banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

ঈদে নকশা'য় নানা নকশার ফার্নিচার

C5Edh

অপরাজিতাবিডি ডটকম: ঈদ উপলক্ষে নকশা ফার্নিচার লিমিটেড নিয়ে এসেছে নতুন ডিজাইনের ফার্নিচার। তাদের মিরপুরের শোরুমে সাজানো ফার্নিচারগুলো দেখে নিজের পছন্দ মতো বেছে নিতে পারেন। নকশা ফার্নিচার লিমিটেডের কার্যক্রম শুধু দেশেই না; তারা জাপান, যুক্তরাজ্য, আমেরিকা, ইতালি, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশে ফার্নিচার রপ্তানি করে আসছে সুনামের সাথে। ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে সুখ্যাতির সাথে ফার্নিচার জগতে অনন্য হয়ে উঠছে প্রতিষ্ঠানটি।

নকশা’র সেলস ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম জানান, নকশার স্লোগান হচ্ছে – “It’s All About Design”। আমাদের ফার্নিচারের ডিজাইন নান্দনিক ও শৈল্পিক। উন্নত কাঠ দিয়ে কাঠের ফার্নিচারগুলো তৈরি হয়।

গুণগত মানের ক্ষেত্রে নকশা কখনো কম্প্রোমাইজ করে না।

তিন আরো জানান যে তাদের রয়েছে হোম ফার্নিচার, অফিস ফার্নিচার, ডোর এন্ড ফ্লোর, কিচেন ইন্টারিওর আর গার্ডেন ফার্নিচারের কালেকশন। এগুলো তৈরি করা হয় চট্টগ্রামের কারখানায়।
হোম ফার্নিচারের মাঝে রয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের সোফা, ডিভাইন, সেন্টার টেবিল, ওয়ার্ড্রব, ডায়নিং টেবিল, সোকেস, টিভি কেবনেট, মিনি কেবিনেট, কর্নার টেবিল, ডিনার ওয়াগন। রয়েছে অফিস ফার্নিচারের বিশাল সম্ভার।

DSC_0

 

ডিজাইন অনুযায়ী দামের রকমফের আছে। তবে ম্যানেজার ইসলাম বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে আমরা এবার ৪০% পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছি। পাঠকরা দেখে আসতে পারেন নকশা ফার্নিচার লিমিটেডের ওয়েব সাইট থেকে তাদের বৈচিত্রময় ফার্নিচার কালেকশন। তবে শোরুমে গিয়ে দেখলে আপনি পাবেন কাঠের মান ও রঙ নিয়ে স্পষ্ট ধারণা। আসছে ঈদে আপনার ঘর সাজিয়ে তুলুন নতুন ফার্নিচারে। ঈদ হোক আনন্দের। অগ্রিম ঈদ মুবারক।

 

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১৮জুলাই ২০১৪ই.

রঙের হাতব্যাগ কালেকশন

1

অপরাজিতাবিডি ডটকম : দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সবার সামনে তুলে ধরার লক্ষে ১৯৯৪ সালের ২০’ শে ডিসেম্বর চার জন তরুণ রঙ ফ্যাশন হাউজ প্রতিষ্ঠা করেন। রঙ ফ্যাশন হাউজের প্রধান কার্যালয় নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে রঙ ফ্যাশন হাউজের ১১ টি শাখা রয়েছে। রঙ ফ্যাশন হাউজ মূলত একটি বুটিক হাউজ। ফ্যাশন হাউজটি বিশেষ কারুকার্য ও নকশার জন্য সুপরিচিত।

ঈদ উপলক্ষে ফ্যাশন হাউজ রঙে এসেছে দারুণ জমকালো ব্যাগের একটা বিশাল কালেকশন। মার্কেট ঘুরে বোঝা গেল, অন্য যে কোন হাউজের চাইতে রঙের কালেকশনটাই সবচাইতে বেশি আকর্ষণীয় ব্যাগের ক্ষেত্রে। ডলার বসানো ও সুতার কাজ করা বটুয়া ব্যাগ ছাড়াও আকারে ছোট একাধিক পকেটবিশিষ্ট সুতায় বোনা পার্টি ব্যাগ পাওয়া যাবে এখানে। দাম ২৯০-৭০০ টাকা আছে হরেক রকম নকশা ও রঙের বাহার। আসুন, দেখি রঙের হাত ব্যাগ কালেকশন থেকে দারুণ কিছু ডিজাইন।

2

লেদারের তৈরি ভিন্ন ধর্মী ব্যাগ। দামটাও হাতের নাগালে।

3এই ব্যাগটিও লেদারের। তবে অনেক রঙে বাহারি।

8

দারুণ একটি হাল ফ্যাশনের ব্যাগ।
4
ভেলভেটের আভিজাত্য।
5
ব্যাগের কারুকাজে কাতান কাপড়ের ব্যবহার চোখে পড়ার মত।
6
নীল রঙের আধিক্য চোখে পড়ছে বেশ।
7
বহনে সুবিধা ও স্টাইলিশ।
 
অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১৮ জুলাই ২০১৪ই.

 

 

তাদের ঈদ ব্যস্ততা

jori20140714194514শাড়িতে জরি ও পুঁতি বসানোর কাজ চলছে

 

 

তানভীর হাসান তানু, ঠাকুরগাঁও : আসন্ন ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কয়েকটি গ্রামের নারীরা। সংসারের কাজের পাশাপাশি দিনরাত পরিশ্রম করে শাড়ি ও বিভিন্ন কাপড়ে জরি, পুঁতি বসানোর কাজ করছেন তারা। প্রত্যাশা বাড়তি আয় করে সংসারে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্য আনা। তবে মজুরি কম পাওয়ায় অনেকটাই হতাশ তারা।

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শিবগঞ্জ, মুন্সিরহাট, চিলারংসহ আশপাশের ৭টি গ্রামের ৭ শতাধিক নারী এখন হাতের কাজ করে বাড়তি আয় করছেন। শাড়িতে জরি ও পুঁতি বসানোর কাজ করে সংসারে কিছুটা আর্থিক স্বচ্ছলতা আনার পাশাপাশি স্বাবলম্বী হচ্ছেন এসব নারী।

 

সাংসারিক কাজের ফাঁকে ফাঁকে এই কাজ করছেন তারা। অভাবের সংসারে লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে এমন অনেক কিশোরীও যুক্ত হয়েছে এই শিল্পের সঙ্গে। আবার স্বামীহারা অনেক নারী থেমে যাওয়া সংসারের চাকা সচল করতে নেমে পড়েছেন এই কাজে। তাদের নকশা করা হাজার হাজার শাড়ি প্রতিসপ্তাহে চলে যাচ্ছে রাজধানীর অভিজাত বিপণী বিতানগুলোতে। সেখানে প্রতিটি শাড়ি বিক্রি হয় ৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

 

প্রতিটি শাড়িতে হাতের কাজ করতে সময় লাগে কমপক্ষে ৫ দিন। এ কাজ পেতে হলে শাড়িপ্রতি জামানত রাখতে হয় এক হাজার টাকা। কোনোভাবে শাড়ির কোনো ক্ষতি হলে সেখান থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়। তাদের মজুরি দেওয়া হয় ১৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

 

সালেহা ও নাজনীন বেগম জানান, এ কাজে যে পরিশ্রম, সে অনুযায়ী মজুরি কম পাচ্ছি। তবে বসে না থেকে সংসারের প্রয়োজনেই এ কাজ করছি। এই শিল্পে সরকারি বা বেসরকারি কোনো সংস্থা এগিয়ে আসতো তাহলে সংস্থাটির পাশাপাশি আমরাও লাভবান হতে পারতাম।

 

মুন্সিরহাট এলাকার সাইফুল আলম জানান, সংসারে অভাব, তাই স্ত্রী এ কাজ করছেন। তবে উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাওয়া গেলে সংসারে স্বচ্ছলতা আসতো।

 

দরিদ্র এসব নারীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন ঢাকার যুবক সোহেল খান। তিনি শাড়িতে নকশার সিল বসিয়ে পাঠিয়ে দেন ঠাকুরগাঁওয়ের ওই নারী কর্মীদের কাছে। তারা সেই শাড়িতে নিপুণ হাতে জরি ও পুঁতি বসান। এই নারী কর্মীদের কাজ করা শাড়ি ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

 

ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোরশেদ আলী জানান, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীরা হাতের কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। কিন্তু অনেক নারী তাদের শ্রমের নায্যমূল্য পাচ্ছেন না। জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাইরের কাজ যোগাড় করা গেলে হয়তো তাদের কাছ থেকে ন্যায্য মজুরি পাওয়া যেত। তবে সরকারি বা বেসরকারিভাবে কেউ এগিয়ে এলে এই নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লড়াই অনেকদূর অবধি যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

অপরাজিতিবিডি ডটকম/আরএ/এ/১৮ জুলাই ২০১৪ই.