banner

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

রোজমেরি পানিনি

resize_1389432907উপকরণ: ফিলিং: হাড় ছাড়া গরুর মাংস ২৫০ গ্রাম, আদাবাটা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, পেঁয়াজকুচি ১ টেবিল-চামচ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচকুচি ১ চা-চামচ, মাস্টার্ড পেস্ট ১ চা-চামচ, ওরস্টারশায়ার সস আধা চা-চামচ, ড্রাই রোজমেরি আধা চা-চামচ, অলিভ অয়েল পরিমাণমতো।

অন্যান্য: যেকোনো ব্রেড (একটু মোটা করে কাটা) ৪ পিস , শসা (স্লাইসড) ১টি, টমেটো (স্লাইসড) ২টি, পেঁয়াজ (স্লাইসড) ২টি, মোজ্জারেলা চিজ পরিমাণমতো।

প্রণালি: গরুর মাংস লম্বা করে কেটে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে ঢেকে রেখে ফ্রিজে ম্যারিনেট করুন ১ ঘণ্টা। কড়াইয়ে পরিমাণমতো অলিভ অয়েল দিয়ে কষিয়ে মাংস সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন, প্রয়োজনে সামান্য পানি দিন।

এবার একটি ব্রেড স্লাইসে সামান্য অলিভ অয়েল ব্রাশ করে একটু ড্রাই রোজমেরি ছিটিয়ে দিয়ে রান্না করা গরুর মাংসের টুকরা দিন। এর উপরে মোজ্জারেলা চিজ গ্রেট করে দিয়ে স্লাইস করে কাটা শসা, টমেটো ও পেঁয়াজ দিন। অলিভ অয়েল ব্রাশ করে আবার একটু ড্রাই রোজমেরি ছিটিয়ে আরেকটি ব্রেড স্লাইস বসিয়ে টুথ পিক দিয়ে গেঁথে নিন। প্রি-হিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রিতে ৫ মিনিট গ্রিল করুন, গরম গরম উপভোগ করুন রোজমেরি পানিনি।

-প্রতিবেদক,অপরাজিতাবিডি ডটকম

 

জেনে নিন ব্রেইন স্ট্রোকের ৬ টি লক্ষণ

11118710অপরাজিতাবিডি ডটকম: ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। উচ্চ রক্ত চাপ, মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা, কোলেস্টরলের মাত্রা বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস কিংবা অন্যান্য কারনে কার্ডিওভাস্কুলার সমস্যা সৃষ্টি হয়ে, দিন দিন মস্তিষ্কের কাজের ক্ষমতা লোপ করে রক্ত সঞ্চালনে বাঁধার সৃষ্টি হলে ব্রেইন স্ট্রোক হয়। ইদানীং অনেক কম বয়সী মানুষজনকেও স্ট্রোক করতে দেখা যায়। মাঝে মাঝে এই স্ট্রোকগুলো মাইনর পর্যায়ের হয়। কিন্তু অজ্ঞতার কারনে, ভুল চিকিৎসায় এই স্ট্রোকের ভয়াবহতা বাড়তে পারে। প্যারালাইসিস থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে যদি মাইনর স্ট্রোক ধরতে না পারা যায়। তাই সকলের উচিৎ স্ট্রোকের লক্ষন সমূহ জেনে রাখা। এতে মাইনর স্ট্রোকের প্রাথমিক চিকিৎসা ও উপযোগী চিকিৎসা দিয়ে রোগীকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো যাবে।

মুখমণ্ডলের এক পাশ ঝুলে পড়া
স্ট্রোকের প্রধান ও প্রথম লক্ষন রোগীর মুখমণ্ডলে ধরা পড়ে।

মুখের বাম পাশের মাংস পেশি ঝুলে পড়ে। যার ওপর রোগীর কোনো নিয়ন্ত্রন থাকে না। লক্ষণটি ভালো করে বুঝতে হলে রোগীকে হাসতে বলুন। তিনি যদি না হাসতে পারেন তবে যত দ্রুত সম্ভব তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাতে দুর্বলতা অনুভব
অনেক সময় আমরা হাতের দুর্বলতা অনুভবকে পাত্তা দিই না। কিন্তু এটা হতে পারে স্ট্রোকের লক্ষন। স্ট্রোক করার আগে রোগী দুই হাতে অস্বাভাবিক দুর্বলতা অনুভব করেন। রোগীকে সাথে সাথে হাত মাথার উপরে তুলে ধরতে বলুন। যদি রোগী বলেন তিনি হাত তুলতে পারছেন না। কিংবা যদি লক্ষ্য করেন হাত ছেড়ে দিচ্ছেন তবে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নেবার ব্যবস্থা করুন।

কথা জড়িয়ে যাওয়া
মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেলে বা খুব কমে গেলে স্ট্রোক হয়। স্ট্রোকের আগে কথা জড়িয়ে যাওয়ার মাধ্যমে লক্ষণটি ধরা পড়ে। যদি কেউ কথা বলতে বলতে হঠাৎ অস্পষ্ট কথা কিংবা জড়িয়ে যাওয়া গলায় কথা বলতে থাকেন তবে অবশ্যই তা লক্ষণীয়। রোগীকে দিয়ে কথা বলানোর চেষ্টা করে দেখুন। যদি আসলেই জড়ানো কথা হয় তবে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করুন।

তীব্র মাথা ব্যথা
স্ট্রোকের আগে রোগীরা তীব্র মাথা ব্যথার শিকার হয়ে থাকেন। তীব্র মাথা ব্যথা অনেক কারনেই হতে পারে। অনেকের মাইগ্রেন আছে। তীব্র মাথা ব্যথা মাইগ্রেনেও হয়। কিন্তু যদি হঠাৎ করে কোন ধরনের কারণ ছাড়াই মাথার বাম অংশে তীব্র ব্যথা শুরু হয় তবে অবহেলা করবেন না। দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকা
মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনের বাঁধা পাবার ফলে শরীরের সাধারণ কাজ করার ক্ষমতা ব্যাহত হয়। ফলে হাত পা কিংবা অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের উপর স্ট্রোকের রোগীরা নিয়ন্ত্রন হারান। রোগীকে উঠে দাড়াতে বলুন। স্ট্রোকের লক্ষন হিসেবে তিনি উঠে দাঁড়াতে পারবেন না। সুতরাং স্ট্রোক অবশ্যম্ভাবী। তাকে সাথে সাথে হসপিটালাইজড করতে হবে।

শর্ট মেমোরি লস
স্ট্রোকের আগে রোগীরা তাদের আপনজনকেও চিনতে পারেন না এমনকি নিজের নাম পর্যন্ত ভুলে যান। ডাক্তারদের ভাষায় একে শর্ট মেমোরি লস বলে থাকেন। রোগীকে তার নিজের নাম জিজ্ঞেস করুন। তার পরিবারের লোকজনকে চিনতে পারেন কিনা তা দেখুন। তা না হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন।

-ডেস্ক, অপরাজিতাবিডি

পাঠকদের প্রতি

প্রিয় পাঠক!

a63a3e16adb9cbea28bcd3ae82289f21আপনারাও আমাদের এই পোর্টালে লিখতে পারেন। লেখক হতে পারেন আপনি।

তাই ঝটপট আপনার মনের কথাগুলো লিখে পাঠান আমাদের কাছে।

 

লেখা পাঠানোর ঠিকানা:- oporajitabd22@gmail.com

 

বিভাগীয় সম্পাদক:অপরাজিতাবিডি ডটকম

আইনি পরামর্শ

অপরাজিতাবিডি ডটকম: 

অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিনঢাকা:নারীদের জীবনে চলতে-ফিরতে যেসব আইনি জটিলতায় পড়তে হয়, আমাদের মনো জিজ্ঞাসা বিভাগে তারই সমাধান পাওয়া যাবে।

 

মনো জিজ্ঞাসা বিভাগে আইনি সমস্যার সমাধান দেবেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, অ্যাডেভোকেট ফাহিমা নাসরিন।

 

স্পষ্ট করে নিজের সমস্যা লিখে ই-মেইল করুন এই ঠিকানায়: oporajitabd22@gmail.com

 

বিভাগীয় সম্পাদক: অপরাজিতাবিডি ডটকম

 [contact-form-7 id=”918″ title=”Untitled”]

নতুন চলচ্চিত্রে মৌসুমী হামিদ

Mousumi-hamidঅপরাজিতাবিডি ডককম: জনপ্রিয় লাক্স সুপারস্টার ‘রোশনী’খ্যাত মৌসুমী হামিদ বর্তমানে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। মিডিয়াতে তার পথচলা খুব বেশিদিনের না হলেও মৌসুমী কাজ করছেন চুটিয়ে। ছোটপর্দায় মৌসুমীর উপস্থিতি বেশ উল্লেখ করার মতো। ধারাবাহিক নাটকের পাশাপাশি একক নাটকেও তাকে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে। মৌসুমী চলচ্চিত্রে আরও আগে নাম লেখালেও আবার নতুন করে তিনি বড় পর্দায় কাজ করছেন।

ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত আবু শাহেদ ইমন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘জালালের পিতাগণ’-এ কাজ করছেন তিনি। এই চলচ্চিত্রটি নিয়ে মৌসুমী হামিদ বলেন, ‘ছবিটির গল্প বেশ ভিন্ন। ছবির শুটিংয়ের কাজ অনেকখানি শেষ। জালাল নামে এক বালকের কাহিনী নিয়ে এগিয়ে যায় ছবিটি। এখানে আরও অভিনয় করেছেন তৌকির আহমেদ, মোশাররফ করিম প্রমুখ।’ মৌসুমী হামিদ বর্তমানে বেশকিছু ধারাবাহিকে কাজ করছেন। এগুলোর পাশাপাশি শুরু করেছেন নতুন ধারাবাহিকের শুটিং।

আফসানা মিমির পরিচালনায় এই ধারাবাহিকটির নাম ‘সাতটি তারার তিমির’।বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে ধারাবাহিকটির শুটিং চলছে। এখানে আরও অভিনয় করছেন সানজিদা প্রীতি, মৌসুমী নাগ, সাদিয়া ইসলাম প্রভা, স্বর্ণা, নাফিসা প্রমুখ।। এ ধারাবাহিক নাটকে একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী হামিদ।

-প্রতিবেদক,অপরাজিতাবিডি ডটকম

এগিয়ে নারী

DSC_0077অপরাজিতাবিডি ডটকম: একজন নারীকে ঘরে-বাইরে হাজারো দায়িত্ব পালন করতে হয়, দিতে হয় পুরুষের চেয়ে বেশি শ্রম এবং সময়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে এই দিকটি।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় বসবাসরত গৃহিণী সালমা আক্তারের সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, ভোরে ঘুম থেকে উঠে শুরু হয় তার কর্মজীবন। ঘরে সবার জন্য পছন্দসই নাশতা তৈরি, স্বামীর অফিসে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তদারকি, সন্তানদের স্কুলে পৌঁছে দেওয়া আবার নিয়ে আসা, বাজার করা, রান্না করা, স্বামী-সন্তানরা বাড়ি ফিরলে তাদের তদারকি করা, কাজের শেষ নেই তার। এগুলো প্রতিদিনকার রুটিন। এর ভেতর আবার তাকে যেতে হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে, বিয়ে ও জন্মদিনের পার্টিতে, সন্তানদের স্কুলের নানা আয়োজনে। শুক্র, শনিসহ কোনোদিনই তার ছুটি নেই ঘরের কাজ থেকে। সবকিছু গুছিয়ে হাসিমুখে সবার চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছেন তিনি।

12765অন্যদিকে একজন চাকরিজীবী নারীর দিনও একইভাবে শুরু হয়। রাজধানীর খিলগাঁও বসবাসরত কর্মজীবী নারী তানজিলা খাতুন জানান, সংসারের সব দায়িত্ব পালন করে তবেই তাকে যেতে হচ্ছে কর্মস্থলে। সেখানে গিয়েও তার নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় নেই। ঘরে ছেলেমেয়েরা কী করছে, গৃহকর্মী ঠিকমতো কাজগুলো করছে কি-না সে টেনশন তো থাকেই। সবশেষে ক্লান্ত হয়ে যখন ঘরে ফেরেন তখনও ব্যস্ত সময় কাটাতে হয় তাকে। এ রকম সালমা আক্তার, তানজিলা খাতুনের মতো প্রায় প্রতিটি নারীকেই শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাতে হয়।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের গার্ল পাওয়ার প্রজেক্টের কমিউনিকেশনস কো-অর্ডিনেটর শেখ সারাহজিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে নারীরা চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কাজে বাইরে যাচ্ছে। পাশাপাশি তাদের ঘরের দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। যেখানে উন্নত বিশ্বে নারী-পুরুষ ঘরে-বাইরে সমানভাবে কাজ করছেন সেখানে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটটা ভিন্ন। এখানে সে অর্থে নারীরা পুরুষের তুলনায় বেশি পরিশ্রমী। সারাহজিনের মতে, এ দেশের নারীদের মস্তিষ্ক ঘুমের মধ্যেও কাজ করে_ সকালে উঠে কী নাশতা তৈরি হবে, ক’টায় বাসা থেকে বের হবে ইত্যাদি পরিকল্পনা। অফিস থেকে বাসায় ফেরার পর একজন পুরুষ যেখানে টিভি দেখে, চা খায়, নিচে হাঁটতে যায়, সেখানে একজন নারীকে বাসায় ফেরার পর ব্যস্ত থাকতে রান্নাবান্না কিংবা ছেলেমেয়ের পড়াশোনা নিয়ে। পাশাপাশি পরের দিনটির কথাও ভাবতে হয় তাকে। প্রকৃতপক্ষে একজন নারীর জীবনে বিশ্রাম বলে কিছু নেই।

genderequityপ্রথমবারের মতো ২০১৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রকাশিত জরিপে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে, বাংলাদেশে পুরুষের চেয়ে নারীরাই বেশি পরিশ্রমী। কর্মে নিয়োজিত একজন পুরুষ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থের বিনিময়ে ৬ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট কাজ করেন। আর নারীরা পাঁচ ঘণ্টা ১২ মিনিট কাজ করেন। তবে কর্মজীবী নারীরা গৃহস্থালির কাজে পুরুষের চেয়ে তিন গুণ বেশি সময় দেন। এ ক্ষেত্রে পুরুষ ১ ঘণ্টা ২৪ মিনিট আর নারীরা ৩ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট ব্যয় করেন। অন্যদিকে বেকার পুরুষরা গৃহস্থালির কাজে মাত্র ১ ঘণ্টা ১২ মিনিট ব্যয় করেন। আর পুরুষের চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি সময় দেন বেকার নারীরা। নারীরা ৬ ঘণ্টা ১২ মিনিট বাসার কাজ করেন। আবার বেকার পুরুষরা বেকার নারীদের চেয়ে অবসর ও বিনোদনে প্রায় দ্বিগুণ সময় ব্যয় করেন।
শহরাঞ্চলের পেশাজীবী নারীরা সবচেয়ে কম অবসর পান। তারা দৈনিক গড়ে ৫ ঘণ্টা ১২ মিনিট চাকরিস্থলে কাজ করে বাসায় এসে মাত্র ৫৪ মিনিট অবসর পান। কেননা, বাসায় এসে তারা পৌনে চার ঘণ্টা গৃহস্থালির কাজ করেন। আর একই পেশার পুরুষরা পৌনে ৯ ঘণ্টা কাজ করে কর্মস্থল থেকে ফিরে মাত্র ৫৪ মিনিট গৃহস্থালির কাজে সময় দেন।

অন্যদিকে গ্রামের পেশাজীবী নারীরা প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট কাজ করেন, পুরুষরা করেন মাত্র দেড় ঘণ্টা। শহরে পেশাজীবী নারীরা বাসার কাজ করেন ৩ ঘণ্টা, পুরুষরা করেন মাত্র ১ ঘণ্টা।

জরিপ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন বলেন, নিঃসন্দেহে জাতির জন্য এটি একটি ইতিবাচক দিক। তিনি মনে করেন, বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে তৃণমূল থেকে উচ্চপর্যায়ে নারীর শ্রমকে ভাগ করে নেওয়ার মতো মানসিকতা এখনও পুরুষের তৈরি হয়নি। যদিও বর্তমানে তারা নারীদের সহযোগিতা করছে, তবে তা গৃহস্থালির কাজে নয়। সে ক্ষেত্রে পুরুষের যেমন উচিত ঘরে-বাইরে নানা কাজে নারীকে সহযোগিতার করা পাশাপাশি একজন নারীরও প্রয়োজন তাকে সংসারের সব কাজ একাই করতে হবে এমন ধ্যান-ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা।

প্রতিবেদক-অপরাজিতাবিডি ডটকম