banner

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

যে কারনে প্রতিদিন কিসমিস খাবেন

4

অপরাজিতাবিডি ডেস্ক :  কিসমিস আমরা সকলেই খুব ভালো করে চিনি। যে কোনো মিষ্টি খাবারের স্বাদ এবং সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজেই আমরা কিসমিস ব্যবহার করে থাকি। এছাড়াও অনেকে পোলাও, কোরমা এবং অন্যান্য অনেক খাবারে কিসমিস ব্যবহার করেন। রান্নার কাজে ব্যবহার করলেও আমরা কিসমিস সাধারণভাবে খাই না। অনেকেতো ভাবেন এমনি কিসমিস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এই কথাটি আসলে সত্যি নয়।
প্রতিদিন কিসমিস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। আমরা সাধারণত উৎসব বা অনুষ্ঠানের রান্নায় কিসমিস ব্যবহার করি। এছাড়া কেউ কিসমিস খাই না। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিনই কিসমিস খাওয়া উচিৎ। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক প্রতিদিন কিসমিস খাওয়ার কার্যকর কিছু কারন।

দেহে শক্তি সরবরাহ করে
যদি দুর্বলতা অনুভব করেন তাহলে দেরি না করে কিছু কিসমিস খেয়ে নিন। কিশমিশে রয়েছে চিনি, গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ তা তাৎক্ষণিকভাবে আপনার দেহে এনার্জি সরবরাহ করবে। তবে ডায়বেটিস রোগীদের জন্য কিসমিস প্রযোজ্য নয়।

দাঁত এবং মাড়ির সুরক্ষায় কিসমিস
বাচ্চারা ক্যান্ডি ও চকলেট খেয়ে দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি করে থাকে। কিন্তু বাচ্চাদের ক্যান্ডি বা চকলেটের পরিবর্তে কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস করালে দাঁতের সুরক্ষা হবে। অনেকে ভাবতে পারেন কিশমিসে তো চিনি রয়েছে। কিন্তু চিনি থাকার পাশাপাশি কিশমিসে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যা মুখের ভেতরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা দেয়।

হাড়ের যত্নে কিসমিস
কিশমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম, যা হাড় মজবুত করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। কিশমিসে আরো রয়েছে বোরন নামক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস যা হাড়ের ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। প্রতিদিন কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস হাড়ের ক্ষয় এবং বাতের ব্যথা থেকে দূরে রাখবে।

ইনফেকশন হতে বাধা প্রদান করে
কিশমিশের মধ্যে রয়েছে পলিফেনলস এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফেমেটরি উপাদান যা কাঁটা ছেড়া বা ক্ষত হতে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা দূরে রাখে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের দেহের কোষগুলোকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ড্যামেজের হাত থেকে রক্ষা করে এবং ক্যান্সারের কোষ উৎপন্ন হওয়ায় বাধা প্রদান করে। কিশমিসে আরো রয়েছে ক্যাটেচিন যা পলিফেনলিক অ্যাসিড, এটি আমাদের ক্যান্সার মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
কিশমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা আমাদের পরিপাকক্রিয়া দ্রুত হতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/ ২১ ফেব্রুয়ারি২০১৪

নিয়ন্ত্রিত পরিণতি

নাসরিন সিমা

পর্ব ১

বিকালের তাপহীন সুর্যের আলো চারেদিকে মুগ্ধতা ছড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। অপূর্ব স্নিগ্ধতার আমেজে মন ভরে যায়। এই সৌন্দর্যকে প্রাণ ভরে উপলব্ধি করা মানবাত্মার প্রকৃতিগত স্বভাব। আর এই উপলব্ধিটা কোন ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। হঠাৎ আনমনে ভাবটা কেটে যায় স্মৃতির, মনে পড়ে প্রতিদিনের কড়া রুটিনের কোন একটি কাজ যেন বাদ পড়ে গেছে। কী সেটা? মনে করতে কিছু সময় পেরিয়ে যায়। দ্রুত ঘড়ির দিকে তাকায়, ৫ টা বাজে। নামাজ, আছরের নামাজ পড়া হয়নি। শুক্রবারের রিলাক্স মুডটা নামাজের ক্ষেত্রেও সমান্তরাল ভুমিকা পালন করছে। বাহ! নিজে নিজে অবাক হয় স্মৃতি, একটা প্রশ্ন জাগে ওর মনে, আমি নামাজকে অবধারিত মনে করি নাকী অন্যান্য কাজকে……… উত্তর পেয়ে যায়। প্রতিদিন আছরের আযানের পাঁচমিনিট আগেই নামাজ পড়ে নিতে হয়, কারন পাঁচটা থেকে মেডিকেলে ভর্তি কোচিং। আজ কোচিং নাই তাই নামাজও……… নিজেই নিজেকে উপহাস করে। বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান স্মৃতি। বড় ভাই ছিলো ব্লাড ক্যান্সারে মারা গেছে, চিকিৎসার অভাবে, আর ছোট একটা বোন সে আত্মহত্যা করেছে, স্কুলের বই কিনতে না পারায়, স্যার আবার পরপর তিনদিন স্কুল মাঠে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন। স্মৃতির বাবা সাইমন চৌধুরীর অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো, দু বেলাও পেট ভরে খাওয়া হতোনা। গ্রামের হাইস্কুল থেকে এস এস সি পাশ করার পর আচানক ওর বাবা বিশাল সম্পদের মালিক হয়ে গেলেন, সাথে সাথে ঢাকায় ফ্লাট কেনা, গাড়ী কেনা। স্মৃতির এর পর থেকে কোন কিছুই চাইতে হয়নি, না চাইতেই সমস্ত প্রয়োজন পূরণ হয়ে যায়। স্মৃতি জানেনা কিভাবে বাবা এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন, জানতেও চায়না, সে শুধু জানে ওর বাবা মার খুব কষ্ট। স্মৃতি এখন তিনজনের স্নেহ একা উপভোগ করে। স্মৃতি নামাজ শেষ করে বাবার পাশে এসে বসে, আজ অনেকদিন পর সাইমন চৌধুরী বাসায়, কফিতে চুমুক দিয়ে মেয়ের দিকে তাকান, দৃষ্টি তাঁর ঝাপসা। অবাক হয়না স্মৃতি মলিন কন্ঠে বলে,

-বাবা কতদিন পর বিকেলে তেমাকে বাসায় পেয়েছি বলোতো, আর তোমার মন খারাপ, আমি কিন্তু কথা বন্ধ করে দেব। মলিন হাসলেন সাইমন চৌধুরী,

-নিরিবিলি বিশ্রামেই আজ মনটা ভেঙ্গে যাচ্ছে মা……… আচ্ছা বলো তুমি কী খাবে? স্মৃতির মা সুফিয়া চৌধুরী রান্নাঘর থেকে নাস্তা নিয়ে এসে ডাইনিং টেবিলে রেখে,

– ওর কাছে জানতে চাইছো, বলবে কিছুই খাবনা, ম্যাকারণী রান্না করেছি, আর সাথে আনারসের জুস , তুমি আজ ওকে খাইয়ে দাও। সাইমন চৌধুরী আঙ্গুল দিয়ে মেয়ের চুল এলোমেলো করে দিয়ে, – কী শুনছি এসব, খেতে হবেতো মা, না খেলে শরীরও ঠিক থাকবেনা, পড়াশুনাও ঠিকমতো হবেনা, কতো পড়া এখন তোমার।

-আচ্ছা বাবা ঠিক আছে খাচ্ছি, খুশি? বাবা মা দুজনের দিকে তাকায় স্মৃতি, দুজনের মুখমন্ডলে তৃপ্তির ছাপ স্পষ্ট, ওর মনটাও ভালো হয়ে যায়। বাধ্য শিশুর মতো খেয়ে নেয় আজকের ওরজন্য বরাদ্দকৃত দুটি মেন্যু।

খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠেন সুফিয়া চৌধুরী, রাতে তার ঘুম হয়না বললেই চলে। মৃত ছেলেমেয়ের স্মৃতি প্রতিনিয়ত তাকে তাড়া করে। তার মনে পড়ে শান্তার (ছোট মেয়ে) কথাগুলো, সে কাঁদছিলো,
-মা বই কবে কিনে দেবে? স্যার আজ দুদিন হয় দাঁড় করিয়ে রাখে আর যা নয় তাই বলে অপমান করে, মা আমি বই না নিয়ে স্কুল যাবোনা। সুফিয়া চৌধুরী সেদিন মেয়েটাকে খুব বকেছিলেন,
-যার বাবার টাকা থাকেনা তাকে জেদ করা মানায়না, কোন কথা নয়, চুপচাপ স্কুল যাও………
শান্তা আর কিছু বলেনি, তৃতীয়দিন বাবার দিকে ছলোছলে দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে স্কুল গিয়েছিলো, ফিরে এসে সবার সাথে দেখা করেছিলো, চাচা,চাচী বন্ধু সবার সাথে। ফিরে এসে ইদুর মারা ঔষধ খেয়ে ছটফট করতে থাকে……
অস্থিরভাবে পায়চারী করেন সুফিয়া চৌধুরী, মনে পড়ে সবুজের(বড় ছেলে) অসহ্য যন্ত্রণার কথা, সেও কাঁদছিলো,
-মা ওমা আমি বাঁচতে চাই, আমার খুব কষ্ট হচ্ছে মাগো, বাবাকে বলো আমার চিকিৎসা করায় যেন, ওমা আমায় বাচাও………মৃত্যুর কোলে আশ্রয় নিয়েছিলো তার পরপরই। রান্না ঘরের দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়ান সুফিয়া চৌধুরী, প্রচন্ড যন্ত্রণা হয় বুকের ভেতরটায়, আজ গ্রামের শ্যামল ছায়ায় ছেলেমেয়ে দুটি মাটির নিচে ঘুমাচ্ছে, কবরগুলোও বছরে একবারের বেশী দেখা হয়না। ঢাকায় এসেছেন স্মৃতির জন্য, ওর যেন কোনকিছুই অপূর্ণ না থাকে। সুফিয়া চৌধুরীর ভেতরটা গুমরে গুমরে কাঁদে, অষ্পষ্ট স্বরে,
-স্মৃতি মা আমার।
ছুটে যান মেয়ের ঘরে। স্মৃতি নিজের মতো করে ওর এই শোবার রুমটি সাজিয়েছে, বেডশীট, পর্দা, ফুল সবকিছু নিজের পছন্দমতো কালার দিয়ে সাজিয়েছে, ওর পছন্দের প্রশংসা করে সবাই। সুফিয়া চৌধুরী থমকে দাড়িয়ে যান, মেয়ে তার ঘুমাচ্ছে। অনেক রাত অব্দি পড়াশুনা করেছে, ফজরের নামাজ পড়ে ঘুমিয়েছে, ডাকা যাবেনা। ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকে মেয়ের কপালে চলে আসা এলোমেলো চুল গুলোকে সযতনে সরিয়ে দেন, প্রাণ ভরে দেখে নেন মেয়ের মুখটি, মেয়েটা অনেক সুন্দর, তিনি মনে করেন স্মৃতির মতো এতো সুন্দর এই পৃথিবীতে আর কেউ নাই।
আবার তিনি রান্নাঘরে ঢোকেন,নাস্তা বানানোর জন্য।
স্মৃতির বাবা খুব ভোরে বেরিয়ে গেছেন তাকে ঢাকার বাইরে যেতে হবে, সুফিয়া চৌধুরী ওসব নিয়ে ভাবেননা, পুরুষ মানুষ বাইরের কাজেই ব্যস্ত থাকবে, ঘরে থাকা তাদের জন্য নয়।

চলবে……

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/২১এপ্রিল, ২০১৪

 

জেনে নিন নারী সংক্রান্ত আইন

 

 

পর্ব-১

মুসলিম বিয়ে

অপরাজিতাবিডি ডটকম : মুসলিম বিয়ে একটি দেওয়ানী চুক্তি। অন্যান্য চুক্তির মতোই এখানে দুই পক্ষ থাকে। একপক্ষ প্রস্তাব করে অন্যপক্ষ গ্রহণ করে। তবে, দুজনকেই আইনগত কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। যে কোন চুক্তি পালনে যেমন কিছু যোগ্যতার দরকার হয় তেমনি বিয়ের ক্ষেত্রেও কিছু যোগ্যতার দরকার হয়।

মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ করা একান্ত আবশ্যক:
১. বয়স : ছেলে ২১ বছর এবং মেয়ে ১৮ বছর।
২. সম্মতি: উভয়ের সম্মতি থাকতে হবে।
৩. সাক্ষী : দুজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিষ্কের সাক্ষী থাকতে হবে।
৪. দেনমোহর: দেনমোহরানা নির্ধারিত করতে হবে। দেনমোহর কখনো মাফ হয় না এবং পরিশোধ করতে হয়।
৫. নিবন্ধন: বিয়ে অবশ্যই নিবন্ধিত হবে। নিবন্ধন বিয়ের দলিল।

একই বৈঠকে উল্লিখিত শর্তগুলি পালন সাপেক্ষে বিয়ে সম্পাদন হয়। প্রস্তাব দেয়া ও কবুল করা একই বৈঠকে হতে হবে।

বিয়ের আইনগত ফলাফল
বিয়ের ফলে নারী ও পুরুষের কিছু দায়িত্ব ও অধিকার জন্মায়।
১. পরস্পর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
২. স্ত্রী বিবাহিত থাকা অবস্থায় আর একটি বিযে করতে পারে না।
৩. স্ত্রী ও ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের সালিশী বোর্ডেও অনুমতি ও আইনগত শর্ত পূরণ ছাড়া স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারে না।
৪. স্বামীর কাছে স্ত্রী দেনমোহর ও ভরণপোষণ পাবার অধিকারী।
৫. স্বামী স্ত্রীর যে সব সন্তান জন্মায় তারা সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
৬. সন্তানের পরিচয় বা সম্পদের মালিকানা নিশ্চিত হয়।

বিয়ে রেজিস্ট্রেশন
বিয়ে রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে বিয়ের দলিল। মুসলিম বিয়ে রেজিস্ট্রেশনকে নিকাহ্নামা অথবা কাবিন বলে। কাবিনে বর কনে উভয়ের সাক্ষীরা স্বাক্ষর করেন এবং কাজী স্বাক্ষর করেন। আইনানুযায়ী মুসলিম বিবাহ রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশে হিন্দু ও বৌদ্ধদের ক্ষেত্রে বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের বিধান নাই। তবে কেউ যদি বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে চায় তাহলে তা করতে পারবে।

বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলৈ কী কী সুবিধা পাওয়া যায়
বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলে মূলত নারীর অধিকার সবচাইতে বেশি সংরক্ষিত হয়। যেমন :

  • বিয়ের সত্যতা প্রমাণ করা সহজ হয়।
  • বহু বিবাহের সুযোগ কমে যায়।
  • দেনমোহর  আদায় সহজ হয়।
  • কারণে স্বামী তালাক দিলে স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ আদায় সহজ হয়।
  • সন্তানেরা পিতৃ পরিচয় এবং সম্পিত্তির উত্তরাধিকার নিশ্চিত হয়।
  • স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজন মারা গেলে অপরজন তার সম্পত্তির বৈধ হিস্যা পাওয়ার সহজতর হয়।

বিয়ে রেজিস্ট্রেশন না করলে কী শাস্তি-
মুসলিম বিয়ে রেজিস্ট্রেশন আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক। বিয়ে রেজিস্ট্রেশন না করলে তিন মাস বিনাশ্রম কারাদ- বা এক হাজার টাক জরিমানা বা উভয়দ- হতে পারে। বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার দায়িত্ব উভযের উপর পরে। তবে ছেলে পক্ষ রেজিস্ট্রেশান খরচ বহন করবেন।
বিয়ে কোথায় রেজিস্ট্রেশন করতে হয় :
মুসলিম বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকার নিযুক্ত কাজী আছে। কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। আবার কাজীকে বিয়ের অনুষ্ঠানে এনেও রেজিস্ট্রেশন করানো যায়। বিয়ের দিন রেজিস্ট্রেশন সম্ভব না হলে ১৫ দিনের মধ্যে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে। এবং কাগজটি যত্ন করে রেখে দিতে হবে।

বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের জন্য কতো খরচ হয় :
মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে দেনমোহরের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের ফি নির্ধারিত হয়ে থাকে। একটি বিয়ের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি সর্বনি¤œ ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা এবং সর্বোচ্চ ৪০০০ (চার হাজার) টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে ফি কখনো চার হাজার টাকার বেশি হবে না। দেনমোহার প্রতি হাজারে ১০(দশ) টাকা হিসাবে ফি প্রদান করতে হবে। তবে এই হিসাবে ফি যদি চার হাজার টাকার বেশি হয় তাহলে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারিত হবে চার হাজার টাকা। কাজী যদি বিযের অনুষ্ঠানে গিয়ে তার দায়িত্ব পালন করেন। তবে তার যাতায়াত বাবদ প্রতি মাইলে ১.০০ (এক টাকা) টাকা করে যাতায়াত খরচ দিতে হবে। এছাড়া, প্রতিটি বিয়েতে কমিশন ফি বাবদ কাজী ২৫.০০ (পঁচিশ) টাকা করে পাবেন। ছেলে পক্ষ রেজিস্ট্রেশনের সকল খরচ বহন করবে। রেজিস্ট্রেশন ফি নেয়ার পর কাজী একটি রসীদ দিবেন। কাজী বর ও কনে উভয়কে বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশনের সত্যায়িত কপি দিবেন।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/২১এপ্রিল,২০১৪

 

এ্ই গরমে প্রশান্তির তরমুজ

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম : কাঠফাটা এই চৈত্রের গরমে তরমুজ প্রশান্তি এনে দেয়। প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মিসরে প্রথম আবাদ করা হয় এই রসাল ফলের, কালাহারি মরুভূমি হচ্ছে তরমুজের আদিনিবাস।

তবে এখন বিশ্বজুড়ে প্রায় বারো শ ধরনের তরমুজ আবাদ করা হয়। তরমুজের বিশেষত্ব হলো এর মধ্যে ৯২ শতাংশই পানি, তাই গরমে পানিশূন্যতা রোধে এটি খুবই উপকারী। বাকি ৬ শতাংশ হলো চিনি, কিছুটা রয়েছে খনিজ ও ভিটামিন, কিন্তু চর্বি বা কোলেস্টেরল প্রায় শূন্য।

বেশ ভালো পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন বা ভিটামিন এ রয়েছে তরমুজে, আরও আছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম।

এগ্রিকালচার ফুড অ্যান্ড কেমিস্ট্রি সাময়িকী বলেছে, তরমুজের রসে রয়েছে এল সাইট্রুলিন নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা দেহে এল আরজিনিনকে পরিবর্তন করে এবং রক্তনালি প্রসারিত করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এ কারণে তরমুজ হূৎপিণ্ডের জন্য ভালো। এ ছাড়া এতে আছে লাইকোপিন নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক। তবে তরমুজে চিনির পরিমাণ একটু বেশি; এর গ্লাইসেমিক সূচক ৭২, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের একটু হিসাব করে খাওয়া উচিত। তা ছাড়া এর ডাইউরেটিক বা প্রস্রাববর্ধক ক্ষমতা আছে, যা বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে। নিউট্রিশন ফ্যাক্ট।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/২১এপ্রিল, ২০১৪