শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ইং, ,

Daily Archives: February 23, 2018

 

‘শিশু পেলে অধিকার, খুলবে নতুন বিশ্বদ্বার’- ডা.কবীর জুয়েল

‘শিশু পেলে অধিকার, খুলবে নতুন বিশ্বদ্বার’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ সোমবার উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব শিশু দিবস-২০১৭।
received_1774602615884743
১৯৫৪ সালে জাতিসংঘ বিশ্ব শিশু দিবস প্রবর্তন করে বিশ্বের লাখো শিশুর মাঝে একাত্মবোধ, জাগ্রতবোধ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। লাখো শিশুর অব্যক্ত কথাগুলো শোনার জন্য। কিন্তু আমরা কি শুনতে পাই আমাদের শিশুদের না বলা কথাগুলো? তাদের মনের মাঝে বয়ে চলা কত শত অভিব্যক্তি, কষ্ট, ভয়, একাকীত্ব, প্রশ্নের ঝড়?

আমাদের শিশুদের সাহায্য করার জন্য, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শিশুদের মাঝে যে মনরোগের লক্ষণসমূহ দেখা যায় তা সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করছি—–
>> অটিজম বা ভাবের আদান-প্রদানে সমস্যা
>> অতি চঞ্চলতা ও মনোযোগহীনতা
>> অতিরিক্ত রাগ, জিদ, ভাংচুর করা
>> তোতলামী ও পঠনে সমস্যা
>> লিখাপড়ায় অনীহা বা অমনোযোগহীনতা
>> স্কুল পালানো, স্কুলভীতি
>> লিখাপড়ায় ক্রমাবনতি
>> স্কুলের বন্ধুদের সাথে ঝগড়া-বিবাদ করা
>> নিরীহ মানুষ, পশু-পাখির সাথে রুঢ় আচরণ করা
>> অবাধ্য হওয়া, মিথ্যা বলা
>> ক্রমাগত হুমকি প্রদান ও ভীতি প্রদর্শন করা
>> আগুন লাগিয়ে আনন্দ করা
>> বিছানায় প্রস্রাব করা
>> আত্মঘাত বা নিজেই নিজেকে আঘাত ও কষ্ট দেওয়া।

আপনার শিশুর মাঝে যদি উপরোক্ত লক্ষণগুলো হতে একাধিক লক্ষণ দেখতে পান, তবে দেরী না করে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন। উপযোগী কাউন্সিলিং এবং অল্প কিছু ঔষধ আপনার শিশুকে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ থেকে উদ্ধার করতে পারে। মনোরোগ অন্য সব রোগের মতো একটি রোগ যা সময়মতো চিকিৎসা করলে সম্পূর্ণ সুস্থতা পাওয়া সম্ভব। লোকলজ্জা, ভয়, সামাজিক গোঁড়ামি বা অজ্ঞতায় থেকে নিজের সন্তানের বিপদ বৃদ্ধি করবেন না। প্রতিটি শিশুর জীবন হোক সুন্দর, নিরাপদ ও আনন্দদায়ক, এই প্রত্যাশা আজকের বিশ্ব শিশু দিবসে।
received_1774602985884706

 

ঘরের সৌন্দর্য (ছোট্টশিশুর ঘর)

ছোট্ট শিশুর ঘর সাজাতে গেলে আপনাকে একটু ভাবতে হবে কারণ একটি শিশু আর একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রুচি বা পছন্দ একরকম নাও হতে পারে। শিশুর ঘর সাজানোর সময় মনে রাখতে হবে ঘরটা কোন বয়সী শিশুর জন্য সাজানো হচ্ছে। আর দ্বিতীয়ত শিশুর নিজস্ব মতামত আছে কিনা। শিশুটি হাসিখুশি থাকলে আনন্দ ছড়িয়ে পড়বে তাই শিশুর মত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুন্দর সাজানো-গুছানো ঘর শিশুর মানসিক বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। শিশুর ঘরটি আকর্ষণীয় হতে হলে সর্বপ্রথম রং এর দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
img20171120_095041
ঘরের রঙ(The color of the house)
উজ্জ্বল রঙের প্রতি শিশদের ঝোঁক থাকে যেমন গোলাপি, বেগুনী, লাল, নীল, সবুজ, হলুদ ব্যবহার করা যেতে পারে। ছোট্ট শিশুর মতামতের উপর কখন কখন গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। খেয়াল রাখুন সেই রঙের ছোয়া যেন জিনিসপত্রেও থাকে।
img20171120_095349
দেয়ালের সাজ(Wall decoration)
ঘরের রঙের সাথে মিল রেখে দেয়ালকে সাজিয়ে তুলতে হবে। বয়স অনুযায়ী শিশুর পছন্দের কার্টুন, ফুল, পেইন্টিং দিয়ে ফুটিয়ে তুলা যায় ঘরের দেয়ালটি। নানান নকশা আর রঙের ওয়াল পেপার শিশুদের ঘরকে আকর্ষণীয় করে তুলুন।
img20171120_190308
ঘরের পর্দা নির্ধারণ(Define the screen of the house)
গাঢ় রং এর দেয়ালের সাথে মিলিয়ে হাল্কা রঙ ব্যবহার করতে পারেন। সুতি বা কটন কাপড়ের পর্দা নির্বাচন করা যেতে পারে।
img20171120_095148
আলো-বাতাস(Light-air)
বাচ্চাদের ঘরে জোড়ালো আলো হলেই ভালো হয়, কারন কম আলোয় ওদের পড়াশোনা করতে অসুবিধে হবে৷
img20171120_095623
শিশুর ঘরের আসবাবপত্র(Baby furniture)
সাধারণত আসবাব পত্রের রঙ উজ্জ্বল হওয়া দরকার। আসবাবপত্রের সাইজ আর রং যেন শিশুর পছন্দসই হয় নজর রাখুন।
img20171120_095738
বিছানাপত্র(Bedding)
চাদর যেন আরামদায়ক হয়। রঙের ক্ষেত্রে রঙ যেমন লালসে বর্ণের, হাল্কা সবুজ, গোলাপি, নীল রঙ যাতে বাচ্চারা ময়লা করলে সহজে বোঝা না যায়। খুব গাঢ় রঙের চাদর পরিহার করায় ভাল।
img20171120_184427
মেঝের উপর খেলা(Play on the floor)
শিশুর ঘরের মেঝের এক পাশে খেলার জিনিসপত্র দিয়ে আপনি সাজিয়ে দিতে পারেন। একটি সুন্দর রঙের মাদুর বা কার্পেট বিছিয়ে রাখা যেতে পারে যাতে বাচ্চারা সেটার ওপর বসে খেলে।
img20171120_184307
গাছ ঘর(Plant the trees)
শিশুর ঘরের ভেতর জানালা বা দেয়ালে অর্কিড বা আকর্ষণীয় কিছু গাছ লাগান। শিশুটির ঘরটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠবে।
img20171120_190336
পড়াশুনার রাজ্য(State of Education)
দেওয়ালে বই রাখার ব্যবস্থা করে যেতে পারে তাছাড়া বিছানার পাশে টেবিল রাখতে পারেন৷ খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা যেন নাগালের মধ্যে পায়৷