রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ইং, ,

Monthly Archives: August 2017

 

images(50)

রান্নার টুকিটাকি টিপস

আপনাদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস যা আপনাদের রান্নাকে মজাদার করে তুলবে।
img20171101_014904
ডাল(Pulses): ডালের মজা জ্বালে! অর্থাৎ যত বেশি সময় জ্বালানো হবে স্বাদ বেড়ে যাবে ততই।
যে তরকারীতে লবন বেশি হবে।
img20171101_014753
লবণের স্বাদ(Taste of salt): পরিমিত লবণ তরকারীর আরো স্বাদ বাড়িয়ে দেয়, তাই কিছু উপকরন দিয়ে দেয়া যেতে পারে। যেমন, আলু, টমেটো, শাক ইত্যাদি। আর অন্যক্ষেত্রে (তরকারী বা তরকারী না হলে) যদি ঘরে কয়লা থাকে তবে তার ছোট এক টুকরা পাতিলে দিয়ে দিলে লবন শুষে নিয়ে নিবে।
img20171101_014644
হলুদ বিড়ম্বনা(Yellow spit): হলুদ বেশী হয়ে যায় তবে ছোট একটা কাপড়ের টুকরা চুবিয়ে দিলে কাপড় কিছু হলুদ টেনে নিয়ে নিবে।
img20171101_014538
চিনির যত্ন (Sugar care): চিনিতে পিঁপড়া ধরলে চিনির পাত্রে কয়েকটি লবঙ্গ রাখুন চিনির পিঁপড়া ছেড়ে যাবে।
img20171101_014445
ডিম ভাঁজি(Fold the eggs): ডিম ভাঁজির সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন , ড়িমের খোসার টুকরা যেন না পড়ে … আর ড়িম অবশ্যই কালো কড়াইয়ে ভাজবেন , তাহলে ভাজাটা ভাল হবে । এছাড়া যখন ডিম সেদ্ধ করা হয়, সে সময় পানিতে আধা চা চামচ লবণ দিন। তাতে ডিম তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হবে এবং ডিম ফাটবে না।
img20171101_014721
লবণ বিড়ম্বনা(Salt fermentation): যে তরকারীতে বা অন্য কিছুতে লবন বেশি হবে তাতে আটা বা ময়দার একটা গোল্লা (রুটি বানাতে যে কাই করা হয়) বানিয়ে এক পাশে রেখে দিতে হবে। উক্ত আটা বা ময়দার গোলা বেশ কিছু লবন শুষে নেবে। তবে তিনি আরো জানালেন যে, আলু বা টমেটো দিয়ে ঝোল বাড়িয়ে নিলেও লবন কমে যায়। এছাড়া যে তরকারীতে লবন বেশি হবে তাতে কিছু আলু কিংবা কুমড়ার শাক দিলে লবন কমে যাবে। তবে তিনি ছোট বেলায় উনার মায়ের কাছ থেকে দেখেছেন, তরকারীতে লবন বেশি হলে কয়লার টুকরা দেয়া হত।
img20171101_014351
কর্ণ ফ্লাওয়ার(Corn Flowers): তরকারির ঝোল ঘন করতে চাইলে কিছু কর্ণ ফ্লাওয়ার পানিতে গুলিয়ে নিয়ে ঢেলে দিন। লক্ষ্য রাখবেন কর্ণ ফ্লাওয়ারের দ্রবণটি যেন ভালমত তরকারির সাথে মিশে যায়।

 

IMG_20171031_224513

আজ চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা -২০১৭ এর প্রিলিমিনারির ফলাফল দিয়েছে

চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা – ২০১৭ এর নির্বাচিতদের ফলাফল এর রেজাল্ট বিজ্ঞপ্তি

আজ মঙ্গলবার ১৪তম নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি রেজাল্ট প্রকাশ করবেন। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে নানা জটিলতা থাকা সত্ত্বেও ১৪ তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা স্কুল, স্কুল -২ এবং কলেজ পর্যায়ের প্রিলিমিনারী শেষ হয়েছে গত মাসের আগস্ট মাসের ২৫ তারিখে, লিখিতপরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ডিসেম্বরের ১ তারিখ।
১৪ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার পাসের হার গতবারের তুলনায় অনেক কম মাত্র ৩৮%.

সূত্র জানায়, ফলাফল জানতে ভিজিট করুন- http://ntrca.teletalk.com.bd/result/ঠিকানায়।

নিউজ:https://www.facebook.com/Oporajitabd/

 

images(32)

৯৮ বছর বয়সী মা দেখাশোনা করছেন ৮০ বছর বয়সী ছেলেকে

সময়ের প্রয়োজনে, ভালোবাসার ফেরিওয়ালা ৯৮ বছরের মার দায়িত্ব এসেছেন তার ৮০ বছরের ছেলে টম। এমন একটি চমৎকার ঘটনা ঘটেছে লিভারপুলের মোস ভিউ কেয়ার হোমে।
ছেলের প্রতি ভালবাসা নাকি মায়ের প্রতি তীব্র হৃদয়ের টান। কতখানি ভালোবাসা লুকায়িত? নিজের জীবনের থেকেও বেশি। বয়স যেখানে মুখ্য বিষয় না।
৮০ বছর বয়সী ছেলেটির এখন দেখাশোনা করার জন্য ৯৮ বছর বয়সী মা।
এই সর্বোচ্চ সন্মানিত মা অ্যাড কেটিং। অ্যাড কেটিং এবং তার ছেলে টম লিভারপুলের মোস ভিউ কেয়ার হোমে থাকেন।
৯৮ বছর বয়েসী মা কাছে চলে আসেন ৮০ বছর বয়েসী ছেলে তার আরও ভাল দেখাশোনা করার জন্য একটি কেয়ার হোমে।
টম ২০১৬ সালে লিভারপুলের মোস ভিউ কেয়ার হোমে আসেন কারণ তিনি আরও শারীরিক এবং মানসিক যত্ন এবং সমর্থন প্রয়োজন অনুভব করেন এবং এক বছর পর তার মা তার জ্যেষ্ঠ পুত্রের দেখাশোনা করার দায়িত্ব পালন করছেন।
“আমি প্রতিটি রাতে আমার সন্তান টমকে শুভকামনা ব্যক্ত করি এবং আমি শুভ কামনা প্রকাশ করি সকালকেই।” কিটিং এ কথা বলেন।
টম বলেন, “যখন আমি আবার আমার মামের বাহু দ্বারে ফিরে আসি তার বাহু প্রসারিত হয় এবং আমাকে ভালবাসার টানে আলিঙ্গন করেন কাছে রেখে দেন যত্নে। You never stop being a mum”। তিনি আরও বলেন, আমরা এখানে মা ছেলে ভাল আছি। এবং আনন্দে দিন কাটছে আমাদের।
কেয়ার হোমের ম্যানেজার ফিলিপ ড্যানিয়েলস বলেন যে, অবিচ্ছেদ্য জোড়া। তিনি বলেন, “একদম বাড়ির মত এরূপ যত্ন মায়ের তার সন্তানের প্রতি, একসঙ্গে দেখতে খুব কমই দেখা যায়।”

সুত্র: The Independent.

 

received_2005531049682425

বিবেকের পাল্লা

কোরবানির গোস্ত মাপা দেখছি
আর ভাবছি ভিন্ন প্রেক্ষাপট,
এক পাল্লায় মানবতা আর
অন্য পাল্লায় জাতীয় স্থায়ী সংকট
রোহিঙ্গাদের বাংলার মাটিতে
দিতে চাই স্থান।
মানবতা যখন ডুকরে কাঁদে
বধির বিশ্ব বিবেকের কান।

ঠিক তার বিপরীতে শংকিত জাতি
ঠাঁই দিলে এরাই হবে জাতির ক্যান্সার
বাংলার ভূমি দখল করে-
বানাবে হয়ত মাদকের ভান্ডার।

এক পাল্লায় মানবতা বিবেক
অন্য পাল্লায় সংশয়
দোদুল্যমান পাল্লাটা যে
স্থির করা দ্বায়।
কোরবানি দিব কাকে?
জাতীয় বিবেক?
নাকি জাতির ভবিষ্যত?
পারছিনা আর মেনে নিতে
দোদুল্যমান প্রেক্ষাপট।

বিবেক যদি দেই কোরবানি
জীবনটাই তো বৃথা
সব ভাবনা বাদ দিয়ে
এসোনা দেখাই মানবতা।

লিখেছেনঃ শরীফা সীমা

 

received_10208823407497086

মুক্ত আলোচনায় বক্তারা – “রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ এখন সময়ের দাবী “

মানবিক কারণে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেও এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি,অর্থনৈতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট। এই সংকট মোকাবিলায় আর্ন্তজাতিক ভাবে মিয়ানমার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশ সরকারের কুটনৈতিক তৎপরতা আরো জোরদার করা দরকার। সেই সাথে রোহিঙ্গা নারী ও শিশুরা যাতে এদেশে কোন ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে না পরেন, সেই দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

গত ২৮ অক্টোবর সকাল এগারটায় বাংলাদেশ সেন্টার ফর উইমেন সলিডারিটির উদ্যোগে, ঢাকায় অবস্থিত , মহিলা সমিতির আইভি রহমান হলে, “নির্মম গণহত্যার শিকার রোহিঙ্গাদের প্রতি করনীয় এবং পবিত্র হজ্বব্রত পালনের স্মৃতি অভিজ্ঞতা” শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

স্বনামধন্য সঙ্গীত শিল্পী ফাতেমা-তুজ-জোহরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত , মুক্ত আলোচনা সভায়, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল এর বোর্ড মেম্বার(জাতিসংঘের সাবেক সিডো সদস্য ও বিটিভির সাবেক ডিজি) ফেরদৌস আরা বেগম, বার্ড-এর সাবেক ডেপুটি ডিরেক্টর নুরুন্নাহার কবীর, বাংলাদেশ উইমেন জার্নালিস্টস ফোরামের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র সাংবাদিক রোজী ফেরদৌস , বাংলাদেশ উইমেন জার্নালিস্টস ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দৈনিক দিনকালের সাবেক কুটনৈতিক প্রতিবেদক মাহমুদা চৌধুরী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মরিয়ম মানসুর,সমাজসেবা মূলক কাজের সাথে যুক্ত লুৎফুন্নেসা ও বিভিন্ন অঙ্গনের এবং পেশার সাথে যুক্ত নারীরা।

আলোচনা সভায় হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল এর বোর্ড মেম্বার (জাতিসংঘের সাবেক সিডো সদস্য ও বিটিভির সাবেক ডিজি) ফেরদৌস আরা বেগম বলেন, “রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন চালিয়ে যে ভাবে তাদের হত্যা করা হয়েছে তা ইতিহাসে বিরল। মিয়ানমার সরকারের এ ধরনের আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই। সারা বিশ্বের সকল মানুষ এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের এই মানবিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মিয়ানমার এর এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করে সম্মিলিত ভাবে প্রতিবাদ করতে হবে। আমার প্রস্তাবনা হলো, ১. মিয়ানমার তাদের মাতৃভূমি। সেখানে সসম্মানে, নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে, তাদের ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা। এর বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির ব্যবস্থা করা। ২.যতদিন তারা এদেশে আছে, সরকার মানবিক দায়িত্ব নিয়ে জায়গা দিলেও, আমাদের সব বাংলাদেশীর পক্ষ থেকে তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া। আমরা ১৬ কোটি মানুষ। ১ টাকা করে দিলেও ১৬ কোটি টাকা হয়ে যাবে। ৩.রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে নাকি অনেক শিশু ওতরুণীরা হারিয়ে যাচ্ছে। এখানে নারী ও শিশু পাচারকারীরা যাতে তাদের উদ্দেশ্য সফল না করতে পারে, তাই সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যতদিন তারা নিজেদের দেশে ফিরে যেতে না পারে, ততদিন পর্যন্ত।”

বার্ড-এর সাবেক ডেপুটি ডিরেক্টর নুরুন্নাহার কবীর বলেন, “নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে যাওয়া কতটা কষ্টের তা আমরা ‘৭১ সাল থেকেই জানি। আরাকানে রোহিঙ্গাদের উপর হত্যা, ধর্ষণসহ যে নৃশংসতা চালানো হচ্ছে তা যে কোন দেশে যুদ্ধ ঘোষণা করা হলে , সেখানেও এত নৃশংসতা দেখা যায় না। তিনি রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের বসবাসের স্থানগুলো যেন নিরাপদ হয় এবং এখানে কোন নারী ও শিশুরা যেন বঞ্চনার শিকার না হয় , তাদের সম্পদ, অর্থ যেন কেউ হাতিয়ে নিতে না পারে , সে দিকে সরকার কে লক্ষ্য রাখতে হবে।”

আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ উইমেন জার্নালিস্টস ফোরামের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রোজী ফেরদৌস বলেন, “রোহিঙ্গা নারী, শিশুসহ সকলের মানবিক বিপর্যয়ের খবরে আমাদের অন্তরে প্রতিনিয়ত রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে। এ জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি নানাভাবে চাপ প্রদান সহ প্রয়োজনে তাদের শাস্তি প্রদানের জন্য বিশ্বের সকল দেশকে এগিয়ে আসতে হবে। শত শত নারী গর্ভবতী দেখা যাচ্ছে। এত নারী কেন গর্ভবতী তা নিয়ে আমাদের মনে প্রশ্ন ছিল। জানা গেল ধর্ষণের ভয়ে তারা গর্ভধারণ করে। কী সাংঘাতিক ব্যাপার! প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ আসছে সে জন্য আমাদের সাধ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আর হজ্জ্বের স্মৃতিচারণ প্রসঙ্গে বলবো, এটা আমার স্বপ্ন পূরণের অভিজ্ঞতা। ঐ পবিত্র ভূমিতে গেলে মন অন্যরকম হয়ে যায়। ঈমানের মজবুতি আসে। প্রত্যেক সামর্থ্যবানের হজ্জ্ব করা উচিত। ”

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মরিয়াম মানসুর বলেন, “আমি এখন খবর পড়তে পারি না, খবর দেখতে পারি না আমার কষ্ট হয়। সকল ধর্মে মানবহত্যা নিষিদ্ধ এবং মহাপাপ তাহলে কেন এই হত্যাকাণ্ড? শিশুদের পর্যন্ত হত্যা করা হচ্ছে তাদের তো কোনো দোষ নেই। এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।”

বাংলাদেশ উইমেন জার্নালিস্টস ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদা চৌধুরী বলেন, “আমাদের পররাষ্ট্রনীতিকে আরো মজবুত করতে হবে এবং রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে জাতিসঙ্ঘের মাধ্যামে মিয়ানমারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। বলা হচ্ছে ১০ লাখ রোহিঙ্গা এসেছে। এখনও আসছে। আমাদের দরিদ্র এই দেশ এত মানুষের ভার কীভাবে সহ্য করবে? এর একটা স্থায়ী সমাধান করতে হবে। আজ সমগ্র বিশ্ব বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। অনেক দেশ আবার বাংলাদেশের উপর রোহিঙ্গা ইস্যুকে জোর করে চাপিয়ে দিচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য অনেক মুসলিম দেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরব ভূমিকা পালন করছে। তাই, আমাদের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে মায়ানমারের উপর চাপ সৃষ্টির বিকল্প নেই ।”

সভাপতির বক্তব্যে বিশিষ্ট সংঙ্গীত শিল্পী ফাতেমা-তুজ-জোহরা বলেন, ” হেমন্তের এই সুন্দর সকালে, আমাদের কিছু অসুন্দর কথা বলতে হচ্ছে। ১৯৭১ সালে আমরা ছিলাম শরণার্থী। আমাদেরটা ছিল মুক্তিযুদ্ধ। আর রোহিঙ্গাদের এটা হচ্ছে মৃত্যুযুদ্ধ। এখানে কোন যুদ্ধ নেই। আছে শুধু মৃত্যুর খবর। বর্তমান বিশ্ব কী করবে তা জানি না, তবে আমাদের নির্লিপ্ত থাকার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের এই দুটি হাত খুব দুর্বল। এই হাত দুটো দিয়ে কিছু করতে পারছি না। আমাদের আন্তর্জাতিক সমর্থন দরকার। তা না হলে তো আমাদের পক্ষে একা কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের মনটা অনেক বড়। কিন্তু, সামর্থ্য ছোট । রোহিঙ্গাদের প্রতি সাহসিকতাপূর্ণ ভূমিকার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তাদের দায়িত্ব নেয়াটা খুব সহজ কাজ ছিল না। কিন্তু, এর শেষ কোথায়? তাদের তো নিজেদের বাড়িতে নিরাপদে, সসম্মানে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। হজ্জ্বের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, হজ্জ্ব করতে পারা আল্লাহ্‌র এক বিশেষ নেয়ামত প্রাপ্তি। আমার রাসুল যে পথে হেঁটেছেন, আমি সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছি, যে ধূলো বালিতে তার স্মৃতি জড়িয়ে আছে, তার উপর দিয়ে আমি হাঁটছি এ এক বিস্ময়কর আনন্দ। এটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।
received_10208823477658840
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ইয়াসমিন মুশতারীর গান পরিবেশনায় এক অন্যরকম আবহ তৈরী হয়। উপস্থিত সবাই অনুরোধ করলে, সভাপতি নিজের লেখা একটি নাতে রাসুল ও একটি নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সব শেষে একটি কেক কাটা হয়। এতে বাংলাদেশ সেন্টার ফর উইমেন সলিডারিটির মুক্ত মত প্রকাশ অনুষ্ঠানে আনন্দ এক ভিন্ন মাত্রা পায়। আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চীফ কো অর্ডিনেটর শাহিন আখতার আঁখি , উইমেন জার্নালিষ্টস ফোরামের প্রচার -প্রকাশনা এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের কো অর্ডিনেটর খাতুনে জান্নাত কণা, সাব কো অর্ডিনেটর আকলিমা ফেরদৌসী ও মুশফিকা সাদিয়া। উপস্থাপনায় ছিলেন-টিভি সংবাদ উপস্থাপক ফারজানা মাহবুবা।

 

img20171028_030847

নৈঃশব্দ্য

চলো ডুব দেই নৈঃশব্দ্যে,
চুষে নেই স্থির মুহূর্তগুলো।

পৃথিবীর বুকে অন্তত একবার
সবকটি ভাষার গলা টিপে ধরে
চলো নীরব হই, একটু দাড়াই।

দেখো, মুহূর্তটা কেমন অচেনা হয়ে উঠবে,
কোন তাড়া নেই, ইঞ্জিনের শব্দ নেই,
একটা আকস্মিক বিস্ময়ে একত্রিত হবো সবাই
আমি, তুমি, সে।

তিমিদের গায়ে আঘাত করা
থামিয়ে দিবে শীতল সাগরের মাঝিরা,
লবণ জমানো সেই লোকটা থেমে গিয়ে
চোখ রাখবে তাঁর আহত হাতের উপর।

যারা প্রস্তুতি নিচ্ছিল যুদ্ধের,
বিষাক্ত গ্যাস, আর আগুনের যোগান দিচ্ছিল যারা,
আচমকা জিতে যাবে তাঁরা কোন মৃতপ্রায় উত্তরজীবী ছাড়াই।
পরিষ্কার জামা গায়ে জড়িয়ে
এরা হেঁটে বেড়াবে ভাইদের সাথে,
ছায়ার নিচে, চুপচাপ।

চলো লেনদেন সেরে ফেলি
মৃত্যুর সাথে।

চলো একবার — না করি কিছুই,
হয়তো এই বিশাল নীরবতা
ব্যঘাত ঘটাবে আমাদের বিষণ্ণতায়।
হয়তো পৃথিবী আমাদের শেখাবে—
যখন নৈঃশব্দ্যে থেমে যায় সবকিছু,
পর মুহূর্তেই জেগে উঠে জীবন।

Shariful Islam
অক্টোবর ২৫, ২০১৭, ঢাকা ।
[উৎসাহ, নেরুদা’র কিপিং কোয়াইট]

 

img20171027_164312

“ডুব” বিশিষ্ট্য ব্যক্তিদের স্ট্যাটাস

ডুব হচ্ছে ২০১৭ সালের একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। ধারণা করা হচ্ছে এটি জীবনী সম্পর্কিত একটি নাট্য চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। চলচ্চিত্রটির প্রযোজনা করবেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার আবদুল আজিজ, এসকে মুভিজ এবং ইরফান খান ফিল্মসের ইরফান খান। চলচ্চিত্রটির শিল্পীগন হলেন ইরফান খান, নুসরাত ইমরোজ তিশা, রোকেয়া প্রাচী এবং পার্ণো মিত্র। গল্পটি তৈরি হয়েছে পরিবারের প্রধান সদস্যের মৃত্যুর পরে দুইটি পরিবারের অটুট বন্ধনের কাহিনী নিয়ে। যেখানে একজন মধ্যবয়স্ক লেখক এক তরুনীর প্রেমে পড়েন যিনি তার মেয়ের বন্ধু। চলচ্চিত্রটির প্রধান ভাষ্য হচ্ছে যে,”মৃত্যু সবসময় সব কিছু নিয়ে যায় না,অনেক সময় কিছু দিয়েও যায়।”
ডুব মুভি নিয়ে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাতকারে ফারুকী আইএনএসকে জানায়, “ডুব: নো বেড অফ রোজেস’ সিনেমাটি তৈরি করা আমার জন্য মোটেও সহজ ছিলো না। সিনেমার নামের মতই এটি ছিলো কষ্টসাধ্য, অর্থাৎ ‘নো বেড অফ রোজেস’। তবে দেশের বাইরে সিনেমাটি প্রশংসিত হয়েছে দেখে খুবই ভালো লাগছে।”

এ সময় তিনি আরও বলেন, “ডুব’য়ের মুক্তি নিয়ে এ পর্যন্ত যত বাধা ও সমস্যার মুখে পড়েছি আজকের আয়োজনে দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আমি সব ভুলে গিয়েছি। দেশের বাইরে অগণিত দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসায় সিক্ত হয়ে খুবই ভালো লাগছে। এখন অপেক্ষায় আছি কবে বাংলাদেশের দর্শক ছবিটি দেখতে পাবে।”

ডুব নিয়ে বিশিষ্ট্য ব্যক্তিরা,

ইরফান খান বলেছেন, ” ‘ডুব’ করার একমাত্র কারণ ফারুকী ”

Nusrat Imrose Tisha…পেজ থেকে,
“ডুব চলছে…..।

Anisul Hoque স্যারে পেজ থেকে,
“দেশের চাইতে বিদেশেই তো হলের সংখ্যা বেশি। আগামীকাল বাংলাদেশের সিনেমার বিশ্বযাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। অভিনন্দন,
সংশ্লিষ্ট সবাইকে।”

গায়ক লুৎফর হাসান তার ফেসবুক পেজে লেখেছেন,
“Mostofa Sarwar Farooki ভাই, কিছু মন খারাপের সংবাদেও আনন্দ আছে। খোঁজ নিলাম, দৌড়ঝাঁপ করলাম। ডুবের টিকেট শেষ। দমবন্ধ অবস্থায় আছি। হয়তো ম্যানেজ হবে, তবে এই টিকেট ফুরিয়ে যাওয়ার খবরে আনন্দিতই। শুভকামনা ভাই ”

কবি হাসনাউল রেজা ফিরোজ ফেসবুক স্ট্যাটাস,
“জাভেদের জীবনে এই দুই নারীর প্রভাব সবচেয়ে বেশী।একজন নুসরাত ইমরোজ তিশা, যিনি জাভেদের বড় মেয়ে।আরেকজন পার্নো মিত্র, যিনি জাভেদের দ্বিতীয় স্ত্রী।
বলার অপেক্ষা রাখেনা,দুজনেই অত্যন্ত অত্যন্ত সু অভিনেত্রী।
তাদের অভিনয় দেখার জন্য হলেও হলে গিয়ে দেখতে হবে “ডুব”…
#ডুব চলছে আপনার পাশের প্রেক্ষাগৃহে”

আহারে জীবন, আহা জীবন, জলে ভাসা পদ্ম জীবন।’
ডুব…..

 

img20171027_160039

নামে কি আসে যায়,কর্মই নামকে বড় করে -২

বর্তমানে আর একটি নাম অত্যন্ত জনপ্রিয় সেটি আনিসুল হক। হুমায়ুন নামধারীদের নামের শেষ অংশ মিল ছিলনা কিন্তু আনিসুল হক নামে যে তিনজন আছেন তাদের নামের কোথাও কোন বেমিল নেই।

১। আনিসুল হক (সাহিত্যিক)। (Anisul Hoque) । আজ যাকে আমরা সাহিত্যিক হিসেবে দেখছি তিনিও হুমায়ুন আহমেদের মতই অনেক গুলো প্রতিভার অধিকারী। বুয়েট থেকে পাশ করা এই অসাধারণ মানুষটি ইঞ্জিনিয়ারতো বটেই তার সাথে সাংবাদিক,সাহিত্যিক,নাট্যকার এবং বেশ ভাল মানের আর্টিস্টও বটে।
মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বদেশ প্রেম নিয়ে লেখা তার রচনা গুলো আমাদেরকে দেশ প্রেম শেখায় নিয়ে যায় উত্তাল সেই দিনগুলোতে। মনের মধ্যে বীরত্ব জন্ম দেয়।
প্রেমের উপন্যাস গুলোতে আমাদের জীবনের চতুর্থপর্বে এসেও প্রেম জাগায়,মনে হয় যেন এই বৃদ্ধ বয়সেও আমি এক তরুন কলেজ স্টুডেন্ট।

নিছক ছোটদের আনন্দ দেয়ার জন্য তিনি যখন গুড্ডু বুড়োকে নিয়ে নানা কান্ড ঘটাতে লাগলেন আমরা অবাক হয়ে দেখলাম সেটা কেবল ছোটরাই নয় সেই সাথে বড়রাও গো গ্রাসে গিলছে।

তার লেখা গদ্য কার্টুন কার না ভাল লাগে।

আচ্ছা ধরুন সব কিছু বাদ। এই আনিসুল হক বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের যে মানের ভক্ত তার বিনিময়ে তার স্থান আমার দৃষ্টিতে এক নাম্বার হবে এটাইতো স্বাভাবিক। তিনি বাংলাদেশকে এবং বাংলাদেশ দলকে যেভাবে সাপোর্ট করেন তার মুগ্ধকর।

২। আনিসুল হক (মেয়র)। এই আনিসুল হক সাহিত্যিক আনিসুল হকের থেকে বয়সে প্রবীন।তিনি আগে লাইম লাইটে ছিলেন না। ব্যক্তিগত ভাবে আমি তাকে চিনতাম এবং তার সাথে কয়েকবার আমার দেখাও হয়েছে। তখন তাকে আমার ঠিক সেরকম লাগেনি। বরং তিনি যখন মেয়র পদে দাড়ালেন আমার মনে হলো এই লোকটা নির্বাচিত হলে কিছুই করবেন না।

আহ আমার ধারণা ভুল প্রমান করে দিয়ে তিনি নির্বাচিত হওয়ার সামান্য এ কয়দিনের ব্যবধানে যা করেছেন আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান বলে যে প্রয়াত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ থেকে সাদেক হোসেন খোকাও তা করেন নি। হ্যা আমি দেখেছি একই সাথে এলাকার সব রাস্তা খুড়ে কাজ শুরু করেছেন। ভোগান্তি হচ্ছে কিন্তু তিনি কোন কাজ ফেলে রাখেন নি। তর তর করে এগিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচিত হওয়ার পর তার সাথে দেখা হলো। আমার মত সাধারণ মানুষকে হতবাক করে দিয়ে তিনি হাসিমুখে কথা বললেন। এবং আমার মনে হলো নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি যতটা বন্ধুভাবাপন্ন ছিলেন নির্বাচিত হওয়ার পর তা বেড়ে গিয়েছে কয়েক গুন। এবং দেখবেন অবধারিত ভাবেই তিনি আপনার মনেও জায়গা দখল করে নেবে। যদিনা আপনি ঘোর বিরোধী না হন।

৩। আনিসুল হক (আইন মন্ত্রী)। তিন আনিসুল হকের মধ্যে শেষ জন হলেন বয়সে সব থেকে প্রবীন আইন মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি আইনমন্ত্রী হওয়ার পর অনেক কিছু হয়েছে। অনেকের চোখ ভিজে উঠেছে আনন্দ অশ্রুতে এবং কারো কারো হয়তো বেদনায়।

তাই দেখা যাচ্ছে বাংলার আকাশে হুমায়ুন আর আনিসুল হক নাম দুটোতে একাধিক ব্যক্তি খ্যাতিমান হয়েছেন মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।

তাহলে আসুন আমি আপনি আমাদের সন্তানদের নামও ওরকম কারো সাথে মিলিয়ে রাখলে সন্তান তার মত হবে এই ধারনা থেকে বেরিয়ে আসি এবং তাদের মেধা বিকাশে আন্তরিক সহযোগিতা দেখাই। হয়তো সহযোগিতা পেলে সেই ছেলেটিই একদিন নাম কামাবে।
কুসুম কুমারী দাশের সেই কবিতার মত
“আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে?
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।”

হ্যা হুমায়ুন আর আনিসুল হক নামধারী মানুষ গুলো শুধু কথায় নয় কাজে বড় হয়েছেন। তাদের জন্য স্যালুট।
………………………..
#জাজাফী
উত্তরা

 

img20171026_131919

নামে কি আসে যায়,কর্মই নামকে বড় করে-১

ধরুন, শখ করে আমার ছেলেটির নাম রাখা হল আইনস্টাইন কিংবা মুশফিকুর রহিম! তাই বলে আমার ছেলেটাও ওই নাম পেয়ে তর তর করে বেড়ে উঠবে আর হয়ে যাবে আইনস্টাইন কিংবা মুশফিকুর রহিম এটা ভাবার কোন কারণ নেই। তবে হ্যা তার যদি চেষ্টা থাকে এবং ভাগ্য থাকে তবে সে হয়তো তার নামটাকে বড় করতে পারবে,মানুষের মনে স্থান করে নিতে পারবে।

অতীতে এবং বর্তমানে একই নাম নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন প্রজন্মে জন্ম নিয়ে কিংবা একই প্রজন্মে জন্মনিয়ে কেউ কেউ একে অন্যকে খ্যাতির দিক থেকে পেরিয়ে গেছে। কখনো কখনো বা তাদের একজনকে অন্যজনের সাথে তুলনা করা বোকামী বলে মনে হবে কারণ এক একজনের ক্ষেত্র এক এক রকম। কিন্তু জগতে কাউকে না কাউকেতো বড় করে দেখতেই হয়।

একদিন যেমন শাহীদ আফ্রিদির রেকর্ডকে মনে হত কেউ ভাংগেই পারবেনা কিন্তু সেটাও ভুল প্রমান করে দিয়ে আরো অনেকেই সেই রেকর্ড ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে। ঠিক একই ভাবে কারো কারো খ্যাতিকে ছাড়িয়ে গেছে তারই নামে নামধারি অন্য কেউ।

বাংলাদেশে এমন অন্তত বেশ কয়েকটি নাম আছে যে নাম নিয়ে একই সাথে বেশ কয়েকজন খ্যাতির শীর্ষে আরহোন করেছেন।

প্রথমে আসি হুমায়ুন নামটা নিয়ে। না তাই বলে আমি ইতিহাসের পাতা থেকে সম্রাট হুমায়ুনকে আমার এই ক্ষুদ্র লেখাতে টেনে আনতে চাইছিনা। তিনি বরং ইতিহাসের পাতাতে বসেই আমাদের দিকে তাকিয়ে দেখুন যে তাকে রেখেও আমরা অন্য হুমায়ুনদের নিয়ে আলোচনা করতে পারি।

বাংলার আকাশে সম্রাট হুমায়ুন নয় আরো কয়েকজন হুমায়ুন চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছিলেন তারা হলেন ১। হুমায়ুন আহমেদ ২। হুমায়ুন ফরিদী ৩। হুমায়ুন আজাদ ৪। হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।

সিরিয়াল অনুযায়ি হুমায়ুন আহমেদকে এক নাম্বার স্থান দিয়েছি এটা একান্তই আমার মতামত। চাইলে আপনি তাকে দুই নাম্বার বা চার নাম্বারেও নিয়ে যেতে পারেন। কারণ জানেনতো আকাশে চাদ একটাই। সেই চাদকেই হুমায়ুন আহমেদ দেখলেন অসম্ভব সুন্দর রুপে আবার সুকান্ত দেখলেন ঝলসানো রুটি রুপে আবার প্রেমিক তার প্রেমিকাকে চাদের সাথে তুলনা করতে চায়না কারণ চাদের কলঙ্ক আছে।

তাই প্রত্যেকেরই নিজের চিন্তাকে প্রকাশ করার স্বাধীনতা আছে।

আমি হুমায়ুন আহমেদকে এক নাম্বারে রেখেছি কারণ তিনি কেবল মাত্র একজন সাহিত্যিক ছিলেন না। তিনি প্রথমে বিজ্ঞানে পিএইচডি ধারি ছাত্র তার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সেখান থেকে সাহিত্যিক,নাট্যকার,এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা রুপে আবির্ভূত হলেন। বাকিদের মধ্যে এক সাথে এতো গুলো প্রতিভা আমি দেখিনি। ও হ্যা তিনি অসাধারণ ম্যাজিক পারতেন এবং আমাদের প্রিয় জুয়েল আইচকে আমি নিজে বলতে শুনেছি “হুমায়ুন আহমেদ পামিং এ আমার থেকেও ভাল এবং বাংলাদেশে এক নাম্বার!}–(জুয়েল আইচ)।

পামিং হচ্ছে কয়েন হাতে নিয়ে পুর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই দেখানো যায় এমন এক ম্যাজিক যা দিয়ে চোখের নিমিষে কয়েন অদৃশ্য করে ফেলা হয়।
হুমায়ুন আহমেদের ম্যাজিক মুনশি এবং কালো যাদুকর বই দুটিতে ম্যাজিকের অনেক কিছু বলা হয়েছে আর হ্যা তিনি আর্ন্তজাতিক ম্যাজিশিয়ান সোসাইটির সদস্য ছিলেন।
একই সাথে তিনি বেশ ভাল ছবিও আকতেন। এই হুমায়ুন আহমেদকে তাই এক নাম্বার হুমায়ুন বলেই চিনতে চেয়েছি।

* হুমায়ুন ফরিদী একজন কোন মানের অভিনেতা ছিলেন সেটা আমি না লিখলেও অন্যরা নিশ্চই সেটা জানেন। তার অভিনয় শৈলি তার ব্যক্তিত্ব এবং তার আবৃত্তি নিয়ে কারো কোন দ্বিমত আমি কখনোই দেখিনি। ব্যক্তি হুমায়ুন ফরিদিও ছিলেন অসম্ভব সদালাপি।

* হুমায়ুন আজাদকে অনেকেই পছন্দ করেন না। আবার অনেকে শুদ্ধপুরুষ রুপে তাকে দেখেন।
আমি হুমায়ুন আজাদকে দুই তিনটা বই দিয়েই বিবেচনা করতে চাই। “আব্বুকে মনে পড়ে” বইটা পড়ে দেখুন। আমার মনে হয় আপনি না খেয়ে মরে গেলেও কোন দিন বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসার কথা চিন্তাও করতে পারবেন না। এবং যারা বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে এসেছেন তাদেরকে ওই বইটা জোর করে পড়িয়ে দিন। দেখবেন কাদতে কাদতে গিয়ে সেই দিনই বাবাকে বৃদ্ধাশ্রম থেকে বাসায় নিয়ে আসবে। তার স্ত্রী পুত্র যদি সেটা পছন্দ না করেন তবে হয়তো তাদেরকে এক হাত দেখে নিতেও দ্বিধা করবেনা। আর হ্যা “লাল নীল দিপাবলী” পড়ুন। বাংলা সাহিত্যের জন্মকথা এমন ভাবে লিখেছেন যে আপনি মুগ্ধ না হয়ে যাবেন না। অথচ আপনি কেবল পড়ে আছেন তার “পাক সার জমিন সাদ বাদ” নিয়ে।

* হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে তিনিও সফল একজন মানুষ।

এই চার হুমায়ুন বাংলার আকাশে উজ্জল করে রেখে গেছেন তাদের নাম।”

#জাজাফী
উত্তরা,ঢাকা-১২৩০

 

img20171025_225753

রূপচর্চায় বরফ-লেবু এবং হাটা

ত্বক এবং শরীর যতবেশি সতেজ থাকে তাকে ততবেশি আকর্ষণীয় দেখায়। তাই লেবু ও বরফের পাশাপাশি হাটার কোন বিকল্প নেই। অপরূপ সতেজ ত্বক এবং স্বাস্থ্যের জন্য সঠিক পদ্ধতি জানা দরকার।

♥দীর্ঘ সময় মেকআপ ধরে রাখতে: মেকআপ শুরু করার আগে এক টুকরো বরফ নিয়ে ভাল করে মুখে ঘষে নিন। যখন দেখবেন জলটা একেবারে শুকিয়ে গেছে, তখন মেকআপ শুরু করুন। এমনটা করলে ফাউন্ডেশন খুব ভাল ভাবে ত্বকে শোষিত হয়।

♥সাধারণভাবে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শশার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরী করে নিন। কটন বলের সাহায্যে পুরো মুখে লাগাতে থাকুন। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সাথে সাথে যদি জ্বালা করে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। তারপর বরফ লাগান।

♥ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার ক্ষেত্রে লেবুর রস ও দুধের মিশ্রণও বেশ কার্যকরী। একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে তার রস বের করে নিন। এবার তার সাথে ১০ টেবিল চামচ তরল দুধ ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন। ধীরে ধীরে পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন, যতক্ষণ পর্যন্ত পুরো মিশ্রণটা ত্বক শোষণ করে। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

♥ত্বককে টানটান করে: একটা কাপড়ের টুকরো নিয়ে তাতে পরিমাণ মতো বরফ নিয়ে নিন। এবার সেটি ভাল করে মুখে ঘষুন কিছুক্ষণ। প্রচন্ড ঠান্ডা হওয়ার কারণে বরফ ঘষা মাত্র মুখে রক্ত চলাচল খুব বেড়ে যায়, ফলে ত্বক টানটান হয়ে ওঠে।

♥চোখের ফোলাভাব কমায়: একটা কাপড়ে পরিমাণ মতো বরফের টুকরো নিয়ে নিন। এমনটা করলে চোখের ফোলা ভাব যেমন কমে যাবে, তেমনি ডার্ক সার্কেলের সমস্যাও দূর হবে।

♥পুড়ে যাওয়া ত্বককে স্বাভাবিক করে: বরফের প্রচন্ড ঠান্ডা হওয়ার কারণে এটি ত্বকে ঘষলে সে জায়গার তাপমাত্রা নিমেষে কমে যায়। তারপর ডিমের সাদা অংশের সাথে অর্ধেকটা লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ কমলালেবুর রস, কুসুম গরম পানি দিয়ে পেস্টের মতো করে মিশিয়ে নিন।

♥হাঁটা রক্তের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। শরীরের রক্তচাপের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

♥প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট হাঁটা শরীরের ক্যালোরি ঝড়াতে সাহায্য করে। এতে ওজন কমে। তাই ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই হাঁটুন।

♥নিয়মিতা হাঁটা হাড় ও পেশির শক্তি বাড়ায়। প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিনিট হাঁটা হাড়কে ভালো রাখে। বিশেষ করে পায়ের স্বাস্থ্য ভালো করে।

♥হাঁটা এনড্রফিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এনড্রোফিন মস্তিষ্কের এক ধরনের রাসায়নিক উপাদান। এটি মেজাজকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।