banner

বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫ ইং, ,

পোস্টটি 24 বার পঠিত

 

কেরানীগঞ্জে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা: তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড

 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল রাজধানীর কেরানীগঞ্জে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে তিন যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—সজিব, রাকিব ও শাওন। এছাড়া লাশ গুমের ঘটনায় তাদের প্রত্যেককে সাত বছর করে কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এরশাদ আলম জর্জ জানান, ট্রাইব্যুনাল ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলী আকবর (২২) ও মো. রিয়াজ (২২) অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন।

২০২২ সালের ১১ জুন কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন আঁটিবাজার এলাকায় টহলরত পুলিশ ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পশ্চিম বামনসুর জামে মসজিদের সামনে পুকুর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে, নিহত নারীর নাম মারিয়া। তার বান্ধবী বৃষ্টি আক্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে পুলিশ আসামি শাওনকে গ্রেফতার করে।
শাওন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে জানায়, সে নিজে,রাকিব, সজিব, আলী আকবর মিলে মারিয়াকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়। পরে রাকিব ও সজিবকেও গ্রেফতার করা হলে তারাও আদালতে একই স্বীকারোক্তি দেয়।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক অলক কুমার দে ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর বিচারকাজ শুরু হলে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
রায় ঘোষণার সময় কারাগারে থাকা আসামি রাকিব ও শাওনকে আদালতে হাজির করা হয় এবং রায় শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত সজিব পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

Facebook Comments