banner

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

মির্জাপুরে গার্মেন্ট কর্মীকে গণধর্ষণ

images (1)মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা, অপরাজিতাবিডি ডটকম: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দুর্বৃত্তরা এক গার্মেন্টকর্মীকে রোববার রাতে তার চাচার কাছ থেকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে। পুলিশ ওই গার্মেন্টকর্মীকে উদ্ধার করে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ লিটন নামে এক টেম্পুচালককে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানায়, রাত পৌনে ৩টার দিকে ওই গার্মেন্টকর্মী তার চাচার সঙ্গে বাসযোগে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই শিল্পাঞ্চলের হাঁটুভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নামেন। এ সময় উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের পিকআপভ্যানের চালক জালাল ও তার সহযোগী সৈয়দপুর গ্রামের জনি, ক্যাডেট কলেজ এলাকার মৃদুল, হাঁটুভাঙা এলাকার মুরাদ, মাটিয়াখোলা গ্রামের লিটন এবং কামারপাড়া গ্রামের জাহিদ ওই গার্মেন্টকর্মীকে তার চাচার কাছ থেকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি স’মিলে নিয়ে গণধর্ষণ করে।

এ ঘটনা জানতে পেরে প্রহরীরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ অচেতন অবস্থায় ওই গার্মেন্টকর্মীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ লিটন নামে এক টেম্পুচালককে গ্রেপ্তার করেছে।

মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজগর জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরো পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রশিক্ষণে মেয়েরাও পারে এগিয়ে যেতে

female pilotঅপরাজিতাবিডি ডটকম: এ যুগে মেয়েদেরও পড়াশোনার বিষয় পছন্দে উন্নত ক্যারিয়ার ও চাকরির বাজার বিবেচনায় রাখতে হয়। এক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রেখে লেখাপড়া করতে হয়। এ ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখা উচিত যেন উচ্চডিগ্রিটি পুরো বিশ্বে সমাদৃত ও গ্রহণযোগ্য হয়। অনেকেই চান লেখাপড়ার বিষয়টি যেন চাকরি প্রাপ্তির সম্ভাবনা বিশেষ করে সার্টিফিকেট পাওয়ার আগেই চাকরির অফার আসতে শুরু করুক এমন কোর্স করার কথা ভাবেন। মেয়েদের পছন্দের এই গুরুত্বের সাথে মিল রেখে ক্যারিয়ার জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ আশা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অনার্স সমমান ডিগ্রি অর্জন করার।

এই মুহূর্তে এভিয়েশন সেক্টরে বিপুল দক্ষ লোকের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। যার ফলে ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে জনবল সেভাবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদেরও ক্যারিয়ার গড়ে তোলার এটাই আদর্শ সময়। আজকাল অভিভাবকরা এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ভর্তিযুদ্ধ নিয়ে হিমশিম খেয়ে যান। অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেখানে ৪ বছরে ১০-২০ লাখ টাকা দিয়ে পড়াশোনা করেও ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন, সেখানে এসএসসি/‘০’ লেভেলের পর ৪ বছরে অনার্স ডিগ্রি করতে পারেন কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজিতে। এ ক্ষেত্রে ১৮ মাস লেভেল-৩ বা এ লেভেল, ১৮ মাস লেভেল-৫ এবং ১ বছর ইউকে’তে কিংস্টন ইউনিভার্সিটিতে টপ আপ বিএসসি করতে হবে। আর এসব ভিন্নমাত্রার পেশায় সফলতার হার অনেক বেশি। এভিয়েশন সেক্টরে রয়েছে চাকরির বিশাল সম্ভাবনা। সরকারি ও বেসরকারি দুই জায়গাতেই চাকরির ক্ষেত্র বিদ্যমান। এছাড়া বিভিন্ন বিদেশি এয়ারলাইন্সে যোগ্যতা অনুযায়ী ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তো রয়েছেই।

ছোটবেলা থেকেই মাহফুজার ইচ্ছা ছিল অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। ২০০৮ সালে নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর সে কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজিতে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হয়। এখান থেকে ২ বছর ব্যাচেলর ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর সে বর্তমানে ক্রেডিট ট্রান্সফার করে ইউএসএ’র বিখ্যাত উইশিটা ইউনিভার্সিটিতে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছে।

ডা. হাকিকুর রহমানের মেয়ে সাওসান রহমান ২০০৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর সে কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজিতে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হয়। এখান থেকে হায়ার ন্যাশনাল ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে সে বর্তমানে পর্তুগালের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েরা ইনটেরিয়রে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করছে।

খরচ : এ ক্ষেত্রে ১৮ মাস লেভেল-৩ বা এ লেভেল করতে সর্বমোট খরচ পড়বে ৩,০০,০০০ টাকা, ১৮ মাস লেভেল-৫ করতে সর্বমোট খরচ পড়বে ৫,৫০,০০০ টাকা এবং ১ বছর ইউকে’তে কিংস্টন ইউনিভার্সিটিতে টপ আপ বিএসসি করতে কিংস্টন ইউনিভার্সিটির ১ বছরের টিউশন ফি দিতে হবে। তবে টিউশন ফি সেমিস্টার ওয়াইজ পে করতে হবে। আরও বিস্তারিত জানতে— উত্তরা সেক্টর-১১, রোড-০২, বাড়ি-১৪, উত্তরা, ঢাকা। ফোন : ৮৯৯১৩৭১।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একজন শিক্ষার্থীকে এসএসসি অথবা ‘ও’ লেভেল পাস করার পর এইচএসসি অথবা ‘এ’ লেভেল পাস করতে ২ বছরের অধিক সময় লাগে। তারপর বুয়েট কিংবা অন্য কোথাও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে কমপক্ষে ৪/৫ বছর লাগবে। সুতরাং একজন শিক্ষার্থীকে সর্বমোট ৭/৮ বছর সময় দিতে হচ্ছে চাকরি পাওয়ার পূর্বেই এবং সব ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে সেভাবে জব পাওয়া সহজলভ্য হয় না। অন্যদিকে একজন শিক্ষার্থী অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে থাকা (ফাইনাল ইয়ার) অবস্থাতেই চাকরির নিশ্চয়তা রয়েছে।


্রতিবেদক-অপরাজিতাবিডি ডটকম/২১জানুয়ারী২০১৪

এই শীতে যত্ন নিন ঠোঁটের

03_43135অপরাজিতাবিডি ডটকম: শীতে ঠোঁট ফেটে যাওয়া, চামড়া ওঠা সাধারণ ব্যাপার। এসব সমস্যা সমাধানে বাজারে পাওয়া যায় নানা ধরনের লিপজেল, চ্যাপস্টিক, লিপগ্লস ইত্যাদি। তবে এসব ঠোঁটের জন্য কতটা উপকারী সেগুলো নিয়ে আমাদের আয়োজন

 

যত্ন

দুধ, মধু ও গোলাপের পাপড়ির পেস্ট তৈরি করে রাতে ঠোঁটে লাগিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে লিপজেল লাগান। এই ম্যাসাজ এক দিন পর পর করা ভালো। এতে ঠোঁট নরম ও কোমল থাকবে। তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দেওয়া যায়। এ ছাড়া শীতে ঠোঁটের কোমলতা রাখতে যা করতে পারেন-

* গোসলের আগে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে হবে।

* শীতে ঠোঁটের জন্য সবচেয়ে উপকারী হচ্ছে গ্লিসারিন ব্যবহার।

* কিছুক্ষণ পর পর চ্যাপস্টিক ব্যবহার করতে হবে। লিপজেলও ব্যবহার করতে পারেন।

* পার্টিতে লিপস্টিক ব্যবহার করলে অবশ্যই তার ওপর লিপগ্লস ব্যবহার করতে হবে।

* বাজারে কিছু কালার চ্যাপস্টিক পাওয়া যায়। পার্টিতে কালার চ্যাপস্টিক ব্যবহার করলেও তার সঙ্গে লিপগ্লস ব্যবহার করতে হবে। না হলে মেকআপের টানে এবং শীতের রুক্ষতায় ঠোঁট শুকিয়ে যাবে।

* শীতে ঠোঁটের কোমলতার জন্য চ্যাপস্টিক, লিপজেল, অলিভ অয়েল, গ্লিসারিন, লিপগ্লস ইত্যাদি যা-ই ব্যবহার করা হোক না কেন, তা যেন অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের হয়।

* কখনোই নিজে নিজে চামড়া ওঠানো যাবে না। এতে ঠোঁট থেকে রক্ত ঝরা শুরু হবে এবং ফাটা দাগ বসে যেতে পারে। চ্যাপস্টিক, লিপজেল ইত্যাদি ব্যবহারের ফলে ঠোঁটের ফাটা চামড়া নরম হয়ে এমনিতেই উঠে যাবে।

* প্রতি রাতে বিট অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে লাগালে কালো দাগ দূর হতে পারে।

* ঠোঁটে ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে মাখন লাগানো যেতে পারে, যা ত্বক ফাটা দূর করে ও নরম রাখে।

 

শুষ্ক ঠোঁট

* ভালো মানের লিপস্টিক অনেক সময় ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে। এ ক্ষেত্রে লিপস্টিকের উপাদান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

* টুথপেস্টের কারণেও অনেক সময় ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায়। এ রকম হলে টুথপেস্ট বদলে ফেলুন। সাদা রঙের টুথপেস্ট সাধারণত ঠোঁটের জন্য ভালো ।

* সাবান ও ফেসওয়াশ ঠোঁটে লাগাবেন না।

* সূর্যমুখীর তেল শুষ্ক ঠোঁটের জন্য ভালো। এটি দিনে কয়েকবার ব্যবহার করতে পারেন। রাতে ভ্যাসলিন লাগাতে ভুলবেন না।

* শুষ্ক ঠোঁটে কখনোই ম্যাট লিপস্টিক লাগাবেন না।

* ঠোঁটের লিপস্টিক তুলতে তুলায় ভ্যাসলিন লাগিয়ে আলতো করে ঘষুন।

-প্রতিবেদক,অপরাজিতাবিডি ডটকম

বৈবাহিক জীবনে রাসূল (সা.)-এর আদর্শ

1131979732_5125cce200_o_38845মুহাম্মদ আরিফুর রহমান জসিম: মহান আল্লাহতায়ালার অগণিত রহমতের মধ্যে দাম্পত্য জীবন এক সমুজ্জ্বল মহিমায় মহিমান্বিত রহমত। মহান আল্লাহতায়ালা মানব জাতিকে তার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করলেও মানুষের জৈবিক চাহিদাকে উপেক্ষা করেননি। তিনি তাদের হৃদয় বৃত্তির কথা বিবেচনায় রেখে বৈবাহিক জীবনধারার বিধান রেখেছেন। আর দাম্পত্য জীবন সার্থক করতে সহধর্মিণী নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছেন।

এ সম্পর্কে মহান আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা অবিবাহিত তাদের বিয়ে দিয়ে দাও; যদি তারা দরিদ্র হয়, তাহলে আল্লাহতায়ালা তাদের নিজ অনুগ্রহে সচ্ছল করে দেবেন। মহান আল্লাহতায়ালা প্রাচুর্যময় এবং সর্বজ্ঞ। (সূরা আল-নূর : আয়াত-৩২)

স্ত্রী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, চারটি কারণে রমণীকে বিবাহ করা হয়ে থাকে। তার সম্পদ থাকার জন্য, বংশ মর্যাদার কারণে, সৌন্দর্য ও ধর্মভীরুতার জন্য। তবে তুমি ধর্মভীরু রমণীকে বিবাহ করে ভাগ্যবান হও। অন্যথায় তোমার হাত দুটি ধুলোময় হবে (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসয়ি, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)।

অন্য এক হাদিসে বলা হয়েছে, দুনিয়ার সব জিনিসই আনন্দের সম্পদ, এর মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট আনন্দের সম্পদ হলো সতীসাধ্বী স্ত্রী। (মুসলিম-১৪৬৮) হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বিয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করতে আদেশ করতেন আর বিয়ে বর্জন করাকে কঠোরভাবে নিষেধ করতেন। আরও বলতেন, তোমরা এমন সব রমণীকে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ কর; যারা প্রেম প্রণয়নী প্রিয়া ও বেশি সন্তান প্রসব করার অধিকারিণী হয়। কেননা আমি তোমাদের নিয়ে কিয়ামতের দিনে নবীগণের কাছে আমার উম্মতের আধিক্যের গর্ব প্রকাশ করব। (আহমাদ : ২৪৫)

বিবাহের ক্ষেত্রে স্ত্রী নির্বাচনের জন্য অন্য এক হাদিসে বলা হয়েছে- নারীদের মধ্যে থেকে কুমারীদের বিয়ে কর। কেননা তাদের গর্ভ অধিক উর্বর, তাদের মুখ অধিক সতেজ এবং তারা অল্প উপকরণে বেশি খুশি। (ইবনে মাজাহ) এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, একজন ভালো স্বামী এবং ভালো স্ত্রীর ঘর নিঃসন্দেহে সুন্দর ঘর তৈরির প্রধান উপকরণ। পবিত্র কোরআনে উপমার মাধ্যমে উপরোক্ত কথার সত্যতা প্রতীয়মান। যেমন বলা হয়েছে- একটি ভালো জমিন আল্লাহর হুকুমে পর্যাপ্ত বৃক্ষলতা জন্মদান করে, কিন্তু দূষিত বৃক্ষ অপর্যাপ্ত উৎপাদন করে। (সূরা আ’রাফ : ৫৮) মহান আল্লাহতায়ালার রহমতে আমাদের সবারই দাম্পত্যজীবন সুখী ও সমৃদ্ধশালী হোক। আমিন, ছুম্মা আমিন। সূত্র: ওয়েবসাইট

অপরাজিতাবিডি ডটকম/আরআই/২১জানুয়ারী২০১৪

আলুর জিলাপি

alur-jilebi-150913-b-kagoj_38983উপকরণ:
– সেদ্ধ আলু ১ কাপ
– ময়দা ১ কাপ
– গুড়া দুধ ৬ টেবিল চামচ
– ঘি ৬ টেবিল চামচ
– বেকিং পাউডার সিকি চা চামচ
– তরল দুধ ১ কাপ
– ভাজার জন্য পরিমাণ মতো তেল

 

 

সিরার জন্য:
– চিনি ৩ কাপ
– পানি ২ কাপ
– গোলাপজল সামান্য
পানির সঙ্গে চিনি জাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিতে হবে।

 

প্রণালী:
তরল দুধ চুলায় বসিয়ে বলক এলে ময়দা দিয়ে সেদ্ধ খামির তৈরি করে নিন। এবার সেদ্ধ ময়দার সঙ্গে আলু এবং গুড়া দুধ একসঙ্গে ভালো করে মেখে নিন। এবার পরিমাণমতো খামির নিয়ে লম্বা চিকন করে ৮-৯ ইঞ্চির মতো লম্বা করুন। গোল করে পেঁচিয়ে ডুবো তেলে ভেজে হলে সিরায় ৫ মিনিট রাখুন। পরিবেশন ডিশে রেখে গরম গরম পরিবেশন করুন।
-প্রতিবেদক,অপরাজিতাবিডি ডটকম

উলের উষ্ণতায়

alaaঅপরাজিতাবিডি ডটকম: প্রকৃতিতে এখন শীতের দাপট। রাতে হালকা শিশিরে ভিজে যাচ্ছে পথঘাট। ভোর আর রাতের বেলায় দেখা মেলে কুয়াশারও। শীতে উষ্ণতার জন্য দরকার একটু বাড়তি কাপড়চোপড়। এ ক্ষেত্রে সবার প্রথম পছন্দ উলের কাপড়।

এমনিতেই ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে শীতকাল একটি আকর্ষণীয় ঋতু। প্রয়োজন আর শখ মিলে উপভোগ্য হয়ে ওঠে শীতের পোশাকের সমাহার। এ ক্ষেত্রে মেয়েরা একধাপ এগিয়ে। সেক্ষেত্রে বরাবরের মতো উলের পোশাকের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। সাথে রয়েছে ডিজাইনের বৈচিত্র্য। সব মিলিয়ে উলের উষ্ণতায় এবারের শীত কাটবে একটু ভিন্ন সৌন্দর্য নিয়ে। সময়ের পরিবর্তনে এখন একেবারে বেসিক উল নিটেড পোশাকের চেয়ে মিক্স স্টাইল পোশাকই বেশি চলছে। এসব সোয়েটারে জ্যাকেটের মতো জিপার বা হুড আছে। একরঙা বা স্ট্রাইপের গোলগলা উলের সোয়েটারেরও চাহিদা রয়েছে বেশ। সেই সাথে ফ্যাশনেবল হওয়ার জন্য উলের শাল, মাফলার, টুপি ইত্যাদিও বেশ বাজার মাত করছে।

উল উদ্ভাবিত হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ১০ হাজার বছর আগে। অনেকের মতে, আরবের যাযাবররা এটিকে ইউরোপে নিয়ে যায়। কারও কারও মতে, এটি এসেছে পারসিয়ানদের কাছ থেকে। সর্বশেষ ধারণা, উলের তৈরি পোশাকের উত্পত্তি খ্রিস্টের জন্মের পূর্বে, মধ্যপ্রাচ্যে এবং এটি ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের মাধ্যমে ইউরোপে বিস্তৃত হয়েছে। উলের ব্যবহার সম্পর্কে প্রথম জানা যায় ইরানের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে। সম্ভবত লৌহযুগে হাতে তৈরি উলের পোশাকের প্রচলন হয়। রোমান যুগে উল, লিনেন ও চামড়ার পোশাকের প্রথম প্রচলন ঘটে ইউরোপে। মধ্যযুগে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের মধ্যে উলের ব্যবসা শুরু হয়। ইংল্যান্ডে প্রথম উল ফ্যাক্টরি প্রতিষ্ঠিত হয় ৫০ খ্রিস্টাব্দে উইনচেস্টারে রোমানদের দ্বারা। ১৭৯৭ সালে ব্রিটিশরা অস্ট্রেলিয়ায় ১৩টি মেরিনো ভেড়া নিয়ে একটি উলের ফ্যাক্টরি তৈরি করে। এই মেরিনো ভেড়ার লোম থেকেই তৈরি করা হয় সবচেয়ে উন্নত উল এবং তাতে তৈরি হয় পাতলা উলের পোশাক। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় উল উত্পাদক দেশ হলো অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। উলের পোশাকের আবির্ভাব শীতপ্রধান দেশে উষ্ণতা প্রদানের লক্ষ্যে হলেও ফ্যাশনেবল প্রোডাক্ট হিসেবে এর যাত্রা শুরু ১৯ শতকে। প্রথম এমনটি দেখা যায় ১৮২৪ সালে ডাচ ম্যাগাজিন পেনিলোপি, যা ছিল উলের ক্রোসেট প্যাটার্নে তৈরি। পোশাক ছাড়াও উলের তৈরি লেইস ১৯ শতকের শুরুর দিকে ব্রিটেন, আমেরিকা, ফ্রান্সে প্রচলিত হয় এবং ১৮০০ সালে তা চীন, ইরান, উত্তর আফ্রিকা, ভারতসহ ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। শুরুতে উলের পোশাক হাতে বোনা হলেও পরবর্তীকালে মেশিন আবিষ্কারের ফলে অনেক জটিল প্যাটার্নের পোশাক তৈরি সহজ ও দ্রুত হয়ে যায়।

এবারের আয়োজন

এ বছরের ফ্যাশন ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে ফাইন উলের নানা রঙের কোট, মেয়েদের পোশাকে বিভিন্ন ধরনের নেকলাইন যেমন—হাইনেক, কলার, বোটনেক, কাউলনেকের সোয়েটার, পুলওভার, এ লাইন কার্ডিগান, জ্যাকেট, পঞ্চ আকৃতির শাল ইত্যাদি। সব ক্ষেত্রেই পোশাক কিছুটা বেশি লম্বা। কোমরের শেপ কিছুটা কম এবং খানিকটা ঢিলেঢালা। এ ছাড়া ছেলেদের সোয়েটার, কার্ডিগান, জ্যাকেট বা কোটের আধিপত্য; তবে সোয়েটার, কার্ডিগানে কলার, ইউ নেক ও ভি নেক এবং জ্যাকেটে রাউন্ড নেকের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। সব ক্ষেত্রে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বোতামের ব্যবহারও। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে প্রিন্টের ব্যবহার। এ ছাড়া উলের তৈরি নানা রকমের স্কার্ফ, মাফলার, টুপি, মোজা, গ্লাভস তো থাকছেই। এবারের শীতের পোশাকে গাঢ় রঙের ব্যবহার বেশি হচ্ছে। এ ছাড়া সাদা, কালো, অ্যাশ—এ ধরনের রং তো থাকছেই।

যত্নআত্তি

শীতে উলের কাপড়ের জন্য চাই বাড়তি যত্ন। কীভাবে এ ধরনের কাপড়ের যত্ন নেবেন আসুন জেনে নিই।

 উলের জামা স্টোর করার সময় ভাঁজ করে না রেখে ঝুলিয়ে রাখুন।

 উলের পোশাকে ভাঁজ পড়লে হালকা গরম পানিতে রাখুন, তারপর ঝুলিয়ে রাখুন। দেখবেন ভাঁজ আর নেই।

 পরপর দু’দিন এক উলের জামা-সোয়েটার টুপি পরবেন না। অন্তত ২-৩ দিন পর পর উলের পোশাক ব্যবহার করুন।

 উলের পোশাক ওয়াশিং মেশিনে কাচবেন না।

 বাড়িতে কাচতে না পারলে লন্ড্রিতে দিয়ে দিন, এতে ভালো হবে। তারা জানে কীভাবে কাচতে হবে।

 বছরের একবারের বেশি উলের পোশাক ড্রাইক্লিন করতে দেবেন না।

উলের পোশাকগুলো ছায়ায় নেড়ে দিন, সরাসরি রোদে শুকাতে দেবেন না।

ইস্ত্রি করার সময় উলের পোশাক উল্টে নিন।

 এয়ারকন্ডিশন রুমে উলের পোশাক রাখতে হলে ড্রাইক্লিন করে রাখবেন।

উলের পোশাকে রঙের কারণে আলাদা আলাদা পাত্রে রেখে কাচবেন। এতে রং ভালো থাকবে।

ঘামের দাগ বসতে দেবেন না। ঘেমে যাওয়া অংশ বাড়ি ফিরেই গরম পানি আর ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো ঘষে ঘষে ধুয়ে ফেলুন।

-প্রতিবেদক,অপরাজিতাবিডি ডটকম