banner

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

রাজধানীতে শিশু গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের অভিযোগ

অপরাজিতিবিডি ডটকম, ঢাকা : রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কাদেরাবাদ হাউজিং এলাকায় তানিয়া নামের ১২ বছর বয়সী এক শিশু গৃহপরিচারিকার উপর গৃহকর্ত্রী কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিন্তু পুলিশ বলছে মেয়েটির শরীরে নির্যাতনের কোনো চিহ্ন নেই। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিদিনের মতো নির্যাতন চালালে মেয়েটি সহ্য করতে না পেরে বাসা থেকে পালিয়ে গিয়ে রাস্তায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

উদ্ধারকারী স্বপন নামের এক যুবক জানান, কাদেরাবাদ হাউজিং এর ৩ নম্বর রোডের এক স্থানে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকে শিশু গৃহপরিচারিকা তানিয়া। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করতে গেলে মেয়েটি ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে বলতে শুরু করে “আমি ওই বাসায় আর কাজ করতে যাবনা, তারা আমাকে সব সময় অনেক মারধর করে।”

সূত্র আরো জানায়, মেয়েটি কাদেরাবাদ হাউজিংয়ের ১ নম্বর রোড়ের ৮ নম্বর বাড়িতে কাজ করতো। উদ্ধারের সময় মেয়েটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

বাসার গৃহকর্তী ও তার বুয়েটে পড়ুয়া ছোট ভাই শারীরিক নির্যাতন চালাতো বলে অভিযোগ করেছে নির্যাতিতা। মেয়েটির হাতে, পিঠে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্থানীয় আরেক উদ্ধারকারী মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এন্ড কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পরিক্ষার্থী সজল জানান, মেয়েটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের কিছুক্ষণ পর গৃহকর্ত্রী এসে মেয়েটির উপর জনসমুক্ষে হামলা চালায়। পরে এ ঘটনায় উপস্থিত লোকজন ক্ষেপে যায়। এ সময় মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজের মেয়েটিকে উদ্ধার করে গৃহকর্ত্রী ও তার স্বামীকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানার ওসি আজিজুল হক  বলেন, ‘মেয়েটির নাম তানিয়া, তার শরীরে নির্যাতনের তেমন কোনো চিহ্ন নেই। মেয়েটি মূলত একটু এবনরমাল। সে ওই বাসার গৃহকর্মী। গৃহকর্ত্রী ও মেয়েটির গ্রামের বাড়ি একই এলাকায় এবং তারা উভয়েই দুসম্পর্কের আত্মীয় হয় বলে জানায় গৃহকর্ত্রী।’
মেয়েটির গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলায়।

অপরাজিতিবিডি ডটকম/আরএ/এ/০৩মে২০১৪

লক্ষ্মীপুরে স্ত্রীর গায়ে স্বামীর আগুন

অপরাজিতিবিডি ডটকম, লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগরে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামী জাহিদ হোসেন তার স্ত্রী মিলি মমতাজ মুন্নীর (২৫) গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

শুক্রবার রাত ১টার দিকে থানার চর জান্ডালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী জাহিদ হোসেন মিলির গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে মিলির সারা শরীর আগুনে পুড়ে যায়।

দগ্ধ মিলিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানেও তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

 

অপরাজিতিবিডি ডটকম/আরএ/এ/০৩মে২০১৪

ধারাবাহিক উপন্যাস “নিয়ন্ত্রিত পরিণতি” পর্ব-৪

নাসরিন সিমা :
images

 

নাদিম কার্ডের সাথে মিলিয়ে নিলো হ্যা এই নাম্বারই তো, বাসার নাম “রোজারিও লজ” নাদিমের ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠলো কলিং বেল বাজিয়ে দাড়িয়ে থাকলো কিছুক্ষণ, উত্তরার ৪ নং সেক্টর এটা। হঠাৎ শক খেয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হলো নাদিমের সে দেখলো, স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে গেট খুলে গেলো, গেটের কোন চিহ্ন অবশিষ্ট নেই পুরোভাগ দেওয়ালের ভেতরে। হা করে তাকিয়ে থাকলো নাদিম, ভেতরে ঢোকার কথা ভুলে গেলো । এবার আরো বিস্মত হলো রাজিবের কন্ঠ শুনে, অথচ রাজিবকে দেখা যাচ্ছেনা। ও বলছে,
-নাদিম ভেতরে এসো,
দ্রুত গতিতে ভেতরে ঢুকলে শুনতে পেলো,
-লিফটের ২ এ এসো।
নাদিম লিফট থেকে নামার সাথে সাথে একটা এলুমিনিয়ামের পাত দেয়ালে ঢুকে গেলো, আর হাসি হাসি মুখ নিয়ে সামনে দাড়ানো রাজিব, নাদিম ঢুকেই অবাক কন্ঠে,
-আরে একেবারে যাদুর মতো ব্যাপার স্যাপার, আমিতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।
রাজিব নাদিমের কাঁধে হাত রাখে, কেথাও একটা চাপ দেয়, এলুমিনিয়ামের পাতটি বন্ধ হয়ে যায় । নাদিমকে ভেতরে নিতে নিতে,
– এ আর কী নাদিম,অবশ্য এ সবই যিশুর কৃপা। এসো ভেতরে এসো, এইযে হল রূমটি দেখছো, এতো লোকজন সবাইকে নিয়ে রিলিজিওন কনফারেন্স হবে, এখানে মামা কথা বলবেন।
নাদিম খেয়াল করলো হলরুমটিতে যারা বসে আছে তারা সবাই হাই সোসাইটির লোকজন, পোশাক, চালচলন সবই, রাজিবের দিকে তাকিয়ে দেখলো রাজিবও দামী সাফারী পরেছে, এবার নিজের দিকে তাকিয়ে লজ্জা পেয়ে গেলো নাদিম, বিষয়টি রাজিবের দৃষ্টিকে এড়াতে পারেনি।
রাজিব নাদিমকে নিজের রুমে নিয়ে গিয়ে ব্লেজার বের করলে,
– সরি আসলে তোমাকেতো আমি কনফারেন্সর কথা বলিনি, দেখো এটা মনে হয় হবে তোমার আমার হাইট তো একই, ফিটিংসেও হয়ে যাবে।
নাদিম মনে মনে বললো,
-তুমি বললেও আমি যা পরে এসেছি এর চেয়ে ভালো কিছু পরে আসা সম্ভব ছিলোনা। এবার লজ্জিত কন্ঠে,
-ঠিক আছে, পরছি।
-হ্যা তুমি পরে নাও তারপর ডিনার সেরে আমরা হলরুমে যাবো।
নাদিম জানেনা রাজিব কেন ওকে ডেকেছে, বাইবেলটা রাজিবের লাইব্রেরি থেকে নেয়া লাইব্রেরী এখানে নয়, ফার্মগেটে, বিভিন্ন্ জায়গায় রাজিব লাইব্রেরী খুলেছে। নাদিম শুনছিলো বাইবেল পড়লেই নাকী মানুষ ধণী হয়ে যায়, তাই নিয়েছে, সে জানেনা এতে সওয়াব হয় নাকী গুণাহ হয়? জানতেও চায়না ওর অনেক টাকা প্রয়োজন,মায়ের সুখের জন্য। কনফারেন্সে ধণী হওয়ার হয়তো লেটেষ্ট উপায় বাতলে দেয়া হবে তাই দ্রত সেখানে যায়।
রাজিবের ওখান থেকে ফিরে নাদিম আরো অন্য মনষ্ক হয়ে গেছে, কোন কাজই ভালো লাগছেনা শুধু রাজিবের মামার কথায় মনে পড়ছে, কী করবে বুঝে উঠতে পারছেনা। তবুও কাজে মনোযোগ দেয়াটা জরুরী, কারণ কাজ না করলে খাবে কী?

দু দিন পর স্মৃতি আজ আনুর সাথে খুব বেশী কথা বলছেনা, আনু বলছিলো ছেলেটাকে দেখাবে, স্মৃতির এক ফোঁটাও ইচ্ছে নাই দেখার। এক স্যার এসে বিমর্ষ কণ্ঠে বললেন,
-আজ তোমাদের ছুটি, রবিণ স্যারের বাবা মারা গেছেন আমরা ওখানে যাবো।
আনু খুব খুশি হয়, পুরো সময় ও ওর বয় ফ্রেন্ড কে দিতে পারবে। অন্যরা চলে যায় সুফিয়া চৌধুরী এখনও আসেননি তাই বাধ্য হয়ে স্মৃতি বসে থাকে।
আনু ফোনে কিছু একটা বলে, স্মৃতি বরং পড়াতে মনোযোগ দেয়।
স্মৃতি একটু পরেই এক পুরুষ কন্ঠ শুনতে পেলো কিন্তু স্মৃতি পড়া থেকে মাথা উঠালোনা। শূনতে পেলো,
-হাই আনু কেমন আছো?
আনু খুব দ্রুত ছেলেটির কাছে চলে গেলো, বললো,
-ভালো আছি রাজিব, তুমি কেমন আছো? আর দেখো ও স্মৃতি আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড। রাজিব স্মৃতিকে লক্ষ করে,
-হ্যালো স্মৃতি কেমন আছেন?
স্মৃতি ইতস্তত দৃষ্টিতে তাকায়, কিন্তু ওর দৃষ্টি ইতস্তত ভঙ্গি কাটিয়ে একদম স্থীর হয়ে যায়, স্মৃতি দৃষ্টি সরাতে কয়েক সেকেন্ড সময় নেয়।
রাজিব মৃদু হাসে,
-এক্সকিউজ মি, আামি রাজিব।
স্মৃতি দ্রুত মাথা নিচু করে,
– সরি আমি তাসনিয়া চৌধুরী স্মৃতি।
আনু উচ্ছল কন্ঠে,
-বলেছিলামনা স্মৃতি, ওকে দেখলে তুমি চোখ সরাতে পারবেনা? ঠিক বলেছিলামতো?
স্মৃতি খুবই লজ্জিত হয়, আবার আনুর কথা শুনে অবাকও হয়, দুদিন আগের লজ্জিত আনু আর আজকের আনুতে কত তফাৎ যুবকটি কী যাদু জানে! কতোটা নির্লজ্জ ভাবে কথাগুলো বললো।
স্মৃতিকে কিছুক্ষন একা থাকতে হচ্ছে আনু চলে গেছে।
এবার হন্তদন্ত হয়ে স্মৃতির সামনে আসলো নাদিম মৃদু স্বরে,
-এখানে কি রাজিব নামে কেউ এসেছিলো?
স্মৃতি মাথা উচু করে, রাজিবের সাথে এর অনেক মিল, স্মৃতি বললো,
-হ্যা এসেছিলো চলে গেছে। নাদিম তবুও কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থাকে, স্মৃতির সাথে ওর দৃষ্টি বিনিময় হয়।
কিন্তু পরক্ষনেই নাদিম পেছন ফিরে দৌড়ে চলে যায়, স্মৃতি ওর পথের দিকে অনেকটা সময় ধরে তাকিয়ে থাকে।
নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করে, কী হলো আমার? চলবে………

ধারাবাহিক উপন্যাস “নিয়ন্ত্রিত পরিণতি” পর্ব -৩

নাসরিন সিমা :
images

বস্তির দুটো ঘরে টিনের চাল, তবে দেওয়াল প্লাষ্টার করা। একটি ঘরে বসে বাইবেল নিয়ে নাড়াচাড়া করছে এক যুবক, উজ্জল ফর্সা মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি বার বার হাত বুলাচ্ছে মুখমন্ডলে। খুবই ঘাবড়ে যাওয়া মনে হচ্ছে তাকে।
সুঠাম সৌন্দর্যে ভরপুর তার পুরো অবয়ব। হঠাৎ কারেন্ট চলে যাওয়ায় ঘেমে একাকার। তবুও বাইবেল থেকে তার দৃষ্টি উঠছেনা, কারো আসার শব্দ শুনে লুকিয়ে ফেললো বাইবেলটি । তারপর উঠে দাড়ালো ড্রেস চেন্জ করার জন্য।
যুবকটির মা এসে অবাক কন্ঠে,
-কীরে এহনও লুঙ্গি পরসনাই?
শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে,
-এইতো মা পরছি, কি করছিলে তুমি?
-ভাত বাইড়া বইসা ছিলাম আয় খাবি।
-ঠিক আছে তুমি যাও আমি আসছি।
চলে যাবার আগে ছেলের কাছে এসে,
-নাদিম, বাবা আমার, তোরে কেমুন অন্যরহম লাগতাছে, কী অইছে তোর?
নাদিম কিছুক্ষন চুপ থাকে, কারণ মাকে সে কিছুই জানাতে চায়না, তাই মৃদু স্বরে,
-কই কিছু না মা তুমি যাও আমি আসছি।
নাদিম মাকে নিয়ে ঢাকা শহরের এই বস্তিতে থাকে। গ্রামে ওদের বাড়ি আছে অনেক জমিও আছে, কিন্তু সবকিছু এখন বড় দুইভাইয়ের দখলে, কৌশলে ওরা হাতিয়ে নিয়েছে। নাদিম আগেই এসেছে ঢাকায়, এসে অনার্সে ভর্তি হয়েছে। ভাইদের উপরে রাগ করে মাকে ঢাকায় এনেছে, এখন সে মাষ্টার্স পরীক্ষার্থী। প্রায় সারাদিন ধরে টিউশনি আর কোচিং করানোতে ব্যস্ত থাকে। যা আয় হয় তাই দিয়ে নিজে লেখাপড়ার খরচ, সংসার খরচ আর এই দুটো রুমের ভাড়া হয়ে যায় কোনমতে। নাদিম ড্রেস চেন্জ করে ফ্রেশ হয়ে খেতে যায়। মাকে বলে,
-তুমিও নাও মা।
-হ নিতাছি তুই শুরু কর।
-আমি উঠিয়ে নিচ্ছি, তুমি নাও।
নাদিমের মা নুরবানু বেগম প্লেটে খাবার উঠিয়ে নেন।
নাদিম স্থীর কন্ঠে,
-মা আজ রাতে একটু আমি রাজিবের ওখানে যাব, ওর মামা আসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর, দেখা করবো ওনার সাথে।
মুখের খাবার শেষ করেন নুরবানু বেগম,
-কোন রাজিবের কতা কইতাছস?
-ঐ যে মা রাজিব রোজারিও আছেনা ওর মামা, তুমি জানোনা উনি খুব বড় মাপের মানুষ, জার্মান থাকতেন, ফিরেছেন দু বছর আগে।
নুরবানু বেগম অবাক হন একটু ঘিনঘিনে ভাব ফুটে উঠে তার মুখে,
-খ্রিষ্টান নি? হে তোর বন্ধু?
নাদিম হাসে,বলে
তাতে কী হয়েছে? খ্রিষ্টান বলে কি মানুষ নয়? আর ও খুবই ভালো ওর মতো মানুষ আমি দেখিনি, তুমি হয়তো জানোনা মা খ্রিষ্টান মেয়েকে বিয়ে করা যায়।
সপ্তাস্চর্যের কিছু শোনার মতো চমকে ওঠেন,
অর কী বইন আছে?
নাদিম অবাক হয়ে হা করে ওর মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে,
-আরে মা তুমি সেটা বুঝে নিলে নাকী, পারোও তুমি, তোমাকে বুঝানোর জন্য বললাম।
একটু থেমে,
-না ওর বোন নেই, তুমি আবার এই নিয়ে টেনশন করোনা, ও একা কোন ভাই ও নেই। নুরবানু বেগম স্বাভাবিক হলেন, প্লেটের খাবার আনমনে শেষ করলেন, মৃদু স্বরে,
-দেহিস বাবা তুই আমারে কষ্ট দিসনা, তুই যদি কষ্ট দেস তাইলে আমার মরণ ছাড়া উপায় নাই।
নাদিমের দৃষ্টি ছলছলে হয়ে ওঠে, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে,
-এভাবে বলোনা মাগো, তুমি ছাড়া আমার কে আছে বলো, তুমিনা থাকলে আমি কী করে থাকবো? চলবে…………