banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

কিংবদন্তি শিল্পী ফিরোজা বেগমকে চিরবিদায়

 

1_145964

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, ঢাকা: অগণিত ভক্ত, অনুরাগী, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজনরা অকৃত্রিম ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও ফুলেল শুভেচ্ছায় চোখের জলে বিদায় জানালেন নজরুলের গানের পাখি কিংবদন্তি শিল্পী ফিরোজা বেগমকে। কিংবদন্তি শিল্পী ফিরোজা বেগম তার শেষ আশ্রয় খুঁজে নিলেন বনানী কবরস্থানে। 

 

 

বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানুষের ঢল নেমেছিল। ফুলে, শ্রদ্ধায়, স্মরণে শিল্পী ও তার সুরের প্রতি ভক্তদের অনুরাগ ও আবেগ বড় মায়াময় হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা শহীদ মিনারে। শুধু ভক্তরাই নয়, গোটা এলাকাই বেদনাবিধুর হয়ে উঠেছিল নজরুলসঙ্গীত সম্রাজ্ঞীর চলে যাওয়ার ব্যথায়। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে বেলা দেড়টায় তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে।
শিল্পীকে শেষ বিদায় জানাতে আগে থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অপেক্ষারত ছিলেন তার ভক্তরা। সন্ধ্যায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শিল্পীর বাসভবনে যান এবং পরিবারের সদস্যেদের সমবেদনা জানান। এ সময় তিনি শিল্পীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করায় সরকারের সমালোচনা করেন।
বেলা দুইটায় শুরু হয় শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্ব। শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আবদুস সোবহান গোলাপ, একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর ও সামরিক সচিব কর্নেল মাহবুব।

 

এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বেসরকারি বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়।

 

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন। বিএনপির পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ড. মঈন খান, ডা. জাহিদ হোসেন, খায়রুল কবির খোকন, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, নায়ক উজ্জ্বল, হেলাল খান ও কণ্ঠশিল্পী মনির খান।

 

বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে লিয়াকত আলী লাকী ও সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী, জাতীয় জাদুঘরের পক্ষে মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পক্ষে মফিদুল হক, গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক শিরিন আখতার, ছায়ানটের পক্ষ থেকে খায়রুল আনাম শাকিল শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

ব্যক্তিগতভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জনপ্রশাসন সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সংস্কৃতিসচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, ইমেরিটাস প্রফেসর আনিুসজ্জামান, ইমেরিটাস প্রফেসর রফিকুল ইসলাম, সাবেক মন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, ব্যারিস্টার রফিক উল হক, হাশেম খান, রামেন্দু মজুমদার, রাশেদা কে চৌধুরী, মনসুর মূসা, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, লাইসা আহমেদ লিসা, ইয়াকুব আলী খান, খালিদ হোসেন, আবদুল জব্বার, সালাউদ্দিন আহমেদ, সুজিত মোস্তফা, আইয়ুব বাচ্চু, আফরোজা বানু, শাহীন সামাদ, পাপিয়া সারোয়ার, খিলখিল কাজী, শহীদুল্লাহ ফরায়জী প্রমুখ।

 

শ্রদ্ধা নিবেদন করে নজরুল ইন্সটিটিউট, নজরুল একাডেমি, নজরুলসঙ্গীত শিল্পী পরিষদ, নজরুলসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা, আন্তর্জাতিক নজরুল চর্চা কেন্দ্র, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল, সোনারগাঁও জাদুঘর, বিএমএ, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, উদীচী, সত্যেন সেন শিল্পী গোষ্ঠী, বাসদ, কর্মজীবী নারী, মহিলা পরিষদ, সংস্কৃতি বিকাশ চর্চা কেন্দ্র, নৃত্যশিল্পী সংস্থা, ওয়ার্কার্স পার্টি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা, গ্রাম থিয়েটার, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, গণতন্ত্রী পার্টি, প্রতিধ্বনি, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি, গণসঙ্গীত সমন্বয় পরিষদ, বামবা, ঋষিজ, পদাতিক নাট্য সংসদ (টিএসসি), সাংস্কৃতি ইউনিয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, লেবার পার্টি, লেজার ভিশন, এটিএন বাংলা, আরটিভি, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, গান বাংলা টেলিভিশন, গণফোরাম, বিশ্ব কবিতা পরিষদ, স্রোত আবৃত্তি সংসদ, প্রজন্ম একাত্তর, আর্কাইভ ও গ্রন্থাগার অধিদফতর, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন, ভিন্ন ধারা, প্রকাশ আবৃত্তি সংগঠন, প্রতিসৃষ্টি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, জাতীয় নারী জোট, জাসদ ছাত্রলীগ, রাইজিং বিডি ডট কম, ঢাকা ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, দেশ নাটক, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, আওয়ামী উলামা লীগসহ অসংখ্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দল। সেখানে বেলা দুইটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত চলে শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্ব। শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্বে পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

 

শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্ব শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় গুলশানের আজাদ মসজিদে। সেখানে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে স্বামীর কবরের পাশে সমাহিত করা হয় শিল্পীকে। এর আগে সকাল আটটায় এ্যাপোলো হাসপাতালের হিমাগার থেকে শিল্পীর মরদেহ নিয়ে আসা হয় তার ইন্দিরা রোডের বাসভবনে। বেলা দেড়টায় সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।

 

নীরবতা পালন : বেলা দুইটা থেকে শুরু হওয়া শ্রদ্ধাঞ্জলি বিকাল চারটায় এক মিনিট নীরবতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এর আগে সব শিল্পী সমাজের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসির উদ্দীন ইউসুফ। নাগরিক শোকগাঁথা শ্রদ্ধাঞ্জলিতে ফিরোজা বেগমের মরদেহের পাশে সার্বক্ষণিক উপস্থিত ছিলেন হামিন আহমেদ, সাফিন আহমেদসহ পরিবারের সদস্যরা। তার আগে ফিরোজা বেগমের ছেলে হামিন আহমেদ পরিবারের পক্ষ থেকে তার মায়ের প্রতি দেশবাসীর এত ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

 

ফিরোজা বেগমের ভাই আসাফদ্দৌলা বলেন, ‘তিনি চলে যাওয়াতে শুধু আমাদের পরিবার নয়, বাঙালি জাতির পরম ক্ষতি হল।’ শামসুজ্জামান খান বলেন, ‘তার গায়কী ও সুন্দর চিন্তাকে লালন করা উচিত।’
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ব্যক্তিদের শোক : দেশের বিশিষ্ট নজরুলসঙ্গীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহল, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ব্যক্তিরা শোক প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার রাজনৈতিক ও তথ্য উপদেষ্টা সুজিত ঘোষ পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার এইচই পঙ্কজ শরণ। বিজ্ঞপ্তিতে হাইকমিশনার বলেছেন, ফিরোজা বেগম ছিলেন একজন প্রবাদপ্রতিম নজরুলসঙ্গীত শিল্পী। কিংবদন্তি এই শিল্পী শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারতেও ছিলেন সবার শ্রদ্ধারপাত্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এক শোক বার্তায় বলেন, কিংবদন্তি এই শিল্পী মাত্র ১২ বছর বয়সে সঙ্গীত জীবনের সূচনা করেন। তিনি তার সঙ্গীত জীবনে পেয়েছেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের দুর্লভ সান্নিধ্য।

 

ফরিদপুরে বিভিন্ন সংগঠনের শোক : ফরিদপুরের কৃতী সন্তান নজরুলসঙ্গীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের মৃত্যুতে বিভিন্ন সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে। ফরিদপুর নজরুল পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফজলুল হক তার শোকবার্তায় বলেন, শিল্পী ফিরোজা বেগমের মৃত্যুতে সঙ্গীত জগতে সৃষ্টি হল এক বিরাট শূন্যতা। যা পূরণ হাওয়ার নয়। এছাড়া শোক প্রকাশ করেছে ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদ, তমুদ্দন মজলিশ, ফরিদপুর প্রেস ক্লাব, ফরিদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম, যুগান্তর স্বজন সমাবেশ, ফরিদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি, ফরিদপুর প্রেস মিডিয়াসহ বিভিন্ন সংগঠন।

 

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ই.

 

বয়সের ছাপ কি দূরে রাখা যায়

 

Anti-ageing

 

অপরাজিতা ডেস্ক : এমন কথা অনেকবারই শুনে থাকবেন অ্যান্টি এজিং কসমেটিক ব্যবহার করুন ৪০-৫০ বছর বয়সে। কিন্তু এ ধরনের প্রসাধনী প্রায়ই আপনাকে প্রলুব্ধ করে। আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনগুলো বলে এগুলো আপনারই জন্য। আসলে কি তাই? এমন সংশয় আর নয়। সব বয়সেই আপনি অ্যান্টি এজিং প্রসাধনী ব্যবহার করতে পারেন। তবে মূল বিষয় হলো কোনটি কোন বয়সে করা যাবে বা যাবে না তা জানতে হবে। এ ছাড়া আপনার ত্বক কী চায় সেটা হলো প্রধান বিবেচ্য।

 

এটা শুধু বয়স নয়, লাইফস্টাইল, পেশা ও প্রতিদিনের শারীরিক পরিশ্রমের সঙ্গে জড়িত। তাই প্রসাধন মূল বিষয় নয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস দিতে পারে উজ্জ্বল ও তারুণ্যদীপ্ত ত্বক। ভুল খাবারে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়। প্রচুর মৌসুমী ফল ও শাক সবজি খান, যা ত্বককে কোমল ও নমনীয় রাখে। পর্যাপ্ত পানি ক্ষতিকারক টক্সিন দূর করে, ত্বককে রাখে মসৃণ।

এবার দেখা যাক কোন বয়সে কোন ধরনের অ্যান্টি এজিং সমাধান বেছে নিতে পারেন-

 

যাদের বয়স বিশের ঘরে : তরুণ ত্বকের জন্য নাইট ক্রিম ও সিরাম বেশি হয়ে যায়। যদি ত্বকে কোনো সমস্যা না থাকে, তবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ একদম অনুচিত। স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য সিরামের ব্যবহার খুবই খারাপ। এটি ত্বককে তৈলাক্ত ও ভঙ্গুর করে তোলে। তবে বিভিন্ন ব্রান্ডের ভালো অ্যান্টি এজিং ক্রিম বাজারে মিলে, যা এ বয়সের তরুণীরা দিনের বেলায় ব্যবহার করতে পারেন। এ বয়সে ত্বকের স্বাস্থ্য সবচেয়ে ভালো থাকে। ত্বকে কোলেজেনের উৎপাদনও বেশি হয়, যা ত্বককে নমনীয় রাখে। তাই দরকার না হলে অ্যান্টি এজিং প্রসাধনী ব্যবহার না করাই ভালো।

 

যাদের বয়স ত্রিশের কোটায় : ত্রিশের শুরুতে চোখ ও ঠোঁটের কোণে কিছু রেখা দেখা যায়। এটা নিয়ে ভয়ের তেমন কিছু নেই। এটা বয়সের চিহ্নের প্রথম লক্ষণ। সঠিকভাবে ত্বকের যত্ন ও খাদ্যাভ্যাস বয়সের এ ছাপ কমাতে পারে। কিন্তু একেবারে মুছে যাবে এমনটা ভাবা ভুল। এ ক্ষেত্রে সিরাম ব্যবহার করতে না চাইলে অ্যান্টি এজিং নাইট ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এটি নিয়মিত ব্যবহার করুন। এতে ত্বক পাবে সঠিক পুষ্টি, হবে স্বাস্থ্যবান।

 

যারা চল্লিশে পড়েছেন : নিশ্চয় বুঝতে পারছেন কোলেজেনের উৎপাদন ও ত্বকের টানটান ভাব কমে আসছে। ক্রিম ও সিরামের ব্যবহার ছাড়াও আপনি ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। ময়েশ্চারাইজার প্রতিদিন ব্যবহার করুন। মাঝ মাঝে অ্যান্টি এজিং ফেসিয়াল করুন, যা ত্বকে টানটান ভাব ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

 

পঞ্চাশ অথবা তার ঊর্ধ্বে : ত্বকে টানটান ভাব আর নেই। কিন্তু এ বয়সে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সূর্যের ইউভি রশ্মির কারণে তৈরি জটিলতা। যা ত্বকের রং নষ্ট করে দেয়। এ ছাড়া মেনোপজও ত্বকে প্রভাব ফেলে। এ সময় একজন ত্বক বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উচিত। নিয়মিত ফেসিয়াল ও অন্যান্য চিকিৎসা খানিকটা সাহায্য করতে পারেন।সূত্র ওয়েবসাইট

 

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ই.

 

প্রতিদিনের খাবারকে করে তুলুন আরও স্বাস্থ্যকর

 

অপরাজিতা ডেস্ক : আমরা যে ধরণের খাবার খেয়ে অভ্যস্ত তা থেকে সরে আসা আমাদের জন্য বেশ কষ্টকর। খাবার খাওয়ার সময় স্বাস্থ্য ঠিক রাখার ব্যাপারটা আমাদের কাছে আসে স্বাদের পরে। ফলে খাবারের মাধ্যমে সুস্থ দেহের আশা অনেকেই ছেড়ে দিয়ে ইচ্ছে মতো নানা ধরণের খাবার খেয়ে ফেলেন যা দেহের জন্য অনেক ক্ষতিকর। কিন্তু একটু সতর্ক থাকলে পছন্দের খাবারটিকেও করে তোলা যায় স্বাস্থ্যকর।

১

 

আমরা যাই খেয়ে থাকি না কেন তার মধ্যে সামান্য পরিবর্তন এনে খাবারটিকে স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারি আমারা নিমেষেই। জানতে চান কিভাবে? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।

 

২

 

চা/কফি বা পানীয়তে ১ চামচ কম চিনি নিন

চা/কফি কিংবা শরবত জাতীয় পানীয়তে চিনি ব্যবহার করতেই হয়। এখানেও একটু সাবধানতা আপনার চা।কফি ও শরবত পানের পদ্ধতিকে করে তুলবে স্বাস্থ্যকর। আপনাকে শুধুমাত্র ১ চামচ চিনি কম ব্যবহার করতে হবে। অভ্যাস করুন, দেহ থাকবে সুস্থ।

 

লবণের ব্যবহার কিছুটা কম করুন

চিপস খেতে মন চাচ্ছে? কিংবা স্বাদের জন্য পাতে নিচ্ছেন কিছুটা বাড়তি লবণ? তাহলে এক কাজ করুন এই কাজটি কম করে করুন। লবণের ব্যবহার খাবারে কম করে ফেলুন। লবণ ছাড়া চিপস অথবা পাতে আলাদা করে লবণ নেয়া বাদ দিন। একই খাবার খাবেন কিন্তু খাবারটা হয়ে উঠবে স্বাস্থ্যকর।

 

 

শুধুমাত্র ফলের রস পান করুন

ফল খেতে ইচ্ছে না হলে অনেকেই ফলের জুস পান করেন। কিন্তু সমস্যা হলো শুধুমাত্র ফলের রস কেউ পান করতে চান না। স্বাদের জন্য এতে মিশিয়ে নেন চিনি কিংবা মধু। এতে করে দেহে সুগার ও ফ্রুক্টোজের মাত্রা যাচ্ছে বেড়ে। তাই ফলের রসটা খাওয়ার চেষ্টা করুন কোনো ধরণের চিনি বা মধু বাদে। এতে ফলের রসের আসল পুষ্টি পাবেন।

 

৩

 

স্যুপ বা তরকারিতে সবজির পরিমাণ বাড়িয়ে দিন
স্যুপ খেতে ইচ্ছে হচ্ছে? তাহলে এক কাজ করুন অনেক ধরণের এবং অনেক বেশি পরিমাণে স্যুপের জন্য উপকারী সবজি দিয়ে ভেজিটেবল স্যুপ তৈরি করে ফেলুন। মাছ, মাংসের তরকারিতে বুদ্ধি খাটিয়ে সবজি যোগ করে দিন। এতে করে কিছুটা ভিন্ন ভাবেই দেহে পৌঁছে যাবে সবজির পুষ্টিগুন।

 

 

তেলের ব্যবহার কমিয়ে ফেলুন

বিকেলের নাস্তায় তেলে ভাজা কিছু খেতে ইচ্ছে হচ্ছে? তাহলে এই ইচ্ছেটাকে কিছুটা পরিবর্তন করে বেকড কিছু খাওয়ার চেষ্টা করুন। ডুবো তেলে ভাজা চিপসের চাইতে বেকড চিপস স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো। এছাড়াও যে কোনো রান্নায় তেলের পরিমাণটা একটু কমিয়েই দেখুন না। স্বাদ থাকবে এবং সুস্বাস্থ্যও নিশ্চিত হবে।

 

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ই.

 

বিএনপি’র রাজনীতিতে সক্রিয় হলেন ন্যান্সি

 

Nanci-top20140911171347

 

অপরাজিতা ডেস্ক : বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হলেন সংগীত শিল্পী ন্যান্সি। সম্প্রতি একটি টিভি অনুষ্ঠানে এসে ন্যান্সি রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা জানান।

 

১০ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থা [জাসাস] এর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি’র পদ পেয়েছেন তিনি।

বিএনপি’র রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে  ন্যান্সি জানান- রাজনীতি এবং গান দুটোতেই সক্রিয় থাকতে চান তিনি। এখন বেশ কিছু স্টেজ শো’তে ব্যস্ত আছেন এ শিল্পী। এছাড়া বেশ কিছু সিনেমার গানেও কণ্ঠ দিচ্ছেন তিনি।

 

 অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ই.