রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছিল কিশোরী কল্পনা। সেখানেই প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর ধরে অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হয় সে। মালিকপক্ষের নির্মম অত্যাচারে তার শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়, এমনকি সাম্নের চারটি দাঁতও হারায়। প্রতিদিনের নির্যাতনে কল্পনা অসুস্থ হয়ে পড়লেও কেউ তার প্রতি সহানুভূতি দেখায়নি।
অবশেষে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কল্পনাকে উদ্ধার করে এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা শুরু হয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলে।
দীর্ঘ চিকিৎসার পর কল্পনা এখন অনেকটাই সুস্থ। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পর দুই-এক দিনের মধ্যেই হাসিমুখে বাড়ি ফিরবে সে।
তবে তার পরিবার মনে করে, সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা ছাড়া কল্পনার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঢেকে যাবে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ঘটনাকে দৃষ্টান্ত হিসেবে নিয়ে গৃহকর্মীদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।














