banner

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

নাজনীন সুলতানা, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম নারী ডেপুটি গভর্নর!

নাজনীন সুলতানাবাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭২ সালে। ১৯৭২ থেকে ২০১২ সাল। অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে। একজন নারীর ডেপুটি গভর্নরের পদ পেতে এত সময় লেগে গেল। এ প্রাপ্তি নারী সমাজের সঙ্গে সঙ্গে আমার জন্যও আনন্দের ব্যাপার। যদিও বিষয়টি ভাবতে অবাক লাগে। আমাদের নারীরা এখনও পিছিয়ে আছেন। সফটওয়্যার তৈরি করাই আমার লক্ষ্য। এছাড়া দেশের জন্য আমার জায়গা থেকে যদি কোনও কাজ করতে পারি। সেটাও কম আনন্দের হবে না। এভাবেই প্রথম নারী ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
 
১৯৮০ সালের দিকে বাংলাদেশে মাত্র দুটি কম্পিউটার ছিল। একটি অ্যাটমিক এনার্জি সেন্টারে, দ্বিতীয়টি আদমজী জুট মিলে। শ্রমিকদের বেতনের কাজে ব্যবহƒত হত এ কম্পিউটার। বাংলাদেশ ব্যাংক আইবিএম ৩৭০ মেইন ফ্রেম কম্পিউটার কিনে সফটওয়্যার তৈরি করবে। এ পদে লোক নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। বিজ্ঞাপন দেখে নাজনীন সুলতানা চাকরির আবেদন করেন। চাকরি হয়ে গেল। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগে ১৯৮০ সালে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক অটোমেশনের লক্ষ্যে সফটওয়্যার তৈরি করেন।
 
এ প্রসঙ্গে নাজনীন সুলতানা বলেন, বাংলাদেশের কম্পিউটারের বিবর্তনে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যারে যে পরিবর্তন এসেছে তার সঙ্গে আমি জড়িত। এটা আমাদের সংস্কৃতির সংস্কার, তথ্য প্রযুক্তির সংস্কার। সরকারের তথ্য-প্রযুক্তি নীতিমালা, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাজে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে অবদান রাখতে পেরেছি, তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে সবাইকে সমানভাবে সেবা দিতে পেরেছি এতেই আমার আনন্দ।
 
তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জার্মান সরকারের স্কলারশিপে আইসিটির ওপর ১৭ মাসের একটি উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরে জার্মানিতে যান। জার্মানিতে প্রশিক্ষণকালীন ১৯৮৫ সালে তিনি বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের ওপর কাজ করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসিং তৈরি করলেও পরে তা আর জনসমক্ষে প্রকাশ হয়নি।
 
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নিজের তৈরি করা ৮০টি সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। আমার তত্ত্বাবধানে চালু করা হয় ই-টেন্ডার, ই-রিক্রুটমেন্ট, ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজিকশন মনিটরিং সিস্টেম, ক্যামেলস রেটিং ইত্যাদি সফটওয়্যার। এছাড়া ই-আর-পি, ব্যাংকিং, ডাটা ওয়্যার হাউস, অনলাইন সি আইবি, ন্যাশনাল প্রেমেন্ট সুইচ ইত্যাদি। নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ২০১১ সালের জুলাই মাসে এলপিআরে চলে যান। নভেম্বর মাসে পত্রিকার বিজ্ঞাপনে শর্তাবলী অনুযায়ী ডেপুটি গভর্নর পদে আবেদন করেন। অতঃপর পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতাবলে যোগদান করেন।
 
পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নাজনীন সুলতানা লেখালেখিও করেন। ১৯৯২ সালে নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মাধ্যমিক কম্পিউটার বিজ্ঞান’ নামে যৌথভাবে একটি বই লিখেন। বইটি পাঠ্যপুস্তক বোর্ড অনুমোদিত। এছাড়া একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি ওষুধ, পথ্য সংগ্রহ, অর্থ, খবরাখবর সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করেন। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুশ্রƒষা করেন। এ সময়ের প্রতিদিনের ঘটনাবলী তিনি ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করতেন। তার লেখা সেই ডায়েরিটি মিজান পাবলিশার্স থেকে ২০০৭ সালে ‘একাত্তরের ডায়েরি’ নামে প্রকাশিত হয়। নাজনীন সুলতানা উদীচী শিল্পগোষ্ঠী, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
 
১৯৬৯ সালে বদরুননেসা কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এমএসসি করেন।
এ পথপরিক্রমায় পরিবারের সহযোগিতা কতটুকু পেয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, মা-বাবা-স্বামী-শাশুড়ি সবার সহযোগিতায় আজ আমি এখানে পৌঁছতে পেরেছি। একজন নারীকে অনেক বাধা অতিক্রম করে এগোতে হয়। চাকরি করার পাশাপাশি স্বামী-সন্তান-সংসারও সামলিয়েছি। দু’সন্তানের মধ্যে ছেলে বুয়েট থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে আমেরিকার কোয়ালকমে চাকরি করছে। মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে এমএসসি করে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত রয়েছে।

সফল নারী কৃষি উদ্যোক্তা নুরুন্নাহার

1111গ্রাম্য বধূ নুরুন্নাহার চার দেয়ালের গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ না থেকে একজন সমাজ উন্নয়নকর্মীর দায়িত্ব পালন করছেন। বসতবাড়ির আশপাশে নিবিড় সবজি চাষ করে এলাকাবাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এনসিডিপি গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভানেত্রী নুরুন্নাহারের স্বামী রবিউল ইসলাম। জয়নগরের চালকল মোকামের একটি মিলে ধান-চালের ব্যবসায় করেন।

চার সন্তানের জনক-জননী রবি-নুরুন্নাহার। নুরুন্নাহার জানান, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে একটি অনুষ্ঠানে কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে তারও ইচ্ছে জাগে বসতবাড়ির আশপাশে শাকসবজি ও ফলমূলের বাগান গড়ে তোলার। এর পর আর থেমে থাকেননি নুরুন্নাহার। লালশাক, পুঁইশাক, বেগুন, গোল আলু, পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচামরিচ চাষ করে সারা বছরের সবজির চাহিদা মেটাতে থাকেন। এমনকি বাড়তি কিছু আয়ও হয়। এ সময় উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন ও আব্দুর রশিদ নুরুন্নাহারের এলাকায় ব্র্যাক এনসিডিপির মহিলা গ্রাম কমিটি গঠনের পর তাকে দায়িত্ব দিয়ে যান। এতে করে তার স্বামীর আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। একই বছর সেপ্টেম্বরে তিনি ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে বাড়ির আঙিনায় এবং বাড়িসংলগ্ন ৫ বিঘা জমিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, গাজর ইত্যাদি আবাদ করে আশাতীত লাভবান হন। পরের বছর ঋণ পরিশোধ করে দ্বিতীয়বারের মতো ২০ হাজার টাকা ঋণ নেন। এ অবস্থায় তিনি জানতে পারেন বড়ইচারা দণিপাড়ায় ছিদ্দিকুর রহমান ময়েজের কুল চাষ প্রকল্পের কথা। ময়েজের কাছ থেকে চারা কিনে ১৭৫টি গাছের একটি কুল বাগান গড়ে তোলেন। প্রথম বছর কুল বিক্রি করে তিনি ২৫ হাজার টাকা আয় করেন। এ ছাড়া উন্নত জাতের ৪০টি পেয়ারার গাছও লাগানো হয় আঙিনায়। নুরুন্নাহার তার কৃষি খামারে উন্নত জাতের ৫০টি গরুর একটি খামার গড়ে তুলেছেন।

দেশের সব নারী কৃষককে ডিঙিয়ে ২০১০ সালে ঈশ্বরদীর নুরুন্নাহার সিটি গ্রুপ জাতীয় পুরস্কার পান। এতে সাড়ে তিন লাখ টাকা, একটি সার্টিফিকেট এবং একটি ২৪ ইঞ্চি রঙিন টেলিভিশন পুরস্কার দেয়া হয়। নুরুন্নাহার তার গ্রামের ২০০ নারীকে হাতে-কলমে কৃষিকাজের প্রশিণ দিয়ে দ কৃষক হিসেবে গড়ে তোলেন। ২০১১ সালে দেশের সেরা নারী কৃষক হিসেবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক লাভ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফল নারী উদ্যোক্তা ও নারী কৃষক নুরুন্নাহারের হাতে তুলে দেন বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক।

নুরুন্নাহার জানান, এরই মধ্যে ২০ বিঘা জমি লিজ নিয়েছেন। সহজ শর্তে এবং কম সুদে ব্যাংক ঋণের সুবিধা পেলে নুরুন্নাহার তার আবাদি জমির পরিমাণ বাড়াবেন। কিছু দিনের মধ্যে বিনা খরচে এনসিডিপির প থেকে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় কৃষিকাজের আধুনিক প্রশিণের জন্য যাবেন বলেও তিনি জানান।

তাহাদের দিন কাল

ssssssssssনব্বইয়ের দশকে টিভি পর্দা মাতিয়ে রাখা চার তারকা বিপাশা হায়াত, শমী কায়সার, আফসানা মিমি ও সাদিয়া ইসলাম মৌ এখন কেমন আছেন? কী করছেন? সেসব বিষয় অনুসন্ধান করে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন আলমগীর কবির-

 

বিপাশা হায়াত

২২২২২২২২২২

বিপাশা হায়াত ও তৌকীর আহমেদ পর্দা ও পর্দার বাইরে সফল দম্পতি। জনপ্রিয় এই তারকা জুটি এখন সফল উদ্যোক্তা। গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে তারা গড়ে তুলেছেন ‘নক্ষত্রবাড়ি’ নামে একটি রিসোর্ট। মূলত একটি সবুজ গ্রামের আদলে গড়ে তোলা এই রিসোর্টের অনেকটা অংশজুড়ে প্রাধান্য পেয়েছে বিপাশার চিত্রকর্ম। এখানে নাটক ও চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের পাশাপাশি অবকাশ যাপনের জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। আছে একটি সাজানো-গোছানো কনফারেন্স সেন্টার। সারা বছর পিকনিক করার পাশাপাশি সপরিবারে রাত যাপনের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ এখানে আছে কয়েকটি কটেজ। রিসোর্টটি দেখাশোনার পাশাপাশি লেখালেখি, চিত্রকর্ম আর দুই ছেলেমেয়েকে নিয়েই বেশির ভাগ সময় ব্যস্ত থাকেন বিপাশা। মূলত এ কারণেই এখন বিশেষ দিবস ছাড়া তাকে ক্যামেরার সামনে দেখা যায় না।

 

আফসানা মিমি

1111

শোবিজে পথচলার ২৫ বছরের বেশি সময় অতিক্রম করেছেন আফসানা মিমি। তার অভিষেক হয়েছিল মঞ্চে। ১৯৮৬ সালে ব্যতিক্রম নাট্যগোষ্ঠীর হয়ে প্রথম মঞ্চে ওঠেন তিনি। অভিনয় করেন মনোজ মিত্রের ‘রাজদর্শন’ নাটকের রানী চরিত্রে। নাটকটি নির্দেশনা দেন মরহুম সৈয়দ মহিদুল ইসলাম। একই নাট্যগোষ্ঠীর সদস্য গাজী রাকায়েতের মাধ্যমে পরে তিনি নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত হন। এ প্রসঙ্গে আফসানা মিমি বললেন, ‘নাগরিকে এসে আসলে আমি বুঝতে পারি থিয়েটার জিনিসটা কী! বুঝতে পারি, অভিনয়ের মতোই থিয়েটারের অন্য কাজগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি আরো বলেন, ‘নাট্যব্যক্তিত্ব আলী যাকেরকে আমি গুরু মানি। আমি যখন নাগরিকে যুক্ত হই, তখন সব বিখ্যাত মানুষের সমাবেশ ছিল গ্রুপে। জামালউদ্দিন হোসেন, রওশন আরা হোসেন, আলী যাকের, সারা যাকের, ড. ইনামুল হক, লাকী ইনাম, আবুল হায়াত, আসাদুজ্জামান নূর, নিমা রহমান, খালেদ খানসহ অনেকে। নাগরিকে যুক্ত হওয়ার পর এমন সব গুণী মানুষের সান্নিধ্যে আমার ভেতরে যেন বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে।’ আরো জানালেন, নাগরিকের হয়ে প্রথম মঞ্চে উঠেছিলেন শেক্সপিয়রের ‘হ্যামলেট’ অবলম্বনে আলী যাকের রচনা ও নির্দেশনায় ‘দর্পণ’ নাটকের কোরাস দলের একজন হয়ে। পরে অভিনয় করেন ‘নূরুলদীনের সারা জীবন’, ‘দর্পণে শরৎশশী’, ‘ঈর্ষা’ প্রভৃতি নাটকে। সর্বশেষ আফসানা মিমিকে গত রোজার ঈদে এনটিভিতে ‘আকাশ জোড়া মেঘ’ শিরোনামে একটি টেলিছবিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। অভিনয়ের চেয়ে আফসানা মিমি এখন বেশি মনোযোগী পরিচালনার দিকে। নাটক দিয়ে শুরু করলেও চলতি বছরের শুরুর দিকে তিনি হাতে নিয়েছেন ফিচারধর্মী চলচ্চিত্র ‘রান’র কাজ। স্বাধীনতা যুদ্ধের গল্প নিয়ে নির্মিতব্য ছবিটির চিত্রনাট্য লেখা হয়েছে মুহাম্মদ জাফর ইকবালের ‘ক্যাম্প’ উপন্যাস অবলম্বনে। এতে অভিনয় করছেন আফজাল হোসেন, সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, ডলি জহুল প্রমুখ।

 

সাদিয়া ইসলাম মৌ

035

খাঁটি সোনা যত পুরনোই হোক এর রঙ কখনো মলিন হয় না। আমাদের শোবিজে এ রকম হাতেগোনা কিছু সোনার মধ্যে অন্যতম হলেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি যিনি ঝড় তুলেছিলেন মিডিয়ায়। মডেলিংয়ে যোগ করেছিলেন নতুন দ্যুতি। টিভিতে প্যাকেজ নাটক প্রচারের শুরুর দিকে কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে দেখিয়েছিলেন চমক। নৃত্যশিল্পকে জনপ্রিয় করতেও রেখেছেন অবদান। তাকে ঘিরে দেশজুড়ে যখন তুমুল ক্রেজ, ঠিক সেই সময় টুপ করে বিয়ের পিঁড়িতে বসে পড়েন। ভালোবেসে ঘর বাঁধেন জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসানের সাথে। বিয়ের পরও সাদিয়া ইসলাম মৌকে মডেলিং করতে দেখা গেছে। অভিনয় করেছেন টিভি নাটকে। নৃত্য পরিবেশন করেছেন স্টেজে ও টিভি অনুষ্ঠানে। মিলেনিয়ামে পদার্পণের সময় থেকে একটু একটু করে নিজেকে গুটিয়ে নেন। একটা সময় চলে যান পুরোপুরি পর্দার অন্তরালে। এ সময় অবশ্য জাহিদ-মৌ দম্পতির কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে সন্তান পুষ্পিতা। বহু নাটক আর মডেলিংয়ের অফার থাকলেও প্রায় ছয়-সাত বছর সাড়া দেননি মৌ। দুই-তিন বছর ধরে বিভিন্ন চ্যানেলে ঈদের প্রোগ্রামে কয়েকটা নাচের অনুষ্ঠানে তাকে নৃত্য পরিবেশন করতে দেখা গেছে। বাস্তব জীবনের মতো এবার টেলিছবিতে জাহিদ হাসানের সাথে জুটি বাঁধছেন মৌ। নাম ‘আর কিছু নাই বাকি’। লিখেছেন তৌহিন হাসান, পরিচালনা করবেন দীপঙ্কর দীপন। পরিচালক জানালেন, আজ বৃহস্পতিবার থেকে টেলিছবিটির শুটিং শুরু করবেন তিনি। জাহিদ হাসান ও মৌ সর্বশেষ একসাথে অভিনয় করেন আফসানা মিমির ধারাবাহিক নাটক পৌষ ফাগুনের পালাতে। প্রচারিত হয়েছিল এটিএন বাংলায়। একটি টেলিছবিতেও কাজ করেছিলেন তারা। নাম ‘সেই চোখ’। তাও বছর তিনেক আগের কথা।