banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

যে ১৫ ধরণের পুরুষকে আজই বিদায় করবেন জীবন থেকে!

 

sajal

অপরাজিতা ডেস্ক : শিরোনাম পড়ে একটু চমকে যাওয়াই স্বাভাবিক। তবে যতই চমকান না কেন, এই ১৫ ধরণের পুরুষকে চিনে রাখা এবং নিজের জীবন থেকে বিদায় করা আসলেই প্রত্যেক নারীর জন্য জরুরী। পুরুষটি আপনার প্রেমিক হোক কিংবা বিশেষ বন্ধু, এই ১৫ ধরণের পুরুষ থেকে একশ হাত দূরত্ব বজায় রাখবেন অবশ্যই। আর জীবনে থেকে থাকলে আজই বিদায় করবেন।

কেন? সেই “কেন”-টার জবাব পেয়ে যাবেন এই ফিচারটি পড়লেই।

১) সবদিক ভালো, কিন্তু আপনার পিতামাতা নিয়ে কটু মন্তব্য করে
সে হয়তো সবদিক দিয়েই দারুণ ভালো। দেখতে হ্যান্ডসাম, শিক্ষিত, ভালো একটা উপার্জন উৎস আছে, আচরণও ভালো। কিন্তু সে কারণে-অকারণে আপনার মা বাবাকে নিয়ে কটু মন্তব্য করে। এমন কাউকে কি চেনেন আপনি? তাহলে আজই ১০০ হাত দূরত্ব বজায় রাখুন।

২) কেবলই যৌনতার বিষয়ে আলাপ করতে চায়
আপনার বন্ধু হোক বা প্রেমিক, যে মানুষটি শুধুই যৌনতা নিয়ে আলাপ করতে চায় তার থেকে যত দূরে থাকবেন, তত নিরাপদ আপনি। প্রেমের সম্পর্কে যৌনতার প্রসঙ্গ থাকবেই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সারাক্ষণ থাকবে বা শুধু সেই ব্যাপারেই আগ্রহ দেখাতে হবে।

৩) যে আপনাকে অকারণে হাসাতে পারে না
লক্ষ্য করে দেখুন তো, মানুষটা কি আপনাকে হাসাতে পারে? যদি তার সংস্পর্শে থাকলে আপনি হাসতেই না পারেন, তাহলে তাকে নিয়ে ভবিষ্যৎ চিন্তা করবেন না কখনো। জীবনটা রাম গরুরের ছানা হয়ে কাটাতে হবে!

৪) যার কথা চিন্তা করে আপনার মন ভালো হয়ে যায় না
আপনার বিশেষ বন্ধু হোক কিংবা প্রেমিক, তার কথা চিন্তা করলেই কি আপনার ঠোঁটের কোণে ফুটে ওঠে এক টুকরো হাসি? যদি তা না হয় তাহলে তার সাথে সম্পর্ক করার ভাবনা আজই ত্যাগ করুন।

৫) সে বেশ হ্যান্ডসাম, কিন্তু বিয়ে করার জন্য যোগ্য নয়
শুধু দেখতে ভালো হওয়াটাই স্বামী হবার জন্য যথেষ্ট নয়। অনেক মেয়েই কেবল রূপ দেখে ছেলেদের প্রেমে পড়ে যান, যা চরম ভুল। একজন যোগ্য স্বামী হবার জন্য ভালো মানুষ, ধৈর্যশীল এবং যত্নশীল হওয়া সবার আগে প্রয়োজন।

৬) যার সাথে কথা বলার বিষয় পান না
কিছুক্ষণ কথা বলার পর আর বলার মত কোন বিষয় খুঁজে পান না? কিংবা কথোপকথন চালিয়ে যেতে কষ্ট হয়? নাকি আপনি একলাই বলেন আর সে হু হ্যাঁ করে? এমন মানুষ আপনাকে বিরক্ত করে ফেলবে জীবনের পথে। তাই দূরে থাকুন।

৭) আপনার বন্ধুদের সাথে সহজ নয়
এই মানুষটি আগে আসেনি জীবনে, আগে বন্ধুরাই এসেছে। আর প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর মানে এই নয় যে বন্ধুদের ভুলে যেতে হবে। যে আপনার বন্ধুদের পছন্দ করে না, সে একসময় তাঁদেরকে নিয়ে সন্দেহ করে করে জীবন ঝালাপালা করে দেবে।

৮) যে আপনার পরোয়া করে না
যে আপনাকে যত্ন করতে পারে না তার সাথে সম্পর্ক রাখা মানে যেচে গিয়ে অবহেলিত হওয়া।

৯) স্বার্থপর
স্বার্থপর একজন মানুষ কোন সম্পর্কেই ভালো নয়, বিশেষ সম্পর্কে কীভাবে হবেন?

১০) যে আপনাকে ভালোবেসে ছোটখাট উপহার দেয় না
উপহার দামী মানেই কি ভালোবাসা? বরং ছোট্ট উপহারে জড়িয়ে থাকে অনেকখানি আদর। একটা ফুল, একটা কাজল, এক পাতা টিপ কিংবা একটি বই কিংবা গানের মত ছোট্ট উপহার যিনি দিতে জানেন না; তিনি আসলে আপনাকে নিয়ে ভাবেনই না।

১১) যে আপনাকে সম্মান করে না
ভালোবাসা অনেক পরে, আগে তো সম্মান চাই। সম্মান যে কোন সম্পর্কের ভিত্তি।

১২) যে আপনার নীরব অভিমান বোঝে না
অভিমান করে গাল ফুলিয়েছেন, সে সেটা না বুঝে পাল্টা ঝগড়া শুরু করে দিলেন। এমন মানুষের সাথে জীবনটা ঝগড়া করেই কাটবে।

১৩) আপনার কথা কখনো না শুনে নিজেই বলে যায়
আপনার ব্যাপারে জানতে চায় না, আপনার কথা শোনে না। তার জগত জুড়ে শুধু “আমি আমি আমি”। আপনার বিশেষ পুরুষটি কি এমন? আজই ত্যাগ করুন।

১৪) যাকে বিশ্বাস করতে পারেন না মন থেকে
বিশ্বাস না থাকলে সম্পর্কের প্রশ্নই ওঠে না!

১৫) আপনার ভাইবোনদের যার ভালো লাগে না
প্রেম করবেন নিশ্চয়ই বিয়ে করার জন্য? আর বিয়ের পর আপনার ভাইবোনদের মানুষটা অপছন্দ করলে ভালো লাগবে আপনার? একদমই তো না। যে এখন পছন্দ করছেন না, তিনি বিয়ের পর আরও অপছন্দ করবেন। সূত্র: ওয়েবসাইট

 

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ই.

 

স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া মেটাতে করণীয়

 

husband

অপরাজিতা ডেস্ক : সংসার মানেই হাসি-কান্না ও সুখ-দুঃখের সম্মিলন। সংসারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মধুর দাম্পত্য সম্পর্কের পাশাপাশি মনোমালিন্য হওয়াও স্বাভাবিক। কিন্তু এই মনোমালিন্য যদি হয় নিয়মিত তাহলে তা মোটেও সুখকর নয়।
খেয়াল রাখতে হবে, কোনোভাবেই যেন রাগ দীর্ঘস্থায়ী না হয়। মনোমালিন্য খুবই খারাপ সমস্যা, যা সুন্দর সম্পর্ককে নষ্ট করে দিতে পারে। তবে কিছু কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে সচেতন স্বামীরা সহজেই স্ত্রীর রাগ সামলে নিতে পারেন।
নিচে তেমন কিছু বিষয় জানান হলো-
স্ত্রী কিসে খুশি হয় সেটি খুঁজে বের করুন : প্রতিটি নারীর কিছু দুর্বল জায়গা থাকে। কিছু কিছু সাধারণ বিষয় থাকে, যাতে স্ত্রীরা খুব অল্পতে পটে যায়। তার একটি তালিকা তৈরি করুন। নিয়মিত তা চর্চার চেষ্টা করুন।
প্রতিজ্ঞা রক্ষার চেষ্টা করুন : স্ত্রীর কাছে কোনো প্রতিজ্ঞা করলে বা প্রতিশ্রুতি দিলে তা রক্ষা করার চেষ্টা করুন। ভুলবশত তার রাগের কারণে বড় কোনো অঙ্গীকার করা ঠিক না। যদি কখনও কোনো অঙ্গীকার ভঙ্গ করেই থাকেন তবে তা না লুকিয়ে বরং তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করুন।
রাগের সময় যুক্তি দিতে যাবেন না : যখন আপনার স্ত্রী প্রচণ্ড রেগে যান, তখন কোনো কথা সে শুনতে পছন্দ করবে না। তাই কথা না বলে শুধু তার দিকেই দৃষ্টি রাখুন। এমন কিছু করবেন না যাতে সে আরও রেগে যায়। আবার তার রাগকে তাচ্ছিল্যও করবেন না। রেগে গেলে তর্ক করবেন না বা পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করবেন না বরং আন্তরিক হওয়ার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন অনেক সময় রাগান্বিত অবস্থায় কোনো যুক্তি উপস্থাপন করলে তা আরও রাগের হয়ে দাঁড়ায়। স্ত্রীর পাশে বসুন, স্ত্রী শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাগের বিষয় জানতে চাইবেন না। রাগের কারণ জানার জন্য কিছু সময় অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না আপনার স্ত্রী শান্ত বা প্রাণবন্ত না হয়।
একমত হন, প্রয়োজনে আত্মসমর্পন করুন : আপনি আপনার স্ত্রীর মতের সঙ্গে একমত নন। কিন্তু শান্ত করার জন্য একমতের ভান করতে পারেন। জানান তার কথার সঙ্গে আপনি একমত। হতে পারে তা আপনার মাথা নাড়ানোর মাধ্যমে, মাঝে মাঝে বশ্যতা প্রকাশ করুন।
আঘাত করবেন না : অনেক সময় স্ত্রী আবেগ প্রকাশের জন্যও রাগ দেখায়। বিশ্বজুড়ে এটি স্ত্রীদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। তার রাগের কারণ হতে পারে আপনার আচরণ, চাকরি কিংবা খোঁচা মেরে কথা বলা। আবার এও হতে পারে, সে যা বলে তা সম্পর্কে নিজেও অবহিত নন। এ সময় তাকে শান্ত করার চেষ্টা করুন। পরবর্তী সময়ে দুজনে বিষয়টি নিয়ে বসুন, নতুন করে আলাপ করুন।
মনে রাখবেন, ভুলেও স্ত্রীর গায়ে হাত তুলবেন না। এটি কাপুরুষতার অন্যতম লক্ষণ।
খোঁচা নয় পরামর্শ দরকার : অনেক কারণেই আপনার স্ত্রীর মনে রাগ ক্ষোভ-জমে থাকতে পারে। হতে পারে এটি আপনার বাবা-মায়ের কারণেও। তাই হঠাৎ আপনার সঙ্গে কঠিন করে কথা বললে তার প্রতিউত্তর না দেওয়ারই চেষ্টা করবেন। তাকে তার অতীত, পাবিারিক অবস্থা, স্বভাব নিয়ে খোঁচা দিবেন না বরং কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় বা সে নিজেকে শুধরে নিতে পারে সে বিষয়ে পরামর্শ দিন।
মনে রাখবেন, অধিকাংশ নারী রেগে গেলে তা মুখে প্রকাশ করে। এটি হরমোনের কারণে হয়ে থাকে। রাগের সময় তাকে শান্ত হতে সাহায্য করুন, যা সবার জন্য ভাল। দেখবেন তিনি বলছেন, ঝগড়ার দৃশ্য তাকেও বিরক্ত ও হতাশ করে। সূত্র: ওয়েবসাইট

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ই.

 

রেসিপি: নারিকেল দুধে হাঁসের মাংস

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম: আপনি কি ভোজন রসিক? রান্না করতে ভালবাসেন? যারা নতুন নতুন রান্না শিখতে এবং শেখাতে ভালবাসেন তাদের জন্য নতুন ও মজাদার রেসিপি’র মধ্যে নারিকেল দুধে হাঁসের মাংস অন্যতম।

 

resize_1409579135

 

উপকরণ
হাঁস ২টি, নারিকেল বাটা ২ কাপ, আদা বাটা ২ চা চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়ো ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, পোস্ত বাটা আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়ো ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, তেজপাতা ৩টি, লবণ ১ চা চামচ, হলুদগুঁড়ো আধা চা চামচ, চিনি আধা চা চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ।

 

 

যেভাবে তৈরি করবেন

১. মাংস মাঝারি ধরনের টুকরো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে লবণ ও মরিচ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন।
২. তেল গরম হলে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে তেজপাতা ও সব মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ কষান।
৩. নারিকেল বেটে গরম পানিতে দুধ করে নিন। মাংসের পানি শুকিয়ে তেল ওপরে উঠলে নারিকেল দুধ দিন।
৪. ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে ঝোলমাখা হলে জিরাগুঁড়ো ও ঘি দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ই.