banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

বইয়ের যত্নে বুকশেলফ

book-...................top20140505202524

অপরাজিতাবিডি ডটকম, ঢাকা : মার্ক টোয়েনের লাইব্রেরীখানা নাকি দেখার মতো ছিল। মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত বই, বই শুধু বই। এমন কি কার্পেটের উপরও গাদা গাদা বই স্তপকৃত হয়ে পড়ে থাকত, যেখানে পা ফেলা ভার। একদিন তারই এক বন্ধু মার্ক টোয়েনকে বলেছিল, ‘বইগুলো নষ্ট হচ্ছে, গোটাকয়েক শেলফ যোগাড় করছ না কেন?’

মার্ক টোয়েন কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে ঘাড় চুলকে বলেছিল, ‘ঠিকই বলেছ- কিন্তু লাইব্রেরীটা যে কায়দায় গড়ে তুলেছি, শেলফ তো আর সে কায়দায় যোগাড় করতে পারছি না। শেলফ তো আর বন্ধু-বান্ধবদের কাছ থেকে ধার চাওয়া যায় না।’ সত্যি ঠিকই বলেছেন মার্ক টোয়েন। বই ধার নেওয়া গেলেও বুকশেলফ তো আর ধার নেওয়া যাবে না। তাছাড়া আপনার তো আর এত বড় লাইব্রেরী নেই। আর থাকলেই ক্ষতি কি! আপনি আপনার বাসার পরিধি অনুযায়ি তৈরি করে নিতে পারেন পছন্দসই বুকশেলফ। এবং যত্নে রাখতে পারেন আপনার প্রিয় বই।

download (6)

ছোট বাড়ি হলে
এরকম বাড়িতে বা ফ্লাটে কিন্তু দেওয়ালই ভরসা। এখন যে কোনও ফার্নিচারের দোকানেই রেডিমেড বইয়ের তাক পাবেন। কিন্তু একেবারে মাপমতো বানাতে চাইলে কারিগর দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন। ডিজাইনের জন্য চিন্তা করতে হবে না। ইন্টারনেট বা যে কোনও ম্যাগাজিনেই হাজার হাজার ছবি পেয়ে যাবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিলেই চলবে। বানিয়ে নিলে দামও অনেকটা কম পড়বে। কাঠও নিজের পছন্দ মতো বাছতে পারবেন। ঘরের পুরো একটা দেওয়াল বই রাখার জন্য ব্যবহার করতে পারলে ভালো হয়। না হলে দেওয়ালের কিছুটা ব্যবহার করতে পারেন। আবার কোনও আলমারি বা ক্যাবিনেটের কিছু অংশও ব্যবহার করতে পারেন।

download (7)

হাতের কাছে রাখুন
এমন উঁচু জায়গায় তাক বানালেন যে, বই পাড়তে-রাখতেই সমস্যা হয়। এরকম হলে রোজ বইয়ের যত্ন নেওয়া হবে না। ইচ্ছে হলে বই পেড়ে পড়তেও পারবেন না। তাই বইয়ের তাক রাখুন নাগালের মধ্যে। তাছাড়া, দেওয়াল, আলমারি বা ক্যাবিনেট , সোফা সেটে-এর বক্স করে বা খাটে বক্স করেও বই রাখতে পারেন।

বড় বাড়ি হলে
বড় বাড়ি হলে কোনো সমস্যা নেই। অনায়াসে একটা ঘর লাইব্রেরি বানিয়ে ফেলতে পারেন। পুরো ঘর জুড়েই করতে পারেন বই রাখার ব্যবস্থা। কিছু বই খোলা রাখলেন আবার কিছু বই বন্ধ আলমারিতে। চাইলে ক্যাটালগ করে রাখতে পারেন। এতে বই খুঁজে পেতে সুবিধে হবে।

একটু শৈল্পিকতা
একেবারে সেই একই রকম বইয়ের তাক না বানিয়ে একটু শৈল্পিকভাবে তৈরি করুণ। যাতে দেখতে ভালো লাগে। আপনার পার্সোনালিটির সঙ্গে মানানসই বইয়ের তাক বানান। আপনি যদি মজা করতে পছন্দ করেন তাহলে নিজের বুক শেলফেও তার ছোঁয়া রাখুন। আর যদি খুব ছিমছাম জিনিস পছন্দ হয় তবে সেরকমও বানিয়ে নিতে পারেন।

খরচা-পাতি
কাঠের বানাতে বা কিনতে চাইলে খরচা একটু বেশি পড়বে। ছোট মাপের বইয়ের তাকেরই দাম পড়বে প্রায় আট-নয় হাজার টাকার মতো। আর বড় মাপের বানাতে গেলে বার হাজার টাকার নিচে হবে না। তবে প্লাইউডের বানালে ছোট বইয়ের তাক তিন-চার হাজার টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন। পছন্দ এবং স্থানবেধে এ খরচের তারতম্য হতে পারে।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ ০৮ মে ২০১৪ই.

বাহারি সব ভর্তা

 

top20140507211907

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, ঢাকা :  উৎসবেই আয়োজনের পূর্ণতা পায় খাবার-দাবারে। অন্তত ভোজনরসিক বাঙালির ক্ষেত্রে। তাইতো প্রিয় কবির জন্মদিনের এই দিনটিতে আমরা অনায়াসেই টেবিল সাজাতে পারি বাঙালীর প্রিয় খাবার ভর্তা দিয়ে। বাঙালি সে যেখানকারই হোক না কেন ভর্তা খেতে ভালোবেসে না, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তাই এবারের রবীন্দ্রজয়ন্তীতেই হোক না আপনার ঘরে ভর্তা উৎসব।

আলু ভর্তা :

downloadআলু ভর্তার সঙ্গে পরিচয় নেই এমন বাঙালী খুঁজে পাওয়াই মুশকিল। আর আলু ভর্তা বানাতে পারে না এমন নারী অথবা পুরুষের সংখ্যাও অত্যন্ত নগন্য। তারপরেও এই জানা জিনিসটাকেও কিভাবে আরও সুস্বাদু করা যায় তারই কয়েকটা উপায় জানাচ্ছি। সাধারণভাবে আলু ভর্তা করার নিয়ম হচ্ছে প্রথমেই আলুটাকে সিদ্ধ করে নেয়া। আর পরিমাণ নির্ভর করবে কয়জন খাবে তার ওপর। সিদ্ধ করা আলুটাকে ভালো করে চটকে নিতে হবে। তারপরে কুঁচি করা পিয়াজ, কুঁচি করা মরিচ, লবণ আর পরিমাণ মতো সরিষার তেল দিয়ে ভলো করে মাখিয়ে নিলেই তৈরী হয়ে যাবে আলু ভর্তা। আর যদি এরচেয়ে একটু ব্যতিক্রম করতে চান তবে পিয়াজ কুচি এবং কাঁচা মরিচ অথবা শুকনা মরিচ(যা আপনি ভালোবাসেন) ভেজে নিতে পারেন সরিষার তেলে। এই ভাজা পিয়াজ, মরিচ ও তেল চটকানো আলুর সঙ্গে মেশালে বদলে যাবে চিরচেনা আলু ভর্তার স্বাদ। আর এই ভাজা তেল-পিয়াজে ছেড়েও দিতে পারেন চটকানো আলু। তারপর কিছুক্ষণ ভেজে নিয়ে পরিবেশন করতে পারেন ভাজা আলু ভর্তা। আবার কাঁচা পিয়াজের স্বাদ যারা মিস করতে চান না তারা শুধু মরিচটাকে ভেজে নিলেই একটুতো আলাদা স্বাদ পাবেনই। আর সরিষার তেলের বদলে খাঁটি ঘি দিয়েও মাখাতে পারেন সব বাঙালীর প্রিয় এই আলু ভর্তা। আরও বিশেষ কিছু করতে চাইলে আলু সিদ্ধ না করে পুড়িয়েও নিতে পারেন আগুনের তাপে। ঝলসানো আলুর ধোঁয়াটে গন্ধ আর পিয়াজ, লঙ্কা, তেলে মিলেমিশে তৈরী হবে অনন্য এক স্বাদ।

বেগুন ভর্তা

download (1)
আলু ভর্তার মতো এতটা জনপ্রিয় না হলেও বাঙালীর কাছে বেগুন ভর্তার কদরও নিতান্ত কম নয়। সাধারণত বেগুনটাকে পুড়িয়েই নেয়া হয়। আবার অনেকে সিদ্ধ করেও করেন বেগুনের ভর্তা। ঝলসানো বেগুন বা সিদ্ধ বেগুন, যাই হোক না পিয়াজ কুঁচির সঙ্গে ঝলসানো লাল মরিচ চটকে, সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে খুব সহজেই করে নিতে পারেন বেগুন ভর্তা। আর অ্যাসিডিটি হওয়ার ভয় থাকলে শুকনা মরিচের বদলে তেলে ভেজে নিন কাঁচা মরিচ। স্বাদ নিয়েও চিন্তা থাকলো না। স্বাস্থ্যগত সমস্যা থেকেও দূরে থাকা গেলো।

টমেটো ভর্তা :

download (2)
টমেটোকে বেগুনের মতোই সিদ্ধ করে অথবা ঝলসে ভর্তা করা হয়। প্রণালীও প্রায় এক রকম।

কালোজিরার ভর্তা :

download (3)
কালোজিরা অনেক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি মশলা। বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধক এবং প্রতিষেধক এই কালোজিরা। কালোজিরার ভর্তাও অনেক ভোজনপ্রেমিকেরই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকে। কালোজিরা ভর্তা তৈরীর জন্য প্রথমেই এক টেবিল চামচ কালোজিরা ধুয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর এই শুকানো কালোজিরার সাথে দুইটি ছোট রসুনের কোষ মৃদু আঁচে ভালো করে টেলে নিন। শুকনা মরিচ খেতে চাইলে কতটুকু ঝাল খেতে চান সেই অনুপাতে ২/৩টা মরিচ টেলে নিন। আর কাঁচা মরিচ খেতে চাইলে ২টা বা তিনটা কাঁচা মরিচ তেলে ভেজে নিন। এবার রসুনের খোসা ছাড়িয়ে কালোজিরা, রসুন, মরিচ ও পরিমানমতো লবণ একসাথে সামান্য পানি দিয়ে বেটে নিন। তৈরী হয়ে যাবে সুস্বাদু ও ঔষধিগুণ সমৃদ্ধ কালোজিরার ভর্তা।

লাউপাতা ভর্তা :

download (4)
লাউপাতা ভালো করে ধুয়ে ভাপে সিদ্ধ করে নিন। এবার পরিমান মতো রসুন, পিয়াজ, মরিচ দিয়ে বেটে নিন। বেটে নেয়া লাউপাতায় সরিষার তেল ও লবণ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। তৈরি হয়ে যাবে মজাদার লাউপাতার ভর্তা।

ইলিশ মাছের ভর্তা :

download (5)

মাঝারি আকারের একটি ইলিশ মাছের মাথা ও লেজ ছাড়া বাকি অংশ কেটে তিন/চার টুকরা করে নিন। ভালো করে ধুয়ে পনেরো থেকে বিশ ভাঁপে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ করা হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। ঠান্ডা হওয়ার পরে সম্পূর্ণ মাছের কাঁটা বেছে নিন। এবার পেয়াজ কুঁচি(মাঝারি আকারের দু’টো), ৪/৫টা ভাজা শুকনো মরিচ(অথবা কাঁচা মরিচ), দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল এবং পরিমানমতো লবণ বেছে নেয়া মাছের সাথে ভালো করে মাখিয়ে নিন। ঝটপট তৈরি হয়ে যাবে চমৎকার স্বাদের ইলিশ মাছের ভর্তা।

লক্ষ্য রাখুন : বিশেষ একটি বিষয় ভর্তা সম্পর্কে না বললেই নয়। ভর্তায় ব্যবহৃত সবকিছুরই পরিমান নির্ভর্ করে সাধারণত যে খায় তার রুচির ওপর। কেউ ঝাল কম পছন্দ করে, কেউ বেশি। এটা একেবারেই সাধারণ কথা। তবে ভর্তার আরও একটি প্রধান উপাদান তেল। এই তেলও কেউ কেউ ভর্তায় একটু বেশি খায়, আবার কেউ একটু কম খায়। পিয়াজের বেলায়ও বিষয়টি এমনই। তাই বাসায় যখনই আপনি ভর্তা তৈরি করবেন পরিবারের সদস্যদের রুচির বিষয়টি মাথায় রাখবেন।

এই ছয় রকমের ভর্তা পরিবেশন করুন ধোঁয়া ওঠানো ঝরঝরে গরম ভাত অথবা মুগ ডালের ঘ্রাণ ছড়ানো ভুনা খিচুরির সঙ্গে। সঙ্গে যদি থাকে ঘরে তৈরি আচার, তবেতো আর কথাই নেই। বিশেষ দিনকে উৎযাপন করুন সম্পূর্ণ বাঙালীয়ানায়।

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/০৮ মে ২০১৪ই.

অপরূপ সৌন্দর্যমন্ডিত জীবতলি রিসোর্ট

rangamati

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, রাঙামাটি : জীবতলি রিসোর্ট। রাঙামাটির অপরূপ সৌন্দর্যমন্ডিত এ স্থানটি সহজেই মন কেড়ে নেয় ভ্রমণ পিয়াসীদের।

একপাশে কর্ণফুলী নদী আর একপাশে কাপ্তাই হ্রদ। মাঝখানে হচ্ছে কাপ্তাই উপজেলা। এলাকার নামেই নামকরণ হয়েছে রিসোর্টের। রাঙামাটি সদরের জীবতলি ইউনিয়নে রিসোর্টটির অবস্থান।

প্রকৃতি যেন আপন সৌন্দর্য্যকে মেলে ধরেছে এখানে। সকালের পূর্বাকাশে সুর্য উঁকি দিতেই সোনালী আলোকচ্ছটায় বর্ণিল হয়ে ওঠে লেকের পানি। পাহাড় আর হ্রদের সাথে যেন সুর্যালোকের আলোর দারুণ মিতালী। দুপুর হতেই রোদের প্রখরতা লেকের পানিকে আরো ঝলমল করে তোলে। পড়ন্ত বিকেলে আলোক রশ্মি আরো মোহনীয় করে তোলে পুরো পরিবেশ।

জীবতলি রিসোর্ট রাত দিনের যে কোন সময়েই উপভোগ করার মতো দর্শনীয়। নির্জনপ্রিয় মানুষের অবকাশ যাপনের কথা ভেবেই গড়ে তোলা হয়েছে এই রিসোর্ট। যান্ত্রিক জীবনের একঘেয়েমী থেকে সওে এসে যারা প্রকৃতির খুব কাছাকাছি সময় কাটানোর জন্য পরিকল্পনা করেন এই রিসোর্ট তাদের জন্যই।

বাংলাদেশ সেনাবহিনীর অসংখ্য নান্দনিক স্থাপনার একটি ৩৫ একর জায়গা জুড়ে স্থাপিত এই জীবতলী রিসোর্ট।

জীবতলি রিসোর্টের ব্যবস্থাপক সার্জেন্ট মানিক জানান, প্রকৃতির সাথে মিলমিশে একাকার হয়ে আছে এই রিসোর্ট। প্রতিনিয়তই বদলে যাচ্ছে রিসোর্ট, সেখানে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন স্থাপনা। আরো বেশি পর্যটক বান্ধব করতে নেয়া হয়েছে বিশাল কর্মপরিকল্পনা।

তিনি বলেন, ‘এখানে আমরা পর্যটকদের জন্য তৈরি করেছি ৫টি কটেজ।এর মধ্যে ২ টি হচ্ছে মাটির, ১টি কাঠের, ১টি বাঁেশর তৈরি এবং একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাটির কটেজ দেড় হাজার, বাঁশের কটেজ এক হাজার ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কটেজ সাড়ে তিন হাজার টাকা। এখানে পিকনিকের জন্যও রয়েছে ৪টি স্পট।
এ ছাড়াও কাপ্তাই লেকের পাশ ঘেঁষে পাহাড়ের কোলে গড়ে তোলা হচ্ছে বেশ কিছু নতুন কটেজ। নতুনভাবে প্রাকৃতিক ছোঁয়ায় নির্মিত হচ্ছে এইসব কটেজ। মাটির দেয়াল আর পাহাড়ী ছনের ছাদ। এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড় দেখে মনে অন্য জনপদের কাঁচা বাড়ীঘর। থাকবেনা বৈদ্যুতিক পাখা, ভিতরে জ্বলবে কুপি বাতি।

রূপালী চাঁদের আলোয় ঝলমল করবে এসব কটেজ। প্রকৃতির মৃদু বাতাস শীতল করবে শরীর। পাহাড়ের আকা বাঁকা পথ বেয়েই যেতে হবে এসব কটেজে। এসব কটেজের সামনে দাঁড়ালে দেখা মিলবে কাপ্তাই হ্রদের বিশালতা। পাহাড়ের বুক চিরে কাপ্তাই হ্রদের বয়ে চলা। এখানে লেকের মাঝে করা হয়েছে সুইমিং পুলের ব্যবস্থা।

যেভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে যে কোন যানবাহনে করে যাওয়া যায়। রাঙামাটি সদর থেকে নৌপথে রিসোর্টে যেতে সময় লাগে ৩ ঘন্টা।

আর সড়ক পথে দুটো ভিন্ন পথ ধরে যাওয়া যায়। রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের ঘাগড়া হয়ে গেলে সময় লাগে বেশি। আর রাঙামাটি শহরের আসমাবস্তি সড়ক দিয়ে যেতে সময় তার চেয়ে কম লাগবে।

রাস্তার দুই পাহাড়ের মাঝখানে ছুটে চলা পথ দিয়ে যেতে নজরে পড়বে স্থানীয় অধিবাসীদের জীবনচিত্র। পাহাড়ের উপর দিয়ে চলে যাওয়া ১৯ কিলোমিটার রাস্তা দিয়ে গেলে কাপ্তাই লেকের বিশাল সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যাবে মনভরে। এ পথ দিয়ে যেতে ছোট-বড় ৮-৯ টি ব্রীজের দেখা মিলবে। লেকের কারণে ভাগ হয়ে যাওয়া দুই পাহাড়ের মিলনস্থলও এই ব্রীজ।

১৯ কিলোমিটার পথে মুগ্ধতায় যে কেউ বিমোহিত হবে।

যেহেতু পুরো এলাকাটি সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে সেহেতু নিরাপত্তার ব্যাপারে বাড়তি কোন টেনশনই নেই। দিন আর রাতের যে কোন সময় এখানে ঘুরে বেড়ানো যাবে অনায়াসে।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/ ০৮ মে ২০১৪ই

কটিয়াদীতে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্রী

ballo_27781_0

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার হাজেরা সুলতান উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী অষ্টঘড়িয়া গ্রামের রফিক মিয়ার কন্যা রত্না বেগমের(১৪) বিয়ে মঙ্গলবার উপজেলা ব্র্যাকের পল্লী সমাজের উদ্যোগে বন্ধ করে দেয়া হয়। রত্না বেগমের বিয়ে ঠিক হয় কিশোরগঞ্জ শহরের এক পাত্রের সাথে।
মঙ্গলবার খবর পেয়ে ব্র্যাক পল্লী সমাজের সিটিজেন কমিটির নওরীন সুলতানা, ইউপি সদস্য হাজেরা বেগম, ইউ,পি সদস্য কামাল মিয়ার উদ্যোগে উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহাব আইন উদ্দিন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আসমা আক্তারের সহযোগিতায় বিবাহ বন্ধ করা হয়।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/ ০৮ মে ২০১৪ই

 

পাল্টেছে ধারা পাল্টেনি নির্যাতন

খন্দকার মর্জিনা সাঈদ : বাংলা ১২৯৮ সনের কথা। তখন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ছোটগল্প দেনা পাওনায় অসহায় নারী নিরূপমার কথা লিখেছেন। যার বিয়েতে দশ হাজার টাকা পণের পুরোটা দিতে না পারায় শ্বশুরবাড়িতে নিত্যনির্যাতন। একবারের জন্যও বাবার বাড়িতে না যেতে দেয়া। শ্বশুরগৃহে মেয়ের সামনে বাবার অপমান। নিরূপমার নিরুপায় হয়ে বাবাকে উদ্দেশ করে বলা, ‘বাবা তুমি যদি আর এক পয়সা আমার শ্বশুরকে দাও তা হলে আর তোমার মেয়েকে দেখতে পাবে না। এই তোমার গা ছুঁয়ে বললুম।’ অবশেষে শোক, দুঃখ, অপমান, অভিমান সঙ্গী করে নিরূপমার একপ্রকার স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বরণ। মৃত্যুর পরে, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট স্বামীর চিঠি, স্ত্রীকে অবিলম্বে পাঠানের অনুরোধ। প্রতি উত্তরে শ্বশুর রায়বাহাদুর মহিসী ছেলেকে লিখেছেন, ‘বাবা তোমার জন্য আর একটি মেয়ে সম্বন্ধ করিয়াছি। অতএব অবিলম্বে ছুটি লইয়া এখানে আসিবে। এবার বিশ হাজার টাকা পণ এবং হাতে হাতে আদায়।’

১২৯৮ সাল সেই কবেই পার হয়েছে। এতটা সময় পার করেও এই ভারতেরই হরিয়াণ রাজ্যে নারী বিক্রির রেওয়াজ চলছে। বয়স ও শারীরিক গঠনের বিচারে ৫ থেকে ৩০ হাজার রুপি পর্যন্ত দামে এদের বিক্রি করা হয়। এমন কি, লোকসভা নির্বাচন জনসম্মুখে নারীপ্রার্থীরা শ্লীলতাহানির শিকার হচ্ছেন। আর আপনার আমার মেয়েরা! যাদের আমরা নিরাপত্তার বেষ্টনীতে জড়িয়ে তিলে তিলে বড় করছি। তথাকথিত শিক্ষিত সুপাত্র দেখে বিয়ে দিয়েছি। তবু তারা কতটা নিরাপদ বাবার গৃহ ছেড়ে স্বামীর গৃহে! আবেগতাড়িত হয়ে কথাগুলো বলছিলেন একজন মা ব্যারিস্টার মনোয়ারা বেগম। তিনি বলেন, একমাত্র মেয়ে হওয়ায় ওর সংসার পর্যন্ত নিজ হাতে সাজিয়ে দিয়েছি। শ্বশুরবাড়ির সব সমস্যার ব্যাপারে সোচ্চার থেকেছি। বেকার সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করেছি।
প্রথম প্রথম পুত্রবধূকে কেন্দ্র করে এত সব সুবিধা পেয়ে ওরা কৃতজ্ঞ ছিল। পুত্রবধূর প্রশংসা ছিল মুখে মুখে। আমার মেয়ের প্রতিও ছিল আন্তরিক। কিন্তু সমস্যা দেখা দিলো এক বছর পার হতেই। যখন তাদের ছেলের আয় রোজগার, সম্মান ক্ষমতা উভয়ই বাড়ল। সাথে বাড়ল পুত্রবধূর পরিবারের কাছে চাহিদার লিস্টও। নিজস্ব গাড়ি, ফ্যাট, মেয়ের যাবতীয় খরচের বিষয়টি তো এর মধ্যে ছিলই। যা অভিভাবক হিসেবে সবসময়ের জন্য আমরা পূর্ণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং স্বামীর কাছে স্ত্রী ভরণ-পোষণের অধিকার চাওয়া মাত্রই বাধে বিপত্তি। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ছোটখাটো বিষয়কে প্রাধান্য করে প্রতিদিনই বাধে সঙ্ঘাত। সে সঙ্ঘাত থেকে আমার মেয়ে আত্মরক্ষা করতে গেলে বিষয়টি অন্য ধারায় প্রবাহিত হয়। জনে জনে প্রচার পায়, পুত্রবধূ স্বামী, শাশুড়ি দু’জনকেই মারধর করেছে। ওকে সমাজে দাঁড় করায়, জেদি, স্বেচ্ছাচারী, প্রতিহিংসাপরায়ণ একজন নারী হিসেবে। আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ওর স্বামী জনসমক্ষে স্ত্রীর মারের ক্ষতচিহ্ন দেখাতে পারলেও আমার মেয়ে নারী বলেই পারেনি তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানগুলো খুলে দেখাতে। পারেনি প্রমাণহীন মানসিক নির্যাতনের কথা বলতে। যে কারণে শাশুড়িকে মারধরের বিষয়টি প্রাধান্য পায়। আইনি প্রক্রিয়ায় পাত্রপক্ষের বিয়ে ভাঙা সহজ হয়। যে বিয়েটা কি-না কেবলই পদমর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক ছিল। ছিল একধরনের মুখোশের আড়ালে সন্ধিপত্র মাত্র। আর এমন ভুক্তভোগী আমি এবং আমার মতো অনেক পরিবারই আছে। যারা অতি সুবিধাজনক অবস্থানে অবস্থান করেও সতর্কতা অবলম্বন করেও চোরাবালির মতো সম্পর্কের ফাঁদে জড়িয়ে যাচ্ছেন। আপাতত বদনাম, কষ্ট কুড়াচ্ছেন বলেও জানান ব্যারিস্টার মনোয়ারা বেগম।
কথাসাহিত্যিক আয়শা ইসলাম বলেন, আমার মেয়ে শায়লাকে ওর চেয়ে ১০-১২ বছরের বড় এক প্রভাবশালী পরিবারে ছেলের সাথে বিয়ে দেই। পাত্রপক্ষের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখে প্রথমে ও মেনে নিলেও পরে শায়লা জানতে পারে ওর স্বামীর অন্য নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক। এ কারণে প্রতিনিয়তই সে তাকে শারীরিক-মানসিকভাবে এড়িয়ে চলতে চাইছে। নীরবে নিখুঁতভাবে করছে অবহেলা। তখনই শায়লা গভীর অভিমানে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। যেন একটি বাঁশের কঞ্চি জড়িয়ে শিমলতার বেঁচে থাকার মতোই তার বেঁচে থাকা। নেই স্বামীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ-অনুযোগও। এবং বিষয়টি যে একধরনের গুপ্ত নির্যাতন তা আমাদের সবারই জানা। জানা থাকা সত্ত্বেও আমরা অভিভাবক হয়েও কিছু করতে পারছি না। আমার যে আরো তিনটি মেয়ে আছে। বড় বোনের ঘর ভাঙার অপবাদ যদি এদেরকে প্রভাবিত করে। সমাজ সংসারের মানুষেরা যদি এই নিরপরাধীদের বহুগামী, ধৈর্যহীনতার পরিচয়ে পরিচিত করে। তাই সব কিছু ভেবে শায়লাকে সর্বসয়া হয়ে দাম্পত্য জীবনে টিকে থাকার লড়াই করে যেতে হচ্ছে। আর এ রকম অনেক কারণ মেনে নিয়েই হয়তো, শায়লার মতো অগণিতদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই তৃতীয় বিশ্বের অন্যতম এই দেশটি দিনকে দিন অগ্রগতির পথে এগোচ্ছে।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ সুমাইয়া আজাদ। তিনি তার মেয়ে মিতালি প্রসঙ্গে বললেন এ

মা-বাবাকে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন রুবা

36232_nari-3

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, পঞ্চগড় : ঠাকুরগাঁও দেবীপুরে বসতবাড়ি রক্ষার জন্য আইনের আশ্রয় নিয়েও বৃদ্ধ মা-বাবাকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছেন কলেজছাত্রী রুবা। 

জিডি ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১৫ নম্বর দেবীপুর ইউনিয়নে মৌলভীপাড়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের (৭৫) মেয়ে কলেজছাত্রী রুবা এই মর্মে অভিযোগ করেন যে, তার বাবা বর্তমানে খুবই অসুস্থ। তার জন্মের পর থেকে সাড়ে ১১ শতক জমির ওপর বাড়ি করে বসবাস করছেন। গত ২৪ জুলাই সকাল ৯টায় বসতবাড়ি মেরামতের জন্য কয়েকজন শ্রমিক লাগিয়েছেন।
এমন সময় চাচাতো ভাই আনিছুর রহমান, বাবা তফিজউদ্দিন এবং তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার, স্বামী আনিছুর রহমান আমাদের বসতবাড়িতে জমি পাবেন বলে কাজের শ্রমিকদের মারধর শুরু করে দিয়ে তাদের কাজের যন্ত্রপাতি নিয়ে যান। এ অবস্থায় রুবা ও তার বৃদ্ধ মা সালেহা (৬৫) কেন শ্রমিকদের মারা হচ্ছে জিজ্ঞাসা করলে, রুবা ও তার বৃদ্ধ মাকে অমানবিকভাবে মারধর করেন আনিছুর রহমান ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার। আনিছুরের ভাই আজিজুল ইসলাম তার এ অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করতে গেলে তারও একটি হাতের আঙুল কেটে দেন আনিছুর।
রুবা বলেন, সেলিনা আক্তার আমার বৃদ্ধ মায়ের চুল ধরে অমানবিকভাবে লাঞ্ছিত করলে আমি এর প্রতিবাদ করতে গেলে তিনি আমাকেও মারধর ও লাঞ্ছিত করেন। সাবেক ১৫ নম্বর দেবীপুর ইউপির চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: নূর ইসলাম বলেন, বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ হওয়ায় স্থানীয়ভাবে আমিন নিয়ে এসে স্থানীয় সালিসে প্রমাণিত হয়েছে রুবা আক্তারের বাড়িতে আনিছুর জমি পাবেন না। এর পরও বাড়িঘরে হামলা করে আনিছুর অপরাধ করেছেন বলে মনে করি। রুবার বাবা দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমার ছয় মেয়ে, পাঁচটি বিয়ে হয়েছে। আমি অসুস্থ, চলাফেরা করতে পারি না। ছেলে না থাকায় সম্পূর্ণ জবরদখল করার মানসিকতায় আনিছুর আমার সাথে বাড়াবাড়ি করছে। রুবার ভাগিনা রাশেদ (১২) বলে, আনিছুর মামা ও তার স্ত্রী সেলিনা মামী নানাবাড়িতে এসে আমাদের সবাইকে মারধর করছে।
আমি নানাবাড়ি থেকে পড়াশোনা করি। ঘটনার পর আনিছুর ও সেলিনা আক্তার পলাতক রয়েছেন। তার বাড়ি গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইলে বারবার ফোন করার পরও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। রুবা আক্তার বলেন, থানায় জিডি ও ইউনিয়ন পরিষদে মামলা করা পরও আনিছুর গং আমাদের বসতবাড়ি দখল করে নেবে, মারধর করবে এবং মিথ্যা মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানি করার প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে।
মামলা তুলে নেয়ার জন্য প্রভাবশালীদের দিয়ে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া চেষ্টা করছে। বাধ্য হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় বসতবাড়ি রক্ষা ও জানমালের নিরাপত্তার জন্য গত ২৪ এপ্রিল ২০১৪ ইং থানায় একটি জিডি (১১৬৮ নম্বর) করি এবং ইউনিয়ন পরিষদে মামলা করেছি, আইনের আশ্রয় নিয়েছি বলেই আনিছুর-সেলিনার হুমকি-ধমকিতে আমিসহ বৃদ্ধ বাবা-মা নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। সদ্য নির্বাচিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, এখনো শপথ হয়নি। শপথ হলেই রুবা আক্তারের বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনা সরেজমিন তদন্তপূর্বক স্থানীয় প্রশাসনের সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঝরনা (৪০) ও আয়েশাসহ (৪১) এলাকাবাসী রুবা আক্তারের বসতবাড়িতে হামলার ঘটনায় আনিছুর-সেলিনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/ ০৮ মে ২০১৪ই

বিয়েবাড়িতে স্কুলছাত্রীর ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ

1420140508151018

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, মাদারীপুর : মাদারীপুর সদর উপজেলার মহিষেরচর গ্রামে বুধবার রাতে বিয়ের অনুষ্ঠানে কনেকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড ছোড়া হয়। কিন্তু তা গিয়ে লাগে এক ছাত্রীর দেহে। আহত স্কুলছাত্রী সুবর্ণা আক্তারকে (১৩) মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের ব্রাহ্মণদী গ্রামের রকমান খন্দকারের ছেলে বাদশা খন্দকারের (২৫) সঙ্গে একই উপজেলার মহিষেরচর গ্রামের ইসমাইল খাঁর মেয়ে লিজার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় সন্ধ্যায় দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদে বিয়ে ভন্ডুল হয়ে যায়।
এতে বরপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে অতর্কিতভাবে কনের বাড়িতে ঢুকে কনেকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে। নিক্ষিপ্ত অ্যাসিড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে কনের বড় বোনের মেয়ে সুবর্ণা আক্তারের শরীরের লাগে। এতে সে গুরুতর দগ্ধ হয়। সুবর্ণা মাদারীপুর ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সদর উপজেলার মহিষেরচর গ্রামের হাবিবুর রহমান খানের মেয়ে সুবর্ণা।

হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বিয়ে নিয়ে সমস্যা হওয়ায় অ্যাসিড নিক্ষেপ করেছে বরপক্ষ। আর এতে আমার মেয়ের গায়ে লাগায় তাকে মাদারীপুর হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

মাদারীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আবু বকর সিদ্দিক জানান, এই ঘটনার খবর পেয়েই মাদারীপুর সদর থানার পুলিশ হাসপাতালে পরিদর্শনে গেছে। তদন্ত করে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরএ/এ/০৮ মে ২০১৪.