট কাটার ২৫০-৫০০ টাকা। জীবাণু ও দুর্গন্ধনাশক তরল এক বোতল ১৮৫ টাকা। জীবাণু ও দুর্গন্ধনাশক ক্লোরেক্সের দাম ২৫০-৬০০ টাকা। গার্বেজ ব্যাগ ১০০টি ২০০ টাকায় পাবেন।

 

যেখানে পাবেন : ছুরি, বঁটি, চাপাতিসহ সব জিনিসই পাবেন রাজধানীর নিউমার্কেট, বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, কারওয়ান বাজার, গুলশান-১ ডিসিসি মার্কেট, গুলশান অ্যাভিনিউর ফিক্স ইট, চকবাজার, ঠাটারীবাজারে। এছাড়া আপনার  আশপাশের কামারশালা থেকেও কিছু জিনিস সংগ্রহে নিতে পারেন।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/২০১৪