banner

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

খুব সহজেই তৈরি করুন মোরগ মোসাল্লাম

1620125_757256460968579_1524043956_n“মোরগ মোসাল্লাম”! নামটা শুনে নিশ্চয়ই এতখনে জিভে পানি চলে এসেছে? আর আসাটাই স্বাভাবিক। মোরগ মোসাল্লাম এমন একটা খাবার যে খেতে চাইলে দৌড়াতে হয় রেস্তরাঁয়। বিশেষ করে পুরানো ঢাকার মোরগ মোসাল্লাম মানেই যেন জিভে স্বাদ লেগে থাকা বহুদিন। আজ আপনাদের জন্য আমরা নিয়ে এলাম সেই মজাদার মোরগ মোসাল্লাম এর দারুণ সহজ এক ঘরোয়া রেসিপি। আর আপনাদের জন্য সেই রেসিপিটি দিয়েছেন শৌখিন রাঁধুনি নদী সিনা।

আসুন, জেনে নেই রেসিপিটি।

উপকরণ-
মোরগ ৩ টা
আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
জিরা গুঁড়ো ১ চা চামচ
টক দই ১ কাপ
জায়ফল বাটা ১ চাচামচ

জয়ত্রী বাটা ১ চাচামচ
রোজমেরি ১ থোকা (তবে কেওড়া পানি বা গোলাপজল দিতে পারলে আরও ভালো)
পোস্তদানা বাটা ৩ টেবিল চামচ
লবন স্বাদমত
চিনি ২ টেবিল চামচ
তেল এবং ঘি মিলানো ১/২ কাপ
জর্দার রং নিজের পছন্দ মত
পেঁয়াজ ১ কাপ ( বেরেস্তা করা )

1615060_757256384301920_130883669_nপ্রণালী-
-প্রথমে মোরগ ভালোভাবে পরিস্কার করে নিতে হবে।
-এর পর মোরগ এর গায়ে কাঁটা চামচ দিয়ে ভালোভাবে কেঁচে নিতে হবে।
-এখন পেঁয়াজ , পোস্তদানা , রোজমেরি , চিনি তেল বাদে বাকি সব মসলা মেখে ২ ঘন্টা রেখে দিতে হবে।
-এখন মোরগটা সুতা দিয়ে ভালো ভাবে বেঁধে নিতে হবে যাতে ছড়িয়ে না যায়।
-প্যান এ তেল দিয়ে মাখিয়ে রাখা মোরগ দিয়ে দিতে হবে।
-মাঝারি তাপে রান্না করতে হবে ঢাকনা দিয়ে। মসলার উপরে তেল উঠে আসলে পেঁয়াজ , পোস্তদানা , রোজমেরি , চিনি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে আরো ১০ মিনিট এর জন্য।
-এইবার বেকিং ট্রেতে নিতে হবে ১৮০’ তে ৩০ মিনিট বেক করতে হবে। বেক শেষ হলে নিজের পছন্দ মত সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে

যেসব বিষয়ে আপোষ নয়

1fe8344218e0ca9a5d3487e408ead731_xlargeঅপরাজিতাবিডি ডটকম: বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতার এই সময়ে এসে মনের মতো একটি চাকরি খুঁজে পাওয়াই শক্ত বিষয়। অনেক সময় বড় বড় ডিগ্রি নিয়েও মেলে না চাকরি। ফলে একটা সময় গিয়ে নিজের সাথেই আপোষ করতে হয়। তবে ভালো ক্যারিয়ার গড়তে কিছু কিছু বিষয়ে কোনোভাবেই আপোষ করা উচিত নয়। এমন বিষয়গুলোর দিকেই এই লেখায় আলোকপাত করেছেন তরিকুর রহমান সজীব

জীবনের নানা প্রসঙ্গেই আপোষ করার প্রয়োজনীয়তাকে মেনে নেন অনেকেই। এমন অনেকেই রয়েছেন যাদের কর্মজীবনেও নানা ধরনের আপোষ করে চলতে হয়। বর্তমান বিশ্বের এই প্রতিযোগিতার সময়ে এসে আপোষ যেন একটি স্বাভাবিক শব্দ ও নিয়মে পরিণত হয়েছে। অবশ্য অনার্স, মাস্টার্সে খুব ভালো ফলাফল করেও যদি বিষয়ভিত্তিক এবং মনের মতো চাকরি না পাওয়া যায়, তাহলে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার জন্য আপোষ না করেই বা উপায় কী! আবার যারা চাকরিতে ইতোমধ্যেই প্রবেশ করে ফেলেছেন তাদেরও প্রমোশন বা অন্যান্য স্বার্থে আপোষ করেই চলতে হতে পারে। তবে আপোষ করার ক্ষেত্রেও কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে। তা নইলে চাকরি একটা করলেও তাতে ভালো ক্যারিয়ার গড়ে তোলা যাবে না।

আপোষ যারা করে থাকেন, তারা অনেকেই উপায়হীন অবস্থায় পড়ে আপোষ করে থাকেন বলেই মনে করেন। তবে অনেক ক্ষেত্রেই হয়ত সবগুলো উপায় তিনি খুঁজেও দেখেননি। খুঁজে দেখলে হয়ত নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করতে হত না তাকে। এমন নানা ধরনের আপোষের মধ্যেও কিছু কিছু বিষয়ে কখনই আপোষ করা উচিত নয় বলেই মন্তব্য করেন ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞরা। এসব বিষয়ে আপোষ করলে সাময়িক কোনো উপকার হলেও শেষ পর্যন্ত গিয়ে পস্তাতে হয় বলেই ধারণা তাদের। এমন বিষয়গুলোর কথাই তুলে ধরা হলো এই লেখায়।

 

নিষ্ঠার সাথে আপোষ নয়

মানবজীবনের অন্যতম মূল একটি বৈশিষ্ট্য হলো নিষ্ঠা। জীবনে চলার পথে এটিই একজন ব্যক্তির অন্যতম মূল ধর্ম হিসেবে পরিগণিত হয়। নিজের চিন্তা-চেতনা, পরিবেশ, সংস্কৃতি—সবকিছু মিলিয়েই গড়ে ওঠে একজন ব্যক্তির নিষ্ঠা। ফলে একজন ব্যক্তির অন্যতম মূল পরিচায়কই হলো তার নিষ্ঠা। কর্মজীবনেই হোক আর ব্যক্তিজীবনেই হোক, নিষ্ঠাই একজন ব্যক্তিকে ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তোলে। এ কারণেই নিষ্ঠার সাথে কখনও আপোষ করতে হয় না। অনেকেই পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজের এক অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্যের সাথে আপোষ করে ফেলেন। কর্মজীবনেও হয়ত নিষ্ঠার ঘাটতি পড়ে যায় অনেকের। অনেকে মোহে পড়েও নিষ্ঠা থেকে দূরে সরে যান। আসলে এতে করে শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের থেকেই দূরে সরে যান। আর এই আক্ষেপ শেষ পর্যন্ত তাকে কোনোভাবেই সুখী করে না।

 

আত্মসম্মান বজায় থাক

নিষ্ঠার পাশাপাশি আত্মসম্মানও মানজীবনের একটি বড় অংশ। আত্মসম্মানহীন জীবনকে মানবজীবন হিসেবে গণ্য করে না কেউই। যার আত্মসম্মান নেই, সে কখনই অন্যকে সম্মান করতে পারে না। ফলে ঘরে-বাইরে কখনই কারও সাথে তার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে না। আর যার মানুষের সাথে সম্পর্ক থাকে না, তার জীবনে সাফল্য কীভাবে আসবে? অনেকেই লোভে পড়ে আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে অনেক কাজ করে থাকে। সাময়িকভাবে হয়ত লাভবানও হয় সে। কিন্তু আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে এই প্রাপ্তি কখনই স্থায়ী হয় না। শেষ পর্যন্ত হয়ত এই প্রাপ্তি তাকে অনেক বড় কোনো মূল্য দিয়ে পরিশোধ করতে হয়। তাই আত্মসম্মানও বজায় রাখতে যেকোনো পরিস্থিতিতে।

 

শারীরিক এবং মানসিক প্রশান্তি

যেকোনো কিছুর সাথেই শারীরিক এবং মানসিক প্রশান্তির গভীর যোগসূত্র রয়েছে। যে ব্যক্তি শারীরিকভাবে সুস্থ নয়, সে তার কর্মেও কখনও ভালো করতে পারবে না। আবার মানসিকভাবে প্রশান্ত না থাকলেও কাজে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এ কারণেই কর্মজীবনেও শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আপোষ করা যাবে না। অনেকেই অফিসের জন্য দিন-রাত একাকার করে কাজ করেন। এতে করে নিজের স্বাস্থ্যের ভগ্নদশা তৈরি হলেও তাতে নজর দেন না অনেকে। আবার অনেক সময় অফিসের অনেক কাজ নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে করতে হয়। এটিও আপনাকে মানসিকভাবে অশান্তিতে রাখতে পারে। এর কোনো পরিস্থিতিতেই আপনি আপনার কর্মদক্ষতার পরিপূর্ণ প্রকাশ করতে পারবেন না। তাছাড়া এসব করে কিছু সময়ের জন্য ভালো ফলাফল পেলেও এতে করে আপনার জীবনীশক্তি দ্রুত হরাস পেতে থাকবে, দীর্ঘমেয়াদে যা আপনার কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেবে। আপনার সৃজনশীলতায়ও ভাটা পড়বে। আর আপনি সুস্থ থাকলে তবেই নিজের যত্ন নিতে পারবেন, আপনার পরিবারের দায়িত্বগুলোও পালন করতে পারবেন। অন্যাথা হলে তা সম্ভব হবে না। কাজেই শারীরিক এবং মানসিক প্রশান্তির সাথে কর্মজীবনেও কোনো আপোষ নয়।

 

স্বকীয়তা ও আত্মবিশ্বাস

আপনার স্বকীয়তা এবং সৃজনশীলতাই জানিয়ে দেবে আপনি কে। কাজেই স্বকীয়তা এবং সৃজনশীলতার সাথে আপোষ করা চলবে না। আপনি জানেন, একটি কাজ আপনি খুব ভালো পারেন। আপনার মতো করে কাজটি করতে দিলে আপনার পরিপার্শ্বের সকলের চাইতে কাজটি আপনিই ভালো করতে পারবেন, এমন আত্মবিশ্বাস আপনার রয়েছে। এমন সময়ে যদি অন্য কেউ বলে যে আপনি কাজটি সঠিকভাবে করতে পারবেন না, সে কথায় কান দেবেন না। অন্যের কথার চাইতে নিজের মনের কথার দিকেই মনোযোগ দেবেন বেশি। অন্য অনেকেই আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে। স্বকীয়তা আর নিজের উপর আত্মবিশ্বাসের সাথে আপোষ করলে ধীরে ধীরে আপনি পরিণত হবেন অন্যের কলের পুতুলে। তখন হাজার চেষ্টা করলেও নিজেকে আর ফিরে পাবেন না। তাই স্বকীয়তা বজায় রাখুন এবং আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়েই পথ চলুন।

 

দৃষ্টি থাকুক সামনে

একেকজনের কাছে জীবনের অর্থ একেক রকম। তবে শেষ পর্যন্ত সব মানুষকেই জীবনের প্রতিটি সময়ের দায় বহন করে চলতে হয়। আপনি হয়ত শেষ বয়সে গিয়ে খুব বিখ্যাত হয়ে গেলেন। কিন্তু তাই বলে কি অন্যের অজানা আপনার তরুণ বয়সের অনেক ব্যর্থতা কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত কাজের দায় এড়াতে পারবেন। এই দায় সবাইকেই বহন করে চলতে হয়। এটা মাথায় নিয়েই পথ চলা উচিত। আপনার কর্মজীবনেও সাফল্য লাভের জন্য বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এমন কিছু করা উচিত নয়, যার জন্য পরবর্তী সময়ে আপনাকে অনুতাপ করতে হয়। সেটা করতে হলে কিন্তু আপনার অনেক অর্জনই শেষ পর্যন্ত আর উপভোগ্য থাকবে না, অনেক অর্জনই পরিণত হবে গলার কাঁটায়। তাই দায় থেকে যাবে, এমন বিষয়ে আপোষ করবেন না কখনই।সূত্র: ওয়েবসাইট

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/১৭৫০২৭জানুয়ারী২০১৪/আরআই/এ

 

ন্যান্সির নয়া সিদ্ধান্ত

8740_e1মিডিয়া কর্ণার,অপরাজিতাবিডি ডটকম: মাতৃত্বকালীন বিরতি শেষে ফের গানে নিয়মিত হচ্ছেন ন্যান্সি। তার ভাষায়, এবার আর কোন অভিযোগ তোলার সুযোগ রাখবো না। কারণ, সবাই শুধু কথায় কথায় বলে সময় মতো আমাকে নাকি পাওয়া যায় না। আমি গ্রামে থাকি। আমার অনেক দাম… ইত্যাদি ইত্যাদি। এবার এসব অভিযোগ মুছতে আমি ঢাকায় স্থায়ী হচ্ছি।

 

সংসার সন্তান নিয়ে বেশ ক’মাস ধরে ন্যান্সি অবস্থান করছেন শ্বশুরবাড়ি ময়মনসিংহে। ৯ই জানুয়ারি দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের (নায়লা) মা হন তিনি। এ কারণে গেল প্রায় পাঁচ মাস ন্যান্সিকে পাওয়া যায়নি গান রেকর্ডিং, টিভি লাইভ কিংবা স্টেজ শোতে। তবে সন্তান হওয়ার ঠিক এক মাসের মাথায় ফের গানে ফিরছেন ন্যান্সি। তিনি জানান, লম্বা বিরতির পর ৮ই ফেব্রুয়ারি ফের ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় পা রাখছেন। তবে স্থায়ীভাবে নয়। মাত্র দু’দিনের জন্য। এ দু’দিনে তিনি চারটি গান রেকর্ডে অংশ নেবেন। এর মধ্যে দু’টি চলচ্চিত্রের গান আর দু’টি অডিও অ্যালবামের। ন্যান্সি বলেন, নায়লাকে ছাড়াই এবার ঢাকায় আসতে হচ্ছে। কারণ, এতো ছোট বাচ্চা নিয়ে ঢাকার জ্যাম ডিঙ্গিয়ে চার স্টুডিওতে দৌড়ানো সম্ভব নয়। তবে শিগগিরই রোদেলা ও নায়লাকে নিয়ে ঢাকায় স্থায়ী হচ্ছি। সব ঠিক থাকলে আসছে এপ্রিলে ঢাকায় বাসা ভাড়া করবো। তখন দেখবো অভিযোগকারীরা আমাকে কতটা গাওয়ার সুযোগ দেন।

 

ন্যান্সি ক্ষোভ নিয়ে আরও বলেন, আমি জানি ঢাকায় স্থায়ী হলেও তেমন কোন লাভ হবে না। অডিও ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা তো অনেক দিন ধরেই করুণ। এখন অ্যালবাম করা আর না করা সমান কথা। আর ফিল্মের কথা কি বলবো? সবাই শুধু গানের সম্মানী নিয়ে মাছ বাজারের মতো মুলামুলি করে। অথচ কেউ ভাবে না বছরে আমি ক’টা গান গাই। কত টাকা রোজগার করি। কতটা সময় বেকার বসে থাকি। গেল একটা বছর তো একরকম বেকার সময় পার করেছি। তার ওপর রয়েছে রাজনৈতিক, পুলিশি হুমকি-ধমকি। হাজবেন্ড অর্থনৈতিকভাবে খানিক সচ্ছল বলে ডাল-ভাত খেতে পারছি এখনও।

 

সব মিলিয়ে এবার ঢাকায় এসে ধৈর্যের শেষ পরীক্ষাটা দিতে চাই। দেখা যাক ঢাকা শহরের সংগীত সংশ্লিষ্টরা আমার জন্য কতটুকু করেন। এদিকে ৮ই ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এসে ন্যান্সি কণ্ঠ দেবেন তিন তরুণ সুরকার রবিন, সাচি সামস, রাশেদের গানে।

 

ন্যান্সির প্রতি প্রশ্ন ছিল, নতুন নতুন এমন সুরকার-অ্যালবাম আয়োজক কিংবা শিল্পীদের সঙ্গে গান গাওয়াটা কি নিজের প্রতি খানিক অবিচার করা নয়? এবার খানিক ক্ষেপে গিয়ে ন্যান্সি বলেন, এখন কারা গান করেন? কোন গুণী কিংবা যোগ্য সুরকার-সংগীত পরিচালকরা গান করেন? আমি তো দেখছি প্রায় সবাই চুপ করে বসে আছেন। ফলে আমার হাতে অন্য কোন অপশন নই। প্রশ্ন করা অনেক সহজ। বাস্তবতা অনেক কঠিন। আমি এই চারটি গান না গাইলেও পারতাম। কিন্তু না গেয়ে আর কতদিন বসে থাকবো? ভাল মিউজিক ডিরেক্টরের অপেক্ষায় কতদিন বসে থাকতে হবে? তাছাড়া এখন যারা গানবাজনা করছেন তারা সবাই পয়সাওয়ালা। তারা নিজের টাকায় নিজেরাই গান করছেন, গাইছেন, গাওয়াচ্ছেন, ভিডিওতে নাচছেন। টাকার দাপটে আবার হিটও হচ্ছেন অনেকে। আমার তো টাকা নেই।

 

নিম্ন মধ্যবিত্ত সংসারের মেয়ে আমি। আমাকে তো অন্যের গান গেয়েই চলতে হবে। যার কারণে এখন আর বাছবিচার করি না। ক্লান্ত হয়ে গেছি। তবুও আশায় আছি রোদেলা দিনের। দেখা যাক। এদিকে ৮ই ফেব্রুয়ারি রেকর্ডিংয়ে ফেরার পাশাপাশি ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবসে ন্যান্সি ফিরছেন স্টেজ শোতেও। দীর্ঘ বিরতির পর এদিন তিনি গাইবেন চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে একটি কনসার্টে।সূত্র: অনলাইন থেকে

 

অপরাজিতাবিডি ডটকম/১৭.৪০.২৭জানুয়ারী২০১৪/আরআই/এ

 

গলায় জুতার মালা

জেলা প্রতিনিধি, অপরাজিতাবিডি ডটকম

laxmipur_district_map_35294লক্ষ্মীপুর: জেলার রায়পুরে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কাজে ধরা পড়ায় রায়পুর থানার এক পুলিশ সদস্য ও প্রবাসীর স্ত্রীকে গলায় জুতার মালা দিয়েছে এলাকাবাসী। পরে দু’জনকে জনসম্মুখে বেঁধে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। এ ঘটনায় পুলিশের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পুলিশ কনস্টেবল মোরশেদকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন পুলিশ সুপার। ঘটনাটি ঘটেছে রায়পুর উপজেলার কেরোয়া গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডের প্রবাসী মিজানের বাড়িতে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রায়পুর থানার পুলিশ সদস্য মোরশেদ দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী মিজানের ঘরে আসা-যাওয়া করতেন। এতে স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহ দেখা দেয়। অন্য সময়ের মতো শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ সদস্য মোরশেদ প্রবাসী মিজানের ঘরে ঢুকতে দেখে প্রতিবেশীরা। এতে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে অনৈতিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় তাদের দু’জনকে আটক করে গণধোলাই দেয়।

পরে পুলিশ কনস্টেবল মোরশেদ ও শাহিনুর বেগমকে জুতার মালা দিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে দু’জনকে উন্মুক্ত স্থানে বেঁধে রাখে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। রায়পুর থানা পুলিশ তাদের ঊর্ধ্বতন জেলা পুলিশ সুপারকে ঘটনাটি অবহিত করেন। নাম প্রকাশে কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, রক্ষক যখন ভক্ষক হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়। এসব কথা বলে দোষী পুলিশের শাস্তি দাবি করেন তারা।

তবে এ বিষয়ে জড়িত পুলিশ কনস্টেবল মোরশেদ কোন কথা বলতে রাজি নয়। এ ব্যাপারে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুপক কুমার সাহা ও ওসি (তদন্ত) নাছিরুজ্জামানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে বার বার কথা বলার চেষ্টা করেও কোন লাভ হয়নি। বরং, তারা এ বিষয় এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার ফয়েজ আলম বলেন, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ সদস্য মোরশেদকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অপরাজিতাবিডি ডটকম/১৭.২৪.২৭জানুয়ারী২০১৪/আরএ

পথশিশুদের জন্য নিপার স্কুল

নীপাঅপরাজিতাবিডি ডটকম: সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে আমাদের নৈতিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা ও মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা যেখানে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে সেখানে সত্ কাজের আদেশ কিংবা ভালো কাজ করে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনের নজির এখন প্রায় বিরল ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তারপরও নানা প্রতিকূলতার মুখেও আমাদের সমাজের ও আশেপাশের কেউ না কেউ মহান এ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন নীরবে নিভৃতে

 

কোন ধরনের প্রাপ্তি বা প্রতিদানের কথা না ভেবেই তারা সমাজকে কিছু একটা দেয়ার ব্রত নিয়ে কাজ করছেন নিজের তাগিদ থেকেই। আর এমনেক অনুসরণীয় দৃষ্টান্তের নাম নিপা চৌধুরী। ২০০৯ সালের শুরুর দিকের কথা। সমাজের অবহেলিত পথশিশুদের জন্য প্রথমে কিছু একটা করার চিন্তভা আসে তার মাথায়। এ চিন্তা থেকেই পথচলা। বাইরের কোন অর্থ সংস্থান বা অন্য কারো সাহায্য সহযোগিতার কথা চিন্তা না করে সম্পূর্ণ নিজের অর্থায়নে এসব অবহেলিত ও বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ শুরু করেন নিপা। এ সময় তিনি প্রায় ৭০ জন পথশিশুকে একত্রিত করে নিজের ড্রয়িং রুম থেকে শিক্ষা দানের কাজ শুরু করেন।

 

-প্রতিবেদক,অপরাজিতাবিডি ডটকম/২৪জানুয়ারী২০১৪.১৭.০৩

নারী ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে 'ওমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং'

image_104108অপরাজিতাবিডি ডটকম: ইঞ্জিনিয়ার হতে চাওয়া নারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।পেশা বাছাইয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের নারীরা ডাক্তারিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। কানাডা থেকে পিএইচডি শেষে দেশে ফিরে তা ভালভাবে অনুভব করেন ড. সেলিয়া শাহনাজ। বাংলাদেশের নারীদের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এবং আরো ভালো কর্ম পরিবেশ সৃষ্টি করতে তার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় ওমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (ডব্লিউআইই), আইট্রিপলই বাংলাদেশ শাখা।

 

আইট্রিপলই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারদের সর্ববৃহত্ সংগঠন। বাংলাদেশে ওমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১০ সালে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এ সংগঠন দেশের নারীদের ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে, শিক্ষা, গবেষণা এবং কর্মক্ষেত্রে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে বেশকিছু নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ডব্লিউআইইয়ের কাজ সম্পর্কে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং ডব্লিউআইই বাংলাদেশ শাখার প্রধান ড. সেলিয়া শাহনাজ বলেন, ‘তরুণ ছাত্রীদের গবেষণার কাজে উদ্বুদ্ধ করার জন্য আমরা বিভিন্ন সময়ে রিসার্চ ওয়ার্কশপ করে থাকি। এতে বিভিন্ন রিসোর্স পারসন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। সব ধরনের রিসার্চ পেপার উপস্থাপনার ক্ষেত্রে আরো বেশি দক্ষতা আনতে আমরা পোস্টার পেপার উপস্থাপনের ব্যবস্থা করে থাকি। কারিগরি লিখনীর ক্ষেত্রে লেটেক্স একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বাংলাদেশে এটি বহুল প্রচলিত না হওয়ায় এ বিষয়ে ওয়ার্কশপ করে থাকি। ছাত্রী এবং তরুণ নারী প্রকৌশলীদের সর্বশেষ প্রযুক্তি সম্পর্কে আপডেটেড রাখতে নিয়মিত সেমিনারের আয়োজন করি। এতে আন্তর্জাতিক স্কলার পারসন সে প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকেন। আমরা আমাদের সদস্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখি এবং জ্ঞানের আদান-প্রদান করি। এসব যোগাযোগ সভা, সেমিনার, ইন্টারনেট, ফেসবুক, টেলিফোনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে হয়ে থাকে। প্রতিযোগিতা, গবেষণা এবং পেশাগত কাজে কেউ ভালো ফলাফল করলে তাকে পুরস্কার দিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে উত্সাহ দেয়া হয়।’

 

কর্মক্ষেত্রে সদস্যদের জন্য আরো ভালো পরিবেশ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে ডব্লিউআইই। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কোনো সদস্য শিক্ষা, গবেষণা এবং কর্মক্ষেত্রে সমস্যায় পড়লে আমরা আলোচনা করে সমাধান করি। এভাবে নারী ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ভালো পরিবেশ তৈরি করতে ডব্লিউআইই কাজ করে যাচ্ছে।’

 

স্কুল এবং কলেজের ছাত্রীদের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতি আগ্রহী করতে নেয়া হচ্ছে ‘গো ইঞ্জিনিয়ারিং গার্ল’ কর্মসূচি। এ কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের স্কুল এবং কলেজভিত্তিক কর্মসূচি। ক্লাস ফাইভ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী এবং অভিভাবকেরা এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার গুরুত্ব বুঝানো হবে এবং এ পেশায় আসতে উত্সাহ দেয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিজ্ঞানমেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এভাবে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য বিশেষ করে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হতে সবাইকে আরো বেশি সচেতন করা যাবে।’ নারী ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য আন্তর্জাতিক সংগঠন ডব্লিউআইইয়ের বার্ষিক সদস্য ফি ২৫ ডলার। অধ্যয়নরত ছাত্রী এবং জীবন সদস্যের জন্য কোনো ফি লাগে না।

 

বাংলাদেশে ডব্লিউআইই প্রতিষ্ঠার তিন বছরের মাথায় আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃতি পেয়েছেন ড. সেলিয়া শাহনাজ। এশিয়া প্যাসিফিক জোনে ডব্লিউআইইয়ের ২৫টি শাখা রয়েছে। ২০১৩ সালে এশিয়া প্যাসিফিক জোনে তিনি আইট্রিপলই রিজিয়ন— ১০ উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রফেশনাল ভলান্টিয়ার পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ বছরের মার্চ মাসে মালয়েশিয়াকে পুরস্কার দেয়া হবে। দেশের সুষম উন্নয়নের জন্য নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ। বাংলাদেশে ডব্লিউআইইয়ের অগ্রযাত্রা আমাদের আশান্বিত করবে।

 

-প্রতিবেদক,অপরাজিতাবিডি ডটকম/২৭জানুয়ারী২০১৪