banner

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ইং, ,

Daily Archives: January 16, 2026

দিশেহারা মায়ের চোখ খুঁজে ফেরে চন্দ্রমুখীকে

eঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে যে নাজনীন আখতার শুয়ে আছেন, তিনি নিরন্তর ছুটে চলা কোনো সাংবাদিক নন। তিনি একজন সন্তানহারা মা। এই মা আজ বৃহস্পতিবার সকালেও সন্তানের কাছে চলে যাবেন বলে চিকিৎসা নিতে চাননি।
১৬ সেপ্টেম্বর ছয় বছর বয়সী চন্দ্রমুখী মারা যাওয়ার পর পাঁচতলা থেকে লাফ দিয়েছিলেন মা নাজনীন। তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক। চন্দ্রমুখী বেশ কিছুদিন ধরে যকৃতের রোগে ভুগছিল। মারা যাওয়ার আগে অচেতন অবস্থায় ঢাকা শিশু হাসপাতালে ছিল সে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অবেদনবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবদুর রহমান বলেছেন, নাজনীন এখনো বিপদমুক্ত নন। তাঁর সারা শরীরে অসংখ্য আঘাত। মেরুদণ্ডের চার জায়গায়, পায়ের ওপরের দিকে, হাতের কবজিতে ফাটল। পাঁচতলা থেকে লাফ দেওয়ায় বাঁদিকের ফুসফুসে আঘাত লেগেছে নাজনীনের। ফুসফুসে একটা টিউব লাগানো হয়েছে। ফুসফুস অকার্যকর হওয়ার আশঙ্কা আছে এখনো।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের ৬ নম্বর শয্যায় শুয়েছিলেন নাজনীন। ভেঙে যাওয়া হাতটা ওপরের দিকে তোলা। সেবিকারা তাঁর পায়ে ক্যানোলা লাগাচ্ছিলেন। আজ কাছে যেতেই শোনা গেল গোঙানির শব্দ। নাজনীনের চোখের কোলটা আজও ভেজা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বলেন, নাজনীন তাঁদের জানিয়েছেন সারা শরীরে তাঁর অসহ্য ব্যথা, রাতভর চোখে ঘুম আসে না।
চিকিৎসকেরা বলছেন, নাজনীনের মনের ক্ষত পৃথিবীর কোনো চিকিৎসায় সারিয়ে তোলা যাবে না। সে ক্ষত বড় গভীর। আজ সকালেও তিনি চিকিৎসকদের বলেছেন, ‘আমি তো চন্দ্রকে বলেছি, আমি ওর কাছে চলে যাব। আপনারা কেন আমার চিকিৎসা করছেন?’
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অবস্থা উন্নতির দিকে গেলে নাজনীনকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হবে। তবে তিনি আবার কবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ বলা যাচ্ছে না।

নাজনীন যখন নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন, বাইরে তখন অপেক্ষায় স্বামী রকিবুল ইসলাম ও সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ীরা।

সংবাদকর্মীদের বাইরে যাঁরা নাজনীনকে চিনতেন না, চন্দ্রমুখীর মৃত্যুর পর তাঁরাও জেনেছেন মা নাজনীনকে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নাজনীনের কোলে চন্দ্রমুখীর ছবি দেখে কেঁদেছেন অনেকেই। তাঁরা সমব্যথী হয়েছেন সন্তানহারা মায়ের।

চন্দ্রমুখীর জন্মদিনে ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন নাজনীন। লিখেছিলেন, ‘শুভ জন্মদিন মা। তোমার কারণেই আমার ভুবন এত আলোয় ভরা…আমার প্রাণ।…সবার দোয়া নিয়ে তুমি ভালো থাকো মা…শতায়ু হও।’

চন্দ্রমুখী চলে গেছে। মা নাজনীনের জীবনের সব আলোটুকুও যেন সে নিয়ে গেছে। দিশেহারা মায়ের চোখ কেবলই খুঁজে ফেরে চন্দ্রমুখীকে।

দিশেহারা মায়ের চোখ খুঁজে ফেরে চন্দ্রমুখীকে

eঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে যে নাজনীন আখতার শুয়ে আছেন, তিনি নিরন্তর ছুটে চলা কোনো সাংবাদিক নন। তিনি একজন সন্তানহারা মা। এই মা আজ বৃহস্পতিবার সকালেও সন্তানের কাছে চলে যাবেন বলে চিকিৎসা নিতে চাননি।
১৬ সেপ্টেম্বর ছয় বছর বয়সী চন্দ্রমুখী মারা যাওয়ার পর পাঁচতলা থেকে লাফ দিয়েছিলেন মা নাজনীন। তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক। চন্দ্রমুখী বেশ কিছুদিন ধরে যকৃতের রোগে ভুগছিল। মারা যাওয়ার আগে অচেতন অবস্থায় ঢাকা শিশু হাসপাতালে ছিল সে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অবেদনবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবদুর রহমান বলেছেন, নাজনীন এখনো বিপদমুক্ত নন। তাঁর সারা শরীরে অসংখ্য আঘাত। মেরুদণ্ডের চার জায়গায়, পায়ের ওপরের দিকে, হাতের কবজিতে ফাটল। পাঁচতলা থেকে লাফ দেওয়ায় বাঁদিকের ফুসফুসে আঘাত লেগেছে নাজনীনের। ফুসফুসে একটা টিউব লাগানো হয়েছে। ফুসফুস অকার্যকর হওয়ার আশঙ্কা আছে এখনো।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের ৬ নম্বর শয্যায় শুয়েছিলেন নাজনীন। ভেঙে যাওয়া হাতটা ওপরের দিকে তোলা। সেবিকারা তাঁর পায়ে ক্যানোলা লাগাচ্ছিলেন। আজ কাছে যেতেই শোনা গেল গোঙানির শব্দ। নাজনীনের চোখের কোলটা আজও ভেজা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বলেন, নাজনীন তাঁদের জানিয়েছেন সারা শরীরে তাঁর অসহ্য ব্যথা, রাতভর চোখে ঘুম আসে না।
চিকিৎসকেরা বলছেন, নাজনীনের মনের ক্ষত পৃথিবীর কোনো চিকিৎসায় সারিয়ে তোলা যাবে না। সে ক্ষত বড় গভীর। আজ সকালেও তিনি চিকিৎসকদের বলেছেন, ‘আমি তো চন্দ্রকে বলেছি, আমি ওর কাছে চলে যাব। আপনারা কেন আমার চিকিৎসা করছেন?’
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অবস্থা উন্নতির দিকে গেলে নাজনীনকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হবে। তবে তিনি আবার কবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ বলা যাচ্ছে না।

নাজনীন যখন নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন, বাইরে তখন অপেক্ষায় স্বামী রকিবুল ইসলাম ও সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ীরা।

সংবাদকর্মীদের বাইরে যাঁরা নাজনীনকে চিনতেন না, চন্দ্রমুখীর মৃত্যুর পর তাঁরাও জেনেছেন মা নাজনীনকে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নাজনীনের কোলে চন্দ্রমুখীর ছবি দেখে কেঁদেছেন অনেকেই। তাঁরা সমব্যথী হয়েছেন সন্তানহারা মায়ের।

চন্দ্রমুখীর জন্মদিনে ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন নাজনীন। লিখেছিলেন, ‘শুভ জন্মদিন মা। তোমার কারণেই আমার ভুবন এত আলোয় ভরা…আমার প্রাণ।…সবার দোয়া নিয়ে তুমি ভালো থাকো মা…শতায়ু হও।’

চন্দ্রমুখী চলে গেছে। মা নাজনীনের জীবনের সব আলোটুকুও যেন সে নিয়ে গেছে। দিশেহারা মায়ের চোখ কেবলই খুঁজে ফেরে চন্দ্রমুখীকে।

সিদ্দিকা কবীরের রেসিপি : দেশী-বিদেশী ঘরোয়া রান্না

লেখিকা: অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবীর

প্রকাশক: শিমূল প্রকাশন

মূল্য: ২৫০ টাকা

rokimg_0709_48983

আজকাল পুষ্টি সম্বন্ধে মধ্যবিত্ত সব ধরনের পরিবারের মধ্যে সচেতনতা লক্ষ্য করা যায়। সরকারি বেসরকারি মাধ্যমে নানা বিষয়ে নানাভাবে জনসাধারণকে স্বাস্থ্য বিষয়ে যত্নবান হতে প্রচার করছে ও বিভিন্ন কার্যক্রম নেয়া হচ্ছে। পত্র-পত্রিকা ম্যাগাজিন, রেডিও, টেলিভিশন এমন কি স্কুলের পাটঠপুস্তকেও পুষ্টি বিষয় অন্তভূক্ত হচ্ছে। শৈশব থেকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি বিষয়ে জানা অতি প্রয়োজন। আমরা জেনেছি মানুষের বয়স, শারীরিক অবস্থা ও লিঙ্গভেদে খাওয়া দাওয়ার চাহিদাও একরকম থাকে না। সবার আগে জানতে হবে পুষ্টিকর খাদ্য সম্বন্ধে। খাবার দাবার নিয়ে তাই বর্তমানে বহুল প্রচার প্রচাণনা লক্ষ্য করা যায়। দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক, পাক্ষিক সব ধরনের পত্র-পত্রিকায় স্বাস্থ্য, খাবার দাবার ও রান্না বিষয়ক লেখালেখি থাকছে। ফলশ্রুতিতে আমরা পাচ্ছি নানা তথ্য ও রান্নার অগুণিতি রেসিপি। পিছিয়ে নেই রান্নার বই প্রকাশনাও। শহরে, গ্রামে সব বয়সের লোকই রেসিপি পড়ে রান্নায় আগ্রহী হচ্ছে। মহিলারাও তাদের ভাল ভাল রান্নার রেসিপি প্রকাশে এগিয়ে আসছেন। তাদের উৎসাহে আমি মনে করি এ পর্যন্ত আমরা রান্নার বিষয়ে কিছুটা উন্নতি করতে পেরেছি যার সাক্ষর “দেশী, বিদেশী ঘরোয়া রান্না” বইটি। দেশী, বিদেশী ঘরোয়া রান্না বইয়ে বাংলাদেশের দৈনন্দিন খাবারের রেসিপি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। ডালভাত, শাকসবজি, মাছ-মাংস যা আমরা দৈনন্দিন খাবারের শহরে এবং গ্রামাঞ্চলে খেয়ে থাকি সে ধরনের খাবারের রেসিপি যথাযথভাবে লেখা হয়েছে। সেসাথে আছে ছোটদের টিফিন, কিশোর কিশোরীদের জন্য স্ন্যাকস, নানা পালা পার্বণ, উৎসব অনুষ্ঠান যেমন শবে-ই-বরাতের হালুয়া, রুটি, রমজান মাসে ইফতার, ঈদের সেমাই এসব ঐতিহ্যপূর্ণ খাবারও বাদ পড়েনি। আর লক্ষ্য রাখা হয়েছে পুষ্ঠি, সহজভাবে রান্না ও সময় সংক্ষিপ্ত করে রান্নার বিষয়টিও। আমি মনে করি শহরে গ্রামে সবাইকে উৎসাহিত করবে এ বইয়ের রেসিপি ব্যবহার করে রান্না করতে। আশা রাখছি তারা সফলকাম হবেন। পরিবারকে পুষ্টিকর খাবার দিয়ে সুস্থ রাখতেও খুশী করতে পারবেন।

'নেকাব' পরায় বহিস্কার হলো ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী

cনেকাবসহ বোরকা পরার কারণে এক ছাত্রীকে বহিষ্কার করেছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত ১২ সেপ্টেম্বর ‘ড্রেসকোড ভাঙ্গার’ অভিযোগে তাকে বহিস্কার করা হয়। ভুক্তভোগি ওই ছাত্রীর নাম হাফসা ইসলাম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে (স্নাতক) সপ্তম সেমিস্টারের (মোট ১২ সেমিস্টার) ছাত্রী। হাফসার ভাই আবদুল্লাহ মুহাম্মদের সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশ হলে এর প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী। 

আবদুল্লাহ মুহাম্মদের ভাষ্যমতে, ”ও ভাল স্টুডেন্ট। বহিষ্কারের অন্য কোনো কারণ নেই। ওর একমাত্র অপরাধ ও বোরকা পরে।”

এর আগে ব্যাপারটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবক ডেকে পাঠিয়েছিলো বলেও দাবি করেন তিনি।

আবদুল্লাহ আরো বলেন, ”আমাদের তরফ থেকে আমরা প্রতিবারই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলেও উনারা উনাদের কথাই বারবার বলেছেন। উনারা ড্রেসকোডের কথা বলেছেন। তবে আমাদের অনুরোধে উনারা কোন ছাড় দেওয়ার পক্ষপাতি ছিলেন না।”

কেউই ড্রেসকোড শতভাগ মানছে না বলেও মন্তব্য করেন আবদুল্লাহ।

d

”বোরকা পরা আরো কয়েকজন ছিলো হাফসার সাথে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চাপে তারা একপর্যায়ে বোরকা ছাড়তে বাধ্য হয়। কিন্তু আমাদের তরফ থেকে হাফসার ওপর পূর্ণ সাপোর্ট ছিলো। ওই একমাত্র, যে তার মুখ দেখাবে না। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ওর আইডিটা ব্লক করে দেওয়া হয়।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে ড্রেসকোড সরবরাহ করা হয়েছিলো হাফসার অভিভাবককে।

আবদুল্লাহর অভিযোগ, ”বিশ্ববিদ্যালয়টিতে টি-শার্ট এবং থ্রি কোয়ার্টার পরে আসে অনেক ছাত্রী। এটা কমন একটা ঘটনা। এ ব্যাপারটি ড্রেসকোডের বাইরে হলেও বিশ্ববিদ্যালয় এক্ষেত্রে কিন্তু নিশ্চুপ।”

তিনি বলেন, ”ব্যাপারটি নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে উচ্চ আদালতে একটি রিট করার প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করছি আগামী রোববারের মধ্যে এই সংক্রান্ত ব্যাপারে রেজাল্ট পাবো।”

এর আগে গত ২৮ মে ‘ড্রেসকোড না মানা হলে কেন হাফসাকে বহিষ্কার করা হবে না’ এই মর্মে একটি কারণ দর্শাও নোটিশ দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পর থেকে।

e

ওই শোকজ লেটারে ৩ জুনের মধ্যে কারণ দর্শানোর কথা বলা হয়। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে হাফসা নেকাবসহ (মুখ ঢাকা) বোরকা পরা বন্ধ করেনি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়য়ের রেজিস্ট্রার ইশফাক এলাহী চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি দাপ্তরিক চিঠিতে হাফসাকে বহিষ্কার করে। সেখানে জানানো হয়, হাফসার বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিকে অবগত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ইসফাক ইলাহী চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এ তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন অনেকেই। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ফেসবুকে। কেউ ব্লগে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। 

আবু দারদা নামের একজন তার ফেসবুক মন্তব্যে বলেন, ”আমাদের এই মুসলিম প্রধান দেশে? এদের সাহসের বহর দেখলে অবাক হতে হয়! এতো সাহস এরা পায় কোথেকে?”

ইব্রাহিম খলিল নামে এক ছাত্র ফেসবুকে মন্তব্য করেন, ”ব্র্যাক ভার্সিটির রেজিস্ট্রারকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি, কারণ উনি ২০০৮-০৯ এর দিকে আমাদের ভার্সিটির রেজিস্ট্রার ছিলেন। উনি এমনিতেই সেকুলারপন্থি, এইরকম ইসলাম বিদ্বেষী মানুষের নাম আবার- “ইশফাক এলাহী”। আমার মনে হয় না এই জাহেল ইসলামতো দূরের কথা, নিজের নামের অর্থ জানে কিনা সন্দেহ! ইংল্যান্ড, আমেরিকার মতো অমুসলিম অধ্যুষিত দেশে মুসলমান মেয়েরা নেকাব পরে, পরিপূর্ণভাবে হিজাব করে ডাক্তারী -ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারছে, কলেজ ইউনিভার্সিটি থেকে ডিগ্রি নিতে পারছে, সেখানে নিরাপত্তার বিঘ্ন হচ্ছে না।আর এই মুসলিম অধ্যুষিত দেশের ইউনিভার্সিটিতে মুসলিম মেয়ে নেকাব দিয়ে মুখ ঢাকলে নাকি নিরাপত্তার ব্যাঘাত ঘটে!! কি আজিব ব্যাপার!”

সোহেল মাহমুদ