রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ইং, ,

Daily Archives: August 16, 2017

 

img20171102_143825

ওজন কমাতে জেনে নিন কোন খাবারে কত ক্যালরি আছে

পৃথিবীতে সবচেয়ে মোটা মানুষ কে?
মিসরীয় এক নারী, পৃথিবীর সবচেয়ে মোটা মানুষ সম্ভবত, যার ওজন ৫০০ কেজি।আবদেল আতির নামে সেই নারীর পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, গত ২৫ বছর ধরে তাদের মেয়ে ঘরের বাইরে যেতে পারছে না। বর্তমানে তার ওজন ৫০০ কেজি।

মানুষ কেন মোটা হয়?
প্রতি ৩৫০০ ক্যালরি খাবার খেলে শরীরের প্রয়োজনের অতিরিক্ত, তাদের অন্তত আধা কেজি চর্বি শরীরে জমা হবে।
img20171102_142037
মানুষের দৈনিক কত ক্যালরি প্রয়োজন?
একজন মানুষের দেহে দৈনিক কত ক্যালরি প্রয়োজন তা একেক জনের জন্য একেক রকম হলেও একজন সুস্থ-সবল পরিপূর্ণ বয়স্ক মানুষের দিনে প্রায় ১৮০০ ক্যালরি পরিমান খাদ্য দরকার হয়। অন্য আরেক জরিপে দেখা যায়, একজন সুস্থ ও কর্মক্ষম ১১০ পাউন্ড ওজনের ছেলের (২৫ বছর) দৈনিক প্রয়োজন ২৫০০ ক্যালোরির খাবার। একই ওজনের একজন প্রৌঢ়ের প্রয়োজন ২৩৫০ ক্যালোরির খাবার এবং একজন বৃদ্ধের প্রয়োজন ১৯৫০
ক্যালোরির খাবার। আবার মেয়েদের ক্ষেত্রে ১১০ পাউন্ড ওজনের একজন যুবতীর (২৫ বছর) দৈনিক প্রয়োজন ২০৫০ ক্যালোরির খাবার।
img20171102_143121
কোন খাবারে কি পরিমাণ ক্যালরি?
ক্যালরিযুক্ত খাবার ও ক্যালরির পরিমাণঃ
কোন খাবারে কত ক্যালরি

সিদ্ধ ডিম (১টি) : ৮০
ভাজা কিংবা ওমলেট ডিম (১টি) : ১২০
মাখন লাগানো পাউরুটি (১ পিস) : ৯০
আটার রুটি (১টি) : ৬০
পুরি (১টি) : ৭৫
১টা পরোটা + ১ বাটি সবজি : ৩০০
১টা সিঙ্গারা :১০০
১ কাপ ভাত : ১৫০
১টা নান + ১ বাটি ডাল : ৩০০
রান্না মাংস (১ কাপ) : ১৭৫
রান্না সবজি (১ কাপ) : ১৫০
১ কাপ সালাদ : ১০০
১ বাটি ক্লিয়ার স্যুপ : ৭৫
১ বাটি থিক স্যুপ : ১৫০
চিনি ছাড়া রং চা / ব্ল্যাক কফি : ১০
দুধ চা / কফি : ৪৫
দুধ (১ কাপ) : ৭৫
ফলের রস : গড় ১২০
মাখন (১ চা চামচ) : ৫০
ঘি (১ চা চামচ) : ৫০
চিনি (১ চা চামচ) : ৩০
বিস্কুট (১ পিস) : ৩০
বাদাম ভাজা (১ কাপ) : ৩০০
আইসক্রিম (১ স্কুপ) : ২০০
কাবাব (১ প্লেট) : ১৫০
১ বোতল কোমল পানীয় : ২০০

সুতরাং আজকে থেকেই আপনার খাবারের প্রপার ক্যালরি মেন্যু তৈরি করুন।

 

Square_02112017_130410

সম্পর্কের অ্যালফাবেট -২

আধুনিক যুগে ‘দীর্ঘমেয়াদি বিবাহিত জীবন’ যেন কল্পনা হয়ে গেছে। প্রথম ধাক্কাতেই সব বিধ্বস্ত হয়ে যায়। তবে অধিকাংশরাই দ্বিতীয়বারের মতো সুযোগ দিতে প্রস্তুত থাকেন।অন্যান্য সম্পর্কের মতোই বিবাহিত সম্পর্ক টেকাতেও সহায়তার প্রয়োজন হয়।
আজকের পর্বে E থেকে O পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে সম্পর্কের টিপস,

Equal(ন্যায়সঙ্গত বা সমতা): সমতা মানে সমান। প্রতিটি মানুষ নাকি আলাদা, কথাটি কিন্তু একদম সত্য। তেমনি সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা ভূমিকা আছে। সেক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সীমা হিনগোরানি মনে করেন, দুজন দুজনের হয়ে গেছেন এটায় সমতা। প্রত্যেকেরই সমান গুরুত্ব রয়েছে সুন্দর বন্ধনেরর জন্য। প্রত্যেকে নিজ নিজ স্থানে নিজস্ব ইচ্ছা ও চাহিদা ব্যক্ত করে একটা বন্ধনকে করে তুলতে পারে সুন্দর ।
Flexible(কোমল বা নম্রতা): কোমল আচরণ সবাই পছন্দ করে। এর ঠিক বিপরীতে একগুয়েমীতা আর জেদ। আর এ কারণে দাম্ভিকতা সম্পর্কে যখন পরস্পর পরস্পরের প্রতি নম্রতা দেয়ায় তখনই বন্ধনে মজবুতি বাড়ে। ইতিবাচক চিন্তা দিয়ে সব সম্পর্ককে সুন্দর পরিনতি দিকে নিয়ে যেতে হয়।
Generous(উদার): উদারতা হল দাম্পত্য জীবনের মুল কথা। ভোর বেলা উঠে বউ ঘুম নষ্ট করে অনেক কাজ করে। এটা বিস্তৃত একটি উদারতা। কেউ কেউ মনে করেন শুধুমাত্র উপহার দিতে পারাটা উদারতা। কেউ মনে করে ঘুরতে যাওয়া আর রেস্টুরেন্টে খাওয়ানোটা উদারতা। আবার অনেক অর্থে কার মূল্যবান সময়, শক্তি, এবং প্রচেষ্টা দিয়ে সম্পর্কটিকে জাগিয়ে তোলা হল সবচেয়ে বড় উদারতা!
Honest(সততা বা সচ্চরিত্র): বিয়ে বেশ কিছু দিন পর নাকি রোমান্স মরে যায়। এর কারণে হিসেবে কেউ কেউ সততা দ্বায় দেয়।প্রয়োজনের সময় যে কোন বিষয়ে যতটা সম্ভব মন খুলে, কোনরকম রাখডাক না রেখে, সচেতনভাবে নিজের চিন্তা ও অনুভুতি প্রকাশ করতে পারলে রোমান্স টিকে থাকবে, টিকে থাকবে সততা।
Interested(কৌতূহলী): নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের উর্ধে উঠে পাশের মানুষটির পছন্দের কাজটির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ। কিছু অন্তরঙ্গ সময় কাটান। একজন আরেকজনের প্রতি মনোযোগ। এটা সম্পর্কে নতুন মাত্রা দিবে।দুজন মিলে কিছু চমৎকার সময় অতিবাহিত করুন।
Just(ন্যায়পরায়নতা বা সমদর্শী): কাছের মানুষটির খারাপ এবং ভালো সবকিছু মেনে নিয়েই ত জীবন। এমন সময় কাটান যেনো একজন অপরজনের কাছে স্পেশাল হয়ে ওঠেন সব ভালো বা খারাপ চিন্তার বাইরে। পুরো মানুষটি যেমন,তেমন ভাবেই তাকে সম্মান করে তার প্রতি সুবিচার করুন।
Kind(অমায়িক দয়া বা যত্নশীল): এটা আসল বলার চেয়ে করা অনেক কঠিন। দয়া বিষয়টা আসলে অনেকটা নিজের কথা বলে ত অন্যের দিকে তাকানো হয় না, সাধারণ মানুষের সাথে অনুশীলন করা দরকার পরে। সবারই উচিত অন্যের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করা এবং কষ্ট টা ঠিক বোঝা, বিশেষ করে সেই সময়গুলতে যখন আপনি জানেন না বা বুঝতেই পারেন না, যে সে ঠিক কিসের সম্মুখীন হয়েছে, আর তার মোকাবেলা করাটা তার জন্য কত কঠিন। এ সময় বুঝতে পারলে দুজনের বন্ধন আরো দৃঢ় হবে।
Loving(স্নেহশীল বা ভালবাসা): অযথা বিতর্ক টেনে নিয়ে যাবেন না। ছাড় দেন ভালবাসার মানুষটাকে। ভালোবাসা আসলে কি তা বুঝতে দিন? ভালোবাসা হল কাপেলদের উত্তর মতে, ঘনিষ্ট হওয়া, যত্নশীল আর পরস্পরের প্রতি জড়িয়ে থাকা মায়া।
Mature(পূর্ণবিকশিত বা পরিপক্কতা): দুজনের বা সংসারে,পরিপক্বতার স্বচ্ছতা অতি জরুরি বিষয়। সম্পর্কের পরিপক্কতা, যা সামনের দিনগুলোতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে শেখাবে। সুবিস্তৃত রাস্তা বা পথ, আমি জানি না ঠিক সামনে কি আছে? তবুও সেই পথকে মেনে নিয়েছি একসাথে হাটার জন্য। দাম্পত্য জীবনে পরস্পরকে বুঝা, দেখাশুনা, একসাথে কাজ করার সময় একজন অপর জনের দৃষ্টিকোণ বুঝতে চেষ্টা করা (বিশেষ করে যখন পরস্পরের দৃষ্টিকোণ সম্পূর্ণ ভিন্ন)।
Nurturing(সুশাসিত বা লালন): অনেকেই মনে করেন, একজনই যত্ম নেওয়া হলে তা দুর্বলতা প্রকাশ পায়। এটা বড় ধরনের ভুল ধারণা। পরস্পরের প্রতি উৎসাহ প্রদানকারী, যত্নবান, এবং সহযোগী বিষয়টি হল ঠিক এমনই। এক সাথে চলার পথে জীবন পরিচালনের জন্য সহযোগী বা সার্পোটার দুজন ব্যক্তি। প্রতিটি যৌক্তিক কাজে উৎসাহ প্রদান করে যত্নশীলভাবে একজন সঙ্গী অপরজনকে।
Open(মুক্ত বা অবারিত): জীবনের বিভিন্ন সময় নিজেদেরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে মুক্ত মনে। এসব ক্ষেত্রে উভয়পক্ষকে মধ্যমপন্থ অবলম্বন করতে হবে। সহজ উপায়ে অনুভূতি প্রকাশ, অনায়াসে বুঝা যায় এমন কথা বলতে হবে। হাসি কান্নার রহস্য নাই। কিন্তু গবেষণায় দেখা যায়, সততা অনুরূপ কিছু এবং তাদের নিজেদের ব্যাপারে উন্মুক্ত সচেতনতা বুঝিয়েছেন। নিজেদের সম্পর্কে নতুন ধারণা এবং দৃষ্টিকোণ খুঁজে তা সন্মান করার পক্ষে সবাই একমত।
সমস্যা থাকলে কথা বলার মাধ্যমে সমাধান করা খুব দরকার। পরস্পরের কথা ও কাজ মনোযোগ সহকারে শুনা এবং দেখা, তা উপলব্ধি করার পর এ ব্যাপারে একমত পোষণ করার মনোভাব গড়ে তুলুন।

 

img20171102_064009

ঘরের সৌন্দর্য্য রক্ষায় কি করবেন

ঘর পরিষ্কার করা কঠিন কাজ। পরিষ্কার ও পরিপাটি ঘরে থাকতে ভালো লাগে। পরিষ্কার করার কাজটি সময়সাপেক্ষ হলেও প্রশান্তিকর। সহজ কিছু কৌশল জানা থাকলে এই কাজটি খুব সহজে ও কম সময়ে করা যায়।
সামনে তুলে ধরছি কয়েকটি মজার উপায় যা আপনার ঘরকে পরিষ্কার ঝকঝকে করে তুলতে সহায়তা করবে।
img20171102_122504
ভিনেগার & অলিভ অয়েল(পুরনো টেবিল)
আধা কাপ ভিনেগার এবং আধা কাপ অলিভ অয়েল (জলপাই তেল) মিস্ক করে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে পুরোনো টেবিলটিকে ভাল করে ঘষুন। দাগ উঠে যাবে এবং টেবিল অনেক মসৃণ হবে।
img20171101_221515
ওয়াশিং পাউডার, হুইটেনার & বোরাক্স পাউডার(কাপড়)
এক কাপ ওয়াশিং পাউডার, এক কাপ কাপড় সাদা করার পাউডার (হুইটেনার) এবং আধা কাপ বোরাক্স পাউডার এর সাথে গরম পানি মিক্স করে বালিশ আর বিছানার চাদর ধবধবে পরিষ্কার করে তুলুন।
img20171102_070548
অয়েল & বেকিং পাউডার(কাঠের আসবাবপত্র)
এক চামচ ভেজিটেবল অয়েল এবং ২ চামচ বেকিং পাউডার মিস্ক করে ব্রাশ অথবা কাপড় দিয়ে ভাল করে দরজার হাতল ঘষুন দাগ পরিষ্কার হবে।
img20171101_221100
ভিনেগার(পানির কল)
পানির কলের মুখ পরিষ্কার এর জন্য কলটি ভিনেগার এর মধ্যে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে পরিষ্কার করুন। যদি ময়লা অনেক ভিতরে থাকে, তাহলে একটি ব্যাগ দিয়ে মোড়িয়ে আরও ১ ঘণ্টা ভিনেগার এর মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন এবং পরিষ্কার করুন।
img20171101_221415
লবন(লোহার জিনিস)
কাগজের মধ্যে কিছুটা লবন ছিটিয়ে আয়রন মেশিনটি রাখুন। এবার মেশিনটি চালু করে সর্বোচ্চ হিট সেট করুন এবং লবণের মধ্যে ঘষুন। ঘষার সময় পানি স্প্রে (যদি থাকে) বন্ধ রাখতে ভুলবেন না। দেখবেন খুব সহজেই ময়লা উঠে আসবে। ঢালাই লোহার কড়াই এবং অন্যান্য লোহার জিনিসপাতি এভাবে পরিষ্কার করা যায়।
img20171101_221300
উলের তুলো সাথে পাউডার (হুইটেনার) & টুথব্রাশ(গোসলখানা)
গোসলখানায় প্রথমে কিছু উলের তুলো নিয়ে ঠিক ১ সেন্টিমিটার আকারের ছোট ছোট বল বানান। পাউডার (হুইটেনার) এর মধ্যে চুবিয়ে নিয়ে দাগ ওয়ালা জায়গা গুলোর উপর সারা রাত ফেলে রাখুন। সকাল বেলা টুথব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন।
img20171101_221149
এমোনিয়া ক্লিনার(রান্না ঘরের চুলা)
রান্না ঘরের চুলোর লোহার অংশ থেকে তেল পরিষ্কার করার জন্য এমোনিয়া ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন। একটি প্লাস্টিক ব্যাগ এর মধ্যে চুলোর অংশটি নিয়ে ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ এমোনিয়া ক্লিনার ছিটিয়ে ১২ ঘন্টার জন্য ফেলে রাখুন। এরপর পরিষ্কার করুন।
img20171101_221338
স্পিরিট(সোফা পরিষ্কার)
সোফা থেকে ময়লা দাগ দূর করতে একটি পরিষ্কার সাদা ব্রাশ নিয়ে অল্প পরিমান স্পিরিট মিশিয়ে পরিষ্কার করুন। অস্বস্তিকর গন্ধ দূর করার জন্য কিছুটা বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিতে পারেন।