৮ মার্চ বিশ্বজুড়ে পালিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস। কিন্তু বাস্তব প্রশ্নটা হলো-দিবস পালনের বাইরে আমরা নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে কতটা এগিয়েছি?
স্লোগান, আলোচনা বা সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে নারীর ক্ষমতায়নের কথা যতটা উচ্চারিত হয়, বাস্তব জীবনে তার প্রতিফলন এখনো ততটা দৃশ্যমান নয়। ফলে ‘নারী দিবস’ কেবল আনুষ্ঠানিকতার নাম মাত্র।
এ বছরের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য- “আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার; সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার।”
প্রতিপাদ্যটি মূলত একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়: ভবিষ্যতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে চাইলে আজই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
শুধু আলোচনা, প্রতিশ্রুতি বা নীতিগত বক্তব্য দিয়ে নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; বাস্তব পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন কার্যকর উদ্যোগ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা।
নারী বাংলাদেশের সমাজ কাঠামোয় পরিবার, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। কিন্তু এই ভূমিকার সঙ্গে সমানভাবে জুড়ে আছে বৈষম্য, সহিংসতা ও অবহেলার দীর্ঘ বাস্তবতা। সংবাদপত্রের পাতা খুললেই আমরা দেখি ধর্ষণ, পারিবারিক নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, যৌন হয়রানি কিংবা অনলাইন সহিংসতার খবর। আইন রয়েছে, নীতি রয়েছে, নানা কর্মসূচিও রয়েছে-তবু সমস্যাগুলো পুরোপুরি কমছে না।
এর কারণ খুব স্পষ্ট: আইন প্রণয়ন সহজ, কিন্তু আইনের বাস্তব প্রয়োগ এবং সামাজিক মানসিকতা পরিবর্তন কঠিন।












