banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

স্বপ্ন দেখছেন ২৭ নারী

 0516125245

সেলাই মেশিন গ্রহণ করলেন ২৭ জন নারী

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, কুমিল্লা : সালমা আক্তার। বয়স ১৯। এসএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। বিয়ে হয়নি। নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে।পরিবারকেও সহযোগিতা করতে পারেন না। তাই পরিবারে কাছে তার গুরুত্ব অনেকটা গুরুত্বহীন।

 

সম্প্রতি তিনি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বনির্ভরায়ন কার্যক্রমের আওতায় কুমিল্লায় দুই মাসের সেলাই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার কুমিল্লা রোটারি ক্লাব মিলনায়তনে তিনি প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেটের সঙ্গে একটি সেলাই মেশিনও গ্রহণ করেন।

 

সালমা আক্তার জানান, তিনি সেলাই করে ভালো আয় করতে পারবেন। নিজের হাত খরচ জোগাড়ের পাশাপাশি সহযোগিতা করতে পারবেন পরিবারকেও।

 

সালমা আরো জানান, তারা মোট ২৭ জনকে ৫০০ টাকা ফির বিনিময়ে দুই মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে সেলাইয়ের কাঁচি ফিতা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। যাদের সামর্থ নেই, তাদের ১৫ জনকে সুদমুক্ত সহজ কিস্তিতে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।

 

কোয়ান্টাম কুমিল্লা শাখার অর্গানাইজার মোহাম্মদ সিকান্দার জানান, সংগঠনের যাকাত ফান্ডের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া মানুষদের এগিয়ে নিতে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

 

সেলাই প্রশিক্ষণের সঙ্গে প্রশিক্ষণার্থীদের ঋণ মুক্ত স্বচ্ছল জীবন, রাগ ক্ষোভ পরিহার, সুস্বাস্থ্যের পাঁচ ভিত্তি, নৈতিক শক্তি অর্জনসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়।

 

বৃহস্পতিবার সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের পরিচালক সমন্বয় সুরাইয়া রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদা আক্তার এবং ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের অর্গানিয়ার কো-অর্ডিনেশন এসএম সাজ্জাদ হোসেন।

 

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১৯ জুন ২০১৪ই.

আত্মপ্রত্যয়ী এক গৃহবধূ

 

602153404

মুরগীর ফার্মে কাজ করছেন নাজমা বেগম

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, সাতক্ষীরা : দারিদ্র্যের নিষ্ঠুুরতা দমাতে পারেনি আত্মপ্রত্যয়ী পাটকেলঘাটার এক গৃহবধূকে। মুরগীর ফার্ম করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।

 

অল্প কয়েকটা কিছু মুরগী নিয়েই শুরু হয়েছিল তার পথচলা। প্রয়োজনীয় পুঁজির সরবরাহ পেয়ে মাত্র চার বছরের ব্যবধানে তিনি এখন ছোটবড় ৬টি ফার্মের মালিক।

 

গৃহবধূর নাম নাজমা বেগম। এখন তিনি মুরগীর ফার্ম সমিতির মাধ্যমে ইনকিউবেটর মেশিন সংগ্রহ করে সেখানে নিজ ফার্মের ডিম থেকে বাচ্চা ফোটাচ্ছেন। সমিতির বিভিন্ন ফার্মে সেই বাচ্চা সরবরাহ করছেন। এই কাজে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করছেন তার স্বামী ওসমান গণি।

 

তার ৩ টি ছেলেমেয়ে লেখাপড়া করছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি বড় ছেলে ১ মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের হ্যাচারির তদারকি করছে। তাদের সংসারের চাকা ঘুরছে এই ফার্মেরই আয় দিয়ে।

 

নাজমা বেগম সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা গ্রামের বাসিন্দা। তিন সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালাতে রীতিমত হিমশিম খেতেন।

 

এমনই পরিস্থিতিতে তিনি বাড়ির আঙ্গিনায় ছোট লেয়ার মুরগীর ফার্ম তৈরি করেন। প্রতিটি ৩০ টাকা দরে প্রথম পর্বে ১শ লেয়ার মুরগীর ১দিন বয়সী বাচ্চা তোলেন। খাবার ও ওষুধসহ প্রতিদিন ২শ টাকা হারে খরচ হতো। বাচ্চার বয়স সাড়ে পাঁচ মাস হলে ডিম পাড়া শুরু করে। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় অন্যখানে।

 

একদিকে যেমন প্রতিদিন ২শ টাকা খরচ সংকুলন করা অসম্ভব, অন্যদিকে মাত্র ১শ মুরগীর জন্য গড় খরচ বেশি হওয়ায় পুঁজি বাঁচানো দায় হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় তার ফার্ম অনেকটা স্থবির হয়ে পড়ে।

 

এ সময় বেসরকারি সংস্থার তালা ব্রাঞ্চের ম্যানেজার তাজউদ্দিনের সাথে পরিচয় হয় তার। তিনি এগিয়ে আসেন সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে।

 

নাজমা তার স্বামীর সাথে পরামর্শ করে মুসলিম এইড থেকে প্রথম দফায় ২০ হাজার টাকা সুদমুক্ত ঋণ গ্রহণ করে ৩শ বাচ্চা পালন শুরু করেন। নির্দিষ্ট সময়ে তিনি ডিম পেতে থাকেন। পরে নিজের হ্যাচারিতেই বাচ্চা ফুটাতে শুরু করেন। বর্তমানে গড়ে বাচ্চা প্রতি ২০ টাকা নীট মুনাফা থাকে।

 

নাজমা বেগম জানান, ৫ দফায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে তার ফার্মের কাজে লাগিয়েছেন। বর্তমানে তার হ্যাচারিতে ১২ হাজার ডিমে বাচ্চা ফোঁটার অপেক্ষায় আছে। ফার্মে ২ হাজার বাচ্চা আছে। এক হাজার ডিমের মুরগী আছে, যা প্রতিদিন ৬শ-সাড়ে ৬শ ডিম দেয়।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১৯ জুন ২০১৪ই.

গড়ে তুলুন হাঁটার অভ্যাস

138082515

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম : স্বাস্থ্য সচেতনতায় আমরা অনেকেই প্রতিদিন হেঁটে থাকি। কিন্তু অনেকে জেনে হাঁটছেন অনেকেই না জেনে শুধু শুনেই হাঁটছেন। কিন্তু আপনি কেন হাঁটছেন বা ঠিক কি ধরনের উপকারিতা পাচ্ছেন এই হাঁটার ফলে তা জানাটা দরকার প্রতিটি মানুষেরই। তাই জেনে নিন প্রতিদিন হাঁটার উপকারিতাগুলো।

 

১. দেহের অতিরিক্ত ক্যালরি নিঃসরণ করে :

আমরা প্রতিদিন বিভিন্ন খাবার খেয়ে অনেক বেশি ক্যালরি আহরণ করে থাকি। হাঁটার ফলে আমাদের দেহের এইসব অতিরিক্ত ক্যালরি নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে দেহের ভারসাম্য রক্ষা পায় সুতরাং ওজন অস্বাভাবিক বাড়ে না।

 

২. রক্তের কোলেস্টরেল, সুগার এবং প্রেসার নিয়ন্ত্রিত হয় :

হাঁটলে আপনি আপনার দেহের রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টোরল, সুগার এবং প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। এগুলো নিয়ন্ত্রিত করে প্রতিদিনের হাঁটার অভ্যাস। ফলে দেহে অসুখ বিসুখ কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

৩. হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে আনে :

প্রতিদিন দৌঁড়ানো এবং হাঁটলে দেহের হার্টের রক্ত চলাচল স্বাভাবিকভাবে হতে থাকে এবং এতে অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক মাত্রায় হতে থাকে। এ কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে যায়।

 

৪. হাড় মজবুত হয় :

প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি এবং দৌড়াদৌড়ি করলে দেহের হাড় মজবুত হয়ে ওঠে। এর ফলে অস্টিওপোরোসিস হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কমে যায়। এছাড়া মাংসপেশী শক্ত করে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি।

 

৫. শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পায় :

হাঁটাহাঁটি করলে শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে। ফলে আপনি শক্ত ধরনের কাজগুলো নিমেষেই করতে পারবেন। তেমন কোনো কষ্টই হবে না।

 

৬. দৈহিক আস্থা বাড়িয়ে দেয় :

হাঁটলে পরে আপনি দৈহিকভাবে আস্থা ফিরে পাবেন। কাজের ক্ষমতা পাবেন। আপনি একজন শারীরিকভাবে সক্ষম ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবেন।

 

৭. সামাজিক যোগাযোগ গড়ে উঠবে :

আপনি যদি প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলেন তাহলে অন্যান্য আরও ব্যক্তি যারাও হাঁটছেন এমন মানুষদের সাথে পরিচয় হবে। ফলে তাদের সাথে একটা ভালো যোগাযোগ গড়ে উঠবে।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১৯ জুন ২০১৪ই.

জেনে নিন অবহেলিত সরিষা শাকের অজানা ৭ টি স্বাস্থ্য গুণ

5304702d1

 

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম : অনেকেই আছেন যারা শাক খেতে খুব একটা পছন্দ করেন না। অথচ আপনি কি জানেন খুব দামী দামী খাবারের মাঝে প্রতিনিয়ত যে পুষ্টিগুণ খুঁজে বেড়াচ্ছেন, কেবল একটুখানি সরিষা শাকেই আপনি পেয়ে যেতে পারেন তার সব কিছু। শুধু শাক হিসেবেই নয়, বরং কুচি কুচি করে বিভিন্ন তরকারির বা সালাদের সাথে মিশিয়ে নিলেও এটি ভীষণ স্বাদ বাড়ানোর কাজ করে। এর সব চেয়ে বড় গুণ হলো, এটি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থগুলো বের করে দিতে ভূমিকা রাখে। শুধু তাই নয় এই ভীষণ সস্তা খাবারটির পুষ্টিগুণ মোটেই সস্তা নয়। আর এগুলো জানবার পরে আপনি নিশ্চয়ই এটি না খেয়ে থাকতেই চাইবেন না।

 

জেনে নিন সরিষা শাকের ৭ টি স্বাস্থ্য গুণঃ

১। ভিটামিন ও মিনারেলের সমৃদ্ধ উৎসঃ

সরিষা শাক ভিটামিন এ, সি ও কে তে পরিপূর্ণ যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন সিতে আছে শিক্তশালী এন্টি অক্সিডেন্ট যা নানা রকম ভাইরাল অসুখ থেকে আপনাকে সুরক্ষা দেয়। ভিটামিন এ ভালো রাখে আপনার দৃষ্টিশক্তি আর ভিটামিন কে দেয় হাড়ের সুরক্ষা এবং মস্তিষ্ককে রাখে দারুণ সচল।

 

এছাড়াও এতে আছে আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, সেলেনিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন ও ফাইবার। যা আপনার হার্ট ভালো রাখে, রক্তের কোলস্টেরল কমায় এবং গর্ভবতী মায়েদের সুস্থ শিশু জন্মদানের সম্ভাবনা বাড়ায়।

 

২। এন্টিঅক্সিডেন্টের ভান্ডারঃ

এন্টিঅক্সিডেন্ট এর সব চেয়ে বড় গুণ হলো, এটি আপনার ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে বাধা দেয়। কেবল তাই নয়, এটি মাসসিক চাপ কমায়, এবং নানা ধরনের ক্যান্সার (মূত্রথলী, স্তন, পায়ূপথ, জরায়ু, ফুসফুস) থেকে আপনাকে রাখে ১০০ হাত দূরে।

 

৩। ধুয়ে দেয় শরীরের বিষাক্ত পদার্থঃ
সরিষা শাকে আছে সালফার সমৃদ্ধ পুষ্টিগুণ ও এন্টিঅক্সিডেন্ট। এটি আপনার দেহে জমে থাকা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে আর সেই সাথে নানা ক্রনিক রোগের আক্রমণ থেকেও আপনাকে রক্ষা করে। সরিষা শাকে থাকা পরিস্কারক উপাদান আপনার দেহে জমে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা কমিয়ে আনে, দেহের তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে, এবং হজমশক্তি বাড়িয়ে দেহের বিষাক্ত পদার্থগুলো মলমূত্রের সাথে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।

 

৪। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ
এই শাক আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে. এটি আপনার দেহে হার্ট এটাক, আর্থ্রাইটিস ও ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনে। এবং এর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

 

৫। ক্যান্সার প্রতিরোধঃ
এতে আছে দুই ধরনের গ্লুকোসিনোলেটস, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত শরিষা শাক খেয়ে থাকেন তাদের বিভিন্ন রকম ক্যান্সার হবার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে অনেক কম।

 

৬। কোলস্টেরল কমায়ঃ
এটি রক্তে কোলস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে আনে। সেই সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতেও কার্যকর। কেননা এটি হজম শক্তি বাড়াতে সরাসরি কাজ করে থাকে।

 

৭। ত্বক, চুল, ওজন ও স্বাস্থ্যঃ
সরিষা শাক ত্বক ও চুল ভালো রাখে। সেই সাথে এটি অতি কম ক্যালোরি সম্পন্ন হওয়াতে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। এটি শারিরীক দূর্বলতা, রক্তশূন্যতা, ত্বকের শুস্কতা, চুল পড়া ইত্যাসি সারিয়ে তুলতেও দারুণ কার্যকর।

 

সুতরাং সরিষা শাককে আর মোটেই অবহেলা নয়, যেভাবে ইচ্ছে রান্না করুন, খেয়ে নিন। ব্যস! বেঁচে গেল হাজারবার ডাক্তারের কাছে দৌড়াবার খরচ!

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১৯ জুন ২০১৪ই.

নারীরা এখনো নির্যাতিত : সুলতানা কামাল

3320140611

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, ঢাকা : পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল। 

 

বুধবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিডব্লিউসিসিআই) উদ্যোগে ‘টোয়েন্টি টোয়েন্টি : মূলধারায় নারী উদ্যোক্তা ’ শীর্ষক এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিযোগ করেন।

 

আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ৫০০০ হাজার নারীকে এসএমই লেভেলের বেসরকারি ব্যবসায় খাতে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে বিডব্লিউসিসিআই এ উদ্যোগ নিয়েছে।

 

উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে সুলতানা কামাল বলেন, ‘নারীরা যতোই এগিয়ে যাচ্ছে ততোই তাদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই নারী সমাজকে এগিয়ে যেতে হবে।’ নারীদের মূলধারার রাজনীতি ও অর্থনীতিতে আসার সুযোগ করে দিতে সরকার, রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহবান জানান তিনি।

 

উইমেন চেম্বারের চেয়ারম্যান সেলিমা আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপেদেষ্টা গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী, সংসদ সদস্য আয়েশা খান ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমসহ বিভিন্ন নারী সংগঠনের নেতা-কর্মী।

 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত থাকার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হননি।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/১৯ জুন ২০১৪ই.