banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

ঘরের সাজ

 

6_126032

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম: অপেক্ষার পালা শেষ হওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে। হাতে আর বেশি সময় নেই। সারা দিন কাজে ব্যস্ত থাকা, সেই সঙ্গে ঈদের শপিং এবং বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার ফলে কীভাবে যে রোজার মাসটা শেষ হতে যাচ্ছে টেরই পাওয়া যায়নি। কয়েকদিন পরই ঈদ। আর ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। ঈদের দিন আমরা সবাই সেজেগুজে পরিচ্ছন্ন পরিপাটি হয়ে থাকতে পছন্দ করি। শুধু নিজে সাজলেই হবে? নিজের ভালোবাসার ঘরেও আনতে হবে ঈদের আনন্দ। তা না হলে ঈদের সব আনন্দই মাটি হয়ে যাবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের রুচিরও পরিবর্তন হচ্ছে। তাই তো আজকাল সবাই সচেতন। তাই ঈদের দিন ঘরের সাজটা কেমন হবে সেটা নিয়ে রইল আজকের আয়োজন।

 

ড্রইং রুম : ঈদের দিন যে ঘরটি বেশি অতিথিদের চোখে পড়ে সেটি হল ড্রইং রুম। কারণ প্রথমেই যখন কোনো গেস্ট ঈদের দিন বাসায় বেড়াতে আসে তখন আমরা তাকে সাধারণত ড্রইং রুমেই প্রথমে নিয়ে যাই। তাই ড্রইং রুমকে সুন্দর করে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখতে হবে। তবে যেভাবেই সাজই না কেন প্রথমে যেটা খেয়াল রাখতে হবে সেটি হল ঘরের আয়তন। এর ওপর ভিত্তি করে সোফা, কার্পেট, পর্দা, ঝাড়বাতি ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। যেমন ঘরের আয়তন যদি বড় হয় তাহলে আমরা বড় সোফা রাখতে পারি। এর সঙ্গে মিলিয়ে সেন্টার টেবিল, ল্যাম্পশেডও রাখা যেতে পারে। এছাড়া বসার ঘরটিতে আরও নান্দনিকতার ছোঁয়া আনতে হলে সিলিংয়ে যদি বিম থাকে তবে সেখানে স্পটলাইটের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এর ফলে ঘরটি উজ্জ্বল ও আরও বড় লাগবে। এছাড়া আমরা কিছু তাজা ফুলও ইনডোর প্লান্ট ও ড্রইং রুমে রাখতে পারি। ফুল পবিত্রতার প্রতীক। ফুলের স্নিগ্ধ গন্ধ অতিথির মন যেমন কেড়ে নেবে সেইসঙ্গে বাড়িতে বসবাসকারী সদস্যদের মনমানসিকতারও পরিচয় বহন করবে।

 

ডাইনিং রুম : ডাইনিং রুমটিও খুব ছিমছাম ও পরিপাটিভাবে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখতে হবে ঈদের দিন। খাওয়া-দাওয়ার প্রতি বাঙালির ভালোবাসা চিরকালীন। আর সেই খাওয়ার জায়গাটি যদি নিখুঁত, পরিপাটি হয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই। তাই ঘরে কোনো বাড়তি জিনিসপত্র না রেখে ডাইনিং রুমের একপাশে ডিনার ওয়াগন রেখে সেখানে সব থালাবাসন, চামচ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখতে পারেন। এতে করে ঈদের দিন যে কোনো সময় অতিথি এলে সেগুলো সহজে ব্যবহার করতে পারবেন।

 

খাবার ঘরে আলো পর্যাপ্ত থাকলে ভালো হয়। এখানেও ফলস সিলিংয়ে আলোর ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া ডাইনিং রুমের দেয়াল কোনো ফলের ছবি দিয়ে সাজাতে পারেন। আবার ডাইনিং টেবিলে রানার ব্যবহার করতে পারেন। রানার বিভিন্ন মার্কেটেও পাওয়া যায়। ইচ্ছে করলে আপনি নিজেও বানিয়ে নিতে পারেন। রানারে লেস বা কাতান কাপড়ও ব্যবহার করতে পারেন নিজের পছন্দমতো। এছাড়া পর্দা, ডেকোরেশনগুলোও ফার্নিচারের সঙ্গে মিল রেখে সাজাতে পারেন। ঈদের আগের রাতে সবকিছু গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করুন। তাহলে আপনার অতিথিদের মুগ্ধ দৃষ্টি ঈদের আনন্দকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। শেষ কথা হল- যেভাবেই ঈদের দিন ঘর সাজান না কেন, সবকিছুতেই যেন আন্তরিকতার ছোঁয়া থাকে। আনন্দে থাকুন। সবার জন্য রইল ঈদের শুভেচ্ছা।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/যুগা/আরএ/এ/২৪জুলাই ২০১৪.

ঈদের কেনাকাটায় নারীর ব্যস্ততা

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম:  ঈদ সামনে রেখে পুরোদমে শুরু হয়েছে ঈদের কেনাকাটা। নতুন ডিজাইনের পোশাক কিনতে রাজধানীর শপিং মলগুলোয় দিন দিন বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। আর এ কেনাকাটায় এগিয়ে রয়েছে মধ্য বয়স্ক নারী ও তরুণীরা।

 

tmth

 

নতুন ডিজাইনের সালোয়ার কামিজ : রাজধানীর নিউমার্কেট, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সেসহ সকল শপিংমল ও ফ্যাশন হাউসগুলোতে নতুন ডিজাইনের সালোয়ার কামিজ শোভা পাচ্ছে। তবে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ঈদকে কেন্দ্র করে হিন্দি সিনেমা, সিরিয়াল, বিভিন্ন চরিত্রের নামে ও নায়ক-নায়িকার নামে নাম রাখা হয়েছে শাড়ি ও থ্রিপিসের।

বিভিন্ন শপিংমল ঘুরে দেখা যায়, ধুম-থ্রি, লুঙ্গিড্যান্স, রামলীলাসহ হিন্দি সিরিয়ালের চরিত্র পাখি, গুঞ্জন, বিড়া, মধুরমা, মনের খুশি, তেরেঙ্গা, ফড়িং, কলকাতার নায়িকা কোয়েল মল্লিকের নামেও পোশাকের নামকরণ করা হয়েছে।

 

রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, নয়াপল্টন, এলিফ্যান্ট রোড, ধানমন্ডির শপিংমল, বসুন্ধরা সিটি, কর্ণফুলি গার্ডেন সিটি, গুলশান, বনানী, উত্তরাসহ বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে ভারতীয় এ সব পোশাক। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আমদানিকারকরাই পোশাকের বিচিত্র নাম দিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন।

গাউছিয়া মার্কেটের শাড়ি মেলার স্বত্বাধিকারী ওসমান ফারুক বলেন, ‘ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে মূলত এ সব নাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। গত কয়েক বছর ধরেই ঈদের বাজারের পোশাকের নাম ভারতীয় নায়িকা, সিরিয়ালের নামে নামকরণ করা হচ্ছে। ক্রেতারা খুশি হয়েও নতুন নামের পোশাকে কিনতেই এখন পছন্দ করে।’

 

দেখা যায়, এ সব পোশাকের জৌলুস বাড়াতে ব্যবহার করা হয়েছে লেইস, চুমকি, পুঁতি, ব্লক, পট্টি, এমব্রয়ডারি, কারচুপি, অ্যাপলিক, কুচি এবং হরেক রকমের সুতোর বুনন। এদিকে গরমের সিজন হওয়ায় ডিজাইনাররা লাল-নীল-হলুদ-সাদা-গোলাপীসহ অনেক উজ্জল রং বেছে নিয়েছেন।

 

timthumb (2) 

 

নিউমার্কেটে আসা ক্রেতা তানিয়া জাহান বলেন, ‘এবার ঈদে নতুন ডিজাইনের সালোয়ার কামিজ এসেছে। তবে পোশাকের দাম যাই হোক, ওই দামেই তিনি কিনবেন।’

ওড়নার ফ্যাশন : কামিজের সঙ্গে তো বটেই, ফতুয়া দিয়ে ওড়না পরার ফ্যাশনও এখন বেশ চলছে। পাশাপাশি ছেলেদের টি-শার্ট কিংবা পাঞ্জাবির সঙ্গেও মানানসই ওড়নার ব্যবহার নজরকাড়া। আর ঈদে তো চাই বাড়তি ফ্যাশন। ফ্যাশন হাউসগুলোর পাশাপাশি রাজধানীর গাউছিয়া ও চাঁদনী চকে হরেক রকমের ওড়না পাওয়া যাচ্ছে।

 

চাঁদনী চকের ওড়না ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে মসলিনের ওড়না বিশেষ করে সাদা ও সোনালি রঙের মসলিন ওড়নাই বেশি চলছে। মসলিনের ওড়নাগুলো সাত-আটটি রঙে পাওয়া যায়। এ ছাড়া চুনট ওড়না ১১০ টাকা, এমব্রয়ডারির কাজ করা ও পাড়সহ জর্জেটের ওড়না ২৫০ টাকা, নাইলনের টানা সুতি ও বিন্দু ওড়না ১৫০ টাকা, খাদি ও তাঁতের ওড়না ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

নিউমার্কেটের ওড়না ক্রেতা নাজনীন নাহার জানান, তৈরি পোশাকের চেয়ে দর্জি দিয়ে তৈরি পোশাকের মান অনেক ভালো। তাই এখান থেকে কাপড় কিনেছি। এখন ম্যাচিং করে শিফনের ওড়না কিনছি।
তিনি আরও বলেন, ‘অন্যান্য মার্কেটের তুলনায় এখানে অল্প দামে ভালো ওড়না পাওয়া যায়। কাপড় অনুপাতে দাম রাখছে। এ ছাড়া অন্যান্য পোশাকের চেয়ে ওড়নার দাম অনেক কম।’

 

ফ্যাশন হাউস নগরদোলায় রয়েছে মসলিনের স্ক্রিন প্রিন্টের ওড়না, সুতির ওড়না, খাদির ওড়না, বিভিন্ন শেড ও এক কালারের ওড়না, মণিপুরি ওড়না পাওয়া যাচ্ছে। এ সব ওড়না ২৭০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে।

 

ফ্যাশন হাউসে বাঙালিয়ানা পোশাক : ঈদকে কেন্দ্র করে ফ্যাশন হাউসগুলোতে খুব বেশি পরিবর্তন হচ্ছে না এ ট্রেন্ড বা ধারার। সিজনটা গরমের হওয়ায় সালোয়ার-কামিজের কাপড় হিসেবে সুতিই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে বলে জানালেন ডিজাইনাররা। এ ছাড়া অ্যান্ডি কটন, তাঁত, সিল্ক, হাফসিল্ক, শিফন, চিনন আর কাতানটাও চলছে বেশি। রঙেও এসেছে বৈচিত্র্য। লাল, নীল, মেরুন, সবুজ, ফিরোজা, ম্যাজেন্টা, কমলা, গোলাপিসহ নানা উজ্জ্বল রং ব্যবহার করা হচ্ছে কাপড়ে।

 

আজিজ সুপার মার্কেটের ফ্যাশন ডিজাইনার নীপা খালিদ জানান, এবার নরমাল ছাঁটের কামিজে ভ্যালু অ্যাডিশন হিসেবে কারচুপি, লেইস, পট্টি ব্যবহার করা হয়েছে। আর কামিজ হচ্ছে লম্বায় ছোট। শর্ট চুড়িদার ও সামান্য একটু ভাঁজ করা ধুতি সালোয়ারের পাশাপাশি নরমাল সালোয়ারতো আছেই। কামিজের সঙ্গে মিল রেখে সালোয়ারে করা হয়েছে মেশিন এমব্রয়ডারি।

 

আড়ং, মায়াসির, কে-ক্রাফট, প্রবর্তনা, রঙ, বাংলার মেলা, চরকা, অন্যমেলা, অঞ্জনস, নগরদোলা, সাদাকালো, বিবিয়ানা, ক্রিয়েশনস, কীত্তনখোলা, ওজি, দেশাল, বাঙ্গাল, মাঠসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসে বিভিন্ন ডিজাইনের সালোয়ার কামিজ উঠেছে। আর এ সব পোশাকের দাম নিম্নে ১৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

 

পছন্দের শীর্ষে শাড়ি : ঈদকে ঘিরে এবার ফ্যাশন হাউসগুলো এবং দোকানিরা বাহারি নাম আর ডিজাইনের শাড়ির পসরা সাজিয়ে বসেছেন। এর সঙ্গে মিরপুরের বেনারসী পল্লীর ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়েছেন ঐতিহ্যবাহী কাতান, জামদানি, তাঁত ইত্যাদি শাড়ির।

 

নিউমার্কেটের রাজশাহী সিল্ক-এর দোকানি মাহবুব হায়দার জানান, ঐতিহ্যবাহী শাড়ির চাহিদা সব সময়ই থাকে। তবে ঈদ মৌসুমে শাড়ি বিক্রি অনেক বেড়ে যায়। এর মধ্যে আবার রাজশাহী সিল্কের শাড়ি নারীদের পছন্দের শীর্ষে থাকে। এ সব শাড়ির দাম ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা।

 

জানা যায়, ঢাকাই জামদানি আড়াই হাজার থেকে ৮-৯ হাজার টাকা, সুতি তাঁতের শাড়ির দাম ২৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, মিরপুরের তৈরি কাতানের দাম দেড় হাজার থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

 timthumb

এদিকে বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের শো-রুমগুলোতে আনা হয়েছে হাজার রকমের বুটিক, চুমকি, অ্যাপ্লিক, কারচুপি, প্যাঁচওয়ার্ক ও হাতের কাজ করা বাহারি ডিজাইনের শাড়ি। ডিজাইনের পাশাপাশি দামটাও বেশ চড়া হওয়ায় অনেক ক্রেতা এখনও এই শাড়িগুলো দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছেন। এখানকার শাড়ির দাম নিম্নে ৮ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

 

জামদানি শাড়ি কুটিরের বিক্রেতা সাইফুল আহমেদ জানান, তার দোকানে সর্বনিম্ন ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের জামদানি শাড়ি রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি, সুতির জামদানি শাড়ি ইত্যাদি।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/দ্য:রি:/আরএ/এ/২৪ জুলাই ২০১৪ই.

খুশির ঈদে মেহেদি রাঙা হাত

অপরাজিতাবিডি ডটকম: এসেছে খুশির ঈদ। ঈদের আনন্দ আর মেহেদির রঙ, যেন একে অন্যের পরিপূরক। মেহেদি ছাড়া ঈদ কল্পনাও করা যায় না। এবার ঈদেও নিশ্চয়ই প্রিয় দু’টি হাত রাঙাবেন মেহেদির রঙে? তাহলে চলুন জেনে নিই মেহেদি পরার টুকিটাকি।

11_126034

কেমন নকশা
লম্বা হাতার পোশাক পরলে কনুই পর্যন্ত মেহেদি না পরাই ভালো। কালো মেহেদি হাতের তালুতে না দিয়ে ওপরে দিতে পারেন। কালো মেহেদির ক্ষেত্রে জ্যামিতিক নকশা চলছে এখন। জ্যামিতিক ছাড়াও একটু চেক ধাঁচের, কোনাকুনি নকশাও পরতে পারেন। তবে লাল মেহেদি যে কোনো নকশা করেই দিতে পারেন। পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গে কালো মেহেদি দিয়ে অঙ্কিত অল্প নকশাই ভালো লাগবে। যারা শাড়ি অথবা সালোয়ার-কামিজ পরবেন, তাদের জন্য নকশা হবে কিছুটা ভিন্ন। হাতভর্তি কিংবা একটু বেশি নকশা মানিয়ে যাবে পুরোদমে। কারুকার্যে প্রাধান্য পেতে পারে লতাপাতা, ফুল বা কলকা। মেহেদি লাগানোর আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। এরপর শুকনো করে হাত মুছে ফেলুন। মেহেদি লাগানোর আগে হাতে ক্রিম বা তেল লাগাবেন না। পছন্দমতো নকশায় এবার এঁকে ফেলুন দুই হাত। হাতে লাগানো মেহেদি পুরোপুরি শুকাতে দিন। ঈদের যত কম ব্যবধানে মেহেদি লাগান যাবে, ততই ভালো। সবচেয়ে ভালো হবে যদি চাঁদরাতে লাগান।

 

মেহেদির রঙ কীভাবে গাঢ় করবেন

মেহেদি লাগানোর পরে যখন মেহেদি একটু একটু করে শুকাতে শুরু করবে তখন একটি পাত্রে সামান্য লেবুর রস আর চিনি মিশিয়ে তুলার বল দিয়ে হাতে মিশ্রণটি লাগান। মেহেদির ওপর ঘষাঘষি করবেন না। আলত করে শুকিয়ে যাওয়া মেহেদির একটু ওপর থেকে তুলার বল চিপে ফোঁটা ফোঁটা করে লেবু আর চিনির মিশ্রণটি পুরো হাতে লাগাবেন। লেবুর রস মেহেদির রঙটা পুরোপুরি মেহেদির পেস্ট থেকে বের করতে সাহায্য করে আর চিনি সেই রঙ আর মেহেদি অনেক্ষণ হাতে আটকে রাখতে সাহায্য করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ২/৩ ঘণ্টা আগে লাগান, এবং সারা রাত হাতে মেহেদি রেখে দিন। মেহেদি শুকিয়ে গেলেও হাত ধুবেন না। আপনা আপনি কিছু পড়ে যাবে আর বাকিগুলো হাতে রেখেই ঘুমাতে পারেন অথবা হাত ঘষে মেহেদি ফেলে দিতে পারেন। অন্তত ৮ ঘণ্টা পানি থেকে হাত দূরে রাখুন। যত দেরিতে পানি লাগাবেন হাতে তত বেশি রঙ গাঢ় হবে।
কোথায় পাবেন
বাজারে বিভিন্ন আকারের বিভিন্ন মেহেদি পাওয়া যায়। এসব মেহেদির দাম পড়ে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকা পর্যন্ত। যে কোনো কসমেটিকসের দোকান কিংবা সুপার শপ থেকে সংগ্রহ করতে পারেন আপনার পছন্দেও মেহেদি। বাজারে অনেক ব্র্যান্ডেও মেহেদি পাওয়া যায়। এর মধ্য থেকে আপনি হাতে দীর্ঘস্থায়ী রঙ রাখতে বেছে নিতে পারেন আলমাস মেহেদি। আর মেহেদির রঙে আকর্ষণীয় আউটলুক আনতে বেছে নিতে পারেন গিলিটার। বাজারে পাওয়া যাবে বিভিন্ন রঙের গিলিটার, যেগুলো আপনার মেহেদির সাজকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। আবার একেক রূপচর্চাকেন্দ্রে একেক দামে মেহেদি পরান হয়। সেটি নকশা ও হাতে কতটুকু দিচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে। আর মেহেদি পাতা পাওয়া যায় প্রায় সব কাঁচা বাজারেই। বাজার থেকে মেহেদি পাতা কিনে এনে বেটেও মেহেদি পরতে পারেন।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/২৪ জুলাই ২০১৪ই.