banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

রঙ ফর্সা করার তিনটি সহজ উপায়

 1

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম: টানা রোজা রেখে রমজান মাসে চেহারার সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেন অনেকেই। সেই সাথে বাইরে ঘোরাঘুরি, বাড়তি কাজের চাপ তো আছেই। সব মিলিয়ে ঈদের আগে কোথায় চেহারাটা একটু ভালো হবে, তা না হয়ে হয় উল্টো। ক্রমশ যেন আরও কালো হতে শুরু করেন আপনি। ঈদের আগে পার্লারে একদিনের রূপচর্চায় কি ফিরবে ত্বকের জৌলুস? একদম না। বরং খরচ হবে অনেকগুলো টাকা। তাহলে এখন উপায়?

 

উপায় আছে। আর তা হলো প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের রঙ ফর্সা করে নেয়া। কীভাবে করবেন? জেনে নিন বিস্তারিত। রইলো তিনটি ফেস মাস্কের কথা। ঈদের আগে নিয়ম মেনে সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করুন এই ৩ টি। নিজের ত্বকের উজ্জ্বলতা দেখে অবাক হবেন নিজেই।

2

ঘরোয়া ব্লিচ:
ঘরোয়া ব্লিচ করা সবচাইতে সহজ কাজ। আর এই জন্য কেবল লাগবে টমেটো। চটজলদি রঙ ফর্সা করতে এই ব্লিচের জুড়ি নেই।

 

-টমেটোর ভেতর থেকে পাল্প বের করে ভালো মত চটকে নিন। একটু লেবুর রস মিশিয়ে পুরো মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সাবান লাগাবেন না। দেখবেন চেহারাটা কেমন ঝলমলে হয়ে উঠেছে।
ফ্রুট মাস্ক

বাড়িতে বসে একসঙ্গে ত্বকে পরিষ্কার করতে, পোড়া ভাব দূর করতে, ক্লান্তি কাটাতে ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে রাখতে ব্যবহার করুন শশা ও তরমুজের মাস্ক।

কী কী লাগবে-
শশার রস ২ টেবিল চামচ
তরমুজের রস ২ টেবিল চামচ
টক দই ১ চা চামচ

 

-সবকিছু একসঙ্গে মিশিয়ে পুরো মুখে ভাল করে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ভাল করে মুখ ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। তরমুজ ত্বক পরিষ্কার করে। পোড়া ভাব তুলে টোনারের কাজও করে। ত্বকের কালো ভাব কাটায় শশাও। ত্বককে নরম ও টানটান রাখে দই।

 

প্রোটিন ফেসপ্যাক:
দই, কলা, ডিম-এই নামগুলো শুধু স্বাস্থ্যের পক্ষেই উপকারী নয়, ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও এদের কেরামতি কিছু কম নয়। এই প্যাক পার্লারের ফেসিয়ালের উজ্জ্বলতা এনে দেয় ত্বকে।

কী কী লাগবে-
অর্ধেক কলা
১টি ডিমের সাদা অংশ
দই ১ টেবিল চামচ

-কলা ভাল করে চটকে নিয়ে ডিমের সাদা অংশ ও দইয়ের সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। পুরো মুখে ভাল করে সমান ভাবে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা জলে মুখে ধুয়ে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ ১৪ জুলাই ২০১৪ই.

রঙ ফর্সা করার ৩টি সহজ উপায়

ইফতারে ভিন্নধর্মী দুটি পানীয়

অপরাজিতাবিডি ডটকম: ইফতারের টেবিলে একটু প্রাণ জুড়ানো পানীয় খোঁজেন সবাই। আবার কেউ কেউ খোঁজে একটু মুখরোচক পানীয়। ধুই রকমের স্বাদের কথা মাথায় রেখেই আজ নিয়ে এলাম দুটি ভিন্ন স্বাদের পানীয়। একটি হচ্ছে মশালাদার নোনতা লাচ্ছি, এবং অপরটি মিষ্টি আম-কলা স্মুদি। খুব ঝটপট তৈরি হওয়া পানীয় দুটির রেসিপি জেনে নেই চলুন।

1

আম-কলা স্মুদি

উপকরণ : আমের রস দুই কাপ, কলা চারটা, চিনি ২০০ গ্রাম, দুধ ১ লিটার, আইসক্রিম পছন্দমতো।

 

প্রণালী : আইসক্রিম ছাড়া অন্য সব উপকরণ ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে ঢেলে আইসক্রিম ওপরে দিয়ে পরিবেশন করুন।

 

2

নোনতা লাচ্ছি
উপকরণ : টকদই তিন কাপ, পানি এক কাপ, কাঁচামরিচকুচি একটা, ভাজা জিরাগুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ ও গোলমরিচ স্বাদ অনুসারে, পুদিনাপাতা সাজানোর জন্য।

 

প্রণালী : প্রথমে ব্লেন্ডারে দই ও পানি নিয়ে বেল্ড করুন ২ মিনিট। এবার বাকি সব উপকরণ দিয়ে আরো ৫ মিনিট ব্লেন্ড করুন। বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ ১৪ জুলাই ২০১৪ই.

এই ঈদে ব্যালেরিনার ফ্যাশন

n

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম : ব্যালেরিনা স্যু গুলো বেশ কয়েকবছর ধরেই তরুণীদের পছন্দের তালিকা জুড়ে আছে। বেশ আরাম ও দেখতে অনেক ট্রেন্ডি বলে ব্যালেরিনার ফ্যাশনটা একটুও বিবর্ন হচ্ছে না। ব্যালেরিনাকে অনেকেই পাম্প স্যু ও বলে। তবে ব্যালেরিনার আসল নাম কোর্ট স্যু। পাশ্চাত্যে ব্যালে ডান্সের সময়ে ব্যালেরিনা স্যু এর ব্যবহার হত। সেই থেকে ব্যালেরিনা জুতো ফ্যাশনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে।
নানান রকমের ব্যালেরিনা পাওয়া যায় মার্কেটে। হিল সহ, ফ্ল্যাট, ওয়েজ হিল, গ্লাস বা এক ইঞ্চির ছোট্ট হিল যুক্ত ব্যালেরিনা পাওয়া যায় ছোট বড় জুতার দোকান গুলোতে। ডিজাইনেও আছে নানান রকমের বৈচিত্র্য। কোনোটা সামনে কিছুটা খোলা আবার কোনোটা বন্ধ। ব্যালেরিনার সামনের দিকের আকারকে ওপেন টো, ক্লোজ টো, পয়েন্টি টো, রাউন্ড টোসহ নানান রকম নামে অভিহিত করা হয়। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মনে রেখে লাল, নীল, কালো, হলুদ, গাঢ় সবুজ, সাদা সহ আরো নানান রং এর ব্যালেরিনা পাওয়া যাচ্ছে। প্রিন্ট, মেটাল, পুঁতি, বিডস প্রভৃতি দ্বারা অলংকৃত করা হচ্ছে ব্যালেরিনাকে।

 

যে সব বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবেঃ
জুতো কেনার সময়ে দেখে কিনুন আরামদায়ক কিনা। যাদের পা সামনের দিকে চওড়া তারা ব্যালেরিনা পরে সাধারণত স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। সামনের দিকে খোলা ব্যালেরিনা করলে অবশ্যই পায়ে নেইলপলিশ দিতে হবে। নাহলে জুতোর সৌন্দর্য পুরোই মাটি হয়ে যাবে। জমকালো পার্টি ছাড়া বেশি কাজ করা গর্জিয়াস ব্যালেরিনা না পরাই ভালো।
সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে একটু চোখা আছে সামনে, এ ধরনের ব্যালেরিনা ভালো লাগে। এ ধরনের পোশাকের সঙ্গে কিটেন হিল ও সেমি ওয়েজেস ব্যালেরিনাও মানানসই হবে।

DRVFDH5

যেখানে পাবেনঃ
বসুন্ধরা সিটি, পিঙ্ক সিটি, মেট্রো শপিং মল, নাভানা টাওয়ার, উত্তরা আরএকে টাওয়ার, পলওয়েল কার্নেশন, অটোবি-ক্লোজেট(গুলশান শো-রুম), ক্যাটস আই, স্পোর্টস গিয়ার, বাটা( বড় শো-রুম গুলোতে), অ্যাপেক্স গ্যালারি, এছাড়া বিভিন্ন বড় শপিং-মলগুলোতে পেয়ে যাবেন এ ধরণের জুতা। এছাড়াও ফেসবুকে কিছু অনলাইন শপিং পেজ আছে যারা ঢাকা ও বাংলাদেশের মধ্যে ডেলিভারি করে।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ ১৪ জুলাই ২০১৪ই.