banner

বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫ ইং, ,

পোস্টটি 34 বার পঠিত

 

ফিলিস্তিনে নারী ও শিশু হত্যার প্রতিবাদে ইসরায়েলের জাতিসংঘ সদস্য পদ বাতিলের দাবি

 

ফিলিস্তিনে যুদ্ধবিরতি যুক্তি লঙ্ঘন করে নারী ও শিশুদের উপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। তারা ইসরায়েলকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ঘোষণা করে জাতিসংঘের সদস্য পদ বাতিলের দাবি জানিয়েছে।

শনিবার (২২ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি সাঈদা রুম্মান বলেন, “ইসরায়েল যে বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে, তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নিরীহ নারী ও শিশু। শিশুদের হত্যা, মায়েদের বিধবা করা—এ কোন সভ্যতার নমুনা?”
তিনি বলেন, “ফিলিস্তিনের নিষ্পাপ শিশুরা আজ প্রাণ হারাচ্ছে ইসরায়েলের বর্বরতার শিকার হয়ে। অসহায় নারীরা স্বজন হারিয়ে পথে বসেছে। মানবতার নামে যারা কথা বলে, তারা আজ নির্বিকার। জাতিসংঘ যদি এই হত্যাকাণ্ড বন্ধে ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে মুসলিম বিশ্ব ধরে নেবে, তারা এ গণহত্যার নীরব সহযোগী।”

বক্তারা উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী যুদ্ধের নামে শিশুদের হত্যা করছে, নারীদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি জান্নাতুল কারীম সুইটি বলেন, “কোনো সভ্য জাতি নারী ও শিশুর ওপর হামলা চালাতে পারে না। ইসরায়েল আজ প্রমাণ করেছে, তারা মানবতার শত্রু, এক নিষ্ঠুর সন্ত্রাসী রাষ্ট্র।”
কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মাহবুবা খাতুন শরীফা বলেন, “ইসরায়েলের হামলায় সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারাচ্ছে শিশুরা। তারা কি যুদ্ধ করছে? তাদের অপরাধ কী? এটি মূলত ফিলিস্তিনি জনগণকে নিশ্চিহ্ন করার একটি পরিকল্পিত গণহত্যা।”

মানববন্ধনে বক্তারা ফিলিস্তিনে অবিলম্বে হামলা বন্ধের দাবি জানান এবং ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক আদালতে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে বিচারের আহ্বান জানান।
তারা আরও বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলিম দেশকে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে এবং ইসরায়েলি পণ্য বর্জন করতে হবে।
“শিশু হত্যাকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া যায় না। অবিলম্বে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে,”—বলেন এক নারী নেতা।

বক্তারা বাংলাদেশের জনগণের প্রতি ইসরায়েলের সব পণ্য বয়কট করার আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

Facebook Comments