banner

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

সৃজনশীল ক্যারিয়ার গড়তে

carrieeer

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম, ঢাকা :  শিক্ষার ব্যপ্তি আজ বিশাল পরিসর জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। একটা সময় ছিল যখন মানুষ শিক্ষার মানেই ভাবত পড়ালেখা শেষ করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা শিক্ষক হবে। কিন্তু শিক্ষা এখন শুধু এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এখন মানুষ ব্যবসা করার জন্যও শিক্ষা গ্রহণ করছে, আবার ঠিকমতো বিমান চালানোর জন্যও শিক্ষা গ্রহণ করছে। ঠিক তেমনি শিক্ষায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে ডিজাইনের উপর পড়ালেখা—তা হতে পারে বিল্ডিং ডিজাইন অথবা ইন্টেরিয়র ডিজাইন, ড্রেস ডিজাইন বা ফ্যাশন ডিজাইন নিয়েও পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে এখন।

 

সময়ের এই চাহিদা মাথায় রেখেই সুনির্িদষ্টভাবে ডিজাইন বিষয়ে শিক্ষা প্রদানের জন্য স্থপতি আলমগীর জলিল ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশের প্রথম ডিজাইন ইনস্টিটিউট ইন্সপিরেশন ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি। ইতোমধ্যে ইন্সপিরেশন ইনস্টিটিউট পার করেছে সফলতার ১৫টি বছর। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে ফ্যশন ডিজাইন, ইন্টেরিয়র ডিজাইন এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের উপর শিক্ষা প্রদান করা হয়। কেউ চাইলে উচ্চ মাধ্যমিক বা এ-লেভেল শেষ করার পর ৩ বছর মেয়াদি বিএ ইন ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার কোর্সে ভর্তি হতে পারে। কোর্স শেষে লিমককউইং ইউনিভার্সিটি অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, মালয়েশিয়ার অধীনে সার্িটফিকেট প্রদান করা হয়। সাথে আছে ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগ। প্রতিষ্ঠানটি লিমককউইং ইউনিভার্িসটির সরাসরি এজেন্ট হিসেবেও কাজ করছে। তাই যে কেউ চাইলে ইন্সপিরেশন ইনস্টিটিউটের সহায়তায় লিমককউইং ইউনিভার্সিটিতেও যেকোনো বিষয়ে ভর্তি হতে পারেন। এ ছাড়া ইন্সপিরেশন ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউ অ্যান্ড আই এলায়েন্সের অধীনে ফ্যাশন, ইন্টেরিয়র এবং গ্রাফিক্সের উপর ৬ মাস/১ বছর মেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স অফার করছে। ৯৮৯৫১৮৩, ০১৭১১০০৫৯৯৯ নম্বরে ফোন করে এখানকার বিভিন্ন কোর্স এবং অন্যান্য তথ্য বিস্তারিত জানতে পারবেন।

ইন্সপিরেশন ইনস্টিটিউটে ভর্তির জন্য নেই কোনো বয়সের সীমা। এখানে যেকোনো বয়সের, যেকোনো পেশার মানুষ ভর্তি হয়ে গ্রহণ করতে পারেন আধুনিক শিক্ষা। আর তার মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগও অর্জন করতে পারেন। এখান থেকে উত্তীর্ণ হয়ে আর্কিটেকচার অথবা ইন্টেরিয়র ফার্ম, ফার্নিচার কোম্পানি, বিজ্ঞাপন সংস্থা, ফ্যাশন হাউস ছাড়াও আরও অনেক ন্যাশনাল ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে যোগদানের সুযোগ পাবেন। নিজে নিজেও কেউ চাইলে স্বতন্ত্র পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন ফ্যাশন, ইন্টেরিয়র অথবা গ্রাফিক্স ডিজাইনকে।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/এ/০৮ এপ্রিল, ২০১৪.

ভারতে পাচারের সময় বেনাপোলে তরুণী উদ্ধার

pachar 

অপরাজিতবিডি ডটকম, যশোর : মডেলিংয়ের চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা টুম্পা নামে (১৮) এক তরুণীকে উদ্ধার করেছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে ‘মৌ’ নামের বেনাপোলের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। এসময় আব্দুল হাই ব্যাপারী (৪২) নামের এক পাচারকারীকেও আটক করে পুলিশ।
উদ্ধারকৃত টুম্পা ফরিদপুর জেলার শিবচর থানার আব্দুল মালেকের মেয়ে। আর আটক পাচারকারী আব্দুল হাই ব্যাপারী মাদারীপুর পুরান বাজার গ্রামের আজিজ ব্যাপারীর ছেলে। বর্তমানে সে এ পি পশ্চিম যাত্রাবাড়ি এলাকায় বসবাস করে।

বেনাপোল বন্দর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদে জানা যায়, ‘মৌ’ আবাসিক হোটেলে একটি তরুণীকে ভারতে পাচারের জন্য এনে রাখা হয়েছে। এ সংবাদের ভিত্তিতে সকালে হোটেলে অভিযান চালিয়ে তরুণীকে উদ্ধার ও পাচারকারীকে আটক করা করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পাচারকারীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু পাচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরো জানায়, উদ্ধারকৃত তরুণীকে জবানবন্দীর জন্য যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া তরুণী টুম্পা জানান, তার বাড়ি ফরিদপুরে। তারা ঢাকার যাত্রাবাড়ি থাকে। দুই মাস আগে পাচারকারী আব্দুল হাইয়ের সাথে তার পরিচয়। সে তাকে প্রায় সময় অনেক বেতনে মডেলিং এর চাকুরী দেয়ার কথা বলতো। রবিবার বিকেলে মোবাইল করে তার চাকুরী হয়ে গেছে বলে বাড়ি থেকে গাবতলী নিয়ে আসে। সেখান থেকে রাতে একটি বাসে করে সোমবার বেনাপোল নিয়ে আসে। ভারতে পাচারের লাইন খারাপ থাকায় বেনাপোল ‘মৌ’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে তাকে রাখা হয়। তাকে ভারতে পাচারের জন্য এখানে এনে রাখে বলে মেয়েটি জানায়। সেখানে তাকে পাশবিক নির্যাতন করা হয় বলে মেয়েটি থানায় জবানবন্দি দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

অপরাজিতবিডি ডটকম/আরআই/এ/০৮ এপ্রিল, ২০১৪.

স্বপ্ন পুরণে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে অদম্য শোভা

timthumb.php

অপরাজিতবিডি ডটকম, রংপুর : পুরো নাম আম্মিয়া আক্তার শোভা। সবাই তাকে শোভা নামেই চিনে, নামে শোভা হলে কি হবে! সৃষ্টিকর্তা তাকে জন্ম থেকেই দুই পা সম্পুর্ন অকেজো করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার নিভৃত পল্লী শ্যামপুর গ্রামে জন্ম নেয় শোভা। যে বয়সে তার খেলাধুলা, হৈ হুল্লোড় করার কথা সেই বয়সে অনেকটা নি:সঙ্গ হয়ে চার দেয়ালের মাঝেই অনেকটা সময় পেরিয়েছে। শারিরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে জীবনে একটুকু সুখের আশায় একটার পর একটা বাধা পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।

অস্বচ্ছল পরিবারে ২ ভাই ১ বোনের সংসারে বাবা আনিছার রহমানই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।  স্কুলের পিয়ন পদে চাকুরীর সামান্য মাইনে দিয়ে অতিকষ্টে সংসারের ঘানি টেনে চলছে শোভার বাবা আনিছার রহমান। পেশায় গৃহীনি মা দুলালি বেগম মেয়েকে নিয়ে সারাক্ষনই দু:চিন্তায় থাকেন।

শোভার জন্মের পর থেকেই বাবা-মা দুজনেই চিন্তায় পড়েন। পায়ে হেঁটে পথ চলা ব্যাতিত শারিরিক সুস্থ্যতায় ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেন শোভা। পাড়ার অন্যসব ছেলেমেয়েদের স্কুলে যাওয়া দেখে কেঁদে উঠতো শোভার মন। বাবা-মার কাছে পড়াশুনার ইচ্ছা প্রকাশ করলে চলাফেরার সমস্যার প্রসঙ্গ এনে প্রথমে বাধা দিলেও পরে আপত্তি করেননি।

সুযোগ পেয়ে শোভা হাতের উপর ভর করে অর্ধকিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত শুরু করে। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও প্রতিবেশিরা শোভার আগ্রহ দেখে উৎসাহ দিতে থাকে। এক সময়ে ৫ম শ্রেণী পাশ করে শ্যামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। সেখান থেকে জিপিএ ৩.৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করে উচ্চ শিক্ষায় খালাশপীর বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হয়। পড়াশুনা করতে প্রায়ই দুই হাতে সান্ডেল পড়ে হাতের উপর ভর দিয়ে কলেজে যাতায়াতে দেখা যেত শোভাকে। এ নিয়ে কৌতুহল  মানুষের সংখ্যাও কম ছিলনা। সে সময় শোভার চলাফেরায় সাহায্যের হাত বাড়ান কলেজ কর্তৃপক্ষ। এলাকার সমাজসেবক মিজানুর রহমান শাহিন চেয়ারম্যানের সহায়তায় কলেজ কর্তৃপক্ষ শোভার হাতে একটি হুইল চেয়ার তুলে দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় আ’লীগের নেতাদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে ১৫ হাজার টাকার একটি অনুদানের চেকও পান। কলেজ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার পাবার কথা থাকলেও শোভা বলেন ভিন্ন কথা।

এ প্রতিবেদককে শোভা জানান, কষ্ট করে জোরগার করা বাবার টাকায় পড়াশুনা চালিয়েছি, কলেজ কর্তৃপক্ষ সবকিছু ফ্রিতে দিতে চাইলেই তাদের কথা রাখেনি, শুধুমাত্র উপবৃত্তি দিয়েছে। দোয়া করবেন আমি যেন সরকারি চাকরি পেয়ে শিক্ষকতা করতে পারি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খালাশপীর বঙ্গবন্ধু কলেজের অধ্যক্ষ মোমিনুল ইসলাম রনতু শোভার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শোভাকে পড়াশুনায় সব ধরনের সহযোগীতা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্র থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে অদম্য শোভা। শোভার ভাল ফলাফলের প্রত্যাশায় পীরগঞ্জ উপজেলা বাসি। শুভ কামনা শোভা।

অপরাজিতবিডি ডটকম/আরআই/এ/০৮ এপ্রিল, ২০১৪.

মোবাইল ফোনে প্রতারণা প্রেমের বলি মিথি : প্রেমিকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

khunaaaaঅপরাজিতবিডি ডটকম, ঢাকা : রাজধানীর জেডএইচ শিকদার মহিলা মেডিক্যাল কলেজের এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন সাউদিয়া আক্তার মিথি। গত বুধবার সকালে হাজারীবাগ সুলতানগঞ্জের ৩/৫ নম্বর সচিবের গলির বাসার ষষ্ঠ তলার একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আরিফ নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে তারা ওই কক্ষটি সাবলেট হিসেবে ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকতেন। মিথির মৃত্যুর পর আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার আরিফ আদালতে স্বীকার করেছে, মোবাইল ফোনে তথ্য গোপন করে প্রতারণার প্রেমের সূত্র ধরে সে মিথিকে হত্যা করেছে।

 

হাজারীবাগ থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, আরিফ কিভাবে মিথিকে হত্যা করেছে জবানবন্দিতে তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে। আদালত আরিফকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। সাক্ষী হিসেবে মিথি যে বাসায় থাকতেন সেই বাসার বাসিন্দা নুসরাত সাথী, মিথির বান্ধবী রোমানা নাজনীন ও তার কথিত প্রেমিক অনিও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মিথির সহপাঠী, পুলিশ ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, পাবনার সাঁথিয়ায় পাশাপাশি গ্রামে আরিফ ও মিথির বাড়ি। ভুল নম্বরে মোবাইল ফোন কল চলে যাওয়ার সূত্র ধরে মিথির সঙ্গে যোগাযোগ হয় আরিফের। বেকার আরিফ এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছে বলে কৌশলে সম্পর্ক গড়ে তোলে মিথির সঙ্গে। মিথিও আরিফের কথার জালে আটকা পড়ে প্রেমের ফাঁদে পা বাড়ান। একপর্যায়ে তারা সিদ্ধান্ত নেন একসঙ্গে থাকার। বাড়িতে হোস্টেলে থাকার কথা জানিয়ে মিথি আরিফের সঙ্গে বাসা ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। এর পরই মিথির চোখ খুলতে শুরু করে। চাকরি না করে বাড়ি থেকে মিথির আনা টাকায় আরিফ আয়েশি জীবন কাটাতে থাকে। আরিফের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পর্যন্ত, তাও জেনে যান মিথি। এসব নিয়ে শুরু হয় সম্পর্কের টানাপড়েন। ভুল শুধরে নতুন জীবনে ফিরতে চেয়েছিলেন মিথি। এটা জানতে পেরেই গত ১ এপ্রিল রাতে আরিফ তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

আরিফ জবানবন্দিতে বলে, রাতে মিথির বান্ধবী রোমানা ও তার কথিত স্বামী অনিসহ দীর্ঘ সময় আড্ডা দেয়। একপর্যায়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিথির সঙ্গে তার ঝগড়া শুরু হয়। এ সময় তারা নিজেদের কক্ষে চলে যায়। ঝগড়ার বিষয়টি যেন বাইরে থেকে কেউ বুঝতে না পারে এ জন্য সে উচ্চ শব্দে গান বাজাতে থাকে। এ সময় তারা দুজন একে-অন্যের ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে আরিফ মিথির গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। বালিশচাপা দিয়েও রাখে কিছু সময়। মিথির মৃত্যু নিশ্চিত হলে সে গলায় ওড়না বেঁধে সিলিং ফ্যানে ঝোলানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মিথির ওজন বেশি হওয়ায় তাকে ঝোলাতে ব্যর্থ হয়। পরে মেঝেতেই লাশ শুইয়ে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার সকালে মিথির লাশ উদ্ধার এবং আরিফসহ অন্য তিনজনকে আটক করে।
এদিকে রাতেই মিথিকে পাবনার সাঁথিয়া এলাকায় গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

অপরাজিতবিডি ডটকম/আরআই/এ/০৮ এপ্রিল, ২০১৪.

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ২ সন্তানকে কুপিয়ে মায়ের আত্মহত্যা

অপরাজিতবিডি ডটকম, ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় দুই শিশু সন্তানকে কুপিয়ে মায়ের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে। উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের পুরোহাটা গ্রামে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। আজ শুক্রবার সকালে এলাকাবাসী নিজ বাড়ি থেকে মা স্বপ্না (৩৫) ও শিশু কন্যা জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃতদেহ উদ্ধার করে। এছাড়া ছেলে মৃণালকে (৮) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পুরোহাটা গ্রামের সরাফত আলীর স্ত্রী স্বপ্না প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতে ছেলে মৃণাল ও মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে নিয়ে ঘরে ঘুমাতে যান। গভীর রাতে মৃণালের গোঙানির শব্দ শুনে সরাফতের ভাই মাহতাব উদ্দিন ওই ঘরে ঢুকে দেখেন ছুরিকাঘাতে ক্ষতবিক্ষত মৃণাল বিছানায় কাতরাচ্ছে। স্বপ্না ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় আছেন। আর মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃতদেহ পড়ে আছে। এ সময় মাহতাবের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। তারা গুরুতর মৃণালকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সময় সরাফত আলী বাড়িতে ছিলেন না। তিনি ঢাকায় চাকরি করেন।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মাহতাব উদ্দিনসহ ৪জনকে আটক করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে স্বপ্না তার ২ সন্তানকে ছুরিকাঘাত করে নিজে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। স্বপ্না মানসিক রোগী নাকি কোনো ঘটনার শিকারে পরিণত হয়েছেন সে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

অপরাজিতবিডি ডটকম/আরআই/এ/০৮ এপ্রিল, ২০১৪.